BDBOYS...
BDBOYS...
সবচেয়ে সাম্প্রতিক খবর ও পোস্টসমূহ
তকের যত্নে কাঁচা হলুদের ব্যবহার নতুন কিছু নয়। ভারতীয় উপমহাদেশে এই প্রাকৃতিক উপাদানটি যুগ যুগ ধরে রূপচর্চায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। অনেকেই বলেন, এটি ত্বক ফর্সা করে, ব্রণ দূর করে, এমনকি ত্বক কয়েক শেইড উজ্জ্বল করে তোলে। কিন্তু সত্যিই কি কাঁচা হলুদ ত্বক ফর্সা করে? নাকি এটি শুধুই একটা প্রচলিত ধারণা? আজকের আর্টিকেলে আমরা জানবো কাঁচা হলুদের আসল কার্যকারিতা!কাঁচা হলুদে কী আছে?হলুদের প্রধান উপাদান হলো কারকিউমিন (Curcumin), যা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি প্রোপারটিজযুক্ত। এটি ত্বকের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া দূর করতে সাহায্য করে এবং ব্রণ, দাগ-ছোপ কমাতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে।সত্যিই কি কাঁচা হলুদ ত্বক ফর্সা করে?অনেকেই মনে করেন, কাঁচা হলুদ সরাসরি ত্বক ফর্সা করে। বিয়ের আগে হলুদের উপটান মুখ, হাত-পায়ে লাগানোর একটি চল ছিলো এককালে! এখনও অনেকে হলুদের ফেইসপ্যাক ব্যবহার করেন। তবে সত্যটা হলো, হলুদ ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে, কিন্তু এটি ত্বকের মেলানিন লেভেল কমিয়ে ত্বক ফর্সা করে না!হলুদের কার্যকারিতাত্বকের কালচে দাগ হালকা করতে পারেসাময়িকভাবে ত্বক গ্লোয়ি দেখাতে পারেব্রণ বা ফুসকুড়ির সমস্যা কিছুটা কমাতে পারেতবে এটি স্বাভাবিক ত্বকের রঙ স্থায়ীভাবে পরিবর্তন করতে পারে নাকাঁচা হলুদ ব্যবহারের সঠিক উপায়যদি আপনি কাঁচা হলুদ ব্যবহার করতে চান, তাহলে এটি সরাসরি ফেইসে অ্যাপ্লাই এর আগে কিছু নিয়ম মেনে চলা জরুরি।অ্যালোভেরা জেল, দুধ বা টকদইয়ের সাথে মিক্স ব্যবহার করুন – এটি ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করবে।অতিরিক্ত সময় ধরে লাগিয়ে রাখবেন না – বেশি সময় থাকলে ত্বকে হলুদ দাগ বসে যেতে পারে।সপ্তাহে ১/২ বার ব্যবহার করুন – প্রতিদিন ব্যবহার করলে ত্বক শুষ্ক হতে পারে।সংবেদনশীল ত্বকের জন্য আগে প্যাচ টেস্ট করুন – কারণ কিছু মানুষের ত্বকে এটি র্যাশ বা অ্যালার্জির কারণ হতে পারে।সাবধানতাহলুদের প্যাক অ্যাপ্লাই এর পরপরই সরাসরি সূর্যালোক এড়িয়ে চলুন। অনেক সময় কাঁচা হলুদ ব্যবহারের ফলে ত্বক হলুদ বর্ণ ধারণ করতে পারে, যা সহজে উঠতে চায় না। এছাড়া, অতিরিক্ত ব্যবহারে ত্বক শুষ্ক ও সংবেদনশীল হয়ে যেতে পারে। তাই পরিমিত পরিমাণে ব্যবহার করাই ভালো। যদি হলুদ থেকে ফেইসে অ্যালার্জিক রিঅ্যাকশন দেখা দেয়, তাহলে স্কিনকেয়ারে এই উপাদানটি এড়িয়ে চলাই বেটার।তাহলে, বুঝতেই পারলেন কাঁচা হলুদ ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে, কিন্তু এটি ত্বকের প্রকৃত রঙ বদলে ফেলার কোনো ম্যাজিকাল উপাদান নয়। সুস্থ, সুন্দর, উজ্জ্বল ত্বক পেতে সঠিক স্কিনকেয়ার রুটিন অনুসরণ করুন এবং স্বাস্থ্যকর খাবার খান। ব্রাইটেনিং এর জন্য স্কিনকেয়ার রুটিনে ভিটামিন-সি, আলফা আরবুটিন যুক্ত প্রোডাক্ট ইনক্লুড করতে পারেন। ত্বকের যত্নে আপনি কি কাঁচা হলুদ ব্যবহার করেন? আপনার অভিজ্ঞতা আমাদের সঙ্গে কমেন্টে শেয়ার করুন!
