BDBOYS...
BDBOYS...
সবচেয়ে সাম্প্রতিক খবর ও পোস্টসমূহ
ঘটনাবলি১০৪৬ - নাসের খসরু সাত বছরের জন্য মধ্যপ্রাচ্যের ভ্রমণ শুরু করেন, যার বিবরণ পরে তার ‘সাফামামা’ বইটিতে দিয়েছিলেন। ১৬১৬ - ক্যাথলিক চার্চ কর্তৃপক্ষ নিকোলাস কোপার্নিকাসের বই বাতিল করেছিল। ১৭৫৩ - ব্রিটিশ জাদুঘরের প্রতিষ্ঠা করা হয়। ১৭৯৪ - ফরাসি বিপ্লবের অন্যতম নায়ক হিসেবে পরিচিত জর্জ ডাটনকে গিলোটিনের মাধ্যমে প্রাণদণ্ড কার্যকর করা হয়। ১৮৮০ - শিবপুর বেঙ্গল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৮৯৯ - দক্ষিণ আফ্রিকা ৩৫ রানে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অল আউট হয়। ১৯১৮ - জার্মান বাহিনী তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে অপারেশন মাইকেলের সমাপ্তি ঘোষণা করে। ১৯৩১ - ব্রিটিশ গভর্নর জেনারেল ও মহাত্মা গান্ধীর মধ্যে চুক্তি সই হয়েছিল রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি ও গরিবের জন্য লবণের অধিকার সংরক্ষণের। ১৯৪৪ - সুভাষচন্দ্র বসু রেঙ্গুনে আজাদ হিন্দ ব্যাংক স্থাপন করেন। ১৯৪৫ - যুগোশ্লাভিয়ায় সোভিয়েত সেনাদের প্রবেশের অনুমতি দিয়ে দেশটির নেতা টিটো ক্রেমলিনের সঙ্গে একটি চু্ক্তি স্বাক্ষর করেন। ১৯৪৭ - গ্লোরিয়া মাকাপাগাল আরোইয়ো ফিলিপাইনের ১৪তম প্রেসিডেন্ট হন। ১৯৫১ - তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছে পরমাণু বিষয়ক গোপন তথ্য পাচারের দায়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানী দম্পতি জুলিয়াস এবং ইথেল রোজেনবার্গকে প্রাণদণ্ড দেয়া হয়। ১৯৬০ - কিউবান ফটোগ্রাফার আলবার্তো কোবা মার্কসিস্ট বিপ্লবী চে গুয়েভারার বিখ্যাত ছবিটি তুলেছিলেন। ১৯৬৪ - লন্ডনে প্রথম চালকবিহীন স্বয়ংক্রিয় পাতালরেল চালু হয়। ১৯৭১ - সিসিলিতে এটসা আগ্নেয়গিরি অগ্নুৎপাতে প্রচুর লাভা উদগিরণ হয়। ১৯৯৫ - বার্লিনে জলবায়ু সংক্রান্ত জাতিসংঘ সম্মেলন শুরু হয়।জন্ম১৫৮৮ - টমাস হব্স, ইংরেজ দার্শনিক। ১৮২৭ - জোসেফ লিস্টার, ব্রিটিশ শল্যচিকিৎসক এবং আধুনিক শল্যচিকিৎসার জনক। ১৮৮২ - অবিনাশচন্দ্র ভট্টাচার্য, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন ব্যক্তিত্ব ও অগ্নিযুগের বিপ্লবী। ১৮৯৫ - চার্লি হ্যালোস, ইংল্যান্ডের ব্যাটসম্যান। ১৯০০ - স্পেন্সার ট্রেসি, মার্কিন অভিনেতা। ১৯০১ - মেলভিন ডগলাস, মার্কিন অভিনেতা। ১৯০৫ - শিল্পপতি একে খান। ১৯০৮ - বেটি ডেভিস, মার্কিন অভিনেত্রী। ১৯১৬ - গ্রেগরি পেক, মার্কিন অভিনেতা। ১৯২৯ - গোলাম সামদানী কোরায়শী, বাংলাদেশের বিশিষ্ট সহিত্যিক, গবেষক ও অনুবাদক। ১৯৩৮ - কলিন ব্ল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার। ১৯৪৭ - গ্লোরিয়া মাকাপাগাল আরোইয়ো, ফিলিপাইনের ১৪তম প্রেসিডেন্ট। ১৯৫৫ - আকিরা তোরিয়ামা, জাপানি মাঙ্গা চিত্রশিল্পী ও ভিডিও গেম শিল্পী। ১৯৬৮ - মহান মহারাজ নামে পরিচিত স্বামী বিদ্যানাথানন্দ, ভারতীয় গণিতবিদ ও রামকৃষ্ণ মিশনের সন্ন্যাসী। মৃত্যু ১৯৩২ - প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়, বাঙালি সাহিত্যিক। ১৯৩৮ - ওয়েস্ট ইন্ডিজের উইকেটকিপার কিরিল ক্রিশ্চিয়ানি। ১৯৩৯ - উইলিয়াম কুপার, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার। ১৯৪০ - দীনবন্ধু চার্লস ফ্রিয়ার এন্ড্রুজ, ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের একনিষ্ঠ সেবক। ১৯৭৫ - চীনা রাজনৈতিক ও সামরিক নেতা চিয়াং কাই শেক। ১৯৮০ - প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি সাঁতারু প্রফুল্ল ঘোষ। ২০০০ - কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, ভারতীয় বাঙালি রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী। অমর গঙ্গোপাধ্যায়, বাংলা রঙ্গমঞ্চের বিখ্যাত নাট্য ব্যক্তিত্ব। ২০০৭ - লীলা মজুমদার, ভারতীয় বাঙালি লেখিকা। ২০০৮ - চার্লটন হেস্টন, মার্কিন অভিনেতা ও রাজনৈতিক কর্মী। ২০০৯ - জর্জ ট্রাইব, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।
আজকের আবহাওয়ার পূর্বাভাসআজকের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আজ রংপুর, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমক হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। টাঙ্গাইল, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা এবং পটয়ুাখালী জেলাসহ খুলনা বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারী ধরনের তাপ প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে যা অব্যাহত থাকতে পারে।তাপমাত্রা: সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।তাপপ্রবাহ: টাঙ্গাইল, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা এবং পটয়ুাখালী জেলাসহ খুলনা বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারী ধরনের তাপ প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে যা অব্যাহত থাকতে পারে।বৃষ্টিপাত: রংপুর, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমক হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।আবহাওয়ার খবরগত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল চুয়াডাঙ্গা, সব্বোর্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এবং দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল সিলেট, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৯.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।সিনপটিক অবস্থা: লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘচুাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।সামুদ্রিক সতর্কবার্তা: কোন সতর্কবার্তা নেই এবং কোনো সংকেত দেখানো হয়নি।নদীবন্দর সমূহের জন্য সতর্কবার্তা: সিলেট অঞ্চলের উপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘন্টায় ৪৫-৬০ কি.মি. বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ১ নম্বর, পুনঃ ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।গত ২৪ ঘন্টার সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা:সব্বোর্চ তাপমাত্রা: চুয়াডাঙ্গা - ৩৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।সর্বনিন্ম তাপমাত্রা: সিলেট - ১৯.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।আজকের সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত (ঢাকা):আজকের সূর্যোদয় ভোর ৫:৪৬ মিনিটে।আজকের সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৬:১৭ মিনিটে।
মেষ রাশি: আপনি আজ একটি দীর্ঘমেয়াদী অসুস্থতা থেকে পরিত্রাণ পেতে পারেন। কোথাও ভ্রমণের মাধ্যমে আপনি আজ ক্লান্ত হয়ে পড়লেও আর্থিক দিক থেকে লাভবান হবেন। আপনার রসিক মনোভাব খুব সহজেই সবাইকে আকৃষ্ট করবে। ভালোবাসার মানুষের সঙ্গে আজ আপনি পরিবারের একটি অসুবিধার কথা ভাগ করে নিতে পারেন। আপনার কাছে আজ কিছুটা অবসর সময় থাকবে। সেটি আপনি নিজের পছন্দমতো অতিবাহিত করবেন। আপনি আজ একটি ধর্মীয় স্থানে বেড়াতে যেতে পারেন। অর্ধাঙ্গিনীর শরীর হঠাৎ খারাপ হয়ে যাওয়ার কারণে আপনি ব্যস্ত হয়ে পড়বেন।প্রতিকার: আর্থিক দিক থেকে উন্নতির লক্ষ্যে প্রয়োজনের সময়ে কাউকে সাহায্য করুন এবং প্রতিটি কাজ আনন্দের সঙ্গে ও বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে করুন।বৃষ রাশি: কোথাও অর্থ বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এই দিনটি খুব একটা ভালো নয়। তাই, এদিক থেকে অবশ্যই সতর্ক থাকুন। প্রত্যেকের সঙ্গে ঠান্ডা মাথায় কথা বলুন। আপনি আজ বন্ধুদের সঙ্গে সন্ধ্যা নাগাদ কোথাও বেড়াতে যেতে পারেন। প্রেমের জন্য এই দিনটি খুব একটা খারাপ নয়। কর্মক্ষেত্রের অতিরিক্ত চাপ এবং বাড়িতে চলা একটি বিরোধের কারণে আজ আপনার মেজাজ খিটখিটে হয়ে উঠতে পারে। আজ নিজের জন্য কিছুটা সময় বের করে আপনার মধ্যে থাকা ঘাটতিগুলি পূরণ করার চেষ্টা করুন। এর ফলে আপনার ব্যক্তিত্বে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। বিবাহিত জীবন নিঃসন্দেহে সুখের হবে।প্রতিকার: জীবনে খুশি বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাড়িতে সাদা ফুলের গাছ লাগিয়ে সেটিকে যত্নে রাখুন।মিথুন রাশি: আপনি আজ একটি সৃজনশীল কাজে ব্যস্ত থাকতে পারেন। মন থেকে সমস্ত নেতিবাচক চিন্তাকে দূরে সরিয়ে রাখুন। একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনা সঠিকভাবে সম্পন্ন হওয়ায় আপনি আর্থিক দিক থেকে লাভবান হবেন। পরিবারের সদস্যদের হাসিখুশি মনোভাব আজ বাড়ির পরিবেশকে উজ্জ্বল করে তুলবে। প্রেমের জীবনে আজ আপনি একটি চমকের সম্মুখীন হবেন। আপনার মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্ব আজ খুব সহজেই সবাইকে আকৃষ্ট করবে। আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির লক্ষ্যে আপনি আজ একজন সুপরিচিত ব্যক্তিত্বের আত্মজীবনী পড়তে পারেন। বিবাহিত জীবনে কোনও সমস্যার সম্মুখীন হলে নিজেরাই তা মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা করুন।প্রতিকার: শারীরিক দিক থেকে সুস্থ থাকার লক্ষ্যে দুধ মেশানো জলে স্নান করুন।কর্কট রাশি: কোথাও অর্থ বিনিয়োগ করার ক্ষেত্রে এই দিনটি খুব একটা ভালো নয়। তাই, এদিক থেকে অবশ্যই সতর্ক থাকুন। সামগ্রিকভাবে আজকের দিনটি অত্যন্ত ব্যস্ততার মধ্যে অতিবাহিত হলেও আপনি ক্লান্ত হয়ে পড়বেন না। তাড়াহুড়ো করে আজ কোনও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন না। পরিবারের সদস্য এবং বন্ধুদের সঙ্গে দিনটি দুর্দান্তভাবে অতিবাহিত হবে। অযথা অর্থব্যয় থেকে বিরত থাকুন। প্রেমের জীবনে আজ আপনি একটি চমকের সম্মুখীন হবেন। বিবাহিত জীবন নিঃসন্দেহে সুখের হবে।