BDBOYS...
BDBOYS...
সবচেয়ে সাম্প্রতিক খবর ও পোস্টসমূহ
এতদিন পরে অমিত একটা কথা আবিষ্কার করেছে যে, লাবণ্যর সঙ্গে তার সম্বন্ধটা শিলঙ-সুদ্ধ বাঙালি জানে। গভর্মেন্ট্ আপিসের কেরানিদের প্রধান আলোচ্য বিষয়–তাদের জীবিকাভাগ্যগগনে কোন্ গ্রহ রাজা হৈল কে বা মন্ত্রিবর। এমন সময় তাদের চোখে পড়ল মানবজীবনের জ্যোতির্মণ্ডলে এক যুগ্মতারার আবর্তন, একেবারে ফাস্ট্ ম্যাগ্নিচ্যুডের আলো। পর্যবেক্ষকদের প্রকৃতি অনুসারে এই দুটি নবদীপ্যমান জ্যোতিষ্কের আগ্নেয় নাট্যের নানাপ্রকার ব্যাখ্যা চলছে।পাহাড়ে হাওয়া খেতে এসে এই ব্যাখ্যার মধ্যে পড়েছিল কুমার মুখুজ্জে–অ্যাটর্নি। সংক্ষেপে কেউ তাকে বলে কুমার মুখো, কেউ বলে মার মুখো! সিসিদের মিত্রগোষ্ঠীর অন্তশ্চর নয় সে, কিন্তু জ্ঞাতি, অর্থাৎ জানাশোনার দলে। অমিত তাকে ধূমকেতু মুখো নাম দিয়েছিল। তার একটা কারণ সে এদের দলের বাইরে, তবু সে মাঝে মাঝে এদের কক্ষপথে পুচ্ছ বুলিয়ে যায়। সকলেই আন্দাজ করে, যে গ্রহটি তাকে বিশেষ করে টান মারছে তার নাম লিসি। এই নিয়ে সকলেই কৌতুক অনুভব করে, কিন্তু লিসি স্বয়ং এতে ক্রুদ্ধ ও লজ্জিত। তাই লিসি প্রায়ই প্রবল বেগে এর পুচ্ছমর্দন করে চলে যায়, কিন্তু দেখতে পাই, তাতে ধূমকেতুর লেজার বা মুড়োর কোনোই লোকসান হয় না।অমিত শিলঙের রাস্তায়-ঘাটে মাঝে মাঝে কুমার মুখোকে দূর থেকে দেখেছে। তাকে না দেখতে পাওয়া শক্ত। বিলেতে আজও যায় নি বলে তার বিলিতি কায়দা খুব উৎকটভাবে প্রকাশমান। তার মুখে নিরবচ্ছিন্ন একটা মোটা চুরুট থাকে, এইটেই তার ধূমকেতু মুখো নামের প্রধান কারণ। অমিত তাকে দূর থেকেই এড়িয়ে যাবার চেষ্টা করেছে এবং নিজেকে ভুলিয়েছে যে, ধূমকেতু বুঝি সেটা বুঝতে পারে নি। কিন্তু দেখেও দেখতে না পাওয়াটা একটা বড়ো বিদ্যের অন্তর্গত, চুরিবিদ্যের মতোই। তার সার্থকতার প্রমাণ হয়, যদি না পড়ে ধরা। তাতে প্রত্যক্ষ দৃশ্যটাকে সম্পূর্ণ পার করে দেখবার পারদর্শিতা চাই।কুমার মুখো শিলঙের বাঙালিসমাজ থেকে এমন অনেক কথা সংগ্রহ করেছে যাকে মোটা অক্ষরে শিরোনামা দেওয়া যেতে পারে, “অমিত রায়ের অমিতাচার”। মুখে সব চেয়ে নিন্দে করেছে যারা, মনে সব চেয়ে রসভোগ করেছে তারাই। যকৃতের বিকৃতি-শোধনের জন্যে কুমার কিছুদিন এখানে থাকবে বলেই স্থির ছিল, কিন্তু জনশ্রুতিবিস্তারের উগ্র উৎসাহে তাকে পাঁচদিনের মধ্যে কলকাতায় ফেরালে। সেখানে গিয়ে অমিত সম্বন্ধে তার চুরুটধূমাকৃত অত্যুক্তি-উদ্গারে সিসি-লিসি-মহলে কৌতুকে কৌতূহলে জড়িত বিভীষিকা উৎপাদন করলে।অভিজ্ঞ পাঠকমাত্রই এতক্ষণে অনুমান করে থাকবেন যে, সিসি-দেবতার বাহন হচ্ছে কেটি মিত্তিরের দাদা নরেন। তার অনেক দিনের একনিষ্ঠ বাহন-দশা এবার বৈবাহনের দশম দশায় উত্তীর্ণ হবে, এমন কথা উঠেছে। সিসি মনে মনে রাজি। কিন্তু যেন রাজি নয় ভাব দেখিয়ে একটা প্রদোষান্ধকার ঘনিয়ে রেখেছে। অমিতর সম্মতি-সহায়ে নরেন এই সংশয়টুকু পার হতে-পারবে বলে ঠিক করেছিল, কিন্ত অমিত হাম্বাগটা না ফেরে কলকাতায়, না দেয় চিঠির জবাব। ইংরেজি যতগুলো গর্হিত শব্দভেদী বাক্য তার জানা ছিল সবগুলিই প্রকাশ্যে ও স্বগত উক্তিতে নিরুদ্দেশ অমিতর প্রতি নিক্ষেপ করেছে। এমন-কি, তারযোগে অত্যন্ত বে-তার বাক্য শিলঙে পাঠাতে ছাড়ে নি–কিন্তু উদাসীন নক্ষত্রকে লক্ষ্য করে উদ্ধত হাউয়ের মতো কোথাও তার দাহরেখা রইল না। অবশেষে সর্বসম্মতিক্রমে স্থির হল, অবস্থাটার সরেজমিন তদন্ত হওয়া দরকার। সর্বনাশের স্রোতে অমিতর ঝুঁটির ডগাটাও যদি কোথাও একটু দেখা যায়, টেনে ডাঙায় তোলা আশু দরকার। এ সম্বন্ধে তার আপন বোন সিসির চেয়ে পরের বোন কেটির উৎসাহ অনেক বেশি। ভারতের ধন বিদেশে লুপ্ত হচ্ছে বলে আমাদের পলিটিক্সের যে আক্ষেপ, কেটি মিটারের ভাবখানা সেই জাতের।নরেন মিটার দীর্ঘকাল য়ুরোপে ছিল। জমিদারের ছেলে, আয়ের জন্য ভাবনা নেই, ব্যয়ের জন্যেও; বিদ্যার্জনের ভাবনাও সেই পরিমাণে লঘু। বিদেশে ব্যয়ের প্রতিই অধিক মনোযোগ করেছিল, অর্থ এবং সময় দুই দিক থেকেই। নিজেকে আর্টিস্ট্ বলে পরিচয় দিতে পারলে একই কালে দায়মুক্ত স্বাধীনতা ও অহৈতুক আত্মসম্মান লাভ করা যায়, এই জন্যে আট্-সরস্বতীর অনুসরণে য়ুরোপের অনেক বড়ো শহরের বোহিমীয় পাড়ায় সে বাস করেছে। কিছুদিন চেষ্টার পর স্পষ্টবক্তা হিতৈষীদের কঠোর অনুরোধে ছবি আঁকা ছেড়ে দিতে হল, এখন সে ছবির সমজদারিতে পরিপক্ক বলেই নিজের প্রমাণনিরপেক্ষ পরিচয় দেয়। চিত্রকলা সে ফলাতে পারে না, কিন্তু দুই হাতে সেটাকে চটকাতে পারে। ফরাসি ছাঁচে সে তার গোঁফের দুই প্রত্যন্তদেশকে সযত্নে কণ্টকিত করেছে, এ দিকে মাথায় ঝাঁকড়া চুলের প্রতি তার সযত্ন অবহেলা। চেহারাখানা তার ভালোই, কিন্তু আরো ভালো করবার মহার্ঘ সাধনায় তার আয়নার টেবিল প্যারিসীয় বিলাসবৈচিত্র৻ে ভারাক্রান্ত। তার মুখ-ধোবার টেবিলের উপকরণ দশাননের পক্ষেও বাহুল্য হত। দামী হাভানা দু-চার টান টেনেই অনায়াসেই সেটাকে অবজ্ঞা করা, এবং মাসে মাসে গাত্রবস্ত্র পার্সেল-পোস্টে ফরাসি ধোবার বাড়িতে ধুইয়ে আনানো–এ-সব দেখে ওর আভিজাত্য সম্বন্ধে দ্বিরুক্তি করতে সাহস হয় না। য়ুরোপের শ্রেষ্ঠ দর্জিশালায় রেজিস্ট্রি-বহিতে ওর গায়ের মাপ ও নম্বর লেখা এমন-সব কোঠায়, যেখানে খুঁজলে পাতিয়ালা, কর্পুরতলার নাম-পাওয়া যেতে পারে। ওর স্ল্যাঙ-বিকীর্ণ ইংরেজি ভাষার উচ্চারণটা বিজড়িত, বিলম্বিত, আমীলিত চক্ষুর অসল কটাক্ষ-সহযোগে অনতিব্যক্ত; যারা অভিজ্ঞ তাদের কাছে শোনা যায়, ইংলণ্ডের অনেক নীলরক্তবান্ আমীরদের কণ্ঠস্বরে এইরকম গদ্গদ জড়িমা। এর উপরে ঘোড়দৌড়ীয় অপভাষা এবং বিলিতি শপথের দুর্বাক্যসম্পদে সে তার দলের লোকের আদর্শ পুরুষ।কেটি মিটারের আসল নাম কেতকী। চালচলন ওর দাদারই কায়দা-কারখানার বকযন্ত্রপরম্পরায় শোধিত তৃতীয় ক্রমের চোলাই-করা– বিলিতি কৌলীন্যের ঝাঁঝালো এসেন্স্। সাধারণ বাঙালি মেয়ের দীর্ঘকেশগৌরবের গর্বের প্রতি গর্বসহকারেই কেটি দিয়েছে কাঁচি চালিয়ে খোঁপাটা ব্যাঙাচির লেজের মতো বিলুপ্ত হয়ে অনুকরণের উল্লম্ফশীল পরিণত অবস্থা প্রতিপন্ন করছে। মুখের স্বাভাবিক গৌরিমা বর্ণপ্রলেপের দ্বারা এনামেল-করা। জীবনের আদ্যলীলায় কেটির কালো চোখের ভাবটি ছিল স্নিগ্ধ; এখন মনে হয়, সে যেন যাকে-তাকে দেখতেই পায় না। যদি-বা দেখে তো লক্ষই করে না, যদি-বা লক্ষ করে তাতে যেন আধ খোলা একটা ছুরির ঝলক থাকে। প্রথম-বয়সে ঠোঁটদুটিতে সরল মাধুর্য ছিল এখন বারবার বেঁকে বেঁকে তার মধ্যে বাঁকা অঙ্কুশের মতো ভাব স্থায়ী হয়ে গেছে। মেয়েদের বেশের বর্ণনায় আমি আনাড়ি। তার পরিভাষা জানি নে। মোটের উপর চোখে পড়ে, উপরে একটা পাতলা সাপের খোলসের মতো ফুর্ফুরে আবরণ, অন্দরের কাপড় থেকে অন্য একটা রঙের আভাস আসছে। বুকের অনেকখানিই অনাবৃত; আর অনাবৃত বাহুদুটিকে কখনো কখনো টেবিলের, কখনো চৌকির হাতায়, কখনো পরস্পরকে জড়িত করে যত্নের ভঙ্গিতে আলগোছে রাখবার সাধনা সুসম্পূর্ণ। আর, যখন সুমার্জিতনখররমণীয় দুই আঙুলে চেপে সিগারেট খায় সেটা যতটা অলংকরণের অঙ্গরূপে ততটা ধূমপানের উদ্দেশে নয়। সব চেয়ে যেটা মনে দুশ্চিন্তা উদ্রেক করে সেটা ওর সমুচ্চ-খুর-ওয়ালা জুতোজোড়ার কুটিল ভঙ্গিমায়; যেন ছাগল-জাতীয় জীবের আদর্শ বিস্মৃত হয়ে মানুষের পায়ের গড়ন দেবার বেলায় সৃষ্টিকর্তা ভুল করেছিলেন, যেন মুচির দত্ত পদোন্নতির কিম্ভূত বক্রতায় ধরণীকে পীড়ন করে চলার দ্বারা এভোল্যুশনের ত্রুটি সংশোধন করা হয়।