তকের কালচে দাগ, ব্রণের দাগ বা রোদের কারণে হওয়া পিগমেন্টেশন দূর করতে দামী স্কিনকেয়ারের পিছনে টাকা খরচ করার আগে জেনে নিন—সঠিক একটি উপাদান ব্যবহার করলেই ত্বকের দাগছোপ হবে অনেকটাই কম! আজ জানাবো এমন কিছু শক্তিশালী উপাদানের কথা, যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে ও দাগ দূর করতে কার্যকর এবং বৈজ্ঞানিকভাবেও কিন্তু এগুলো এখন প্রমাণিত।ত্বকের দাগছোপ কমিয়ে আনবো কীভাবে?স্কিনকেয়ারে অ্যাকটিভ ইনগ্রেডিয়েন্টস ব্যবহার এখন নতুন কিছু নয়! অনেকেই এখন সিরাম বা অ্যাম্পুল ব্যবহার করছেন। কিন্তু ত্বকের প্রয়োজন অনুসারে সঠিক উপাদান বেছে নেওয়া খুবই জরুরি। ত্বকের দাগছোপ দূর করতে কোন কোন উপাদান ম্যাজিকের মতো কাজ করে, চলুন দেখে নেই এখনই।১. ভিটামিন সি (Ascorbic Acid)ভিটামিন সি হলো ত্বকের জন্য অন্যতম শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এটি কোলাজেন উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে, যার ফলে আপনি পাবেন ইয়াংগার লুকিং স্কিন। ভিটামিন সি মেলানিন উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ করে এবং ত্বককে উজ্জ্বল করে তোলে। নিয়মিত ভিটামিন সি সিরাম বা ক্রিম ব্যবহার করলে দাগছোপ দ্রুত হালকা হয়ে যাবে। সকালে সানস্ক্রিন ব্যবহারের আগে ভিটামিন সি সিরাম অ্যাপ্লাই করতে পারেন, এতে ভালো ফলাফল পাবেন।২. গ্লাইকোলিক অ্যাসিড বয়স ২০ এর বেশি হলে সাপ্তাহিক স্কিনকেয়ার রুটিনে গ্লাইকোলিক অ্যাসিড যোগ করতে পারেন। গ্লাইকোলিক অ্যাসিড হল AHA (Alpha Hydroxy Acid), যা ত্বকের মৃত কোষ দূর করে নতুন কোষ গঠনে সাহায্য করে। এটি হাইপার পিগমেন্টেশন আর সানবার্ন কমিয়ে স্কিন ইভেন টোনড করতে হেল্প করে। এই উপাদানটি দাগছোপ হালকা করে এবং সেই সাথে ত্বককে মসৃণ করে। বডির বিভিন্ন এরিয়া যেমন- হাঁটু, আন্ডারআর্ম, কনুই- এগুলো দাগমুক্ত রাখতে এই উপাদানটি ম্যাজিকের মতো কাজ করে।৩. নিয়াসিনামাইডনিয়াসিনামাইড বা ভিটামিন বি৩ ত্বকের দাগছোপ কমাতে খুবই কার্যকর। এটি ত্বকের মেলানিন উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ করে, হাইপারপিগমেন্টেশন কমায় ও ত্বকের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনে। এছাড়া এটি ত্বকের অতিরিক্ত সেবাম সিক্রেশন কমিয়ে আনে, ব্রণ আর ব্রণের দাগ দূর করতেও সাহায্য করে।৪. কোজিক অ্যাসিডকোজিক অ্যাসিড এক ধরনের ন্যাচারাল স্কিন লাইটেনিং ইনগ্রেডিয়েন্ট, যা ত্বকের মেলানিন উৎপাদন কমিয়ে হাইপারপিগমেন্টেশন ও ব্রণের দাগ হালকা করে। এটি অনেক স্কিনকেয়ার প্রোডাক্টে এখন ব্যবহার করা হয়, বিশেষ করে স্পট ট্রিটমেন্ট হিসেবে।৫. আলফা আরবুটিনজেন্টল কিন্তু পাওয়ারফুল ব্রাইটেনিং এজেন্ট হিসেবে এর কদর আছে। যারা সেনসিটিভ স্কিন নিয়ে চিন্তিত, তাদের জন্য আলফা আরবুটিন সবচেয়ে সেইফ। এটি ত্বকের মেলানিন উৎপাদন কমিয়ে দাগছোপ হালকা করে এবং উজ্জ্বলতা বাড়ায়। এটি নিয়াসিনামাইডের সাথে ব্যবহার করা হলে আরও ভালো ফল পাওয়া যায়। ধৈর্য সহকারে টানা কয়েক মাস ব্যবহার করলে নিজেই ত্বকের উজ্জ্বলতা দেখে চমকে যাবেন!তাহলে বুঝতেই পারছেন, স্কিনকেয়ার রুটিনে এই উপাদানগুলোর একটি যোগ করলেই ত্বকের দাগছোপ কমতে শুরু করবে! তবে দ্রুত ফল পেতে হলে নিয়মিত ব্যবহার করতে হবে এবং সানস্ক্রিন ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক, কারণ এসব উপাদান ত্বককে সূর্যরশ্মির প্রতি সংবেদনশীল করে তোলে। তাহলে আজ এই পর্যন্তই!