প্রতিকার: আর্থিক দিক থেকে উন্নতির লক্ষ্যে বাড়ির দরজা-জানালার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করুন।সিংহ রাশি: মন ভালো রাখার জন্য আজ আপনি কিছু আকর্ষণীয় বই পড়তে পারেন। এই রাশির কিছু ব্যবসায়ী তাঁদের ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের সহায়তায় আর্থিক দিক থেকে লাভবান হতে পারেন। আপনি আজ একটি কাজে পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে সমর্থন পেতে পারেন। প্রেমের জীবনে আজ আপনি একটি চমকের সম্মুখীন হবেন। বন্ধুদের সঙ্গে আজকের দিনটি দুর্দান্তভাবে অতিবাহিত হবে। মদ্যপানের বদভ্যাস পরিত্যাগ করুন। পরিবারের একজন সদস্য আজ তাঁর কোনও অসুবিধার কথা আপনার সঙ্গে ভাগ করে নিতে পারেন। তাঁকে সঠিক পরামর্শ দিন। অর্ধাঙ্গিনীর কারণে আজ আপনি বিচলিত হতে পারেন।প্রতিকার: প্রেমের জীবন সুখকর করে তোলার লক্ষ্যে দৃষ্টিহীন ব্যক্তিদের সঙ্গে খাবার ভাগ করে নিন।কন্যা রাশি: আপনি আজ একটি কাজে বন্ধুদের কাছ থেকে সাহায্য পাবেন। যার ফলে আপনার মন ভালো হয়ে যাবে। বাড়ির কিছু গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্র কিনতে গিয়ে আপনার আজ বিপুল অর্থব্যয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। আপনি আজ খুব সহজেই সবাইকে আকৃষ্ট করতে পারবেন। তাড়াহুড়ো করে আজ কোনও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন না। আজ কাউকে এমন কোনও প্রতিশ্রুতি দেবেন না যেটি আপনার পক্ষে রাখা অসম্ভব। আপনারা কোথাও ভ্রমণের সম্ভাবনা থাকলে অবশ্যই জিনিসপত্রগুলি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে রাখুন। রূপচর্চার ক্ষেত্রে আজ আপনি বিপুল অর্থব্যয় করতে পারেন। বিবাহিত জীবনে সুখ এবং শান্তি বজায় থাকবে।প্রতিকার: আর্থিক দিক থেকে উন্নতির লক্ষ্যে অবশ্যই একটি কালচে-নীল কাপড়ের মধ্যে গোলমরিচ, ছোলা এবং কয়লার টুকরো বেঁধে তা স্রোতযুক্ত জলে নিক্ষেপ করুন।তুলা রাশি: মন থেকে অবশ্যই সমস্ত নেতিবাচক চিন্তাকে দূরে সরিয়ে রাখুন। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অবশ্যই কিছুটা সময় অতিবাহিত করুন। আর্থিক দিক থেকে আজকের এই দিনটি নিঃসন্দেহে ভালো। আপনি আজ একটি ধর্মীয় স্থানে অথবা আত্মীয়ের বাড়িতে যেতে পারেন। প্রেমের জীবনে আজ আপনি একটি চমকের সম্মুখীন হবেন। দূরে কোথাও সকলের মাধ্যমে আপনি ক্লান্ত হয়ে পড়লেও কিছু গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ তৈরি হবে। আপনার আজ পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে সাক্ষাতের সম্ভাবনা রয়েছে। যার ফলে কিছু পুরনো স্মৃতির রোমন্থন ঘটবে। বিবাহিত জীবনে কোনও সমস্যার সম্মুখীন হলে নিজেরাই তা মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা করুন।প্রতিকার: শারীরিক দিক থেকে সুস্থ থাকার লক্ষ্যে খাটের চারটি পায়াতে তামার পেরেক লাগান।বৃশ্চিক রাশি: শরীর এবং মনকে সুস্থ রাখার লক্ষ্যে অবশ্যই নিয়মিতভাবে ধ্যান ও যোগ ব্যায়াম করুন। এর ফলে আপনার আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে। এই রাশির কিছু অভিভাবক তাঁদের সন্তানদের মাধ্যমে আর্থিক সুবিধা অর্জন করবেন। যার ফলে, তাঁরা অত্যন্ত আনন্দিত হবেন। আপনার মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্ব আজ খুব সহজেই সবাইকে আকৃষ্ট করবে। আপনি আজ খুব সহজেই কিছু নতুন বন্ধু তৈরি করতে সক্ষম হবেন। অতীতের একটি সুখের স্মৃতি আজ আপনি রোমন্থন করতে পারেন। আপনার কাছে আজ কিছুটা অবসর সময় থাকলেও আপনি সেটি একাকী অতিবাহিত পড়তে পছন্দ করবেন। এই রাশির পড়ুয়াদের পড়াশোনার বিষয়ে অবশ্যই মনোযোগী হতে হবে। বিবাহিত জীবনে সুখ এবং শান্তি বজায় থাকবে।প্রতিকার: প্রেমের জীবন সুখকর করে তোলার লক্ষ্যে দুর্গা মন্দিরে প্রসাদ অর্পণ করুন।ধনু রাশি: শরীরের প্রতি আজ অবশ্যই যত্নশীল হন। মন থেকে আজ সমস্ত নেতিবাচক চিন্তাকে দূরে সরিয়ে রাখুন। আর্থিক দিক থেকে আজকের এই দিনটি খুব একটা ভালো নয়। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আজ আপনি একটি সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করতে পারেন। এর ফলে আপনার মন ভালো হয়ে যাবে। প্রেমের জীবনে আজ আপনি বেদনার সম্মুখীন হতে পারেন। কর্মক্ষেত্রে আজ দ্রুত ছুটি হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যার ফলে আপনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কোথাও বেড়াতে যেতে পারেন। একটি ভুল যোগাযোগের কারণে আজ আপনি কোনও সমস্যার সম্মুখীন হলেও সবকিছু ভালোভাবে সামলে নেবেন। আপনি আজ কোথাও বেড়াতে যেতে পারেন।প্রতিকার: শারীরিক দিক থেকে সুস্থ থাকার লক্ষ্যে সাদা চন্দনের তিলক কপালে লাগান।মকর রাশি: শরীর এবং মনকে সুস্থ রাখার লক্ষ্যে নিয়মিতভাবে ধ্যান ও যোগ ব্যায়াম করুন। এর ফলে আপনার আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে। আপনি আজ বাড়ির একটি খারাপ হয়ে যাওয়া বৈদ্যুতিক যন্ত্র সারাতে গিয়ে বিপুল অর্থব্যয় করতে পারেন। প্রতিটি কাজ আজ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে করলে আপনার লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আপনি আজ একটি পারিবারিক সমস্যার সমাধান করে ফেলতে পারেন। আপনার কাছে কিছুটা অবসর সময় থাকলেও আপনি সেটি একাকী অতিবাহিত করতে পছন্দ করবেন। আপনি আজ সৃজনশীলভাবে কিছু কাজ করবেন। বিবাহিত জীবনে সুখ এবং শান্তি বজায় থাকবে।প্রতিকার: আর্থিক দিক থেকে উন্নতির লক্ষ্যে অনন্তমূলের শিকড়ে লাল রঙের কাপড়ে বেঁধে নিজের কাছে রাখুন।কুম্ভ রাশি: শরীরের প্রতি অবশ্যই যত্নশীল হন। পরিবারের সদস্য এবং বন্ধুদের সঙ্গে দিনটি দুর্দান্তভাবে অতিবাহিত হবে। বাড়িতে আজ অতিথিদের আগমন ঘটতে পারে। তাঁদের মাধ্যমে আপনার আর্থিক দিক থেকে লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রতিটি কাজ আজ মাথা ঠান্ডা রেখে করার চেষ্টা করুন। প্রেমের জন্য এই দিনটি খুব একটা খারাপ নয়। বিবাহিত জীবনে সুখ এবং শান্তি বজায় থাকবে।প্রতিকার: শারীরিক দিক থেকে সুস্থ থাকার লক্ষ্যে সর্ষের তেলে নিজের প্রতিচ্ছবি দেখার পর তা দান করে দিন।মীন রাশি: বাচ্চাদের সঙ্গে আজ অবশ্যই কিছুটা সময় অতিবাহিত করুন। এর ফলে আপনার মন ভালো হয়ে যাবে। অযথা অর্থব্যয় থেকে বিরত থাকুন। প্রেমের জীবনে আপনি এতে কি চমকের সম্মুখীন হবেন। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অবশ্যই কিছুটা সময় অতিবাহিত করুন। গৃহপরিচারিকা কাজে না আসায় অর্ধাঙ্গিনীর ব্যস্ততা বৃদ্ধি পাবে। আপনি আজ একজন বন্ধুর সাহায্যে একটি বড় সমস্যা থেকে রেহাই পাবেন।প্রতিকার: আর্থিক দিক থেকে উন্নতির লক্ষ্যে রাতে উনুনের আগুন দুধ দিয়ে নিভিয়ে দিন।
আইপিএলে আজ দুটি ম্যাচ। পিএসএলে মুলতান খেলবে কোয়েটার বিপক্ষে। সিরি আতে মুখোমুখি ইন্টার মিলান ও রোমা।অ-২০ নারী এশিয়ান কাপভারত-অস্ট্রেলিয়াবেলা ৩টা, টি স্পোর্টসতাইপে-জাপানসন্ধ্যা ৭টা, টি স্পোর্টসআইপিএলহায়দরাবাদ-লক্ষ্ণৌবিকেল ৪টা, স্টার স্পোর্টস ১, ২বেঙ্গালুরু-চেন্নাইরাত ৮টা, স্টার স্পোর্টস ১, ২পিএসএলমুলতান-কোয়েটারাত ৮টা, টি স্পোর্টসএফএ কাপওয়েস্ট হাম-লিডসরাত ৯-৩০ মি., সনি স্পোর্টস ২সিরি ‘আ’ইন্টার মিলান-রোমারাত ১২-৪৫ মি., ডিএজেডএন
বাংলাদেশের জনপ্রিয় হরর স্টোরিটেলিং প্ল্যাটফর্ম Bhoot.com আবারও শ্রোতাদের সামনে নিয়ে এসেছে এক শিহরণ জাগানো গল্প—Episode 322, যার কেন্দ্রবিন্দু “পিশাচিনী”। এই এপিসোডটি শুধু একটি ভূতের গল্প নয়, বরং অজানা অন্ধকার জগতের এক ভয়ংকর অভিজ্ঞতগল্পের সারসংক্ষেপEpisode 322–এ মূল গল্পটি একটি রহস্যময় নারী চরিত্রকে ঘিরে, যাকে “পিশাচিনী” বলা হয়। ধীরে ধীরে গল্পে উঠে আসে—একটি অভিশপ্ত পরিবেশঅস্বাভাবিক আচরণএবং এমন কিছু ঘটনা যা সাধারণ যুক্তি দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় নাগল্পের চরিত্ররা প্রথমে বিষয়টিকে কাকতালীয় ভেবে উড়িয়ে দিলেও, সময়ের সাথে তারা বুঝতে পারে—এটি কোনো সাধারণ ঘটনা নয়, বরং অতিপ্রাকৃত শক্তির উপসকেন এই এপিসোডটি বিশেষ?Bhoot.com–এর এই এপিসোডটি অন্যগুলোর থেকে আলাদা কয়েকটি কারণে:গভীর ভয়াবহতা: গল্পের পরিবেশ এতটাই ডার্ক যে শুনতে শুনতে গা শিউরে ওঠেরিয়াল ফিলিং: গল্পটি এমনভাবে বলা হয়েছে যেন বাস্তব ঘটনার মতো মনে হয়ধীরে ধীরে ভয় তৈরি: হঠাৎ জাম্প স্কেয়ার নয়, বরং ধীরে ধীরে টেনস্টোরিটেলিং স্টাইলএই এপিসোডে বর্ণনাকারীর ভয়েস মডুলেশন এবং ব্যাকগ্রাউন্ড সাউন্ড ব্যবহার সত্যিই প্রশংসনীয়।শ্রোতা যেন নিজেই গল্পের ভেতরে ঢুকে যায়—এমন অনুভূতি তৈরি হয Download link............................................................................................................................................................................ ⬇ Download