সিসি এখনো আছে মাঝামাঝি জায়গায়। শেষের ডিগ্রি এখনো পায় নি, কিন্তু ডবল প্রোমোশন পেয়ে চলেছে। উচ্চ হাসিতে, অজস্র খুশিতে, অনর্গল আলাপে ওর মধ্যে সর্বদা একটা চলন-বলন টগ্টগ্ করছে, উপাসকমণ্ডলীর কাছে সেটার খুব আদর। রাধিকার বয়ঃসন্ধির বর্ণনায় দেখতে পাওয়া যায়, কোথাও তার ভাবখানা পাকা, কোথাও কাঁচা– এরও তাই। খুরওয়ালা জুতোয় যুগান্তরের জয়তোরণ, কিন্তু অনবচ্ছিন্ন খোঁপাটাতে রয়ে গেছে অতীত যুগ; পায়ের দিকে শাড়ির বহর ইঞ্চি দুই-তিন খাটো, কিন্তু উত্তরচ্ছদে অসংবৃতির সীমানা এখনো আলজ্জতার অভিমুখে; অকারণ দস্তানা পরা অভ্যস্ত, অথচ এখনো এক হাতের পরিবর্তে দুই হাতেই বালা; সিগারেট টানতে আর মাথা ঘোরে না, কিন্তু পান খাবার আসক্তি এখনো প্রবল; বিস্কুটের টিনে ঢেকে আচার-আমসত্ত্ব পাঠিয়ে দিলে সে আপত্তি করে না; ক্রিস্ট্মাসের প্লাম্ পুডিং এবং পৌষপার্বণের পিঠে, এই দুইয়ের মধ্যে শেষটার প্রতিই তার লোলুপতা কিছু বেশি। ফিরিঙ্গি নাচওয়ালির কাছে সে নাচ শিখছে, কিন্তু নাচের সভায় জুড়ি মিলিয়ে ঘূর্ণিনাচ নাচতে সামান্য একটু সংকোচ বোধ করে।অমিত সম্বন্ধে জনরব শুনে এরা বিশেষ উদ্বিগ্ন হয়ে চলে এসেছে। বিশেষত এদের পরিভাষাগত শ্রেণীবিভাগে লাবণ্য গবর্নেস। ওদের শ্রেণীর পুরুষের জাত মারবার জন্যেই তার “স্পেশাল ক্রিয়েশন”। মনে সন্দেহ নেই, টাকার লোভে মানের লোভেই সে অমিতকে কষে আঁকড়ে ধরেছে, ছাড়াতে গেলে সেই কাজটাকে মেয়েদের সম্মার্জনপটু হস্তক্ষেপ করতে হবে। চতুর্মুখ তাঁর চার জোড়া চক্ষে মেয়েদের দিকে কটাক্ষপাত ও পক্ষপাত একসঙ্গেই করে থাকবেন, সেইজন্যে মেয়েদের সম্বন্ধে বিচারবুদ্ধিতে পুরুষদের গড়েছেন নিরেট নির্বোধ করে। তাই স্বজাতিমোহমুক্ত আত্মীয়-মেয়েদের সাহায্য না পেলে অনাত্মীয় মেয়েদের মোহজাল থেকে পুরুষদের উদ্ধার পাওয়া এত দুঃসাধ্য।আপাতত এই উদ্ধারের প্রণালীটা কিরকম হওয়া চাই তাই নিয়ে দুই নারী নিজেদের মধ্যে একটা পরামর্শ ঠিক করেছে। এটা নিশ্চিত, গোড়ায় অমিতকে কিছুই জানতে দেওয়া হবে না। তার আগেই শত্রুপক্ষকে আর রণক্ষেত্রটাকে দেখে আসা চাই। তার পর দেখা যাবে মায়াবিনীর কত শক্তি।প্রথমে এসেই চোখে পড়ল অমিতর উপর ঘন এক পোঁচ গ্রাম্য রঙ। এর আগেও ওর দলের সঙ্গে অমিতর ভাবের মিল ছিল না। তবু সে তখন ছিল প্রখর নাগরিক, চাঁচা মাজা ঝক্ঝকে। এখন কেবল যে খোলা হাওয়ায় রঙটা কিছু ময়লা হয়েছে তা নয়, সবসুদ্ধ ওর উপর যেন গাছপালার আমেজ দিয়েছে। ও যেন কাঁচা হয়ে গেছে এবং ওদের মতে কিছু যেন বোকা। ব্যবহারটা প্রায় যেন সাধারণ মানুষের মতো। আগে জীবনের সমস্ত বিষয়কে হাসির অস্ত্র নিয়ে তাড়া করে বেড়াত, এখন ওর সে শখ নেই বললেই হয়। এইটেকেই ওরা মনে করেছে নিদেন কালের লক্ষণ।সিসি একদিন ওকে স্পষ্টই বললে, “দূর থেকে আমরা মনে করছিলুম তুমি বুঝি খাসিয়া হবার দিকে নামছ। এখন দেখছি তুমি হয়ে উঠছ, যাকে বলে গ্রীন, এখানকার পাইন গাছের মতো, হয়তো আগেকার চেয়ে স্বাস্থ্যকর, কিন্তু আগেকার মতো ইন্টারেস্টিং নয়।”অমিত ওআর্ডস্ওআর্থের কবিতা থেকে নজির পেড়ে বললে, প্রকৃতির সংসর্গে থাকতে থাকতে নির্বাক্ নিশ্চেতন পদার্থের ছাপ লেগে যায় দেহে মনে প্রাণে, যাকে কবি বলেছেন “mute insensate things”।শুনে সিসি ভাবলে, নির্বাক্ নিশ্চেতন পদার্থকে নিয়ে আমাদের কোনো নালিশ নেই, যারা অত্যন্ত বেশি সচেতন আর যারা কথা কইবার মধুর প্রগল্ভতায় সুপটু, তাদের নিয়েই আমাদের ভাবনা।ওরা আশা করেছিল, লাবণ্য সম্বন্ধে অমিত নিজেই কথা তুলবে। একদিন দুদিন তিনদিন যায়, সে একেবারে চুপ। কেবল একটা কথা আন্দাজে বোঝা গেল, অমিতর সাধের তরণী সম্প্রতি কিছু বেশিরকম ঢেউ খাচ্ছে। ওরা বিছানা থেকে উঠে তৈরি হবার আগেই অমিত কোথা থেকে ঘুরে আসে, তার পরে মুখ দেখে মনে হয়, ঝোড়ো হাওয়ায় যে কলাগাছের পাতাগুলো ফালি ফালি হয়ে ঝুলছে তারই মতো শতদীর্ণ ভাবখানা। আরো ভাবনার কথাটা এই যে, রবি ঠাকুরের বই কেউ কেউ ওর বিছানায় দেখেছে। ভিতরের পাতায় লাবণ্যর নাম থেকে গোড়ার অক্ষরটা লাল কালি দিয়ে কাটা। বোধ হয় নামের পরশপাথরেই জিনিসটার দাম বাড়িয়েছে।অমিত ক্ষণে ক্ষণে বেরিয়ে যায়। বলে, “খিদে সংগ্রহ করতে চলেছি।” খিদের জোগানটা কোথায়, আর খিদেটা খুবই যে প্রবল, তা অন্যদের অগোচর ছিল না। কিন্তু তারা এমনি অবুঝের মতো ভাব করত যেন হাওয়ায় ক্ষুধাকরতা ছাড়া শিলঙে আর-কিছু আছে এ কথা কেউ ভাবতে পারে না। সিসি মনে মনে হাসে, কেটি মনে মনে জ্বলে। নিজের সমস্যটাই অমিতর কাছে এত একান্ত যে, বাইরের কোনো চাঞ্চল্য লক্ষ্য করার শক্তিই তার নেই। তাই সে নিঃসংকোচে সখীযুগলের কাছে বলে, “চলেছি এক জলপ্রপাতের সন্ধানে।” কিন্তু প্রপাতটা কোন্ শ্রেণীর, আর তার গতিটা কোন্-অভিমুখী, তা নিয়ে অন্যদের মনে যে কিছু ধোঁকা আছে তা সে বুঝতেই পারে না। আজ বলে গেল, এক জায়গায় কমলালেবুর মধুর সওদা করতে চলেছে। মেয়েদুটি নিতান্ত নিরীহভাবে সরল ভাষায় বললে, এই অপূর্ব মধু সম্বন্ধে তাদের দুর্দমনীয় কৌতূহল, তারাও সঙ্গে যেতে চায়। অমিত বললে, পথ দুর্গম, যানবাহনের আয়ত্তাতীত। বলেই আলোচনাটাকে প্রথম অংশে ছেদন করেই দৌড় দিলে। এই মধুকরের ডানার চাঞ্চল্য দেখে দুই বন্ধু স্থির করলে, আর দেরি নয়, আজই কমলালেবুর বাগানে অভিযান করা চাই। এ দিকে নরেন গেছে ঘোড়দৌড়ের মাঠে, সিসিকে নিয়ে যাবার জন্যে খুব আগ্রহ ছিল। সিসি গেল না। এই নিবৃত্তিতে তার কতখানি শমদমের দরকার হয়েছিল তা দরদী ছাড়া অন্যে কে বুঝবে।