শবেকদরের রাতে বিশেষ একটি দোয়া পড়ার কথা হাদিসে উল্লেখ রয়েছে। আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! আমি যদি লাইলাতুল কদর জানতে পারি, তাহলে সেই রাতে কী দোয়া করব? রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, তুমি এ দোয়া পড়বে—اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ العَفْوَ فَاعْفُ عَنِّيউচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নাকা ‘আফুউউন, তুহিব্বুল ‘আফওয়া, ফা‘ফু ‘আন্নি।অর্থ: হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই তুমি পরম ক্ষমাশীল। তুমি ক্ষমা করতে ভালোবাসো।অতএব তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও। (তিরমিজি, হাদিস: ৩৫১৩; ইবনে মাজাহ, হাদিস: ৩৮৫০)শবেকদরের রাতে এই দোয়া ছাড়াও বেশি বেশি ইস্তিগফার করা, কোরআন তেলাওয়াত করা, নফল নামাজ আদায় করা এবং আল্লাহর কাছে নিজের ও সমগ্র উম্মাহর জন্য কল্যাণ কামনা করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ আমল।
গরম গরম পোলাওয়ের সাথে যদি থাকে শাহী মুরগির কোরমা, তবে ভোজটা জমে যায় দারুণ। ঈদে অতিথি আপ্যায়ন হোক বা ঘরোয়া উৎসব—খুব সহজেই ঘরে তৈরি করতে পারেন রেস্টুরেন্ট স্বাদের এই রাজকীয় পদ। চলুন, জেনে নিই রেসিপিটি।প্রয়োজনীয় উপকরণমুরগির মাংস (দেড় কেজি), ঘন দুধ (দেড় কাপ), ঘি (২ টেবিল চামচ)।বাটা মসলা: আদা বাটা (১ চা চামচ), রসুন বাটা (আধা চা চামচ), পেঁয়াজ বাটা (১ টেবিল চামচ)।শাহী স্বাদ আনতে: পেঁয়াজ বেরেস্তা বাটা (১ চা চামচ), পোস্তদানা বাটা (১ চা চামচ), বাদাম বাটা (১ চা চামচ), কিশমিশ বাটা (আধা চা চামচ)।আস্ত গরম মসলা: তেজপাতা (২টি), এলাচ (৪-৫টি), দারুচিনি (২ টুকরা)।অন্যান্য: চিনি (আধা চা চামচ), লবণ (স্বাদমতো) ও সাজানোর জন্য পেঁয়াজ বেরেস্তা।প্রস্তুত প্রণালী........১। চুলায় কড়াই বসিয়ে ঘি গরম করুন। ঘি গরম হলে এতে তেজপাতা, এলাচ ও দারুচিনি দিন। এরপর একে একে সব বাটা মসলা ও লবণ দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিন।২। মসলা কষানো হয়ে গেলে মুরগির মাংস দিয়ে দিন। মাংসের সাথে মসলাগুলো ভালোভাবে মিশিয়ে কিছুক্ষণ নেড়েচেড়ে কষাতে থাকুন।৩। মাংস কষানো হলে এতে দেড় কাপ দুধ দিয়ে দিন।এরপর কড়াই ঢেকে দিন। মাংস সেদ্ধ হওয়ার জন্য চুলার আঁচ মাঝারি থেকে কমিয়ে রাখুন। (প্রয়োজন মনে করলে সামান্য জল দিতে পারেন)।৪। মাংস পুরোপুরি সেদ্ধ হয়ে ঝোল মাখা-মাখা হয়ে এলে ওপর থেকে চিনি ও পেঁয়াজ বেরেস্তা ছড়িয়ে দিন। কিছুক্ষণ দমে রেখে নামিয়ে নিন।তৈরি হয়ে গেল জিভে জল আনা শাহী মুরগির কোরমা।
দীর্ঘদিন ধরেই বড়পর্দায় নিজের অভিনয় ও নাচ দিয়ে দর্শকদের মন জয় করে আসছেন টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। খুব ছোট বয়সে শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয়জীবন শুরু করা এই অভিনেত্রী পরে নায়িকা হিসেবে একের পর এক সফল ছবি উপহার দিয়েছেন। মূলধারার বাণিজ্যিক ছবির পাশাপাশি ভিন্ন ধারার কাজেও নিজেকে প্রমাণ করেছেন তিনি।অভিনয়ের পাশাপাশি নাচেও বেশ জনপ্রিয় শ্রাবন্তী।প্রথাগত নৃত্যের প্রশিক্ষণ না থাকলেও তার নাচ বহুবার দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। সম্প্রতি আবারও আইটেম গানে পারফর্ম করে আলোচনায় এসেছেন তিনি। কিছুদিন আগে মুক্তিপ্রাপ্ত ওয়েব সিরিজ ‘আবার প্রলয় ২’-এর ‘কলকাতার রসগোল্লা’ গানে দেখা গেছে তাকে। এর আগে ‘ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে রে’ ছবির জনপ্রিয় ‘কোকাকোলা’ গানেও তার পারফরম্যান্স দর্শকদের নজর কেড়েছিল।নায়িকা হিসেবে সফল ক্যারিয়ার থাকা সত্ত্বেও কেন বারবার আইটেম গানে দেখা যায়—এই প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন শ্রাবন্তী। সম্প্রতি আজকাল-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “কেন নয়? আমি মূলধারার বাণিজ্যিক ছবির একজন অভিনেত্রী। আইটেম ডান্স নম্বরে পারফর্ম করতে আমার দারুণ লাগে। এতে নানা ধরনের অভিব্যক্তি দেখানোর সুযোগ থাকে, অন্যরকম সাজে ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানো যায়।”তবে আইটেম গানে নাচার পেছনে আলাদা কোনো পরিকল্পনা নেই বলেও জানান তিনি। তার মতে, একজন অভিনেতা বা অভিনেত্রীর সব ধরনের পারফরম্যান্স করার সক্ষমতা থাকা উচিত। তাই বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি আইটেম গানে পারফর্ম করতেও তার কোনো আপত্তি নেই।কাজের ক্ষেত্রে শিগগিরই নতুন রূপে দেখা যাবে শ্রাবন্তীকে। আসন্ন সিরিজ ‘ঠাকুমার ঝুলি’-তে তিনি অভিনয় করছেন ‘গিরিজাবালা দেবী’ নামের এক বৃদ্ধার চরিত্রে।বিষ্ণুপুরের এই নারী জীবনের নানা দুঃখ-কষ্ট পেরিয়ে বুদ্ধি ও বিচক্ষণতায় একটি রহস্যময় হত্যাকাণ্ডের সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।