আজকের দিনটি সময়ের প্রবাহে একসময় ইতিহাসের অংশ হয়ে যায়। প্রতিদিনের ছোট-বড় ঘটনাই ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ দলিলে পরিণত হয়। ইতিহাসের পাতা ঘেঁটে আজকের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, পাশাপাশি জন্ম ও মৃত্যুতে স্মরণীয় ব্যক্তিত্বদের তথ্য তুলে ধরতেই আমাদের নিয়মিত আয়োজন ‘ইতিহাসে আজকের এই দিনে’।শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬ঘটনাবলি১৮৯৮ - বাংলা চলচ্চিত্রের জনক হীরালাল সেন কলকাতায় ক্লাশিক থিয়েটারে চলচ্চিত্র প্রদর্শনী করেন।১৯৪৯ - ন্যাটো প্রতিষ্ঠিত হয়।১৯৬০ – সেনেগাল স্বাধীনতা লাভ করে। সেনেগাল পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ। এর রাজধানীর নাম ডাকার। সেনেগাল নদী থেকে দেশটির নামকরণ করা হয়।১৯৬৮ - মার্কিন কৃষ্ণাঙ্গ নেতা মার্টিন লুথার কিং আততায়ীর হাতে নিহত হন।১৯৭২ - বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।১৯৭৫ - মার্কিন তথ্য প্রযুক্তি উদ্যোক্তা বিল গেটস ও পল অ্যালেন মাইক্রোসফট করপোরেশন প্রতিষ্ঠা করেন।১৯৭৯ - পাকিস্তানি সাবেক প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টোর ফাঁসি হয়। তিনি পাকিস্তান পিপলস্ পার্টির প্রধান ছিলেন। হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৯৭৯ সালে সামরিক আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করেন।১৯৮৪ – ভারতীয় নভোচারী রাকেশ শর্মা সোভিয়েত সহযোগিতায় মহাকাশ অভিযান করেন। তিনি ভারতীয় প্রথম নভোচারী। রাকেশ ছিলেন ইন্ডিয়ান এয়ার ফোর্সের পাইলট। তিনি সারা বিশ্ব ভ্রমণ করেছেন।জন্ম১৮৮৯ - মাখনলাল চতুর্বেদী, ভারতীয় কবি, সাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার এবং সাংবাদিক।১৯২৯ - আবুল খায়ের, বাংলাদেশি চলচ্চিত্র ও নাট্য অভিনেতা।১৯৩২ - অ্যান্থনি পারকিন্স, মার্কিন অভিনেতা।১৯৩৩ - সনজীদা খাতুন, রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী, লেখক, গবেষক, সংগঠক, সংগীতজ্ঞ এবং শিক্ষক।১৯৪১ - জিয়া উদ্দিন, দেওবন্দি ইসলামি পণ্ডিত, রাজনীতিবিদ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ ও আযাদ দ্বীনী এদারায়ে তালীম বাংলাদেশের সভাপতি, জামিয়া মাদানিয়া আঙ্গুরা মুহাম্মদপুরের মহাপরিচালক।১৯৪২ - চিত্রশিল্পী কালাম মাহমুদ।১৯৬০ - হুগো ওয়েভিং, নাইজেরীয়-অস্ট্রেলীয় অভিনেতা।১৯৬৫ - রবার্ট ডাউনি জুনিয়র, মার্কিন অভিনেতা।১৯৭৯ - হিথ লেজার, অস্ট্রেলীয় অভিনেতা।১৯৮৭ - সামি খেদিরা, জার্মান ফুটবলার।১৯৮৯ - স্টিভেন ফিন, ইংরেজ ক্রিকেটার।মৃত্যু১৮৫৭ - ঝালকারি বাঈ, ঝাঁসী রানী লক্ষ্মীবাঈয়ের বিশ্বস্ত সেনানী, সিপাহী বিদ্রোহের বীর যোদ্ধা।১৯২৮ - অনুরূপচন্দ্র সেন, ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন ব্যক্তিত্ব ও অগ্নিযুগের শহীদ বিপ্লবী।১৯৩২ - উইলহেম অসওয়াল্ড, নোবেল বিজয়ী জার্মান রসায়নবিদ।১৯৩৯ - গাজি বিন ফয়সাল, ইরাকের দ্বিতীয় বাদশাহ।১৯৫০ - সুন্দরীমোহন দাস, বাঙালি চিকিৎসক, স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং লেখক। উপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী ও সাংবাদিক।১৯৭১ - যোগেশচন্দ্র ঘোষ, প্রখ্যাত আয়ুর্বেদ শাস্ত্র বিশারদ এবং শিক্ষাবিদ। তিনি সাধনা ঔষধালয়ের প্রতিষ্ঠাতা।১৯৭৯ - জুলফিকার আলী ভুট্টো, পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী।১৯৮৩ - গ্লোরিয়া সোয়ানসন, মার্কিন চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন অভিনেত্রী ও প্রযোজক।১৯৯০ - মোহাম্মদ জাকারিয়া, বাঙালি অভিনেতা ও টেলিভিশন প্রযোজক।২০০৪ - সুখেন দাস, বাংলার প্রখ্যাত চলচ্চিত্র অভিনেতা ও পরিচালক।২০১৩ - রজার ইবার্ট, মার্কিন চলচ্চিত্র সমালোচক ও চিত্রনাট্যকার।২০২১ - দীপা চট্টোপাধ্যায়, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের স্ত্রী।
মেষ রাশি: আপনার দয়ালু মনোভাব আজ একাধিক খুশির মুহূর্ত বয়ে আনবে। তাড়াহুড়ো করে আজ কোনও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন না। কোথাও অর্থ বিনিয়োগ করার আগে আজ অবশ্যই সেই বিষয়ে সমস্ত তথ্য ভালোভাবে জেনে নেওয়ার চেষ্টা করুন। নতুন চুক্তি গুলি লাভজনক মনে হলেও আপনি কাঙ্ক্ষিত অর্থ নাও পেতে পারেন। অর্ধাঙ্গিনীর সঙ্গে ভালো বোঝাপড়া বাড়িতে সুখ-শান্তি এবং সমৃদ্ধি বয়ে আনবে। প্রিয়জনদের সঙ্গে দিনটি দুর্দান্তভাবে অতিবাহিত হবে। অপরিচিতদের কাছে নিজের গোপন তথ্য গুলো জানিয়ে দেবেন না। বিদেশে রয়েছেন এমন কারোর কাছ থেকে আজ আপনি একটি খারাপ সংবাদ পেতে পারেন। বিবাহিত জীবন নিঃসন্দেহে সুখের হবে।প্রতিকার: আর্থিক দিক থেকে উন্নতির লক্ষ্যে অবশ্যই মদ্যপানের বদভ্যাস পরিত্যাগ করুন এবং মাংস খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। এটি আপনার উপকারে আসবে।বৃষ রাশি: মন থেকে অবশ্যই সমস্ত নেতিবাচক চিন্তাকে দূরে সরিয়ে রেখে প্রতিটি কাজ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে করুন। কোথাও অর্থ বিনিয়োগ করার আগে অবশ্যই সেই বিষয়ে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের কাছ থেকে পরামর্শ গ্রহণ করুন। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কিছুটা সময় অতিবাহিত করুন। আপনার একটি ভালো কাজের পরিপ্রেক্ষিতে আজ অনেকেই আপনার প্রশংসা করবেন। প্রেমের জীবনে অবশ্যই বিবেচনার সঙ্গে প্রতিটি পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। আপনার কাছের কেউ আজ আপনাকে হতাশ করতে পারেন। জীবনসঙ্গীর সঙ্গে দিনটি দুর্দান্তভাবে অতিবাহিত হবে।প্রতিকার: পারিবারিক জীবনে সুখ এবং শান্তি বজায় রাখার লক্ষ্যে রুপোর ওপর শুক্র যন্ত্র খোদাই করুন।মিথুন রাশি: আর্থিক দিক থেকে আজকের দিনটি খুব একটা খারাপ না হলেও অযথা অর্থব্যয় থেকে বিরত থাকুন। বাড়িতে আজ একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান সম্পন্ন হবে। প্রিয়জনদের সঙ্গে অবশ্যই ঠান্ডা মাথায় কথা বলুন। পরিবারের সদস্য অথবা বন্ধুদের সঙ্গে আজ আপনি কোথাও বেড়াতে যেতে পারেন। কোথাও শপিংয়ে গিয়ে আজ আপনি বিরক্ত হতে পারেন। বিবাহিত জীবনে আজ কোনও সমস্যার সম্মুখীন হলেও আপনি এবং আপনার অর্ধাঙ্গিনী বিষয়টি ভালোভাবে সামলে নেবেন।প্রতিকার: শারীরিক দিক থেকে সুস্থ থাকার লক্ষ্যে অবশ্যই সূর্যোদয়ের সময়ে অথবা ভোরবেলায় সূর্য প্রণাম করুন।কর্কট রাশি: মন থেকে সমস্ত নেতিবাচক চিন্তাকে দূরে সরিয়ে রেখে প্রতিটি কাজে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে করুন। আপনার নেওয়া একটি ভুল পদক্ষেপ আজ আপনাকে প্রভাবিত করতে পারে। যার ফলে আপনার মানসিক চাপ বৃদ্ধি পাবে। আপনি আজ একটি ধর্মীয় কাজে অর্থ বিনিয়োগ করবেন। এর ফলে আপনার মন ভালো হয়ে যাবে। প্রত্যেকের সঙ্গে ঠান্ডা মাথায় কথা বলুন। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কিছুটা সময় অতিবাহিত করুন। অযথা অর্থব্যয় থেকে বিরত থাকুন। প্রিয়জনদের সঙ্গে দিনটি ভালোভাবে অতিবাহিত হবে। আপনার কাছে আজ কিছুটা অবসর সময় থাকবে। সেই সময়ে আপনি মোবাইলে একটি ওয়েব সিরিজ দেখতে পারেন। কর্মক্ষেত্রে দিনটি দুর্দান্তভাবে অতিবাহিত হবে। আপনি আজ বন্ধুদের সঙ্গে অনেকটা সময় অতিবাহিত করবেন।প্রতিকার: প্রতিটি ক্ষেত্রে উন্নতির লক্ষ্যে মাছকে আটার তৈরি খাবার খেতে দিন। এটি আপনার উপকারে আসবে।সিংহ রাশি: আর্থিক দিক থেকে আজকের দিনটি খুব একটা খারাপ না হলেও অযথা অর্থব্যয় থেকে বিরত থাকুন। প্রেমের জীবনে আজ আপনি একটি চমকের সম্মুখীন হবেন। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কিছুটা সময় অতিবাহিত করুন। আপনি আজ মাথাব্যথায় ভুগতে পারেন। তাই, কিছুটা বিশ্রাম গ্রহণ করুন। সামগ্রিকভাবে আজকের দিনটি অত্যন্ত ব্যস্ততার মধ্যে অতিবাহিত হলেও আপনি ক্লান্ত হয়ে পড়বেন না। অযথা সময় নষ্ট করা থেকে বিরত থাকুন। বিবাহিত জীবনে সুখ এবং শান্তি বজায় থাকবে।প্রতিকার: প্রতিটি ক্ষেত্রে উন্নতির লক্ষ্যে সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং ইস্ত্রি করা পোশাক পরুন।কন্যা রাশি: প্রতিটি কাজ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে করলে আপনার লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মন থেকে সমস্ত নেতিবাচক চিন্তাকে দূরে সরিয়ে রাখুন। দীর্ঘমেয়াদী সম্ভাবনা রয়েছে এমন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করলে লাভবান হবেন। আপনি আজ বাড়ির একটি কাজ করতে গিয়ে বাচ্চাদের কাছ থেকে সাহায্য পেতে পারেন। প্রেমের জন্য দিনটি খুব একটা খারাপ নয়। আপনার সঙ্গে ভালো এবং মন্দ উভয় ঘটনাই আজ ঘটবে। যার ফলে আপনি বিভ্রান্ত হয়ে পড়বেন। প্রতিটি কাজ আজ সতর্কতার সঙ্গে করুন। বিবাহিত জীবনে সুখ এবং শান্তি বজায় থাকবে।প্রতিকার: অবসাদ এবং বিরক্তি থেকে মুক্তি পাওয়ার লক্ষ্যে একটি স্রোতযুক্ত জলাশয়ে মাছকে খাবার খেতে দিন।তুলা রাশি: মন থেকে সমস্ত নেতিবাচক চিন্তা কে দূরে সরিয়ে রেখে প্রতিটি কাজ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে করুন। এই রাশিচক্রের বিবাহিত ব্যক্তিরা আজ তাঁদের শ্বশুরবাড়ির কাছ থেকে আর্থিক সাহায্য পেতে পারেন। আপনার সন্দেহপ্রবণ মানসিকতাকে দূরে সরিয়ে রাখুন। আত্মীয়দের সঙ্গে ঠান্ডা মাথায় কথা বলুন। আপনার কাছে আজ কিছুটা অবসর সময় থাকলেও আপনি সেটি একাকী অতিবাহিত করতে পছন্দ করবেন। আজ আপনি আপনার সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে কোনও কাজ করতে পারেন। বিবাহিত জীবনে সুখ এবং শান্তি বজায় থাকবে।প্রতিকার: প্রেমের জীবন সুখকর করে তোলার লক্ষ্যে ভগবান গণেশের চরণে দূর্বা অর্পণ করুন।