দুই সখী যোগমায়ার বাগানে বাইরের দরজা পার হয়ে চাকরদের কাউকে দেখতে পেলে না। গাড়িবারাণ্ডায় এসে চোখে পড়ল, বাড়ির রোয়াকে একটি ছোটো টেবিল পেতে একজন শিক্ষয়িত্রী ও ছাত্রীতে মিলে পড়া চলছে। বুঝতে বাকি রইল না, এরই মধ্যে বড়োটি লাবণ্য।কেটি টক্ টক্ করে উপরে উঠে ইংরেজিতে বললে, “দুঃখিত।”লাবণ্য চৌকি ছেড়ে উঠে বললে “কাকে চান আপনারা।”কেটি এক মুহূর্তে লাবণ্যর আপাদমস্তকে দৃষ্টিটাকে প্রখর ঝাঁটার মতো দ্রুত বুলিয়ে নিয়ে বললে, “মিস্টার অমিট্রায়ে এখানে এসেছেন কি না খবর নিতে এলুম।”লাবণ্য হঠাৎ বুঝতেই পারলে না, অমিট্রায়ে কোন্ জাতের জীব। বললে, “তাঁকে তো আমরা চিনি নে।”অমনি দুই সখীতে একটা বিদ্যুচ্চকিত চোখ ঠারাঠারি হয়ে গেল, মুখে পড়ল একটা আড়-হাসির রেখা। কেটি ঝাঁজিয়ে উঠে মাথা নাড়া দিয়ে বললে, “আমরা তো জানি, এ বাড়িতে তাঁর যাওয়া-আসা আছেoftener than is good for him” ।ভাব দেখে লাবণ্য চমকে উঠল, বুঝলে এরা কে আর কী ভুলটাই করেছে। অপ্রস্তুত হয়ে বললে, “কর্তা-মাকে ডেকে দিই, তাঁর কাছে খবর পাবেন।”লাবণ্য চলে গেলেই সুরমাকে কেটি সংক্ষেপে জিজ্ঞাসা করলে, “তোমার টীচার?”“হাঁ।”“নাম বুঝি লাবণ্য?”“হাঁ।”“গট ম্যাচেস?”হঠাৎ দেশালাইয়ের প্রয়োজন আন্দাজ করতে না পেরে সুরমা কথাটার মানেই বুঝল না। মুখের দিকে তাকিয়ে রইল।কেটি বললে, “দেশালাই।”সুরমা দেশালাইয়ের বাক্স নিয়ে এল। কেটি সিগারেট ধরিয়ে টানতে টানতে সুরমাকে জিজ্ঞাসা করলে, “ইংরেজি পড়?”সুরমা স্বীকৃতিসূচক মাথা নেড়েই ঘরের দিকে দ্রুত চলে গেল। কেটি বললে, “গবর্নেসের কাছে মেয়েটা আর যাই শিখুক, ম্যানার্স শেখে নি।”তার পরে দুই সখীতে টিপ্পনী চলল। “ফেমাস লাবণ্য! ডিল্লীশস! শিলঙ পাহাড়টাকে ভল্ক্যানো বানিয়ে তুলেছে, ভূমিকম্পে অমিটের হৃদয়-ডাঙায় ফাটল ধরিয়ে দিলে, এ ধার থেকে ও ধার। সিলি! মেন আর ফানি।”সিসি উচ্চেঃস্বরে হেসে উঠল। এই হাসিতে ঔদার্য ছিল। কেননা, পুরুষমানুষ নির্বোধ বলে সিসির পক্ষে আক্ষেপের কারণ ঘটে নি। সে তো পাথুরে জমিতেও ভূমিকম্প ঘটিয়েছে, দিয়েছে একেবারে চৌচির করে। কিন্তু এ কী সৃষ্টিছাড়া ব্যাপার। এক দিকে কেটির মতো মেয়ে, আর অন্য দিকে ঐ অদ্ভুত-ধরনে-কাপড়-পরা গবর্নেস। মুখে মাখন দিলে গলে না, যেন একতাল ভিজে ন্যাকড়া। কাছে বসলে মনটাতে বাদলার বিস্কুটের মতো ছাতা পড়ে যায়। কী করে অমিট ওকে এক মোমেন্টও সহ্য করে।“সিসি, তোমার দাদার মনটা চিরদিন উপরে পা করে হাঁটে। কোন্-এক সৃষ্টিছাড়া উলটো বুদ্ধিতে এই মেয়েটাকে হঠাৎ মনে হয়েছে এঞ্জেল।”এই বলে টেবিলে অ্যাল্্জেব্রার বইয়ের গায়ে সিগারেটটা ঠেকিয়ে রেখে কেটি ওর রুপোর-শিকল-ওয়ালা প্রসাধনের থলি বের করে মুখে একটুখানি পাউডার লাগালে, অঞ্জনের পেন্সিল দিয়ে ভুরুর রেখাটা একটু ফুটিয়ে তুললে। দাদার কাণ্ডজ্ঞানহীনতায় সিসির যথেষ্ট রাগ হয় না, এমন-কি ভিতরে ভিতরে একটু যেন স্নেহই হয়। সমস্ত রাগটা পড়ে পুরুষদের মুগ্ধনয়নবিহারিণী মেকি এঞ্জেলদের ‘পরে। দাদার সম্বন্ধে সিসির এই সকৌতুক ঔদাসীন্যে কেটির ধৈর্যভঙ্গ হয়। খুব করে ঝাঁকানি দিয়ে নিতে ইচ্ছে করে!এমন সময়ে সাদা গরদের শাড়ি পরে যোগমায়া বেরিয়ে এলেন। লাবণ্য এল না। কেটির সঙ্গে এসেছিল ঝাঁকড়া চুলে দুই চোখ আচ্ছন্নপ্রায় ক্ষুদ্রকায়া ট্যাবি-নামধারী কুকুর। সে একবার ঘ্রাণের দ্বারা লাবণ্য ও সুরমার পরিচয় গ্রহণ করেছে। যোগমায়াকে দেখে হঠাৎ কুকুরটার মনে কিছু উৎসাহ জন্মালো। তাড়াতাড়ি গিয়ে সামনের দুটো পা দিয়ে যোগমায়ার নির্মল শাড়ির উপর পঙ্কিল স্বাক্ষর অঙ্কিত করে দিয়ে কৃত্রিম প্রীতি জ্ঞাপন করলে। সিসি ঘাড় ধরে টেনে আনলে কেটির কাছে, কেটি তার নাকের উপর তর্জনী তাড়ন করে বললে, “নটি ডগ্।”কেটি চৌকি থেকে উঠলই না। সিগারেট টানতে টানতে অত্যন্ত নির্লিপ্ত আড় ভাবে একটু ঘাড় বাঁকিয়ে যোগমায়াকে নিরীক্ষণ করতে লাগল। যোগমায়ার ‘পরে তার আক্রোশ বোধ করি লাবণ্যর চেয়েও বেশি। ওর ধারণা, লাবণ্যর ইতিহাসে একটা খুঁত আছে। যোগমায়াই মাসি সেজে অমিতর হাতে তাকে গতিয়ে দেবার কৌশল করছে। পুরুষমানুষকে ঠকাতে অধিক বুদ্ধির দরকার করে না, বিধাতার স্বহস্তে তৈরি ঠুলি তাদের দুই চোখে পরানো।সিসি সামনে এসে যোগমায়াকে নমস্কারের একটু আভাস দিয়ে বললে, “আমি সিসি, অমির বোন।”যোগমায়া একটু হেসে বললেন, “অমি আমাকে মাসি বলে, সেই সম্পর্কে আমি তোমারও মাসি হই মা।”কেটির রকম দেখে যোগমায়া তাকে লক্ষ্যই করলেন না। সিসিকে বললেন, “এসো মা, ঘরে বসবে এসো।”সিসি বললে, “সময় নেই, কেবল খবর নিতে এসেছি, অমি এসেছে কি না।”যোগমায়া বললেন, “এখনো আসে নি।”“কখন আসবেন জানেন?”“ঠিক বলতে পারি নে–আচ্ছা,আমি জিজ্ঞাসা করে আসি গে।”কেটি তার স্বস্থানে বসেই তীব্রস্বরে বলে উঠল, “যে মাস্টারনী এখানে বসে পড়াচ্ছিল সে তো ভান করলে অমিটকে সে কোনোকালে জানেই না।”যোগমায়ার ধাঁধা লেগে গেল। বুঝলেন, কোথাও একটা গোল আছে। এও বুঝলেন, এদের কাছে মান রাখা শক্ত হবে। এক মুহূর্তে মাসিত্ব পরিহার করে বললেন, “শুনেছি অমিতবাবু আপনাদের হোটেলেই থাকেন, তাঁর খবর আপনাদেরই জানা আছে।”কেটি বেশ-একটু স্পষ্ট করেই হাসলে। তাকে ভাষায় বললে বোঝায়, “লুকোতে পার, ফাঁকি দিতে পারবে না।’আসল কথা, গোড়াতেই লাবণ্যকে দেখে এবং অমিকে সে চেনে না শুনে কেটি মনে মনে আগুন হয়ে আছে। কিন্তু সিসির মনে আশঙ্কা আছে মাত্র, জ্বালা নেই; যোগমায়ার সুন্দর মুখের গাম্ভীর্য তার মনকে টেনেছিল। তাই যখন দেখলে কেটি তাঁকে স্পষ্ট অবজ্ঞা দেখিয়ে চৌকি ছাড়লে না, তার মনে কেমন সংকোচ লাগল। অথচ কোনো বিষয়ে কেটির বিরুদ্ধে যেতে সাহস হয় না, কেননা, কেটি সিডিশন দমন করতে ক্ষিপ্রহস্ত–একটু সে বিরোধ সয় না। কর্কশ ব্যবহারে তার কোনো সংকোচ নেই। অধিকাংশ মানুষই ভীরু, অকুণ্ঠিত দুর্ব্যবহারের কাছে তারা হার মানে। নিজের অজস্র কঠোরতায় কেটির একটা গর্ব আছে। যাকে সে মিষ্টিমুখো ভালোমানুষি বলে, বন্ধুদের মধ্যে তার কোনো লক্ষণ দেখলে তাকে সে অস্থির করে তোলে। রূঢ়তাকে সে অকপটতা বলে বড়াই করে, এই রূঢ়তার আঘাতে যারা সংকুচিত তারা কোনোমতে কেটিকে প্রসন্ন রাখতে পারলে আরাম পায়। সিসি সেই দলের। সে কেটিকে মনে মনে যতই ভয় করে ততই তার নকল করে, দেখাতে যায় সে দুর্বল নয়। সব সময়ে পেরে ওঠে না। কেটি আজ বুঝেছিল যে, তার ব্যবহারের বিরুদ্ধে সিসির মনের কোণে একটা মুখ-চোরা আপত্তি লুকিয়েছিল। তাই সে ঠিক করেছিল, যোগমায়ার সামনে সিসির এই সংকোচ কড়া করে ভাঙতে হবে। চৌকি থেকে উঠল, একটা সিগারেট নিয়ে সিসির মুখে বসিয়ে দিলে, নিজের ধরানো সিগারেট মুখে করেই সিসির সিগারেট ধরাবার জন্যে মুখ এগিয়ে নিয়ে এল। প্রত্যাখ্যান করতে সিসি সাহস করলে না। কানের ডগাটা একটুখানি লাল হয়ে উঠল। তবু জোর করে এমনি একটা ভাব দেখালে, যেন তাদের হাল পাশ্চাত্যিকতায় যাদের ভ্রূ এতটুকু কুঞ্চিত হবে তাদের মুখের উপর ও তুড়ি মারতে প্রস্তুত–that much for it!