রমজান মাস মুসলমানদের জন্য রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস। এই মাসে আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদের প্রতি বিশেষ অনুগ্রহ বর্ষণ করেন। আর রমজানের শেষ দশকের সর্বশ্রেষ্ঠ রাত হলো শবে কদর (লাইলাতুল কদর)। যে রাতকে আল্লাহ তাআলা হাজার মাসের চেয়েও উত্তম বলে ঘোষণা করেছেন।আল্লাহ তাআলা বলেন, “নিশ্চয়ই আমি একে (কোরআন) নাজিল করেছি লাইলাতুল কদরে। আর তুমি কি জানো লাইলাতুল কদর কী? লাইলাতুল কদর হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।” (সুরা আল-কদর, আয়াত : ১–৩)এই রাত আল্লাহর অশেষ রহমত ও ক্ষমার রাত। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে এবং সওয়াবের আশায় লাইলাতুল কদরে ইবাদতে রাত কাটাবে, তার পূর্বের সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।” (বুখারি, হাদিস: ৩৫; মুসলিম, হাদিস: ৭৬০)তবে ইসলামী শিক্ষায় এমন কিছু গুরুতর গুনাহের কথা উল্লেখ রয়েছে, যেগুলোতে লিপ্ত থেকে তওবা না করলে মানুষ আল্লাহর ক্ষমা থেকে বঞ্চিত হতে পারে। এমনকি শবে কদরের রাতেও। তাই এই বিষয়গুলো সম্পর্কে সচেতন হওয়া অত্যন্ত জরুরি।১. শিরকে লিপ্ত ব্যক্তিইসলামে সবচেয়ে বড় গুনাহ হলো শিরক।অর্থাৎ আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক করা বা তাঁর একত্বে অবিশ্বাস করা। আল্লাহ তাআলা বলেন, “নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সাথে শরিক করাকে ক্ষমা করেন না; তবে এর বাইরে যা আছে তিনি যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন।” (সূরা আন-নিসা, আয়াত : ৪৮) অতএব শিরকের গুনাহ থেকে তওবা না করলে কোনো ইবাদতই মানুষের জন্য মুক্তির নিশ্চয়তা হতে পারে না।২. মানুষের হক নষ্টকারী (হক্কুল ইবাদ লঙ্ঘনকারী)মানুষের অধিকার নষ্ট করা ইসলামে অত্যন্ত ভয়াবহ অপরাধ। কারও সম্পদ আত্মসাৎ করা, প্রতারণা করা, অন্যায়ভাবে কারও অধিকার হরণ করা।এসব গুনাহ শুধু তওবা করলেই মাফ হয় না; বরং যার অধিকার নষ্ট হয়েছে, তার কাছ থেকে ক্ষমা নিতে হয়।রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: “তোমরা কি জানো প্রকৃত নিঃস্ব কে? সাহাবারা বললেন, আমাদের মধ্যে নিঃস্ব সে, যার কাছে ধন-সম্পদ নেই। তখন তিনি বললেন, আমার উম্মতের নিঃস্ব সেই ব্যক্তি, যে কিয়ামতের দিন নামাজ, রোজা ও যাকাত নিয়ে আসবে; কিন্তু সে কাউকে গালি দিয়েছে, কারও সম্পদ আত্মসাৎ করেছে, কারও রক্তপাত করেছে বা কাউকে প্রহার করেছে। তখন তার নেক আমলগুলো তাদের মধ্যে বণ্টন করে দেওয়া হবে।” (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৫৮১)৩. পিতা-মাতার অবাধ্য সন্তানইসলামে পিতা-মাতার প্রতি সম্মান ও আনুগত্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাদের অবাধ্য হওয়া বা কষ্ট দেওয়া বড় গুনাহ হিসেবে বিবেচিত। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: “তিন শ্রেণির মানুষের দিকে আল্লাহ কিয়ামতের দিন তাকাবেন না: পিতা-মাতার অবাধ্য সন্তান, মদপানে আসক্ত ব্যক্তি এবং যে ব্যক্তি উপকার করে তা স্মরণ করিয়ে অপমান করে।” (সুনান নাসাঈ, হাদিস: ২৫৬২; মুসনাদ আহমদ)৪. মদপানে অভ্যস্ত ব্যক্তিমাদকাসক্তি ইসলাম কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করেছে। কারণ এটি মানুষের বিবেক ও চরিত্র ধ্বংস করে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন : “যে ব্যক্তি নিয়মিত মদ পান করে, সে যদি তওবা না করে মারা যায়, তবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না।” (বুখারি, হাদিস: ৫৫৭৫)অতএব মদপান বা নেশাজাতীয় দ্রব্যে আসক্ত ব্যক্তি যদি সত্যিকার তওবা না করে, তবে সে আল্লাহর বিশেষ রহমত থেকে বঞ্চিত হতে পারে।৫. বিদ্বেষ ও হিংসা পোষণকারী ব্যক্তিমানুষের অন্তরে যদি হিংসা ও শত্রুতা থাকে, তবে তা ইবাদতের সৌন্দর্য নষ্ট করে দেয়। ইসলামে মুসলমানদের মধ্যে পারস্পরিক ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্বের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন— “প্রতি সোমবার ও বৃহস্পতিবার মানুষের আমল আল্লাহর কাছে পেশ করা হয়। তখন প্রত্যেক মুমিনকে ক্ষমা করা হয়, কিন্তু সেই দুই ব্যক্তিকে নয় যারা একে অপরের সাথে বিদ্বেষ পোষণ করে। তখন বলা হয়—তাদেরকে অপেক্ষা করতে দাও যতক্ষণ না তারা মিলমিশ করে।” (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৫৬৫)৬. আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারীআত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা। যারা অহেতুক কারণে আত্মীয়দের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে, তারা আল্লাহর অসন্তুষ্টির মুখে পড়ে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন : “আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী জান্নাতে প্রবেশ করবে না।” (বুখারি, হাদিস: ৫৯৮৪)শবে কদরের শ্রেষ্ঠ দোয়ালাইলাতুল কদরের রাতে বেশি বেশি তওবা ও দোয়া করার কথা হাদিসে এসেছে। আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত—তিনি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে জিজ্ঞেস করেন, যদি আমি লাইলাতুল কদর পেয়ে যাই তবে কী দোয়া করব? তিনি বলেন—اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ العَفْوَ فَاعْفُ عَنِّيউচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নাকা ‘আফুউউন তুহিব্বুল ‘আফওয়া ফা‘ফু ‘আন্নি।