বৃশ্চিক রাশি: শরীরের প্রতি অবশ্যই যত্নশীল হন এবং ধূমপানের বদভ্যাস পরিত্যাগ করুন। বাবার কাছ থেকে পাওয়া একটি পরামর্শ কর্মক্ষেত্রে সঠিকভাবে কাজে লাগালে আপনার লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আজ আপনি খুব সহজেই সবাইকে আকৃষ্ট করতে পারবেন। প্রেমের জীবনে আজ আপনি একটি চমকের সম্মুখীন হবেন। আপনার চারপাশে আজ কী কী ঘটছে সেদিকে সতর্ক থাকুন। কর্মক্ষেত্রের কাজ দ্রুত শেষ করে আজ আপনি তাড়াতাড়ি বাড়িতে পৌঁছে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে একটি সিনেমা দেখতে যেতে পারেন অথবা কোনও পার্কে যেতে পারেন। আপনি আজ আপনার মায়ের সঙ্গে অনেকটা সময় অতিবাহিত করবেন। তিনি আপনার ছোটবেলার কিছু স্মৃতি রোমন্থন করবেন। বিবাহিত জীবনে সুখ এবং শান্তি বজায় থাকবে।প্রতিকার: শারীরিক দিক থেকে সুস্থ থাকার লক্ষ্যে অবশ্যই কেশর যুক্ত খাবার অভাবী ব্যক্তিদের মধ্যে দান করুন এবং নিজেও খান।ধনু রাশি: আপনার মনোমুগ্ধকর আচরণ আজ খুব সহজেই সবাইকে আকৃষ্ট করবে। আর্থিক দিক থেকে আজকের দিনটি নিঃসন্দেহে ভালো। শুধু তাই নয়, গ্রহ এবং নক্ষত্রের অনুকূল স্থানের কারণে আপনি আজ অর্থ উপার্জনের একাধিক সুযোগ পাবেন। আপনার রসিক মনোভাব সবার মনে রেখাপাত করবে। প্রেমের জন্য এই দিনটি খুব একটা খারাপ নয়। আজ নিজের জন্য কিছুটা সময় বের করে আপনার মধ্যে থাকা ঘাটতিগুলি পূরণ করুন এবং নিজের ব্যক্তিত্বকে মূল্যায়ন করুন।। বিবাহিত জীবনে সুখ এবং শান্তি বজায় থাকবে।প্রতিকার: মানসিক শান্তি বজায় রাখার লক্ষ্যে রুপোর চুড়ি অথবা রুপোর হার পরুন।মকর রাশি: কোথাও কোনও সমস্যার সম্মুখীন হলে প্রত্যেকের কথা মন দিয়ে শোনার চেষ্টা করুন। তার মাধ্যমে আপনি সমস্যার সমাধান খুঁজে পেতে পারেন। ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে অযথা অর্থব্যয়ের বদভ্যাস পরিত্যাগ করে সঠিকভাবে অর্থ সঞ্চয়ের প্রতি মনোযোগী হন। পূর্বে আপনার কাছ থেকে অর্থ ধার নিয়েছিলেন এমন একজন ব্যক্তি আজ সেই অর্থ আপনাকে ফেরত দিতে পারেন। বাড়ির পরিবেশে আজ কোনও পরিবর্তন করার আগে সবার সম্মতি পেয়েছেন কিনা সেই বিষয়ে নিশ্চিত হন। ভালোবাসার মানুষের সঙ্গে ঠান্ডা মাথায় কথা বলুন। আপনি আজ দীর্ঘক্ষণ হাঁটাহাঁটি করতে পছন্দ করবেন। আপনার মন আজ সারাদিন শান্ত থাকবে। কর্মক্ষেত্রে দিনটি ভালোভাবে অতিবাহিত হবে। বিবাহিত জীবনে সুখ এবং শান্তি বজায় থাকবে।প্রতিকার: পারিবারিক জীবনে সুখ এবং শান্তি বজায় রাখার লক্ষ্যে অবশ্যই একটি সর্পের ন্যায় আকৃতি বিশিষ্ট আংটি পরিধান করুন।কুম্ভ রাশি: আর্থিক দিক থেকে আজকের দিনটি নিঃসন্দেহে ভালো। শুধু তাই নয়, পূর্বে আপনার কাছ থেকে অর্থ ধার নিয়েছিলেন এমন একজন ব্যক্তি আজ সেই অর্থ আপনাকে ফেরত দিতে পারেন। প্রেমের জীবনে আজ আপনি একটি চমকের সম্মুখীন হবেন। আপনি আজ টিভি বা মোবাইলে একটি সিনেমা দেখতে গিয়ে এতটাই ব্যস্ত হয়ে পড়বেন যে কোনও গুরুত্বপূর্ণ কাজের কথা ভুলে যেতে পারেন। আপনি আজ আপনার দেশ সম্পর্কিত কিছু আকর্ষণীয় তথ্য জেনে অবাক হবেন। বিবাহিত জীবনে কোনও সমস্যার নিজেরাই তা মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা করুন।প্রতিকার: পারিবারিক জীবনে সুখ এবং শান্তি বজায় রাখার লক্ষ্যে শ্রী লক্ষীনারায়ণ মন্দিরে প্রসাদ অর্পণ করে তা অভাবী ব্যক্তিদের মধ্যে বিতরণ করুন।মীন রাশি: মন থেকে সমস্ত নেতিবাচক চিন্তাকে দূরে সরিয়ে রেখে প্রতিটি কাজ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে করুন। কাউকে ঋণ দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। পাশাপাশি, যদি ধার দিতেই হয় সেক্ষেত্রে লিখিত প্রমাণ রাখুন। বিদেশে রয়েছেন এমন একজন কারোর কাছ থেকে আজ আপনি একটি খারাপ সংবাদ পেতে পারেন। প্রেমের জীবনে আজ আপনি একটি চমকের সম্মুখীন হবেন। আপনি আজ অবসর সময়টি আপনার মায়ের সেবায় অতিবাহিত করতে চাইলেও কোনও কারণবশত তা সম্ভব হবে না। এর ফলে আপনি বিরক্ত হতে পারেন। দূর সম্পর্কের আত্মীয়দের কাছ থেকে আজ আপনি একটি অপ্রত্যাশিত সুসংবাদ পেতে পারেন। যার ফলে আপনার পুরো পরিবারে খুশির আমেজ বজায় থাকবে। আজকের দিনটি আপনার বিবাহিত জীবনের পরিপ্রেক্ষিতে অন্যতম শ্রেষ্ঠ দিন হিসেবে বিবেচিত হবে।প্রতিকার: পারিবারিক জীবনে সুখ এবং শান্তি বজায় রাখার লক্ষ্যে কালো ও সাদা মার্বেলের টুকরো গাছের টবে রাখুন।
আজকের আবহাওয়ার পূর্বাভাসআজকের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আজ সিলেট বিভাগের দু'এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। ঢাকা, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, নারায়নগঞ্জ, রাঙ্গামাটি, চাঁদপুর, বরিশাল এবং পটুয়াখালী জেলাসহ রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারী ধরনের তাপ প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে যা অব্যাহত থাকতে পারে।তাপমাত্রা: সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।তাপপ্রবাহ: ঢাকা, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, নারায়নগঞ্জ, রাঙ্গামাটি, চাঁদপুর, বরিশাল এবং পটুয়াখালী জেলাসহ রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারী ধরনের তাপ প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে যা অব্যাহত থাকতে পারে।বৃষ্টিপাত: সিলেট বিভাগের দু'এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।আবহাওয়ার খবরগত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল চুয়াডাঙ্গা, সব্বোর্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৯.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এবং দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল তেঁতুলিয়া, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৯.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।সিনপটিক অবস্থা: লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।সামুদ্রিক সতর্কবার্তা: কোন সতর্কবার্তা নেই এবং কোনো সংকেত দেখানো হয়নি।নদীবন্দর সমূহের জন্য সতর্কবার্তা: সিলেট অঞ্চলসমূহের উপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর- পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কি.মি. বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ১ নম্বর, পুনঃ ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।গত ২৪ ঘন্টার সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা:সব্বোর্চ তাপমাত্রা: চুয়াডাঙ্গা - ৩৯.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।সর্বনিন্ম তাপমাত্রা: তেঁতুলিয়া - ১৯.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।আজকের সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত (ঢাকা):আজকের সূর্যোদয় ভোর ৫:৪৭ মিনিটে।আজকের সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৬:১৬ মিনিটে।
নারী অ-২০ এশিয়ান কাপ ফুটবলবাংলাদেশ-চীনবেলা ৩টা, ট্যাপমেডআইপিএলদিল্লি–মুম্বাইবিকেল ৪টা, স্টার স্পোর্টস ১, ২গুজরাট–রাজস্থানরাত ৮টা, স্টার স্পোর্টস ১, ২পিএসএলরাওয়ালপিন্ডি–ইসলামাবাদ রাত ৮টা, টি স্পোর্টসএফএ কাপম্যান সিটি–লিভারপুলবিকেল ৫-৪৫ মি.,চেলসি–পোর্ট ভ্যালরাত ১০-১৫ মি., সনি টেন ২ ও ৫সাউদাম্পটন–আর্সেনালরাত ১টা, সনি টেন ২ ও ৫লা লিগামায়োর্কা–রিয়াল মাদ্রিদরাত ৮-১৫ মি., বিগিন অ্যাপ, ফ্যানকোডআতলেতিকো–বার্সেলোনারাত ১টা, বিগিন অ্যাপ, ফ্যানকোডবুন্দেসলিগাফ্রেইবুর্গ–বায়ার্নসন্ধ্যা ৭-৩০ মি., সনি লিভলেভারকুসেন–ভলফলবুর্গসন্ধ্যা ৭-৩০ মি., সনি লিভস্টুটগার্ট–ডর্টমুন্ডরাত ১০-৩০ মি., সনি লিভ
তুমি আশেপাশে থাকলেতুমি আশেপাশে থাকলেকত খুশি খুশি থাকছিআর যাচ্ছি ভুলে আমি, কে কোথায়তুমি অল্পস্বল্প চাইলেআরও একটু বেশি থাকছিআর খামখেয়ালী আঁকছি সারা গায়এই দিন যদি না থামেএই রাত যদি না শেষ হয়তুমি নীলচে কোন খামেআমায় মোড়ালে বেশ হয়পড়ে যাচ্ছি যেন তোমারই নেশায়হায় হায়তুমি আশেপাশে থাকলেকত খুশি খুশি থাকছিআর যাচ্ছি ভুলে আমি, কে কোথায়তুমি অল্পস্বল্প চাইলেআরও একটু বেশি থাকছিআর খামখেয়ালী আঁকছি সারা গায়[চাঁদ উঠেছে, ফুল ফুটেছেকদম তলায় কেহাতি নাচছে, ঘোড়া নাচছেসোনামনির বে (বিয়ে)]মিলছে ইশারা, মিলছে নিশানাদিশাহীন এই অবাক দুটো মনেমিলছে ইশারা, মিলছে নিশানাদিশাহীন এই অবাক দুটো মনেরথাকতে কথা দাও, রাখতে কথা দাওএভাবেই যেন যাই চলে দু'জনেএই দিন যদি না থামেএই রাত যদি না শেষ হয়তুমি নীলচে কোন খামেআমায় মোড়ালে বেশ হয়পড়ে যাচ্ছি যেন তোমারই নেশায়হায় হায়তুমি আশেপাশে থাকলেকত খুশি খুশি থাকছিআর যাচ্ছি ভুলে আমি, কে কোথায়তুমি অল্পস্বল্প চাইলেআরও একটু বেশি থাকছিআর খামখেয়ালী আঁকছি সারা গায়[চাঁদ উঠেছে, ফুল ফুটেছেকদম তলায় কেহাতি নাচছে, ঘোড়া নাচছেসোনামনির বে (বিয়ে)]বলছে দুটো চোখ, হচ্ছে দেখা হোকথেকো না আর চিন্তা চিন্তা মনেআসবো বলেছি, ভালোবাসবো বলেছিযেও না তুমি পালিয়ে গোপনেএই দিন যদি না থামেএই রাত যদি না শেষ হয়তুমি নীলচে কোন খামেআমায় মোড়ালে বেশ হয়পড়ে যাচ্ছি যেন তোমারই নেশায়হায় হায়তুমি আশেপাশে থাকলেকত খুশি খুশি থাকছিআর যাচ্ছি ভুলে আমি, কে কোথায়তুমি অল্পস্বল্প চাইলেআরও একটু বেশি থাকছিআর খামখেয়ালী আঁকছি সারা গায়
তারে না দেখিলে মোর দম যায়শুধু বারে বারে খুঁজি তার চোখ আহারে।শুধু গুনে গুনে মোর দিন যায়আমি কোথায় পাবো তাহারে।চাতকের সাথে বৃষ্টির কথা হয় যেন রোজফুলে বসে অলি গান গায় আমি পাইনা তাহার খোঁজ।চাতকের সাথে বৃষ্টির কথা হয় যেন রোজফুলে বসে অলি গান গায় আমি পাইনা তাহার খোঁজ।আমি কোথায় পাবো তাহারেআমি কোথায় পাবো তাহারে ..মনের কথা মনে থেকে যায়বলবো আমি কাহারে,কপলেতে ভেসে ভেসে যায়নোনা জলের বাহারে।যদি ফের দেখা পাইব্যাথা পুড়ে হবে ছাই,হারাবো উষ্ণ প্রহরে।মন যায় দূর দেশেচেয়ে নির্ণিমেষে,না বলা কথারা মরে।আমি কোথায় পাবো তাহারেআমি কোথায় পাবো তাহারে ..