ঠিক সেই সময়টাতে অমিত এসে উপস্থিত। মেয়েরা তো অবাক। হোটেল থেকে যখন সে বেরিয়ে এল, মাথায় ছিল ফেল্ট্ হ্যাট, গায়ে ছিল বিলিতি কোর্তা। এখানে দেখা যাচ্ছে পরনে তার ধুতি আর শাল। এই বেশান্তরের আড্ডা ছিল তার সেই কুটিরে। সেইখানে আছে একটি বইয়ের শেল্ফ্, একটি কাপড়ের তোরঙ্গ আর যোগমায়ার দেওয়া একটি আরামকেদারা। হোটেল থেকে মধ্যাহ্নভোজন সেরে এইখানে সে আশ্রয় নেয়। আজকাল লাবণ্যর শাসন কড়া, সুরমাকে পড়ানোর সময়ের মাঝখানটাতে জলপ্রপাত বা কমলালেবুর সন্ধানে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয় না। সেইজন্যে বিকেলে সাড়ে-চারটে বেলায় চা-পান-সভার পূর্বে এ বাড়িতে দৈহিক মানসিক কোনোপ্রকার তৃষ্ণানিবারণের সৌজন্যসম্মত সুযোগ অমিতর ছিল না। এই সময়টা কোনোমতে কাটিয়ে কাপড় ছেড়ে যথানির্দিষ্ট সময়ে এখানে সে আসত।আজ হোটেল থেকে বেরোবার আগেই কলকাতা থেকে এসেছে তার আংটি। কেমন করে সে সেই আংটি লাবণ্যকে পরাবে তার সমস্ত অনুষ্ঠানটা সে বসে বসে কল্পনা করেছে। আজ হল ওর একটা বিশেষ দিন। এ দিনকে দেউড়িতে বসিয়ে রাখা চলবে না। আজ সব কাজ বন্ধ করা চাই। মনে মনে ঠিক করে রেখেছে, লাবণ্য যেখানে পড়াচ্ছে সেইখানে গিয়ে বলবে–একদিন হাতিতে চড়ে বাদশা এসেছিল, কিন্তু তোরণ ছোটো, পাছে মাথা হেঁট করতে হয় তাই সে ফিরে গেছে, নতুন-তৈরি প্রাসাদে প্রবেশ করে নি। আজ এসেছে আমাদের একটি মহাদিন, কিন্তু তোমার অবকাশের তোরণটা তুমি খাটো করে রেখেছ–সেটাকে ভাঙো, রাজা মাথা তুলেই তোমার ঘরে প্রবেশ করুন।অমিত এ কথাও মনে করে এসেছিল যে ওকে বলবে, ঠিক সময়টাতে আসাকেই বলে পাঙ্ক্চুয়ালিটি; কিন্তু ঘড়ির সময় ঠিক সময় নয়, ঘড়ি সময়ের নম্বর জানে, তার মূল্য জানবে কী করে।অমিত বাইরের দিকে তাকিয়ে দেখলে, মেঘে আকাশটা ম্লান, আলোর চেহারাটা বেলা পাঁচটা-ছটার মতো। অমিত ঘড়ি দেখলে না, পাছে ঘড়িটা তার অভদ্র ইশারায় আকাশের প্রতিবাদ করে, যেমন বহুদিনের জ্বোরো রোগীর মা ছেলের গা একটু ঠাণ্ডা দেখে আর থার্মমিটর মিলিয়ে দেখতে সাহস করে না। আজ অমিত এসেছিল নির্দিষ্ট সময়ের যথেষ্ট আগে। কারণ, দুরাশা নির্লজ্জ।বারান্দায় যে কোণটায় বসে লাবণ্য তার ছাত্রীকে পড়ায়, রাস্তা দিয়ে আসতে সেটা চোখে পড়ে। আজ দেখলে সে জায়গাটা খালি। মন আনন্দে লাফিয়ে উঠল। এতক্ষণ পরে ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখলে। এখনো তিনটে বেজে বিশ মিনিট। সেদিন ও লাবণ্যকে বলেছিল, নিয়মপালনটা মানুষের, অনিয়মটা দেবতার; মর্তে আমরা নিয়মের সাধনা করি স্বর্গে অনিয়ম-অমৃতে অধিকার পাব বলেই। সেই স্বর্গ মাঝে মাঝে মর্তেই দেখা দেয়, তখন নিয়ম ভেঙে তাকে সেলাম করে নিতে হয়। আশা হল, লাবণ্য নিয়ম-ভাঙার গৌরব বুঝেছে বা; লাবণ্যর মনের মধ্যে হঠাৎ আজ বুঝি কেমন করে বিশেষ দিনের স্পর্শ লেগেছে, সাধারণ দিনের বেড়া গেছে ভেঙে।নিকটে এসে দেখে, যোগমায়া তাঁর ঘরের বাইরে স্তম্ভিত হয়ে দাঁড়িয়ে, আর সিসি তার মুখের সিগারেট কেটির মুখের সিগারেট থেকে জ্বালিয়ে নিচ্ছে। অসম্মান যে ইচ্ছাকৃত তা বুঝতে বাকি রইল না। ট্যাবি-কুকুরটা তার প্রথম-মৈত্রীর উচ্ছ্বাসে বাধা পেয়ে কেটির পায়ের কাছে শুয়ে একটু নিদ্রার চেষ্টা করছিল। অমিতর আগমনে তাকে সম্বর্ধনা করবার জন্যে আবার অসংযত হয়ে উঠল; সিসি আবার তাকে শাসনের দ্বারা বুঝিয়ে দিলে যে, এই সদ্ভাবপ্রকাশের প্রণালীটা এখানে সমাদৃত হবে না।দুই সখীর প্রতি দৃক্পাতমাত্র না করে “মাসি” বলে দূর থেকে ডেকেই অমিত যোগমায়ার পায়ের কাছে পড়ে তাঁর পায়ের ধুলো নিলে। এ সময়ে এমন করে প্রণাম করা তার প্রথার মধ্যে ছিল না। জিজ্ঞাসা করলে, “মাসিমা, লাবণ্য কোথায়।”“কী জানি বাছা, ঘরের মধ্যে কোথায় আছে।”“এখনো তো তার পড়াবার সময় শেষ হয় নি।”“বোধ হয় এঁরা আসাতে ছুটি নিয়ে ঘরে গেছে।”“চলো, একবার দেখে আসি সে কী করছে।” যোগমায়াকে নিয়ে অমিত ঘরে গেল। সম্মুখে যে আর-কোনো সজীব পদার্থ আছে সেটা সে সম্পূর্ণই অস্বীকার করলে।সিসি একটু চেঁচিয়েই বলে উঠল, “অপমান! চলো কেটি, ঘরে যাই।”কেটিও কম জ্বলে নি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত না দেখে সে যেতে চায় না।সিসি বললে, “কোনো ফল হবে না।”কেটির বড়ো বড়ো চোখ বিস্ফারিত হয়ে উঠল; বললে, “হতেই হবে ফল।”আরো খানিকটা সময় গেল। সিসি আবার বললে, “চলো ভাই, আর একটুও থাকতে ইচ্ছে করছে না।”কেটি বারাণ্ডায় ধন্না দিয়ে বসে রইল। বললে, “এইখান দিয়ে তাকে বেরোতেই তো হবে।”অবশেষে বেরিয়ে এল অমিত, সঙ্গে নিয়ে এল লাবণ্যকে। লাবণ্যর মুখে একটি নির্লিপ্ত শান্তি। তাতে একটুও রাগ নেই, স্পর্ধা নেই, অভিমান নেই। যোগমায়া পিছনের ঘরেই ছিলেন, তাঁর বেরোবার ইচ্ছা ছিল না। অমিত তাঁকে ধরে নিয়ে এল। এক মুহূর্তের মধ্যেই কেটির চোখে পড়ল, লাবণ্যর হাতে আংটি। মাথায় রক্ত চন্ করে উঠল, লাল হয়ে উঠল দুই চোখ, পৃথিবীটাকে লাথি মারতে ইচ্ছে করল।অমিত বললে, “মাসি, এই আমার বোন শমিতা, বাবা বোধ হয় আমার নামের সঙ্গে ছন্দ মিলিয়ে নাম রেখেছিলেন, কিন্তু রয়ে গেল অমিত্রাক্ষর। ইনি কেতকী, আমার বোনের বন্ধু।”ইতিমধ্যে আর-এক উপদ্রব। সুরমার এক পোষা বিড়াল ঘর থেকে বেরিয়ে আসাতেই ট্যাবির কুক্কুরীয় নীতিতে সে এই স্পর্ধাটাকে যুদ্ধঘোষণার বৈধ কারণ বলেই গণ্য করলে। একবার অগ্রসর হয়ে তাকে ভর্ৎসনা করে, আবার বিড়ালের উদ্যত নখর ও ফোঁস্ফোঁসানিতে যুদ্ধের আশু ফল সম্বন্ধে সংশয়াপন্ন হয়ে ফিরে আসে। এমন অবস্থায় কিঞ্চিৎ দূর হতেই অহিংস্রগর্জননীতিই নিরাপদ বীরত্ব প্রকাশের উপায় মনে করে অপরিমিত চীৎকার শুরু করে দিলে। বিড়ালটা তার কোনো প্রতিবাদ না করে পিঠ ফুলিয়ে চলে গেল। এইবার কেটি সহ্য করতে পারলে না। প্রবল আক্রোশে কুকুরটাকে কান-মলা দিতে লাগল। এই কান-মলার অনেকটা অংশই নিজের ভাগ্যের উদ্দেশে। কুকুরটা কেঁই কেঁই স্বরে অসদ্ব্যবহার সম্বন্ধে তীব্র অভিমত জানালে। ভাগ্য নিঃশব্দে হাসল।এই গোলমালটা একটু থামলে পর অমিত সিসিকে লক্ষ্য করে বললে, “সিসি, এঁরই নাম লাবণ্য। আমার কাছ থেকে এঁর নাম কখনো শোন নি, কিন্তু বোধ হচ্ছে আর দশজনের কাছ থেকে শুনেছ। এঁর সঙ্গে আমার বিবাহ স্থির হয়ে গেছে, কলকাতায় অঘ্রান মাসে।”কেটি মুখে হাসি টেনে আনতে দেরি করলে না। বললে, “আই কন্গ্র৻াচুলেট। কমলালেবুর মধু পেতে বিশেষ বাধা হয় নি বলেই ঠেকছে। রাস্তা কঠিন নয়, মধু লাফ দিয়ে আপনিই এগিয়ে এসেছে মুখের কাছে।”সিসি তার স্বাভাবিক অভ্যাসমত হী হী করে হেসে উঠল।লাবণ্য বুঝলে, কথাটায় খোঁচা আছে, কিন্তু মানেটা সম্পূর্ণ বুঝলে না।অমিত তাকে বলেল, “আজ বেরোবার সময় এরা আমাকে জিজ্ঞাসা করেছিল, কোথায় যাচ্ছ। আমি বলেছিলুম, বন্য মধুর সন্ধানে। তাই এরা হাসছে। ওটা আমারই দোষ; আমার কোন্ কথাটা যে হাসির নয় লোকে সেটা ঠাওরাতে পারে না।”কেটি শান্ত স্বরেই বললে, “কমলালেবুর মধু নিয়ে তোমার তো জিত হল, এবার আমারও যাতে হার না হয় সেটা করো।”“কী করতে হবে বলো।”