অর্থঃ হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই তুমি পরম ক্ষমাশীল, তুমি ক্ষমা করতে ভালোবাসো; অতএব তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও। (সুনান তিরমিজি, হাদিস: ৩৫১৩)শবে কদর এমন এক মহিমান্বিত রাত, যখন আল্লাহ তাআলা অসংখ্য বান্দাকে ক্ষমা করে দেন। কিন্তু সেই ক্ষমা লাভের জন্য প্রয়োজন আন্তরিক তওবা, হৃদয়ের পরিশুদ্ধতা এবং মানুষের অধিকার রক্ষা করা।অতএব এই পবিত্র রাতে আমাদের উচিত; গুনাহ থেকে ফিরে আসা, মানুষের হক আদায় করা, পিতা-মাতার সন্তুষ্টি অর্জন করা,হিংসা ও বিদ্বেষ দূর করা এবং আল্লাহর কাছে অশ্রুসিক্ত হৃদয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করা।কারণ যে ব্যক্তি সত্যিকারের তওবা করে আল্লাহর দিকে ফিরে আসে, আল্লাহ তাকে নিরাশ করেন না। কিন্তু যে ব্যক্তি গুনাহে অটল থাকে এবং তওবা করে না—সে শবে কদরের মতো মহিমান্বিত রাতেও ক্ষমা থেকে বঞ্চিত হতে পারে।লেখক: শিক্ষার্থী, এন. আকন্দ কামিল মাদরাসা, নেত্রকোণা।
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আলম বলেছেন, বর্তমান সরকার ১৮০ দিনে ১ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করবে এবং ৫ বছরে ৩০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করার কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।সোমবার (১৬ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০ টায় টঙ্গী ও পূবাইল থানার মধ্যবর্তী নিমতলী রেলগেট সংলগ্ন বালুর মাঠে খালের পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।মন্ত্রী বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান খাল কাটার কর্মসূচি শুরু করে দেশে কৃষি বিপ্লব ঘটিয়েছেন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের যোগ্য উত্তরসূরি তারেক রহমান সাহেব ক্ষমতায় এসে সর্বপ্রথম এই কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন।নির্বাচনের কালির দাগ মুছে যাওয়ার আগে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে এবং আগামী কিছুদিনের মধ্যে কৃষকদের মাঝে কৃষি কার্ড বিতরণ করা হবে। বিএনপি সরকার শুধু কথায় না কাজে বিশ্বাসী।গাজীপুরকে একটি মেগাসিটি হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, গাজীপুরকে একটি মেগাসিটি হিসাবে গড়ে তুলতে বিভিন্ন ধরনের উন্নয়নমূলক কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। গাজীপুরের খাল, বিল, নদী-নালা দূষণমুক্ত করতে হলে স্থানীয় জনগণের সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি।বিশেষ করে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো যেন তাদের বর্জ্য সরাসরি খাল বিল নদী-নালায় ফেলে নদীকে দূষিত না করতে পারে সেদিকে সিটি করপোরেশন নাগরিক ও শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিকপক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড গাজীপুর এর নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জহির উদ্দিন এর সঞ্চালনায় গাজীপুর জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ভারপ্রাপ্ত আহাম্মদ হোসেন ভূইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এম মঞ্জুরুল করিম রনি, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার, গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দিন, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার মো. মহিউদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ওয়ালী-উল-হক, টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপির সভাপতি সরকার জাবেদ আহমেদ সুমনসহ অন্যান্য নেতারা।