একা একা লাগে তোমারে ছাড়াদেখা দিয়া দিলা, এই দিলে নাড়া,বান্দা দিতে রাজি রোজ হাজিরাযদি পাইগো শুধু তোমার একটু ইশারা।তুমি না আসলে, ভালো না বাসলেপরাবো কার গলায় প্রেমেরই মালা রে,কাছে না ডাকলে, পাশে না রাখলেএই মনের দরজা বন্ধ কইরা আমি দেবো রে তালা।মনে জ্বালা জ্বালা জ্বালা জ্বালাতোমার আগুন বাড়েজ্বালা জ্বালা জ্বালা জ্বালা,কি প্রেম দিলা রে, বাড়েজ্বালা জ্বালা জ্বালা জ্বালা।তোমার আগুন বাড়েজ্বালা জ্বালা জ্বালা জ্বালা,কি প্রেম দিলারে, বাড়েজ্বালা জ্বালা জ্বালা জ্বালা।মনে মনে জ্বালা জ্বালা..তুমি ছাড়া কেউ বোঝেনা আমারেনা দেখলে লাগে বড় দিশেহারা,মন করে ওড়াউড়ি তোমার আকাশেচোখ বুজলেই দেখি তোমার চেহারা।তুমি না আসলে, ভালো না বাসলেপরাবো কার গলায় প্রেমেরই মালা রে,কাছে না ডাকলে, পাশে না রাখলেএই মনের দরজা বন্ধ কইরা আমি দেবোরে তালা।মনে জ্বালা জ্বালা জ্বালা জ্বালাতোমার আগুন বাড়েজ্বালা জ্বালা জ্বালা জ্বালা,কি প্রেম দিলা রে, বাড়েজ্বালা জ্বালা জ্বালা জ্বালা জ্বালা জ্বালামনে মনে জ্বালা জ্বালা..ভালোবাইসা আসিও ওগো প্রিয়রাখিব পরান খুলে,আদরে-যতনে রাখিও তোমার মনেযাইও না কখনো ভুলে ..তুমি না আসলে, ভালো না বাসলেপরাবো কার গলায় প্রেমেরই মালা রে,পাশে না ডাকলে, কাছে না রাখলেএই মনের দরজা বন্ধ কইরা আমি দেবোরে তালা।মনে জ্বালা জ্বালা জ্বালা জ্বালাতোমার আগুন বাড়েজ্বালা জ্বালা জ্বালা জ্বালা,কি প্রেম দিলারে, বাড়েজ্বালা জ্বালা জ্বালা জ্বালা।তোমার আগুন বাড়েজ্বালা জ্বালা জ্বালা জ্বালা,কি প্রেম দিলা রে, বাড়েজ্বালা জ্বালা জ্বালা জ্বালা।মনে মনে জ্বালা জ্বালা..একা একা লাগে তোমারে ছাড়াদেখা দিয়া দিলা, এই দিলে নাড়া।
পিয়া রে, পিয়া রেকাঁদে এই হিয়া রে,পিয়া রে, পিয়া রেকাঁদে এই হিয়া রে।ভালবাসা কেন এত অসহায়বুকে প্রেম মনে আশা নিভে যায়,ভালবাসা কেন এত অসহায়বুকে প্রেম মনে আশা নিভে যায়,এই পথে আজ আছি একই সাথেকাল যদি মাঝ পথে দূরে যেতে হয়,পিয়া রে, পিয়া রে, পিয়া রেকাঁদে মন কাঁদে এই হিয়া রে,পিয়া রে, পিয়া রেকাঁদে এই হিয়া রে।ভালবাসা-নয় কোনো অপরাধতবু কেন নিরাশায় কাটে রাত,ভালবাসা নয় কোনো অপরাধতবু কেন নিরাশায় কাটে রাত,দিলো ব্যাথা আঁধারের নিরবতামনে জাগে আকুলতা, মেঘে ঢাকে চাঁদ,পিয়া রে, পিয়া রে, পিয়া রেকাঁদে মন কাঁদে এই হিয়া রে,পিয়া রে, পিয়া রেকাঁদে এই হিয়া রে,পিয়া রে, পিয়া রেকাঁদে এই হিয়া রে।ভালবাসা মিছে নয় অভিনয়কাল যদি তবু ভুল মনে হয়,ভালবাসা মিছে নয় অভিনয়কাল যদি তবু ভুল মনে হয়,ঘর ছেড়ে চলে এসে এত দূরেপ্রেম যেন খুঁজে ফেরে তার পরিচয়,পিয়া রে, পিয়া রে, পিয়া রেকাঁদে মন কাঁদে এই হিয়া রে,পিয়া রে, পিয়া রেকাঁদে এই হিয়া রে,পিয়া রে, পিয়া রেকাঁদে এই হিয়া রে।
ঐদিন রুনীনা বাড়ি ফিরে নিজের ঘরে ঢুকে কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে বিছানায় শুয়ে রইল। চিন্তা করতে লাগল, এখন কি করবে। যদি মায়ের কথামত মহিমের সঙ্গে মেলামেশা না করত, তা হলে এই অঘটন ঘটত না। তখন তার মনে অনেক কথা ভেসে উঠল। মহিম তাদের পাড়ার বড় লোকের ছেলে। দেখতে সুন্দর। লেখাপড়াতেও ভালো। কিন্তু সে চরিত্রহীন। বড় লোকের সুন্দর মেধাবী ছেলের বান্ধবীর অভাব হয় না। সে প্রত্যেককে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাদের মধু খেয়েছে। অনেকে তার আসল রূপ জানতে পেরে সরে গেছে। রুবীনা পাড়ার মেয়ে বলে এতদিন পরিচয় থাকলেও কোনো অশ্লীল কাজ তার সঙ্গে করেনি। কিন্তু ইদানীং বান্ধবীর অভাবে রুবীনার পিছনে লেগেছিল।স্কুল জীবন থেকে তাদের পরিচয়। কলেজে ঢুকে সেটা গাঢ় হয়। প্রায় প্রতিদিন গভীর রাতে মহিম এসে সে জানালার কাছে দাঁড়িয়ে রুবীনার সঙ্গে গল্প করত। একদিন তার মা সোহানা বেগম জানতে পেরে মেয়েকে রাগারাগি করেন। কিন্তু রুবীনা শোনেনি। গোপনে গোপনে তার সঙ্গে নানান জায়গায় ঘুরে বেড়াত। এক ছুটির দিনে কাউকে কিছু না বলে সে মহিমের গাড়িতে করে ন্যাশনাল পার্কে বেড়াতে যায়। সেদিন মেঘলা ছিল। সেখানে পৌঁছাবার কিছুক্ষণপর ভীষণ ঝড়-বৃষ্টি আরম্ভ হল। দিনের বেলাতে সন্ধ্যার মত অন্ধকার হয়ে এল। ওরা বেড়াতে বেড়াতে ছুটে এসে ডাক বাংলোতে উঠল। খুব জোরে ঝড় হচ্ছিল বলে একটি কামরার মধ্যে ঢুকে লাইট জ্বেলে দুজনে দুটো চেয়ারে বসল। তখন আর কেউ সেখানে ছিল না। ঝড়ের দাপট এক সময় কারেন্ট অফ হয়ে গেল। হঠাৎ বিদ্যুৎ চমকে উঠে কাছাকাছি কোথাও বাজ পড়ল। রুবীনা ভয় পেয়ে ছুটে এসে মহিমকে জড়িয়ে ধরল। মহিম তাই চাচ্ছিল। রুবীনাকে সে বুঝিয়ে সুজিয়ে নিজের মনস্কামনা চরিতার্থ করার জন্য এখানে এনেছে। সুযোগ পেয়ে সেও রুবীনাকে জড়িয়ে ধরল। রুবীনার নরম তুলতুলে যৌবন পুষ্ট শরীরের স্পর্শে মহিমের শরীরের অনুকণাগুলো সতেজ হয়ে উঠল। ভাবল, আজ তার মনের ইচ্ছা পূরণ হবে। সে একটা হাত দিয়ে রুবীনার মুখটা নিজের মুখের কাছে এনে ঠোঁটে ঠোঁট দিয়ে বলল, এত ভয় পাচ্ছ কেন? আমিতো রয়েছি। তারপর তার নিচের ঠোঁট চুষতে লাগল। রুবীনা প্রথমে ভয় পেয়ে তাকে জড়িয়ে ধরেছিল, কিন্তু মহিম যখন তার ঠোঁট চুষতে লাগল তখন তার যৌবন জোয়ার উত্তাল তরঙ্গের মত প্রবাহিত হতে লাগল। সে সব কিছু ভুলে গেল। সমস্ত শরীর তার থর থর করে কেঁপে উঠল। ঘন ঘন গরম নিঃশ্বাস পড়তে লাগল। তার অবস্থা দেখে মহিম তখন পাগলের মত বুকে চেপে ধরে পীষে ফেলার চেষ্টা করল। রুবীনা বলল, প্লীজ মহিম, অতজোরে চাপ দিয়ো না, আমার লাগছে। মহিম মনে করল, রুবীনার তা হলে এসব ভালো লাগছে। সে তখন আর নিজেকে ধরে রাখতে পারল না। সুযোগ পেয়ে আদিমতায় মেতে উঠল। একসময় দুজনেই ক্লান্ত হয়ে পড়ল। বেশ কিছুক্ষণ কেউ কোনো কথা বলতে পারল না। একটু পরে রুবীনা ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠল। নিজের ভুলের অনুশোচনায় সে তখন জর্জরিত।তাকে কাঁদতে দেখে মহিম কপটতার আশ্রয় নিয়ে বলল, আমি ঠিক এতটা চাইনি। উত্তেজনার বশবর্তী হয়ে করে ফেলেছি। তুমি আমাকে ক্ষমা কর।রুবীনা বেশ কিছুক্ষণ কাঁদল। তারপর চোখ মুছে বলল, মহিম ভাই, একটা কথা বলব রাখবে?মহিম বলল, বল কি কথা?রুবীনা বলল, এরপর আমি আর অন্য কাউকে এই দেহ দিতে পারব না। যদি তুমি আমাকে বিয়ে না কর, তবে আমি বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করব।মহিম বলল, সে কথা আমিও এখন ভাবছিলাম। কথা দিলাম, আমি তোমাকে বিয়ে করব। তবে তোমাকে অনেক দিন অপেক্ষা করতে হবে।রুবীনা মহিমের কপটতা বুঝতে পারল না। বলল, যতদিন অপেক্ষা করতে বলবে ততদিন অপেক্ষা করব।আরও কিছুক্ষণ দুজনে গল্প করে বাড়ি ফিরে এল। এরপর প্রায়ই তাদের দৈহিক মিলন হত। মহিম খুব চালাক, সে প্রেগনেন্টের ভয়ে সব সময় কন্ডম ব্যবহার করে। কিন্তু দুর্ঘটনা যা ঘটবার প্রথম বারে ঘটে গেছে। মাস শেষ হওয়ার পর যখন রুবীনার ঋতুস্রাব হল না তখন বেশ চিন্তিত হয়ে পড়ল। মনে করল, তার তো মাসিকের একটু দোষ আছেই। আগেও কয়েকবার এরকম হয়েছে। কিন্তু যখন দুমাস কেটে গেল অথচ মাসিক হল না, তখন সে মহিমকে সব কথা জানাল।রুবীনার কথা শুনে মহিম প্রথমে একটু ঘাবড়ে গেল। তারপর সামলে নিয়ে রেগে উঠে বলল, আমি সব সময়।এ রকম ( পারে না। তারপর রুবীনাকে স্পষ্ট জানিয়ে দিল, আমি তোমার গর্ভের সন্তানের জন্মদাতা নই, অন্য কেউ। যাও আর কোনোদিন এস না। মহিমের তখন অন্য চিন্তা মাথায় ঘুরছে। সে ফিজিক্সে উচ্চ ডিগ্রী নেওয়ার জন্য বিদেশ যাবে। বিদেশী যুবতীদের চিন্তায় তার মাথা ঘুরপাক খাচ্ছে। সে এখন রুবীনাকে থোড়াই কেয়ার করে।রুবীনার মাথায় যেন আকাশ ভেঙ্গে পড়ল। বলল, মহিম তুমি এতবড় নীচ কথা বলতে পারলে? এত বড় পাষান্ড তুমি? আমি যে কিছুই ভাবতে পারছি না।মহিম বলল, দেখ বেশি বাড়াবাড়ি করো না, যা বলছি শোন, লক্ষ্মী মেয়ের মত ঘরে ফিরে যাও। তারপর তোমার গর্ভে যার ঔরসে সন্তান এসেছে তাকে ভয়ে দেখিয়ে বিয়ে করে ফেল।রুবীনা রাগে ও অপমানে আর কোনো কথা বলতে পারল না। কেমন করে সেদিন বাড়ি ফিরেছিল তার মনে নেই। সেই থেকে মহিমের খোঁজ আর করেনি। কয়েকদিন পরে এক বান্ধবীর কাছে শুনেছে, সে বিদেশ চলে গেছে।