“নরেনের সঙ্গে আমার একটা বাজি আছে। সে বলেছিল, জেন্টেলম্যান্রা যেখানে যায় কেউ সেখানে তোমাকে নিয়ে যেতে পারে না, কিছুতেই তুমি রেস দেখতে যাবে না। আমি আমার এই হীরের আংটি বাজি রেখে বলেছিলুম, তোমাকে রেসে নিয়ে যাবই। এ দেশে যত ঝরনা, যত মধুর দোকান আছে সব সন্ধান করে শেষকালে এখানে এসে তোমার দেখা পেলুম। বলো-না ভাই সিসি, কত ফিরতে হয়েছে বুনো হাঁস শিকারের চেষ্টায় ইংরেজিতে যাকে বলে wild goose।”সিসি কোনো কথা না বলে হাসতে লাগল। কেটি বললে, “মনে পড়ছে সেই গল্পটা–একদিন তোমার কাছেই শুনেছি অমিট। কোনো পার্শিয়ান ফিলজফার তার পাগড়ি-চোরের সন্ধান না পেয়ে শেষে গোরস্থানে এসে বসে ছিল। বলেছিল, পালাবে কোথায়। মিস লাবণ্য যখন বলেছিলেন ওকে চেনেন না আমাকে ধোঁকা লাগিয়ে দিয়েছিল, কিন্তু আমার মন বললে, ঘুরে ফিরে ওকে ওর এই গোরস্থানে আসতেই হবে।”সিসি উচ্চৈঃস্বরে হেসে উঠল।কেটি লাবণ্যকে বললে, “অমিট আপনার নাম মুখে আনলে না, মধুর ভাষাতে ঘুরিয়ে বললে কমলালেবুর মধু; আপনার বুদ্ধি খুবই বেশি সরল, ঘুরিয়ে বলবার কৌশল মুখে জোগায় না, ফস্ করে বলে ফেললেন অমিটকে জানেনই না। তবু সান্ডে স্কুলের বিধানমত ফল ফলল না, দণ্ডদাতা আপনাদের কোনো দণ্ডই দিলেন না, শক্ত পথের মধুও একজন এক চুমুকেই খেয়ে নিলেন আর অজানাকেও একজন এক দৃষ্টিতেই জানলেন–এখন কেবল আমার ভাগ্যেই হার হবে? দেখো তো সিসি, কী অন্যায়।”সিসির আবার সেই উচ্চ হাসি। ট্যাবি-কুকুরটাও এই উচ্ছ্বাসে যোগ দেওয়া তার সামাজিক কর্তব্য মনে করে বিচলিত হবার লক্ষণ দেখালে। তৃতীয়বার তাকে দমন করা হল।কেটি বলল, “অমিট তুমি জান, এই হীরের আংটি যদি হারি, জগতে আমার সান্ত্বনা থাকবে না। এই আংটি একদিন তুমিই দিয়েছিলে। এক মুহূর্ত হাত থেকে খুলি নি, এ আমার দেহের সঙ্গে এক হয়ে গেছে। শেষকালে আজ এই শিলঙ পাহাড়ে কি একে বাজিতে খোয়াতে হবে।”সিসি বললে, “বাজি রাখতে গেলে কেন ভাই।”“মনে মনে নিজের উপর অহংকার ছিল, আর মানুষের উপর ছিল বিশ্বাস। অহংকার ভাঙল–এবারকার মতো আমার রেস ফুরোল, আমারই হার। মনে হচ্ছে, অমিটকে আর রাজি করতে পারব না। তা, এমন অদ্ভুত করেই যদি হারাবে, সেদিন এত আদরে আংটি দিয়েছিলে কেন। সে দেওয়ার মধ্যে কি কোনো বাঁধন ছিল না। এই দেওয়ার মধ্যে কি কথা ছিল না যে, আমার অপমান কোনোদিন তুমি ঘটতে দেবে না।”বলতে বলতে কেটির গলা ভার হয়ে এল, অনেক কষ্টে চোখের জল সামলে নিলে।আজ সাত বৎসর হয়ে গেল, কেটির বয়স তখন আঠারো। সেদিন এই আংটি অমিত নিজের আঙুল থেকে খুলে ওকে পরিয়ে দিয়েছিল। তখন ওরা দুজনেই ছিল ইংলণ্ডে। অক্সফোর্ডে একজন পাঞ্জাবি যুবক ছিল কেটির প্রণয়মুগ্ধ। সেদিন আপসে অমিত সেই পাঞ্জাবির সঙ্গে নদীতে বাচ খেলেছিল। অমিতরই হল জিত। জুন মাসের জ্যোৎস্নায় সমস্ত আকাশ যেন কথা বলে উঠেছিল, মাঠে মাঠে ফুলের প্রচুর বৈচিত্র৻ে ধরণী তার ধৈর্য হারিয়ে ফেলেছে। সেই ক্ষণে অমিত কেটির হাতে আংটি পরিয়ে দিলে। তার মধ্যে অনেক কথাই ঊহ্য ছিল, কিন্তু কোনো কথাই গোপন ছিল না। সেদিন কেটির মুখে প্রসাধনের প্রলেপ লাগে নি, তার হাসিটি সহজ ছিল, ভাবের আবেগে তার মুখ রক্তিম হতে বাধা পেত না। আংটি হাতে পরা হলে অমিত তার কানে কানে বলেছিল–Tender is the nightAnd haply the queen moon is on her throne।কেটি তখন বেশি কথা বলতে শেখে নি। দীর্ঘনিশ্বাস ফেলে কেবল যেন মনে মনে বলেছিল “মন্ আমি”, ফরাসি ভাষায় যার মানে হচ্ছে “বঁধু’!আজ অমিতর মুখেও জবাব বেধে গেল। ভেবে পেলে না কী বলবে।কেটি বললে, “বাজিতে যদিই হারলুম তবে আমার এই চিরদিনের হারের চিহ্ন তোমার কাছেই থাক্ অমিট। আমার হাতে রেখে একে আমি মিথ্যে কথা বলতে দেব না।”বলে আংটি খুলে টেবিলটার উপর রেখেই দ্রুতবেগে চলে গেল। এনামেলা-করা মুখের উপর দিয়ে দর্ দর্ করে চোখের জল গড়িয়ে পড়তে লাগল।
ঘটনাবলি১০৪৬ - নাসের খসরু সাত বছরের জন্য মধ্যপ্রাচ্যের ভ্রমণ শুরু করেন, যার বিবরণ পরে তার ‘সাফামামা’ বইটিতে দিয়েছিলেন। ১৬১৬ - ক্যাথলিক চার্চ কর্তৃপক্ষ নিকোলাস কোপার্নিকাসের বই বাতিল করেছিল। ১৭৫৩ - ব্রিটিশ জাদুঘরের প্রতিষ্ঠা করা হয়। ১৭৯৪ - ফরাসি বিপ্লবের অন্যতম নায়ক হিসেবে পরিচিত জর্জ ডাটনকে গিলোটিনের মাধ্যমে প্রাণদণ্ড কার্যকর করা হয়। ১৮৮০ - শিবপুর বেঙ্গল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৮৯৯ - দক্ষিণ আফ্রিকা ৩৫ রানে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অল আউট হয়। ১৯১৮ - জার্মান বাহিনী তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে অপারেশন মাইকেলের সমাপ্তি ঘোষণা করে। ১৯৩১ - ব্রিটিশ গভর্নর জেনারেল ও মহাত্মা গান্ধীর মধ্যে চুক্তি সই হয়েছিল রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি ও গরিবের জন্য লবণের অধিকার সংরক্ষণের। ১৯৪৪ - সুভাষচন্দ্র বসু রেঙ্গুনে আজাদ হিন্দ ব্যাংক স্থাপন করেন। ১৯৪৫ - যুগোশ্লাভিয়ায় সোভিয়েত সেনাদের প্রবেশের অনুমতি দিয়ে দেশটির নেতা টিটো ক্রেমলিনের সঙ্গে একটি চু্ক্তি স্বাক্ষর করেন। ১৯৪৭ - গ্লোরিয়া মাকাপাগাল আরোইয়ো ফিলিপাইনের ১৪তম প্রেসিডেন্ট হন। ১৯৫১ - তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছে পরমাণু বিষয়ক গোপন তথ্য পাচারের দায়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানী দম্পতি জুলিয়াস এবং ইথেল রোজেনবার্গকে প্রাণদণ্ড দেয়া হয়। ১৯৬০ - কিউবান ফটোগ্রাফার আলবার্তো কোবা মার্কসিস্ট বিপ্লবী চে গুয়েভারার বিখ্যাত ছবিটি তুলেছিলেন। ১৯৬৪ - লন্ডনে প্রথম চালকবিহীন স্বয়ংক্রিয় পাতালরেল চালু হয়। ১৯৭১ - সিসিলিতে এটসা আগ্নেয়গিরি অগ্নুৎপাতে প্রচুর লাভা উদগিরণ হয়। ১৯৯৫ - বার্লিনে জলবায়ু সংক্রান্ত জাতিসংঘ সম্মেলন শুরু হয়।জন্ম১৫৮৮ - টমাস হব্স, ইংরেজ দার্শনিক। ১৮২৭ - জোসেফ লিস্টার, ব্রিটিশ শল্যচিকিৎসক এবং আধুনিক শল্যচিকিৎসার জনক। ১৮৮২ - অবিনাশচন্দ্র ভট্টাচার্য, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন ব্যক্তিত্ব ও অগ্নিযুগের বিপ্লবী। ১৮৯৫ - চার্লি হ্যালোস, ইংল্যান্ডের ব্যাটসম্যান। ১৯০০ - স্পেন্সার ট্রেসি, মার্কিন অভিনেতা। ১৯০১ - মেলভিন ডগলাস, মার্কিন অভিনেতা। ১৯০৫ - শিল্পপতি একে খান। ১৯০৮ - বেটি ডেভিস, মার্কিন অভিনেত্রী। ১৯১৬ - গ্রেগরি পেক, মার্কিন অভিনেতা। ১৯২৯ - গোলাম সামদানী কোরায়শী, বাংলাদেশের বিশিষ্ট সহিত্যিক, গবেষক ও অনুবাদক। ১৯৩৮ - কলিন ব্ল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার। ১৯৪৭ - গ্লোরিয়া মাকাপাগাল আরোইয়ো, ফিলিপাইনের ১৪তম প্রেসিডেন্ট। ১৯৫৫ - আকিরা তোরিয়ামা, জাপানি মাঙ্গা চিত্রশিল্পী ও ভিডিও গেম শিল্পী। ১৯৬৮ - মহান মহারাজ নামে পরিচিত স্বামী বিদ্যানাথানন্দ, ভারতীয় গণিতবিদ ও রামকৃষ্ণ মিশনের সন্ন্যাসী। মৃত্যু ১৯৩২ - প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়, বাঙালি সাহিত্যিক। ১৯৩৮ - ওয়েস্ট ইন্ডিজের উইকেটকিপার কিরিল ক্রিশ্চিয়ানি। ১৯৩৯ - উইলিয়াম কুপার, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার। ১৯৪০ - দীনবন্ধু চার্লস ফ্রিয়ার এন্ড্রুজ, ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের একনিষ্ঠ সেবক। ১৯৭৫ - চীনা রাজনৈতিক ও সামরিক নেতা চিয়াং কাই শেক। ১৯৮০ - প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি সাঁতারু প্রফুল্ল ঘোষ। ২০০০ - কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, ভারতীয় বাঙালি রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী। অমর গঙ্গোপাধ্যায়, বাংলা রঙ্গমঞ্চের বিখ্যাত নাট্য ব্যক্তিত্ব। ২০০৭ - লীলা মজুমদার, ভারতীয় বাঙালি লেখিকা। ২০০৮ - চার্লটন হেস্টন, মার্কিন অভিনেতা ও রাজনৈতিক কর্মী। ২০০৯ - জর্জ ট্রাইব, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।