দেশে খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তার এই কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানালেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রীর এই কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানিয়ে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্ট করেছেন জামায়াত আমির। ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ একসময় কার্যত নদীমাতৃক দেশ হিসেবে পরিচিত ছিল।নদীগুলো সচল ছিল। নদীপথে যাতায়াত, পণ্য পরিবহন এবং কৃষিক্ষেত্রে নদী ছিল বিশাল নিয়ামক শক্তি। তার পাশাপাশি মৎস্যসম্পদ, জমির উর্বরা সংরক্ষণ এবং বর্ষাকালে পানিপ্রবাহ সঠিক থাকার কারণে ঘন ঘন বন্যা এবং এই জনিত দুর্ভোগের প্রাদুর্ভাব কমই হতো। কিন্তু স্বাধীনতার পর থেকে একদিকে ফারাক্কা বাঁধের অভিশাপ, অন্যদিকে প্রধান প্রধান নদীগুলোসহ সব গুরুত্বপূর্ণ নদ-নদী, খাল এবং বিল ভরাট হওয়ার ফলে একসময়ের স্রোতস্বিনী নদীগুলো এখন ভরা মৌসুমে পানি ধারণ করতে পারে না।ফলে অকাল বন্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়, শুকনা মৌসুমে মরুভূমির রূপ ধারণ করে। বর্ষায় পানির প্রবাহ বিঘ্নিত হয়ে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এমনকি প্রধান প্রধান শহর ও নগরগুলো পানিতে তলিয়ে যায়। আবার শুকনা মৌসুমে যেখানে নৌ চলাচল ও কৃষির জন্য পানির প্রয়োজন হয় সেখানে ন্যূনতম চাহিদা পূরণ করার মতো পানি থাকে না।’অতএব দেশ বাঁচাতে হলে প্রধান প্রধান নদীগুলোতে পর্যাপ্ত ড্রেজিং সম্পন্ন করে নাব্যতা ফিরিয়ে আনা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকারের উচিত হবে দেশ বাঁচানোর স্বার্থে নদ-নদী গুলোর জীবন ফিরিয়ে আনার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা।মনে রাখতে হবে অতীতে ড্রেজিংয়ের নামে, নদীশাসনের নামে, নদী সংস্কারের নামে বাজেট বরাদ্দ হলেও তার কোনো সুফল পাওয়া যায়নি। কারণ লুটপাটতন্ত্র ছিল তখন শাসকদের মূলনীতি। সব ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার কোনো বিকল্প নেই।দেশবাসীর আমানত সর্বোত্তম পন্থায় স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজে লাগানো সরকারের দায়িত্ব। সরকার মূলত দেশবাসীর পক্ষে সব কর্মকাণ্ডে ব্যবস্থাপকের ভূমিকা পালন করবে।এমনকি খাল খননের সুফল তখনই পাওয়া যাবে, যখন নদীগুলো প্রাণ ফিরে পাবে, নাব্যতা ফিরে পাবে। অন্যথায় খাল খনন থেকেও জনগণ কাঙ্ক্ষিত সুফল পাবে না।
যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা সতর্কতা সত্ত্বেও আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা অপরিবর্তিত রয়েছে ইরানের। এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।এএফসির সাধারণ সম্পাদক উইন্ডসর পল জন জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরান বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে বলেই তাদের ধারণা। এএফসির সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘যতদূর আমরা জানি, ইরান খেলছে।আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি, তবে এই মুহূর্তে তারা বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে।’তিনি আরো বলেন, ইরান এশিয়ার অন্যতম শক্তিশালী দল এবং বিশ্বকাপে তাদের অংশগ্রহণ দেখতে চায় এএফসি।এর আগে গত বৃহস্পতিবার সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছিলেন, বিশ্বকাপে অংশ নিতে গেলে ইরান দলের ‘জীবন ও নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে’। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো যৌথভাবে এ বছরের বিশ্বকাপ আয়োজন করছে।ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ লিখেছিলেন, ইরান দলকে স্বাগত জানানো হলেও ‘তাদের নিজের জীবন ও নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় সেখানে থাকা উপযুক্ত হবে না’।সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর অঞ্চলটিতে উত্তেজনা বাড়ায় এই উদ্বেগ আরো জোরালো হয়েছে।এদিকে আলাদা এক ঘটনায় ইরানের নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয় চাওয়ার আবেদন প্রত্যাহার করেছেন। অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত এশিয়ান কাপে অংশ নিতে গিয়ে ইরান দলের সাতজন সদস্য শুরুতে আশ্রয় চেয়েছিলেন।জাতীয় সংগীত গাইতে অস্বীকৃতি জানানোয় দেশে তাদের ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলা হয়েছিল বলে জানা যায়।অধিনায়কের সিদ্ধান্ত বদলের পর এখন মাত্র দুইজন প্রতিনিধি অস্ট্রেলিয়ায় থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খেলোয়াড়দের অবস্থান বদলাতে তাদের পরিবারের ওপর চাপ দেওয়া হয়েছিল। যদিও ইরানি কর্তৃপক্ষ পাল্টা অভিযোগ করেছে, অস্ট্রেলিয়া খেলোয়াড়দের সেখানে থেকে যেতে চাপ দিচ্ছে।বর্তমানে ইরানে ফেরার অপেক্ষায় থাকা খেলোয়াড়রা কুয়ালালামপুরের একটি হোটেলে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।এএফসির সাধারণ সম্পাদক উইন্ডসর পল জন বলেন, নারী দলের সদস্যদের ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে সংস্থাটি। ‘এটা তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত, আমরা সেটিকে সম্মান জানাব,’ বলেন তিনি।