এই ঘটনার কিছুদিন পর মনিরুল তার পিছনে লাগল। রুবীনা দু একদিন তার সঙ্গে বেড়িয়ে বুঝতে পারল, সেও তাকে চায়। রুবীনা এখন চালাক হয়ে গেছে। বিয়ের আগে দেহ দিলে সে তাড়াতাড়ি বিয়ে করতে চাইবে না। তাই মনিরুল যখন সুযোগ পেয়ে ওকে জড়িয়ে ধরে চুমো খেল তখন রুবীনা নিজেকে মুক্ত করে নিয়ে মেকি রাগ দেখিয়ে বলেছিল, বিয়ের আগে এসব হলে বিয়ের পর আর মজা থাকবে না। বিয়ের পর যা কিছু করো আমি আপত্তি করবো না।রুবীনা এত তাড়াতাড়ি বিয়ের প্রস্তাব দিবে মনিরুল ভাবেনি। সে তখন তাকে পাওয়ার জন্য অস্থির হয়ে উঠল। সেইজন্য ঐ দিন তাকে নিয়ে কাবিন করতে যাবে বলে বলেছিল। জানাজানি করে বিয়ে করতে গেলে অনেক দেরি হয়ে যাবে। তাই গোপনে এই ব্যবস্থা করেছিল। এই সমস্ত চিন্তা করতে করতে রুবীনা বিভ্রান্ত হয়ে পড়ল। এরপর আর কি করে সকলের কাছে মুখ দেখাবে? কদিন ধরে কিছু খেতে পারছে না, শুধু বমি পায়। একদিন তো ভাবির সামনেই ওকি করতে করতে শরীর খারাপের অজুহাত দেখিয়ে পালিয়ে বেঁচেছে। তাকে সব সময় ভয়ে ভয়ে থাকতে হয়। এই বুঝি ভাবির কাছে ধরা পড়ে গেল? এভাবে আর কত দিন পাপকে লুকোতে পারবে? মনিরুলকে বিয়ে করে পূর্বের পাপটা চাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু তাকেও মহিমের মত দেখল। সে তখন মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলল। সেইদিন সন্ধ্যার পর দুটো চিঠি লিখল। একটি মাকে আরঅন্যটা থানার দারোগাকে।মায়ের চিঠি- মা, আমি তোমার কলঙ্কিনী মেয়ে। আমার আর এ দুনিয়াতে থাকার কোনো অধিকার নেই। তুমি জেনে খুব দুঃখ পাবে, তবু বলতে বাধ্য হচ্ছি, আমি মা হতে চলেছি। আমি অনেক চিন্তা করে দেখেছি, দুনিয়ার কোনো কিছু দিয়ে এ পাপ ঢাকতে পারব না। তাই আমি আত্মহত্যার পথ বেছে নিলাম। আমার এই পরিণতির জন্য আমি কাউকে দায়ী করলাম না। শুধু তুমি দুনিয়ার সব মায়েদের বলে দিও, তারা তাদের মেয়েদের যত লেখাপড়া করাক না কেন, ছেলেদের সঙ্গে যেন ফ্রীভাবে মেলামেশা করতে না দেয়। যুবক যুবতীরা এক সঙ্গে ফ্রী মেলামেশা করলে কোনো এক দূর্বল মুহূর্তে অপকীর্তি করে ফেলবেই। ভাবির কাছে শুনেছিলাম, এই জন্য আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (দঃ) ছেলেমেয়েদের এক সঙ্গে মেলামেশা করতে নিষেধ করেছেন। মেয়েদের কাজের ও থাকার স্থান আলাদা করে দিয়েছেন। এই সব শিক্ষা তুমি আমাকে দাওনি। তুমি আমাকে ধর্মেরও কোনো জ্ঞান দাওনি। এই সমস্ত জ্ঞান আমি ভাবির কাছে পেয়েছি। বিয়ের আগে প্রথম যখন ভাবি আমাদের বাড়িতে আসে তখন আমি তাকে সেকেলে আনকালচার্ড মেয়ে মনে করে এড়িয়ে চলেছি। যখন তাকে পরশ পাথর বলে চিনলাম তখন অনেক দেরি হয়ে গেছে। ভাবি ও দাদাদেরকে আমার জন্য দোয়া করতে বলো। তোমাকে আর কি দোষ দেব। এটাই আমার তকদীর। পারলে এই কলঙ্কিনী মেয়েকে ক্ষমা করো। ইতি- রুবীনা।দারোগার চিঠি-দারোগা সাহেব, আমি আমার দুস্কর্মের জন্য আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছি। এর জন্য কেউ দায়ী নয়। আমি এক ভাগ্য বিড়ম্বনা চরিত্রহীন মেয়ে। আমার মত মেয়ে এ দুনিয়ায় বেঁচে থাকার চেয়ে মরে যাওয়া ভালো মনে করে এই পথ বেছে নিলাম। আপনারা আমার মা, ভাই, ভাবি এবং অন্য কাউকে সন্দেহ করবেন না। আমি নিজে স্বেচ্ছায় সকলের অগোচরে চলে যাচ্ছি। আপনার কাছে আমার একটা অনুরোধ, আমার লাশ ময়না তদন্ত করবেন না। আশা করি, আপনি একজন মৃত্যুপথ যাত্রীর অনুরোধ রক্ষা করে তাড়াতাড়ি দাফনের অনুমতি দিবেন। নিজের মেয়ে বা বোন মনে করে আমার এই অনুরোধ রাখার জন্য আবার অনুরোধ করছি। ইতি-রুবীনা।রাত দশটার সময় লাইলী রুবীনাকে ভাত খাওয়ার জন্য ডাকতে এসে দরজা বন্ধ দেখে কড়া নাড়া দিয়ে বলল, ভাত খাবে এস।রুবীনার তখন এ্যাবনরমাল অবস্থা। সে ভাবির গলা শুনে অনেক কষ্টে গলার স্বর সংযত রেখে দরজা না খুলে বলল, তোমরা খেয়ে নাও, আমার শরীর খারাপ। আজ আমি কিছু খাব না।লাইলী ফিরে এসে সেলিমকে রুবীনার কথা বললে সেলিম বলল, আজ ওর শরীর ও মন খুব খারাপ হওয়ার কথা, তার জন্য কোনো চিন্তা করো না।ওদিকে রুবীনা যখন বুঝল, ভাবি ফিরে গেছে তখন সে ধীরে ধীরে আলমারীর কাছে গিয়ে ঘুমের ট্যাবলেটের শিশি হাতে নিল। প্রেগন্যান্ট হওয়ার পর থেকে সে রাত্রে একদম ঘুমাতে পারত না। তাই ঘুমের ট্যাবলেট এক শিশি কিনে ছিল। তাতে এখনো অনেক ট্যাবলেট আছে। রুবীনা সব ট্যাবলেট এক সঙ্গে খেয়ে ঘুমিয়ে গেল। সে ঘুম তার আর ভাঙ্গল না।পরের দিন অনেক বেলা পর্যন্ত যখন রুবীনা ঘর থেকে বের হল না তখন লাইলী এসে দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখে কড়া নাড়া দিয়ে ডাকতে লাগল। কোনো সাড়া না পেয়ে লাইলীর মনে সন্দেহ হল। সে কাচের জানলা দিয়ে দেখার চেষ্টা করল। কিন্তু জানালাও ভিতর থেকে বন্ধ। পর্দা ঝুলছে। শেষে ফিরে গিয়ে শাশুড়ীকে ও স্বামীকে জানাল।আরিফও সেখানে ছিল। সবাই মিলে তাড়াতাড়ি করে এসে দরজা জানালা কিছুই খুলতে পারল না। অনেক ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া পেল না। শেষে আরিফ জানালার কাচ ভেঙ্গে পর্দা সরিয়ে দেখল, রুবীনা খাটের উপর শুয়ে আছে। সেলিম ও আরিফ খুব জোরে ডাকতে লাগল। কিন্তু রুবীনার কাছ থেকে কোনো সাড়া এল না। তখন লাইলীর সন্দেহ দৃঢ় হল। স্বামীকে বলল, তুমি শীগগীর একটা মিস্ত্রী নিয়ে এসে দরজা খোলার ব্যবস্থা কর, নচেৎ দরজা ভেঙ্গে ফেল।কথাটা আরিফ শুনতে পেয়ে ছুটে বাজারের মোড় থেকে দুজন কাঠের মিস্ত্রী ডেকে নিয়ে এলে তারা দরজা ভেঙ্গে দিল। ভিতরে ঢুকে রুবীনাকে মৃত দেখে সবাই কান্নায় ভেঙ্গে পড়ল। কিছুক্ষণ পর লাইলী একটা চাদর দিয়ে রুবীনাকে ঢাকা দিয়ে দিল। সেলিম থানায় ফোন করল। লাইলী শাশুড়ীকে বৃথা প্রবোধ দিতে লাগল। সেলিম টেবিলের উপর ভাঁজ করা কাগজ দেখতে পেয়ে হাতে নিয়ে পড়ে সবাইকে শুনাল। আরিফ হাউ মাউ করে কাঁদতে কাঁদতে মা ও ভাইকে জড়িয়ে ধরে বলে উঠল, রুবীনা, এ কি করল? আমরা তো কিছুই বুঝতে পারিনি। আমাদের যে আর কোনো বোন রইল না মা। রুবীনা, তুই যে আমাদের বড় আদরের বোন ছিলি, আমাদেরকে ফাঁকি দিয়ে চলে যেতে পারলি? যত বড় অন্যায় করে থাকিস না কেন, আমরা তোকে ক্ষমা করে দিতাম।কিছুক্ষণ পরে দুজন সিপাই সঙ্গে করে দারোগা সাহেব এলেন। সেলিমের সঙ্গে তার আগে থেকে জানাশোনা। তার বড় ছেলে সেলিমদের মিলের অফিসে চাকরি করে। তিনি রুবীনার দুটি চিঠিই পড়লেন। তারপর তাদেরকে অনেক কিছু জিজ্ঞেস করে ডাইরীতে তাদের মুখজবানী লিখে লাশ দাফন করার হুকুম দিয়ে ফিরে গেলেন।রুবীনার মৃত্যুর পরে সারা বাড়িতে দুঃখের ছায়া নেমে এল। কারো মুখে হাসি নেই।রুবীনার মৃত্যুর খবর পেয়ে জাহিদ সাহেবদের বাড়ির সবাই এসেছিল।আসমা সোহানা বেগমকে জড়িয়ে ধরে অনেক কেঁদেছে। ফিরে যাওয়ার সময় সোহানা বেগমকে বলল, আমাকে তো মেয়ের মত মানুষ করেছেন; আমি আপনার পেটে না হয়েও যা স্নেহ ভালোবাসা, পেয়েছি তাতে করে নিজের গর্ভধারিণী মায়ের চেয়েও আপনাকে আমি বেশি জানি।সোহানা বেগম রুবীনার এই পরিণামের জন্য নিজেকে দায়ী মনে করে আহার নিদ্রা ত্যাগ করে কেঁদে কেঁদে দিন কাটাতে লাগলেন। সেলিম ও আরিফ ব্যবসা বাণিজ্য দেখাশোনা করছে বটে, কিন্তু কারও মনে শান্তি নেই।লাইলী একদিন বিকেলে চায়ের টেবিলে শাশুড়ীকে জোর করে নিয়ে এল। এতদিন তিনি নিজের ঘর থেকে বার হননি। সবাইকে চা দিয়ে লাইলী বলল, আজ আমি দু’একটা কথা না বলে থাকতে পারছি না।আরিফ বলল, বেশ তো ভাবি! কি বলবে বল না।লাইলী কয়েক সেকেণ্ড সবাইকে দেখল, তারপর বলল, আমরা আল্লাহকে সৃষ্টিকর্তা বলে বিশ্বাস করি কিনা? এবং তিনিই যে একমাত্র বিশ্বনিয়ন্তা, এ কথাও বিশ্বাস করি কি না?সকলে লাইলীর দিকে চেয়ে রইল; কিন্তু কেউ কোনো উত্তর দিল না। লাইলী বলল, কি হল? তোমরা উত্তর দিচ্ছ না কেন? সেলিম বলল, মুসলমান মাত্রেই ঐ কথা সবাই বিশ্বাস করে। লাইলী বলল, আমরা এও বিশ্বাস করি, তার হুকুম ছাড়া কোনো কিছু হয়। সেইজন্য তার কোনো কাজে আমাদের অসন্তুষ্ট হওয়া উচিত না। দুঃখ কষ্টে, বিপদ-আপদে তিনি আমাদের সবর করতে বলেছেন। আমরা যদি তার কোনো কাজে অসন্তুষ্ট হই, তা হলে কি তাঁকে বিশ্বনিয়ন্তা বলে অস্বীকার করা হলকি? সুখ দুঃখ মানুষের জীবনে দিন রাত্রির মত জড়িত। যে লোক সুখ দুঃখ দুটোই লোগ না করেছে, তার জীবন পূর্ণ হয় না। আর এ রকম লোক দুনিয়াতে আছে কি না সন্দেহ। এই দুর্ঘটনায় আমরা খুব দুঃখ পেয়েছি। আল্লাহর কাছে আমরা তা সইবার ক্ষমতা চাইব। তারপর লাইলী শাশুড়ীকে জড়িয়ে ধরে বলল, মা, এক রুবীনাকে আল্লাহ নিয়েছেন তো কি হয়েছে? এ দুনিয়াতে রুবীনার মত কত শত মেয়ে আছে, তারাও যেন রুবীনার মত দুর্ঘটনায় না পড়ে, সেজন্য আমাদের সবাইকে সচেষ্ট থাকতে হবে। যদি আমরা তা করি, তা হলে নিশ্চয় আল্লাহ খুশি হবেন। তখন সোহানা বেগমের চোখ দিয়ে পানি পড়ছিল। লাইলী নিজের আঁচল দিয়ে মুছে দিয়ে বলল, আমাকে রুবীনা মনে করে দীলে তসল্লি দিন মা। দোয়া করুন, আমি যেন রুবীনার মতো হয়ে আপনার দুঃখ ভুলাতে পারি।