আজকের আবহাওয়ার পূর্বাভাসআজকের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আজ রংপুর, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমক হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। টাঙ্গাইল, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা এবং পটয়ুাখালী জেলাসহ খুলনা বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারী ধরনের তাপ প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে যা অব্যাহত থাকতে পারে।তাপমাত্রা: সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।তাপপ্রবাহ: টাঙ্গাইল, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা এবং পটয়ুাখালী জেলাসহ খুলনা বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারী ধরনের তাপ প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে যা অব্যাহত থাকতে পারে।বৃষ্টিপাত: রংপুর, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমক হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।আবহাওয়ার খবরগত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল চুয়াডাঙ্গা, সব্বোর্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এবং দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল সিলেট, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৯.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।সিনপটিক অবস্থা: লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘচুাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।সামুদ্রিক সতর্কবার্তা: কোন সতর্কবার্তা নেই এবং কোনো সংকেত দেখানো হয়নি।নদীবন্দর সমূহের জন্য সতর্কবার্তা: সিলেট অঞ্চলের উপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘন্টায় ৪৫-৬০ কি.মি. বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ১ নম্বর, পুনঃ ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।গত ২৪ ঘন্টার সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা:সব্বোর্চ তাপমাত্রা: চুয়াডাঙ্গা - ৩৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।সর্বনিন্ম তাপমাত্রা: সিলেট - ১৯.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।আজকের সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত (ঢাকা):আজকের সূর্যোদয় ভোর ৫:৪৬ মিনিটে।আজকের সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৬:১৭ মিনিটে।
মেষ রাশি: আপনি আজ একটি দীর্ঘমেয়াদী অসুস্থতা থেকে পরিত্রাণ পেতে পারেন। কোথাও ভ্রমণের মাধ্যমে আপনি আজ ক্লান্ত হয়ে পড়লেও আর্থিক দিক থেকে লাভবান হবেন। আপনার রসিক মনোভাব খুব সহজেই সবাইকে আকৃষ্ট করবে। ভালোবাসার মানুষের সঙ্গে আজ আপনি পরিবারের একটি অসুবিধার কথা ভাগ করে নিতে পারেন। আপনার কাছে আজ কিছুটা অবসর সময় থাকবে। সেটি আপনি নিজের পছন্দমতো অতিবাহিত করবেন। আপনি আজ একটি ধর্মীয় স্থানে বেড়াতে যেতে পারেন। অর্ধাঙ্গিনীর শরীর হঠাৎ খারাপ হয়ে যাওয়ার কারণে আপনি ব্যস্ত হয়ে পড়বেন।প্রতিকার: আর্থিক দিক থেকে উন্নতির লক্ষ্যে প্রয়োজনের সময়ে কাউকে সাহায্য করুন এবং প্রতিটি কাজ আনন্দের সঙ্গে ও বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে করুন।বৃষ রাশি: কোথাও অর্থ বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এই দিনটি খুব একটা ভালো নয়। তাই, এদিক থেকে অবশ্যই সতর্ক থাকুন। প্রত্যেকের সঙ্গে ঠান্ডা মাথায় কথা বলুন। আপনি আজ বন্ধুদের সঙ্গে সন্ধ্যা নাগাদ কোথাও বেড়াতে যেতে পারেন। প্রেমের জন্য এই দিনটি খুব একটা খারাপ নয়। কর্মক্ষেত্রের অতিরিক্ত চাপ এবং বাড়িতে চলা একটি বিরোধের কারণে আজ আপনার মেজাজ খিটখিটে হয়ে উঠতে পারে। আজ নিজের জন্য কিছুটা সময় বের করে আপনার মধ্যে থাকা ঘাটতিগুলি পূরণ করার চেষ্টা করুন। এর ফলে আপনার ব্যক্তিত্বে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। বিবাহিত জীবন নিঃসন্দেহে সুখের হবে।প্রতিকার: জীবনে খুশি বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাড়িতে সাদা ফুলের গাছ লাগিয়ে সেটিকে যত্নে রাখুন।মিথুন রাশি: আপনি আজ একটি সৃজনশীল কাজে ব্যস্ত থাকতে পারেন। মন থেকে সমস্ত নেতিবাচক চিন্তাকে দূরে সরিয়ে রাখুন। একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনা সঠিকভাবে সম্পন্ন হওয়ায় আপনি আর্থিক দিক থেকে লাভবান হবেন। পরিবারের সদস্যদের হাসিখুশি মনোভাব আজ বাড়ির পরিবেশকে উজ্জ্বল করে তুলবে। প্রেমের জীবনে আজ আপনি একটি চমকের সম্মুখীন হবেন। আপনার মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্ব আজ খুব সহজেই সবাইকে আকৃষ্ট করবে। আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির লক্ষ্যে আপনি আজ একজন সুপরিচিত ব্যক্তিত্বের আত্মজীবনী পড়তে পারেন। বিবাহিত জীবনে কোনও সমস্যার সম্মুখীন হলে নিজেরাই তা মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা করুন।প্রতিকার: শারীরিক দিক থেকে সুস্থ থাকার লক্ষ্যে দুধ মেশানো জলে স্নান করুন।কর্কট রাশি: কোথাও অর্থ বিনিয়োগ করার ক্ষেত্রে এই দিনটি খুব একটা ভালো নয়। তাই, এদিক থেকে অবশ্যই সতর্ক থাকুন। সামগ্রিকভাবে আজকের দিনটি অত্যন্ত ব্যস্ততার মধ্যে অতিবাহিত হলেও আপনি ক্লান্ত হয়ে পড়বেন না। তাড়াহুড়ো করে আজ কোনও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন না। পরিবারের সদস্য এবং বন্ধুদের সঙ্গে দিনটি দুর্দান্তভাবে অতিবাহিত হবে। অযথা অর্থব্যয় থেকে বিরত থাকুন। প্রেমের জীবনে আজ আপনি একটি চমকের সম্মুখীন হবেন। বিবাহিত জীবন নিঃসন্দেহে সুখের হবে।