পাকিস্তানের বিপক্ষে রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে সিরিজ জয়ের পর বেশ ফুরফুরে মেজাজেই আছে বাংলাদেশ দল। সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়েও উন্নতি হয়েছে লাল-সবুজদের। চার নম্বরে থাকা পাকিস্তানকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে তিন রেটিং পয়েন্ট অর্জন করেছে বাংলাদেশ, যার ফলে দশ নম্বর থেকে এক ধাপ এগিয়ে এখন নবম স্থানে উঠেছে তারা।এই অবস্থান ধরে রাখতে পারলে আগামী বছরের মার্চ পর্যন্ত সরাসরি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে বাংলাদেশ।তাই সামনে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আসন্ন ওয়ানডে সিরিজটি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।আগামী ১৩ এপ্রিল দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে বাংলাদেশ সফরে আসবে নিউজিল্যান্ড দল। মিরপুরে ১৭, ২০ ও চট্টগ্রামে ২৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। এরপর ২৭ ও ২৯ এপ্রিল এবং ২ মে হবে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ।তবে র্যাঙ্কিংয়ের হিসাব বিবেচনায় বাংলাদেশের জন্য ওয়ানডে সিরিজটিই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।ঘরের মাঠে এই সিরিজে বাংলাদেশকে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে রাখছে নিউজিল্যান্ডের দল নির্বাচন। কারণ আইপিএল ও পিএসএলের ব্যস্ত সূচির কারণে নিউজিল্যান্ড তাদের প্রথম সারির বেশ কয়েকজন তারকা ক্রিকেটারকে পাচ্ছে না।বাংলাদেশ সফরের দলে থাকছেন না অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার, রাচিন রবীন্দ্র, গ্লেন ফিলিপস, টিম সাইফার্ট, ফিন অ্যালেন, কাইল জেমিসন, জেকব ডাফি ও লকি ফার্গুসন।এছাড়া পাকিস্তান সুপার লিগে ব্যস্ত থাকায় মার্ক চ্যাপম্যান ও ড্যারিল মিচেলও এই সিরিজে খেলবেন না। সব মিলিয়ে প্রথম সারির ১০ ক্রিকেটারকে ছাড়াই বাংলাদেশে দল পাঠাচ্ছে কিউইরা।ফলে অনেকটাই তরুণ ও অনভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের নিয়ে গড়া দ্বিতীয় সারির দলই দেখা যেতে পারে নিউজিল্যান্ড স্কোয়াডে। এমনকি দলের দুই কোচও পিএসএলে যুক্ত থাকায় বাংলাদেশ সফরে আসবেন না বলে জানা গেছে।অন্যদিকে বাংলাদেশ এই সিরিজে সেরা দলটাই মাঠে নামানোর পরিকল্পনা করছে।কারণ ২০২৭ বিশ্বকাপে সরাসরি জায়গা নিশ্চিত করতে প্রতিটি ম্যাচ ও প্রতিটি রেটিং পয়েন্টই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে টিম ম্যানেজমেন্ট।সব মিলিয়ে তারকাবিহীন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠে সিরিজ জয়ের বড় সুযোগ দেখছে বাংলাদেশ। এখন সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে র্যাঙ্কিংয়ে আরো উন্নতি করতে পারে কি না, সেটিই দেখার বিষয়।
অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে গতরাতের ম্যাচে দুটি অ্যাসিস্ট করে নতুন ইতিহাস গড়েছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের অধিনায়ক ব্রুনো ফার্নান্দেজ। এই দুই অ্যাসিস্টের মাধ্যমে প্রিমিয়ার লিগের এক মৌসুমে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টের রেকর্ড ভেঙেছেন তিনি। এতদিন এই রেকর্ডটি ছিল ক্লাব কিংবদন্তি ডেভিড বেকহামের দখলে।ম্যাচে ব্রুনো ফার্নান্দেজের কর্নার থেকে প্রথম গোলটি করেন কাসেমিরো।পরে তার নিখুঁত থ্রু পাস থেকে গোল করে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে জয়ের পথে এগিয়ে দেন ম্যাথিউস কুনহা। এই দুই অ্যাসিস্টের ফলে চলতি মৌসুমে ফার্নান্দেজের মোট অ্যাসিস্ট দাঁড়িয়েছে ১৬টিতে।এর মাধ্যমে তিনি ভেঙে দিয়েছেন ডেভিড বেকহামের ১৯৯৯-২০০০ মৌসুমে করা ১৫ অ্যাসিস্টের ক্লাব রেকর্ড। এখনো মৌসুমের বেশ কয়েকটি ম্যাচ বাকি থাকায় এই সংখ্যা আরো বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে পর্তুগিজ মিডফিল্ডারের সামনে।রেকর্ড গড়ার পর ফার্নান্দেজ বলেন, ‘আমি বেশি গর্বিত কারণ আমি এটা আমার সতীর্থদের সাহায্য করতে গিয়ে করেছি। তাদের আনন্দ দিতে পারাটা আমার জন্যও আনন্দের। আমি যে পজিশনে খেলি সেখানে থেকে গোল করতে সহায়তা করতে পারা আমাকে খুবই খুশি করে।’তিনি আরও বলেন, ‘এটা আমার জন্য বড় অর্জন।তবে মৌসুম শেষে দল যদি শীর্ষস্থানে থাকতে পারে, সেটাই হবে সবচেয়ে বড় সাফল্য।’ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের অন্তর্বর্তীকালীন কোচ মাইকেল ক্যারিকও প্রশংসায় ভাসিয়েছেন তার অধিনায়ককে। ক্যারিক বলেন, ‘গোল করা হোক বা গুরুত্বপূর্ণ পাস দেওয়া, ব্রুনো সবসময়ই দলের জন্য এগিয়ে আসে। অনুশীলন থেকে শুরু করে ম্যাচ, সব জায়গাতেই সে নিজেকে প্রমাণ করে।’প্রিমিয়ার লিগে ছয় বছরের কিছু বেশি সময়ে ফার্নান্দেজ ইতোমধ্যে ৬৭টি অ্যাসিস্ট করেছেন।