সোহানা বেগম ভিজে গলায় বললেন, তুমি আমার রুবীনার থেকে অনেক বেশি মা। রুবীনাকে কেড়ে নিবে বলে আল্লাহ তোমাকে আমার কাছে পাঠিয়েছেন। লাইলী বসে পড়ে শাশুড়ীর পা জড়িয়ে ধরে বলল, তা হলে এবার থেকে ঠিক মত খাওয়া দাওয়া করবেন বলুন? না খেয়ে খেয়ে আপনি শুকিয়ে আধখানা হয়ে গেছেন।সেলিম ও আরিফ উঠে এসে মাকে জড়িয়ে ধরে বলল, মা, তোমার বউ যা বললে, সেইমত আমাদের সবার চলা উচিত। নচেৎ আল্লাহ বেজার হবেন। তারপর ধীরে ধীরে বাড়ির সবার মনে শান্তি ফিরে আসতে লাগল।কয়েকদিন পর মনিরুল রেহানা ও আসমাকে নিয়ে সেলিমদের বাড়িতে বেড়াতে এল। নাস্তার টেবিলে সবাই বসেছে। লাইলী নাস্তা আনার জন্য রান্নাঘরে গেছে। হঠাৎ মনিরুল উঠে গিয়ে সোহানা বেগমের পায়ে হাত দিয়ে বলল, ফুফুআম্মা, আপনি আমাকে মাফ করে দিন। আমি আপনাকে আর ভাবির আবাকে বেনামে চিঠি দিয়ে সেলিমের বিয়ে ভাঙ্গিয়েছিলাম। আমার এই অন্যায় কাজের জন্য অনুতপ্ত হয়ে আপনার কাছে মাফ চাইছি।এমন সময় লাইলী চা-নাস্তা নিয়ে এসে মনিরুলের কথা শুনে থ হয়ে দাঁড়িয়ে পড়ল।সোহানা বেগম শুনে ওম হয়ে বসে রইলেন। তার নিজের ভাইপো হয়ে এমন জঘন্য কাজ করবে, তিনি কখনও ভাবতে পারেন নি।ফুফুআম্মাকে চুপ করে থাকতে দেখে মনিরুল আবার বলল, আপনি যদি আমাকে ক্ষমা না করেন, তবে আমি কারও কাছে মুখ দেখাতে পারব না। আর নিজের বিবেকের চাবুকে চিরকাল জর্জরিত হতে থাকব। তার কথাগুলো কান্নার মত শোনাল।লাইলী শাশুড়ীকে বলল, আপনি মনিরুল ভাইকে ক্ষমা করে দিন মা। আল্লাহপাক ক্ষমাকে ভালবাসেন। যখন কেউ নিজের অপরাধ স্বীকার করে অনুতপ্ত হৃদয়ে তার কাছে ক্ষমা চায়, তখন তিনি সঙ্গে সঙ্গে তাকে ক্ষমা করে দেন। যে ক্ষমাপ্রার্থীকে ক্ষমা করে, আল্লাহপাক তার অপরাধও ক্ষমা করে দেন এবং তাকে ভালবাসেন।সোহানা বেগম পূত্রবধূর কথা শুনে অশ্যপূর্ণ নয়নে বললেন, মনিরুল, তুমি আমার কাছে যতটুকু অপরাধ করেছ, তার চেয়ে শতগুণ বেশি মা লাইলীর কাছে করেছ। আগে তার কাছে মাফ চাও। আমি তোমাকে মাফ করে দিলাম।মনিরুলকে উঠে তার দিকে এগোতে দেখে লাইলী বলল, আমার কাছে মাফ চাইতে হবে না। আমি কোনোদিন কারুর দোষ দেখি না। কেউ যদি আমার কোনোক্ষতি করে, তখন আমি ভাবি সবকিছু আল্লাহপাকের ইশারা। তার হুকুম ছাড়া কারুর কিছু করার ক্ষমতা নেই। সেই কথা চিন্তা করে আমি কারও প্রতি দোষারোপও করি এবং কাউকে অপরাধীও মনে করি না। যদি কিছু করে থাক, দোয়া করছি, আল্লাহপাক যেন তোমাকে মাফ করেন।লাইলীর জ্ঞানগর্ভ কথা শুনে সকলে শুধু অবাক নয়, সেই থেকে তারা তাকে আল্লাহপাকের খাসবান্দী বলে মনে করল।সোহানা বেগম পূত্রবধূকে কাছে বসিয়ে গায়ে ও মাথায় হাত বুলিয়ে বললেন, আল্লাহ এমন রত্মকে আমার বৌ করে ধন্য করেছেন। আল্লাগো! তোমার দরবারে হাজার হাজার শুকরিয়া।সেলিম বলল, আমি কিন্তু মনিরুলকে কিছুতেই ক্ষমা করতাম না। আসমাকে বিয়ে করেছে বলে ক্ষমা পেয়ে গেল। আল্লাহ ওকে সুবুদ্ধি দিয়েছেন, মচৎ আমি এতক্ষণ ওকে আস্ত রাখতাম না। আল্লাহপাকের দরবারে দোওয়া করি, তিনি যেন আমাদের সবাইকে হেদায়েত দান করেন। তারপর লাইলীকে বলল, তুমি চা নাস্তা খাওয়াবে, না মায়ের সব আদরটুকু স্বার্থপরের মত নিজে একা ভোগ করবে? তারপর মাকে বলল, তুমি যেভাবে ওকে আদর করছ, মনে হচ্ছে দুদিন পরে আমদেরকে ভুলেই যাবে। আচ্ছা আরিফ! তুইও কিছু বলবি না?আরিফ হাসতে হাসতে বলল, ভাইয়া, আদর-যত্ব, ভক্তি-সম্মান কেউ কাউকে দেয় না। আদায় করার ক্ষমতা থাকা চাই। ঐগুলো পাওয়ার জন্য যা কিছু দরকার, সবগুলোই ভাবির মধ্যে আছে। সেইজন্য সে আমাদের সবাই-এর কাছ থেকে শ্ৰেনীমত আদর-যত্ন-ভক্তি সম্মান পাচ্ছে।সেলিম বলল, তুইও তোর ভাবির দলে? বেশ, তোরা তাকে ভক্তি-সম্মান করতে থাক, আমি হোটেলে গিয়ে চা খাব। সেই কখন থেকে চা খাবার ইচ্ছা হচ্ছে। তারপর সত্যি সত্যি যাওয়ার জন্য উঠে দাঁড়াল।লাইলী তাড়াতাড়ি করে নাস্তা পরিবেশন করতে লাগল।সোহানা বেগম বললেন, আমি তো ভাগ্যচক্রে ওকে হারিয়ে ফেলেছিলাম। তুইতো খুঁজে এনে দিলি। ওর জন্য সেদিন তুই আমাকে কি বলেছিলি মনে আছে? বাপ মরা মেয়েকে এখন একটু আদর করলে তোর হিংসা হয় কেন?সোহানা বেগমের কথা শুনে সবাই মিটি মিটি হাসতে লাগল।লাইলী চায়ের কাপটা সেলিমকে দেওয়ার সময় ফিস ফিস করে বলল, নিজের কথায় কেমন বকুনি খাওয়া হচ্ছে?সেলিম কৃত্রিম রাগতস্বরে বলল, মা তোমার ফরে, তা না হলে কে তোমার কথা শুনতো?
এক রাত্রে ঘুমাবার সময় লাইলীর দেরি দেখে সেলিম ছটফট করতে লাগল। তাকে জড়িয়ে ধরে না ঘুমালে তার ঘুম আসে না। সে মনে মনে একটু রেগে গেল।লাইলী শাশুড়ীর বিছানা ঠিক করে দিয়ে মাথার কাছে টেবিলে এক গ্লাস পানি ঢেকে রেখে তার হুকুম নিয়ে নিজের রুমে ঢুকল। দেখল, সেলিম চেয়ারে বসে বই পড়ছে।সেলিম লাইলীকে ঢুকতে দেখেও না দেখার ভান করে বই পড়তে লাগল।লাইলী বুঝতে পারল, তার অভিমান হয়েছে। কারণ খাওয়া দাওয়ার পর মায়ের কাছে সবাই গল্প করছিল। সেলিম উঠে আসার সময় লাইলীকে ইশারা করে চলে আসতে বলেছিল। কিন্তু মায়ের সাথে কথা বলতে বলতে একটু দেরি হয়ে গেছে। লাইলী চেয়ারের পেছন থেকে স্বামীকে জড়িয়ে ধরে মাথায় চিবুক রেখে বলল, অপরাধীনি ক্ষমা প্রার্থী। সারাদিন অফিসে কাজ করে তুমি ক্লান্ত, এবার ঘুমাবে চল।সেলিম তাকে সামনে এনে কোলে বসিয়ে বলল, স্বামীর জন্য যদি এত দরদ, তবে তাকে এত রাত জাগিয়ে রেখেছ কেন?অন্যায় করেছি, তার জন্য আবার ক্ষমা চাইছি।সেলিম বলল, মেয়েরা বেশ সুখে আছে। কোনো চিন্তা ভাবনা নেই, অন্যায় করলে মাফ চেয়ে খালাস। আজ কিন্তু মাফ করছি না। শাস্তি পেতেই হবে বলে তাকে দুহাতে তুলে নিয়ে খাটের দিকে এগোল।লাইলী বলল, তুমি যত ইচ্ছা শাস্তি দাও। তোমার শাস্তি আমাকে যে কি আনন্দ দেয়, তা যদি জানতে, তা হলে………বলে তার বুকে মুখ লুকাল।ওরে দুষ্ট মেয়ে, দাঁড়াও মজা দেখাচ্ছি বলে সেলিম তাকে বিছানায় শুইয়ে দিয়ে আনন্দে মেতে উঠল।এইভাবে খুব সুখের মধ্যে ওদের দিন কাটছিল। কিন্তু আল্লাহপাক সুখ দুঃখকে আলো ও অন্ধকারের মত পাশাপাশি রেখেছেন। কিছুদিন পর হঠাৎ লাইলীর ভীষণ জ্বর হল। জ্বরের ঘোরে সে ভুল বকতে শুরু করল, ‘আমি রেহানার কাছে অপরাধী।’ রেহানা সারাদিন তার কাছে থেকে সেবা শুশ্রুষা করে রাত্রে বাড়ি চলে যায়। সোহানা বেগম বড় ডাক্তার এনে চিকিৎসা করাতে লাগলেন। সেলিম আজ আট দিন স্ত্রীর কাছ থেকে উঠেনি। রেহানা জোর করে তাকে গোসল করতে ও খেতে পাঠায়। সেলিম সারারাত স্ত্রীর কাছে জেগে বসে থাকে। সোহানা বেগম ছেলেকে অনেক করে বোঝান, মানুষ মাত্রেই অসুখ বিসুখ হয়। তুই অত ভেঙ্গে পড়ছিস কেন? আল্লাহপাকের কাছে দোওয়া চা। সেলিম পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের পর স্ত্রীর রোগ মুক্তির জন্য দোয়া করতে লাগল। পনের দিন পর লাইলীর জ্বর একটু কমল।।ডাক্তার বললেন, এবার আর ভয় নেই, রুগী এখন আউট অফ ডেঞ্জার। প্রতিদিন মনিরুল আসমাকে সঙ্গে করে লাইলীকে দেখতে আসে।প্রায় এক মাস রোগ ভোগের পর লাইলী অনেকটা সুস্থ হয়ে উঠেছে। এখন বালিশে হেলান দিয়ে বসতে পারে।একদিন রেহানা যখন তাকে পথ্য খাওয়াচ্ছিল, তখন লাইলী তাকে বলল, তুমি মায়ের পেটের বোনের মত আমার সেবা করে আমাকে বাঁচিয়ে তুলেছ। তোমার ঋণ আমি কোনোদিন শোধ করতে পারব না।রেহানা বলল, তোমার মতো বোন পেলে আমি ধন্য হয়ে যেতাম। আচ্ছা ভাবি, তুমি জ্বরের ঘোরে কেন বলতে, আমার কাছে তুমি অপরাধী?লাইলী তাকে পাশে বসিয়ে বলল, জ্বরের মধ্যে কি বলেছি না বলেছি জানি না। এখন তোমাকে একটা কথা বলতে চাই, কিছু মনে করবে না তো?কি যে বল ভাবি, তোমার কথায় কিছু মনে করব এ কথা ভাবতে পারলে? তুমি কি বলবে বল, আমি কিছু মনে করব না।লাইলী রেহানার দুটো হাত ধরে বলল, তোমাকে আমি ছোট জা করে সারাজীবন কাছে পেতে চাই। তুমি রাজি থাকলে বল, আমি সব ব্যবস্থা করব।