প্রতিকার: আর্থিক দিক থেকে উন্নতির লক্ষ্যে বাড়ির দরজা-জানালার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করুন।সিংহ রাশি: মন ভালো রাখার জন্য আজ আপনি কিছু আকর্ষণীয় বই পড়তে পারেন। এই রাশির কিছু ব্যবসায়ী তাঁদের ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের সহায়তায় আর্থিক দিক থেকে লাভবান হতে পারেন। আপনি আজ একটি কাজে পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে সমর্থন পেতে পারেন। প্রেমের জীবনে আজ আপনি একটি চমকের সম্মুখীন হবেন। বন্ধুদের সঙ্গে আজকের দিনটি দুর্দান্তভাবে অতিবাহিত হবে। মদ্যপানের বদভ্যাস পরিত্যাগ করুন। পরিবারের একজন সদস্য আজ তাঁর কোনও অসুবিধার কথা আপনার সঙ্গে ভাগ করে নিতে পারেন। তাঁকে সঠিক পরামর্শ দিন। অর্ধাঙ্গিনীর কারণে আজ আপনি বিচলিত হতে পারেন।প্রতিকার: প্রেমের জীবন সুখকর করে তোলার লক্ষ্যে দৃষ্টিহীন ব্যক্তিদের সঙ্গে খাবার ভাগ করে নিন।কন্যা রাশি: আপনি আজ একটি কাজে বন্ধুদের কাছ থেকে সাহায্য পাবেন। যার ফলে আপনার মন ভালো হয়ে যাবে। বাড়ির কিছু গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্র কিনতে গিয়ে আপনার আজ বিপুল অর্থব্যয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। আপনি আজ খুব সহজেই সবাইকে আকৃষ্ট করতে পারবেন। তাড়াহুড়ো করে আজ কোনও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন না। আজ কাউকে এমন কোনও প্রতিশ্রুতি দেবেন না যেটি আপনার পক্ষে রাখা অসম্ভব। আপনারা কোথাও ভ্রমণের সম্ভাবনা থাকলে অবশ্যই জিনিসপত্রগুলি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে রাখুন। রূপচর্চার ক্ষেত্রে আজ আপনি বিপুল অর্থব্যয় করতে পারেন। বিবাহিত জীবনে সুখ এবং শান্তি বজায় থাকবে।প্রতিকার: আর্থিক দিক থেকে উন্নতির লক্ষ্যে অবশ্যই একটি কালচে-নীল কাপড়ের মধ্যে গোলমরিচ, ছোলা এবং কয়লার টুকরো বেঁধে তা স্রোতযুক্ত জলে নিক্ষেপ করুন।তুলা রাশি: মন থেকে অবশ্যই সমস্ত নেতিবাচক চিন্তাকে দূরে সরিয়ে রাখুন। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অবশ্যই কিছুটা সময় অতিবাহিত করুন। আর্থিক দিক থেকে আজকের এই দিনটি নিঃসন্দেহে ভালো। আপনি আজ একটি ধর্মীয় স্থানে অথবা আত্মীয়ের বাড়িতে যেতে পারেন। প্রেমের জীবনে আজ আপনি একটি চমকের সম্মুখীন হবেন। দূরে কোথাও সকলের মাধ্যমে আপনি ক্লান্ত হয়ে পড়লেও কিছু গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ তৈরি হবে। আপনার আজ পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে সাক্ষাতের সম্ভাবনা রয়েছে। যার ফলে কিছু পুরনো স্মৃতির রোমন্থন ঘটবে। বিবাহিত জীবনে কোনও সমস্যার সম্মুখীন হলে নিজেরাই তা মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা করুন।প্রতিকার: শারীরিক দিক থেকে সুস্থ থাকার লক্ষ্যে খাটের চারটি পায়াতে তামার পেরেক লাগান।বৃশ্চিক রাশি: শরীর এবং মনকে সুস্থ রাখার লক্ষ্যে অবশ্যই নিয়মিতভাবে ধ্যান ও যোগ ব্যায়াম করুন। এর ফলে আপনার আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে। এই রাশির কিছু অভিভাবক তাঁদের সন্তানদের মাধ্যমে আর্থিক সুবিধা অর্জন করবেন। যার ফলে, তাঁরা অত্যন্ত আনন্দিত হবেন। আপনার মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্ব আজ খুব সহজেই সবাইকে আকৃষ্ট করবে। আপনি আজ খুব সহজেই কিছু নতুন বন্ধু তৈরি করতে সক্ষম হবেন। অতীতের একটি সুখের স্মৃতি আজ আপনি রোমন্থন করতে পারেন। আপনার কাছে আজ কিছুটা অবসর সময় থাকলেও আপনি সেটি একাকী অতিবাহিত পড়তে পছন্দ করবেন। এই রাশির পড়ুয়াদের পড়াশোনার বিষয়ে অবশ্যই মনোযোগী হতে হবে। বিবাহিত জীবনে সুখ এবং শান্তি বজায় থাকবে।প্রতিকার: প্রেমের জীবন সুখকর করে তোলার লক্ষ্যে দুর্গা মন্দিরে প্রসাদ অর্পণ করুন।ধনু রাশি: শরীরের প্রতি আজ অবশ্যই যত্নশীল হন। মন থেকে আজ সমস্ত নেতিবাচক চিন্তাকে দূরে সরিয়ে রাখুন। আর্থিক দিক থেকে আজকের এই দিনটি খুব একটা ভালো নয়। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আজ আপনি একটি সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করতে পারেন। এর ফলে আপনার মন ভালো হয়ে যাবে। প্রেমের জীবনে আজ আপনি বেদনার সম্মুখীন হতে পারেন। কর্মক্ষেত্রে আজ দ্রুত ছুটি হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যার ফলে আপনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কোথাও বেড়াতে যেতে পারেন। একটি ভুল যোগাযোগের কারণে আজ আপনি কোনও সমস্যার সম্মুখীন হলেও সবকিছু ভালোভাবে সামলে নেবেন। আপনি আজ কোথাও বেড়াতে যেতে পারেন।প্রতিকার: শারীরিক দিক থেকে সুস্থ থাকার লক্ষ্যে সাদা চন্দনের তিলক কপালে লাগান।মকর রাশি: শরীর এবং মনকে সুস্থ রাখার লক্ষ্যে নিয়মিতভাবে ধ্যান ও যোগ ব্যায়াম করুন। এর ফলে আপনার আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে। আপনি আজ বাড়ির একটি খারাপ হয়ে যাওয়া বৈদ্যুতিক যন্ত্র সারাতে গিয়ে বিপুল অর্থব্যয় করতে পারেন। প্রতিটি কাজ আজ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে করলে আপনার লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আপনি আজ একটি পারিবারিক সমস্যার সমাধান করে ফেলতে পারেন। আপনার কাছে কিছুটা অবসর সময় থাকলেও আপনি সেটি একাকী অতিবাহিত করতে পছন্দ করবেন। আপনি আজ সৃজনশীলভাবে কিছু কাজ করবেন। বিবাহিত জীবনে সুখ এবং শান্তি বজায় থাকবে।প্রতিকার: আর্থিক দিক থেকে উন্নতির লক্ষ্যে অনন্তমূলের শিকড়ে লাল রঙের কাপড়ে বেঁধে নিজের কাছে রাখুন।কুম্ভ রাশি: শরীরের প্রতি অবশ্যই যত্নশীল হন। পরিবারের সদস্য এবং বন্ধুদের সঙ্গে দিনটি দুর্দান্তভাবে অতিবাহিত হবে। বাড়িতে আজ অতিথিদের আগমন ঘটতে পারে। তাঁদের মাধ্যমে আপনার আর্থিক দিক থেকে লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রতিটি কাজ আজ মাথা ঠান্ডা রেখে করার চেষ্টা করুন। প্রেমের জন্য এই দিনটি খুব একটা খারাপ নয়। বিবাহিত জীবনে সুখ এবং শান্তি বজায় থাকবে।প্রতিকার: শারীরিক দিক থেকে সুস্থ থাকার লক্ষ্যে সর্ষের তেলে নিজের প্রতিচ্ছবি দেখার পর তা দান করে দিন।মীন রাশি: বাচ্চাদের সঙ্গে আজ অবশ্যই কিছুটা সময় অতিবাহিত করুন। এর ফলে আপনার মন ভালো হয়ে যাবে। অযথা অর্থব্যয় থেকে বিরত থাকুন। প্রেমের জীবনে আপনি এতে কি চমকের সম্মুখীন হবেন। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অবশ্যই কিছুটা সময় অতিবাহিত করুন। গৃহপরিচারিকা কাজে না আসায় অর্ধাঙ্গিনীর ব্যস্ততা বৃদ্ধি পাবে। আপনি আজ একজন বন্ধুর সাহায্যে একটি বড় সমস্যা থেকে রেহাই পাবেন।প্রতিকার: আর্থিক দিক থেকে উন্নতির লক্ষ্যে রাতে উনুনের আগুন দুধ দিয়ে নিভিয়ে দিন।