একই সঙ্গে গোল ও অ্যাসিস্ট মিলিয়ে ক্লাবের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হয়ে উঠেছেন তিনি।অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে এই জয়ের ফলে ক্যারিকের অধীনে টানা পঞ্চম হোম জয় তুলে নিয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। বর্তমানে প্রিমিয়ার লিগের পয়েন্ট তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে রেড ডেভিলরা।এদিকে চলতি মৌসুমে ফার্নান্দেজের সামনে আরেকটি বড় রেকর্ড ভাঙার সুযোগ রয়েছে। প্রিমিয়ার লিগের এক মৌসুমে সর্বোচ্চ ২০ অ্যাসিস্টের রেকর্ড রয়েছে থিয়েরি অঁরি (২০০২-০৩) ও কেভিন ডি ব্রুইনের (২০১৯-২০) দখলে। মৌসুমে এখনো আটটি ম্যাচ বাকি থাকায় সেই রেকর্ড ছোঁয়ার সুযোগ রয়েছে ইউনাইটেড অধিনায়কের সামনে।
ইউরোপের কয়েকটি শীর্ষ ক্লাবের নজরে এখন ফরাসি তরুণ ফুটবলার রায়ানে মেসি। মাত্র ১৮ বছর বয়সেই তার প্রতিভা মুগ্ধ করেছে ইউরোপের বড় বড় ক্লাবগুলোকে। তবে এত আগ্রহের মধ্যেও তাকে ভবিষ্যতের পরিকল্পনায় রেখেছে ইংলিশ ক্লাব চেলসি।বর্তমানে সৌদি আরবের ক্লাব নিওমে ধারে খেলছেন রায়ানে মেসি।তিনি মূলত চেলসির সিস্টার ক্লাব স্ট্রাসবুর্গের খেলোয়াড়। চেলসির মালিকানা প্রতিষ্ঠান ব্লুকো তরুণ প্রতিভা গড়ে তোলার যে পরিকল্পনা নিয়েছে, তার অংশ হিসেবেই তাকে বিভিন্ন ক্লাবে ধারে পাঠানো হচ্ছে।প্যারিসে জন্ম নেওয়া এই উইঙ্গারকে ২০২৪ সালে ফরাসি ক্লাব দিজোঁ থেকে দলে নেয় ব্লুকো। তার আগেই তিনি ফ্রান্সের বিখ্যাত ফুটবল একাডেমি ক্লেয়ারফন্টেইনে প্রশিক্ষণ নিয়ে নজর কাড়েন।গতি, ড্রিবলিং ও আক্রমণাত্মক ফুটবলের জন্য অল্প বয়সেই তাকে ভবিষ্যতের বড় তারকা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছিল।মাত্র ১৪ বছর বয়সে দিজোঁর একাডেমিতে যোগ দেওয়ার পর দ্রুতই উন্নতি করতে থাকেন মেসি। ১৬ বছর বয়সেই ক্লাবটির হয়ে সিনিয়র দলে অভিষেক ঘটে তার। এরপর অভিজ্ঞতা বাড়ানোর জন্য তাকে ধারে পাঠানো হয় পাও এফসি এবং বর্তমানে তিনি খেলছেন নিওমে।তার ধারাবাহিক উন্নতির কারণে ইউরোপের বেশ কয়েকটি বড় ক্লাব ইতোমধ্যে তার খোঁজখবর নিতে শুরু করেছে। জার্মানির বায়ার্ন মিউনিখ, স্পেনের বার্সেলোনা এবং ফ্রান্সের পিএসজি তাকে দলে নেওয়ার ব্যাপারে আগ্রহ দেখিয়েছে বলে জানা গেছে।তবে চেলসির মালিকানা প্রতিষ্ঠান ব্লুকো পরিষ্কার করে জানিয়েছে, রায়ানে মেসিকে ছাড়ার কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই। বরং ভবিষ্যতে তাকে বড় মঞ্চে তুলে আনতেই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করছে তারা।পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী মৌসুমে তাকে স্ট্রাসবুর্গের মূল দলে খেলানোর কথা ছিল।তবে তার দ্রুত অগ্রগতির কারণে সেই পরিকল্পনায় কিছু পরিবর্তনও আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এক মাতাল টলতে টলতে এক ভদ্রলোকের সামনে গিয়ে দাঁড়াল।: এই আমাকে একটা ট্যাক্সি ডেকে দাও তো।: আমি এ হোটেলের দারোয়ান নই, আমি একজন এয়ার মার্শাল।: বেশ তো, তা হলে একটা প্লেনই ডেকে দাও।
বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় কমেডি নাটক **Bachelor Point** আবারও নতুন এপিসোড নিয়ে হাজির হয়েছে। দর্শকদের দীর্ঘ অপেক্ষার পর **Bachelor Point Season 5 (2025)** মুক্তি পেয়েছে এবং ইতিমধ্যেই ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।এই পোস্টে আপনি **Bachelor Point Season 5-এর সব নতুন এপিসোড BongoBD WEB-DL কোয়ালিটিতে ডাউনলোড বা অনলাইনে দেখার লিংক** পাবেন।Bachelor Point Season 5 DetailsDrama Name:** Bachelor PointSeason:** 05Release Year:** 2025Genre:** Comedy / DramaLanguage:** BanglaDirector:** Kajal Arefin OmeSource:** BongoBDQuality:** WEB-DLResolution:** 720p / 1080pCast:* Ziaul Hoque Polash (Kabila)* Mishu Sabbir* Chashi Alam (Habu Bhai)* Marzuk Russell* Faria Shahrin* Tasnia Farin* Parsa Evana* Shamim Hasan SarkarStory....Bachelor Point মূলত কয়েকজন ব্যাচেলর বন্ধুর দৈনন্দিন জীবন, মজার ঘটনা এবং বিভিন্ন সমস্যাকে ঘিরে তৈরি একটি কমেডি নাটক। কাবিলা, হাবু ভাই, অন্তরা, রাকিব এবং তাদের বন্ধুদের নিয়ে ঘটে যাওয়া নানা হাস্যরসাত্মক পরিস্থিতিই এই নাটকের মূল আকর্ষণ।Season 5-এ আগের সিজনের চেয়েও বেশি মজার ঘটনা, নতুন গল্প এবং চমক রয়েছে যা দর্শকদের দারুণভাবে বিনোদন দেবে।Disclaimerএই পোস্টটি শুধুমাত্র তথ্য প্রদানের জন্য করা হয়েছে। সব কন্টেন্ট তাদের নিজ নিজ মালিকের অধীনে রয়েছে। যদি কোনো কন্টেন্টের বিষয়ে সমস্যা থাকে তবে দয়া করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।Downliad LinkDownload 480p QualityDownload 720p QualityDownload 1080p Quality