রেহানা মনে মনে খুব খুশি হল। কারণ সে লাইলীর সংস্পর্শে এসে ধর্মের অনেক জ্ঞান পেয়ে তার স্বভাব চরিত্রের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। ভেবে দেখেছে নারী স্বাধীনতার নামে দিন দিন নারী সমাজ উচ্ছল হয়ে অধঃপতনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সেই কারণে আরিফের দিকে তার মন ঝুঁকে পড়েছে।তাকে চুপ করে থাকতে দেখে সাইলী বলল, কি হল? কথা বলছ না কেন?ভাবি, তোমার কথা শুনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটা কথা মনে পড়ে গেল। “মানুষ যা চায় তা পায় না। আর যা পায় তা ভুল করে চায়।” আমি তো তোমার কাছে জেনেছি, আল্লাহপাক প্রত্যেক নারীকে তার স্বামীর বাঁ দিকের পাঁজরা থেকে সৃষ্টি করেছেন। তিনি যার সঙ্গে আমার জোড়া করেছেন, তার সঙ্গে বিয়ে হবেই। এখন এর বেশি কিছু বলতে পারছি না।ঠিক এই সময় সেলিম ঘরে ঢুকে রেহানার শেষ কথা শুনতে পেয়ে বলল, তোমার ভাবি বুঝি প্রশ্ন করছে, যার উত্তর দিতে পারছ না? ওর সঙ্গে কেউ তর্কে পারে না। কি প্রশ্ন করছে বল, দেখি আমি উত্তর দিতে পারি কি না।রেহানা ভীষণ লজ্জা পেল। কিছু না বলতে পেরে তাড়াতাড়ি করে ঝুঁটো বাসন পত্র নিয়ে এস্তপদে পালিয়ে গেল।সেলিম অবাক হয়ে তার চলে যাওয়া দেখল। তারপর খাটে লাইলীর পাশে বসে বলল, ওকে তুমি কি কথা জিজ্ঞেস করেছ? আমি জানতে চাইতে লজ্জা পেয়ে পালিয়ে গেল।মৃদু হেসে লাইলী বলল, সে কথা তোমার এখন শুনে কাজ নেই, পরে এক সময় বলব।দেখ স্বামীর অবাধ্য হলে কি হয়, তাতো জান।লাইলী স্বামীর দুটো হাত ধরে বলল, তুমি রাগ করবে না তো?সেলিম তার হাতটায় চুমো খেয়ে বলল, এই চুমোর কসম কিছু মনে করব না।লাইলীও স্বামীর হাতে চুমো খেয়ে বলল, রেহানাকে আমার খুব পছন্দ। আর আরিফের সঙ্গেও খুব মানাবে। তার এতে মত আছে নাকি জিজ্ঞেস করছিলাম।সেলিম কয়েক সেকেণ্ড চুপ করে থেকে জিজ্ঞেস করল, রেহানা কি বলল? রেহানা যা বলেছে তার হুবহু বলে লাইলী বলল, আমার মনে হয় ও রাজি আছে।সেলিম বলল, আরিফ যদি রাজি থাকে, তা হলে বেশ ভালই হবে। এবার থেকে ঘটকালির কাজ শুরু করলে তা হলে?তাতো আপন জনের জন্য একটু আধটু সবাইকে করতে হয়।এরপর থেকে রেহানা প্রতিদিন আসে না। মাঝে মাঝে আসে। একদিন লাইলী তাকে জিজ্ঞস করল, তুমি এখানে আসা কমিয়ে দিয়েছ কেন? সেদিনের কথায় মনে কি ব্যাথা পেয়েছ? যদি তাই হয়, তা হলে আমার কথা উইথড় করে নিচ্ছি। আমাকে ক্ষমা করে দাও।রেহানা বলল, ভাবি তোমার কথায় আমি মনে ব্যাথা পাইনি। শুধু শুধু তুমি ক্ষমা চাইছ কেন? তবে খুব লজ্জা পেয়েছি, তাই ঘনঘন আসতে মন চাইলেও আসতে পারিনি।লাইলী বলল, অনার্সের ছাত্রী। এতটা লজ্জা পাওয়ার কথা নয়?রেহানা বলল, তোমার সংস্পর্শে আসার আগে অবশ্য ঐসব ছিল না। কিন্তু তোমার কাছে এসে তোমার দেওয়া শিক্ষা পেয়ে এখন অনেক কিছু আমার পরিবর্তন হয়েছে।লাইলী বলল, আলহামদুলিল্লাহ, (সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তায়ালার)। আল্লাহ সবাইকে হেদায়েত করুন।ইদানিং রেহানা যে খুব কম আসে সেটা আরিফও লক্ষ্য করেছে। আজ যখন সে অফিস থেকে ফিরে গাড়ি থেকে নামছিল তখন রেহানাকে তাদের ঘর থেকে বেরিয়ে আসতে দেখে ডেকে বলল, একটু সময় হবে? তোমার সঙ্গে আমার কিছু কথা ছিল।রেহানা তার মুখের দিকে চেয়ে বলল, বেশ তো বল না কি কথা বলবে?আরিফ বলল, এখানে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কি বলা যায়? গাড়িতে উঠ, নিরিবিলি জায়গায় গিয়ে বলব।রেহানা সামনের সীটে আরিফের পাশে বসল। আরিফ তাকে রমনা পার্কের একটা নিরিবিলি জায়গায় নিয়ে এল। কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে আরিফ বলল, তুমি আমাকে কি মনে করবে জানি না তবু বলছি, আমি তোমাকে বিয়ে করতে চাই। বিদেশ থেকে ফিরে এসে তোমাকে দেখেই আমার খুব পছন্দ হয়েছে। অবশ্য তোমারও পছন্দ আছে। আমি তোমার মতামতের দাম দেব, এ কথা বলে রাখছি।রেহানা বেশ কিছুক্ষণ মাথা নিচু করে চিন্তা করল। তারপর তার দিকে চেয়ে বলল, আমার কিছু কথা তোমার জানা দরকার। সেগুলো শোনার পর তুমি যা ভালো বুঝবে করবে, তাতে আমার কোনো আপত্তি থাকবে না।বেশ বল, তুমি কি বলতে চাও?প্রায় বছর তিনেক আগে ফুফুআম্মা আব্বাকে বলেছিল, আমাকে সেলিম ভাইয়ের জন্য পছন্দ করেছে। আৰ্বও রাজি ছিলেন। আমি আড়াল থেকে তাদের কথা শুনে খুব আনন্দ পাই। কারণ সেলিম ভাইয়ের মত চরিত্রবান সুপুরুষকে কার না ভালো লাগবে? সেই থেকে মনে মনে তাকে ভালবেসে ফেললাম, কিন্তু সেলিম ভাই বোধ হয় সে কথা জানত না। এরপর যখন সেলিম ভাই লাইলী ভাবির দিকে ঝুঁকে পড়ল তখন তার উপর আমার খুব রাগ ও হিংসা হয়। দাদাও ব্যাপারটা জানত। সেও যখন দেখল, লাইলী ভাবির জন্য সেলিম ভাইয়ের সঙ্গে আমার বিয়ে হচ্ছে না তখন সে বেনামী চিঠি দিয়ে বিয়ে ভাঙ্গিয়ে দেয়। তারপরের ঘটনা সেদিন সে তোমাদের বাড়িতে বলে সকলের কাছ থেকে মাফ চেয়ে নিয়েছে। তবে আমি দাদার ঐসব কার্যকলাপ কিছুই জানতাম না তোমাদের বাড়িতেই প্রথম শুনলাম। যাই হোক, আমি অজ্ঞতা ও ঈর্ষার কারণে লাইলী ভাবিকে ভুল বুঝেছিলাম। অনুতপ্ত হয়ে তার কাছে আমিও মাফ চেয়ে নিয়েছি। তাকে মানবী বলে আমার মনে হয় না। যতবড় শত্রু এবং যত বড় দুশ্চরিত্র লোক তার সংস্পর্শে আসুক না কেন, সে মিত্র ও চরিত্রবান হতে বাধ্য। হবে। লাইলী ভাবি যেন পরশ পাথর, যেই তাকে ছুঁবে, সেই মানিক হয়ে যাবে। আল্লাহপাক তাকে যেমন অদ্বিতীয়া সুন্দরী করে সৃষ্টি করেছেন, তেমনি সর্বগুণে গুণান্বিতাও করেছেন।আরিফ বলল, সত্যি ভাবি অদ্বিতীয়া। তার উপর ধর্মের জ্ঞান পেয়ে এবং সেই মত চলে সে সকলের কাছে উচ্চ মর্যাদার আসন পেয়েছে। ইসলাম বড় উদার ধর্ম। সেখানে কোনো কুসংস্কার ও মানুষের মনগড়া কিছুর স্থান নেই। আমি মনপ্রাণ দিয়ে তোমাকে পেতে চাই।রেহানা ছলছল নয়নে আরিফের হাত ধরে বলল, তুমি আমাকে তোমার মত করে গড়ে নিও। আর দোষ ত্রুটি সংশোধন করার সুযোগ দিও।আরিফ সুবহান আল্লাহ বলে বলল, আল্লাহ তুমি সর্বত্র বিরাজমান। তুমি আমাদের মনের বাসনা পূরণ কর। তারপর বলল, চল তোমাকে বাড়ি পৌঁছে দিই।রেহানা বলল, তোমাদের বাড়িতেই চল। আমার গাড়ি তো ওখানে আছে। বাড়িতে ফিরে আরিফ রেহানাকে তার গাড়িতে তুলে বিদায় দিয়ে একেবারে ভাবির ঘরে ঢুকল।লাইলী জানালা দিয়ে তাদের দুজনের যাওয়া আসা দেখেছে এবং অনেক কিছু বুঝেও নিয়েছে।আরিফের ডাক শুনে বলল, কি ব্যাপার? ছোট সাহেবকে আজ খুব খুশি খুশি লাগছে। মনে হচ্ছে যেন দুনিয়া জয় করে এসেছ।আরে থাম থাম, তুমি যে দেখছি এ্যাসট্রোলজার হয়ে গেছ। তারপর বলল, সত্যি ভাবি আজ যা পেয়েছি, সারা দুনিয়া জয় করলেও তা পাওয়া যেত না।সে তো বুঝতেই পারছি। বলি ব্যাপারটা খুলেই বল না?আরিফ চারিদিকে তাকিয়ে নিয়ে গলা খাটো করে বলল, তোমাদেরকে আর মেয়ে দেখতে হবে না। এতদিনেও যখন তোমরা পারলে না তখন আমি নিজেই আজ সেই কাজ করে এসেছি।লাইলী অবাক হওয়ার ভান করে বলল, সে কি? এদিকে আমি ও তোমার ভাইয়া একটা মেয়ে পছন্দ করেছি। কথাবর্তাও এক রকম পাকাপাকি। তুমি আমাদের। মান ইজ্জত ডুবাবে বুঝি? তা হতে দিচ্ছি না।আরিফের আনন্দ উজ্জল মুখটা মুহুর্তে মলিন হয়ে গেল। বলল, তা হলে বড় সমস্যা হয়ে দাঁডল দেখছি! একদিকে আমার প্রেম, আর একদিকে তোমাদের ইজ্জত, ধুততেরী বিয়েই করব না।লাইলী অনেক কষ্টে হাসি চেপে রেখে বলল, তুমি চিন্তা করো না, আমি তোমার সব সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করব। মেয়েটার পরিচয় তো শুনি?মেয়েটার পরিচয় জেনে কি হবে? আর তুমি সমস্যার সমাধানই বা করবে কি করে? আমি যদি আমার পছন্দ করা মেয়েকে ছাড়া অন্য কাউকে বিয়ে না করি?আরে ভাই হতাশ হচ্ছ কেন? এমনভাবে মীমাংসা করব, সাপও মরবে না, আর লাঠিও ভাঙ্গবে না।যা খুশি তোমরা করগে যাও, আমি বিয়েই করব না।সে দেখা যাবে যখন সময় হবে, এখন হাত মুখ ধুয়ে নাস্তা খাবে এস। খাব না, ক্ষিদে নেই বলে আরিফ আবার বাইরে যাওয়ার জন্য ঘুরে দাঁড়াল।লাইলী বলল, আরে ভাই, শুনে যাও না। তোমার সঙ্গে একটু রসিকতা করছিলাম। তোমার প্রেমিকা রেহানার সঙ্গেই তোমার বিয়ের ব্যবস্থা আমরা করেছি, হয়েছে তো? বাব্বাহ, সাহেবের রাগ দেখ না? এখনই যদি এত, বিয়ের পর কি করবে কি জানি।আরিফ কথাগুলো শুনে ভীষণ লজ্জা পেল। সে যেন কিছু শুনতে পায়নি এমনি ভাব দেখিয়ে গাড়িতে উঠে স্টার্ট দিয়ে বলল, ভাইয়ার মতো আমার কোনো প্রেমিকা নেই। তারপর ভাবিকে কথা বলার সুযোগ না দিয়ে সাঁ করে বেরিয়ে গেল।লাইলী হাসি মুখে সেদিকে চেয়ে রইল।–: সমাপ্ত :–