আইপিএলে আজ দুটি ম্যাচ। পিএসএলে মুলতান খেলবে কোয়েটার বিপক্ষে। সিরি আতে মুখোমুখি ইন্টার মিলান ও রোমা।অ-২০ নারী এশিয়ান কাপভারত-অস্ট্রেলিয়াবেলা ৩টা, টি স্পোর্টসতাইপে-জাপানসন্ধ্যা ৭টা, টি স্পোর্টসআইপিএলহায়দরাবাদ-লক্ষ্ণৌবিকেল ৪টা, স্টার স্পোর্টস ১, ২বেঙ্গালুরু-চেন্নাইরাত ৮টা, স্টার স্পোর্টস ১, ২পিএসএলমুলতান-কোয়েটারাত ৮টা, টি স্পোর্টসএফএ কাপওয়েস্ট হাম-লিডসরাত ৯-৩০ মি., সনি স্পোর্টস ২সিরি ‘আ’ইন্টার মিলান-রোমারাত ১২-৪৫ মি., ডিএজেডএন
বাংলাদেশের জনপ্রিয় হরর স্টোরিটেলিং প্ল্যাটফর্ম Bhoot.com আবারও শ্রোতাদের সামনে নিয়ে এসেছে এক শিহরণ জাগানো গল্প—Episode 322, যার কেন্দ্রবিন্দু “পিশাচিনী”। এই এপিসোডটি শুধু একটি ভূতের গল্প নয়, বরং অজানা অন্ধকার জগতের এক ভয়ংকর অভিজ্ঞতগল্পের সারসংক্ষেপEpisode 322–এ মূল গল্পটি একটি রহস্যময় নারী চরিত্রকে ঘিরে, যাকে “পিশাচিনী” বলা হয়। ধীরে ধীরে গল্পে উঠে আসে—একটি অভিশপ্ত পরিবেশঅস্বাভাবিক আচরণএবং এমন কিছু ঘটনা যা সাধারণ যুক্তি দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় নাগল্পের চরিত্ররা প্রথমে বিষয়টিকে কাকতালীয় ভেবে উড়িয়ে দিলেও, সময়ের সাথে তারা বুঝতে পারে—এটি কোনো সাধারণ ঘটনা নয়, বরং অতিপ্রাকৃত শক্তির উপসকেন এই এপিসোডটি বিশেষ?Bhoot.com–এর এই এপিসোডটি অন্যগুলোর থেকে আলাদা কয়েকটি কারণে:গভীর ভয়াবহতা: গল্পের পরিবেশ এতটাই ডার্ক যে শুনতে শুনতে গা শিউরে ওঠেরিয়াল ফিলিং: গল্পটি এমনভাবে বলা হয়েছে যেন বাস্তব ঘটনার মতো মনে হয়ধীরে ধীরে ভয় তৈরি: হঠাৎ জাম্প স্কেয়ার নয়, বরং ধীরে ধীরে টেনস্টোরিটেলিং স্টাইলএই এপিসোডে বর্ণনাকারীর ভয়েস মডুলেশন এবং ব্যাকগ্রাউন্ড সাউন্ড ব্যবহার সত্যিই প্রশংসনীয়।শ্রোতা যেন নিজেই গল্পের ভেতরে ঢুকে যায়—এমন অনুভূতি তৈরি হয Download link............................................................................................................................................................................ ⬇ Download
আজকের দিনটি সময়ের প্রবাহে একসময় ইতিহাসের অংশ হয়ে যায়। প্রতিদিনের ছোট-বড় ঘটনাই ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ দলিলে পরিণত হয়। ইতিহাসের পাতা ঘেঁটে আজকের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, পাশাপাশি জন্ম ও মৃত্যুতে স্মরণীয় ব্যক্তিত্বদের তথ্য তুলে ধরতেই আমাদের নিয়মিত আয়োজন ‘ইতিহাসে আজকের এই দিনে’।শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬ঘটনাবলি১৮৯৮ - বাংলা চলচ্চিত্রের জনক হীরালাল সেন কলকাতায় ক্লাশিক থিয়েটারে চলচ্চিত্র প্রদর্শনী করেন।১৯৪৯ - ন্যাটো প্রতিষ্ঠিত হয়।১৯৬০ – সেনেগাল স্বাধীনতা লাভ করে। সেনেগাল পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ। এর রাজধানীর নাম ডাকার। সেনেগাল নদী থেকে দেশটির নামকরণ করা হয়।১৯৬৮ - মার্কিন কৃষ্ণাঙ্গ নেতা মার্টিন লুথার কিং আততায়ীর হাতে নিহত হন।১৯৭২ - বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।১৯৭৫ - মার্কিন তথ্য প্রযুক্তি উদ্যোক্তা বিল গেটস ও পল অ্যালেন মাইক্রোসফট করপোরেশন প্রতিষ্ঠা করেন।১৯৭৯ - পাকিস্তানি সাবেক প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টোর ফাঁসি হয়। তিনি পাকিস্তান পিপলস্ পার্টির প্রধান ছিলেন। হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৯৭৯ সালে সামরিক আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করেন।১৯৮৪ – ভারতীয় নভোচারী রাকেশ শর্মা সোভিয়েত সহযোগিতায় মহাকাশ অভিযান করেন। তিনি ভারতীয় প্রথম নভোচারী। রাকেশ ছিলেন ইন্ডিয়ান এয়ার ফোর্সের পাইলট। তিনি সারা বিশ্ব ভ্রমণ করেছেন।জন্ম১৮৮৯ - মাখনলাল চতুর্বেদী, ভারতীয় কবি, সাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার এবং সাংবাদিক।১৯২৯ - আবুল খায়ের, বাংলাদেশি চলচ্চিত্র ও নাট্য অভিনেতা।১৯৩২ - অ্যান্থনি পারকিন্স, মার্কিন অভিনেতা।১৯৩৩ - সনজীদা খাতুন, রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী, লেখক, গবেষক, সংগঠক, সংগীতজ্ঞ এবং শিক্ষক।১৯৪১ - জিয়া উদ্দিন, দেওবন্দি ইসলামি পণ্ডিত, রাজনীতিবিদ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ ও আযাদ দ্বীনী এদারায়ে তালীম বাংলাদেশের সভাপতি, জামিয়া মাদানিয়া আঙ্গুরা মুহাম্মদপুরের মহাপরিচালক।১৯৪২ - চিত্রশিল্পী কালাম মাহমুদ।১৯৬০ - হুগো ওয়েভিং, নাইজেরীয়-অস্ট্রেলীয় অভিনেতা।১৯৬৫ - রবার্ট ডাউনি জুনিয়র, মার্কিন অভিনেতা।১৯৭৯ - হিথ লেজার, অস্ট্রেলীয় অভিনেতা।১৯৮৭ - সামি খেদিরা, জার্মান ফুটবলার।১৯৮৯ - স্টিভেন ফিন, ইংরেজ ক্রিকেটার।মৃত্যু১৮৫৭ - ঝালকারি বাঈ, ঝাঁসী রানী লক্ষ্মীবাঈয়ের বিশ্বস্ত সেনানী, সিপাহী বিদ্রোহের বীর যোদ্ধা।১৯২৮ - অনুরূপচন্দ্র সেন, ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন ব্যক্তিত্ব ও অগ্নিযুগের শহীদ বিপ্লবী।১৯৩২ - উইলহেম অসওয়াল্ড, নোবেল বিজয়ী জার্মান রসায়নবিদ।১৯৩৯ - গাজি বিন ফয়সাল, ইরাকের দ্বিতীয় বাদশাহ।১৯৫০ - সুন্দরীমোহন দাস, বাঙালি চিকিৎসক, স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং লেখক। উপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী ও সাংবাদিক।১৯৭১ - যোগেশচন্দ্র ঘোষ, প্রখ্যাত আয়ুর্বেদ শাস্ত্র বিশারদ এবং শিক্ষাবিদ। তিনি সাধনা ঔষধালয়ের প্রতিষ্ঠাতা।১৯৭৯ - জুলফিকার আলী ভুট্টো, পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী।১৯৮৩ - গ্লোরিয়া সোয়ানসন, মার্কিন চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন অভিনেত্রী ও প্রযোজক।১৯৯০ - মোহাম্মদ জাকারিয়া, বাঙালি অভিনেতা ও টেলিভিশন প্রযোজক।২০০৪ - সুখেন দাস, বাংলার প্রখ্যাত চলচ্চিত্র অভিনেতা ও পরিচালক।২০১৩ - রজার ইবার্ট, মার্কিন চলচ্চিত্র সমালোচক ও চিত্রনাট্যকার।২০২১ - দীপা চট্টোপাধ্যায়, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের স্ত্রী।
মেষ রাশি: আপনার দয়ালু মনোভাব আজ একাধিক খুশির মুহূর্ত বয়ে আনবে। তাড়াহুড়ো করে আজ কোনও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন না। কোথাও অর্থ বিনিয়োগ করার আগে আজ অবশ্যই সেই বিষয়ে সমস্ত তথ্য ভালোভাবে জেনে নেওয়ার চেষ্টা করুন। নতুন চুক্তি গুলি লাভজনক মনে হলেও আপনি কাঙ্ক্ষিত অর্থ নাও পেতে পারেন। অর্ধাঙ্গিনীর সঙ্গে ভালো বোঝাপড়া বাড়িতে সুখ-শান্তি এবং সমৃদ্ধি বয়ে আনবে। প্রিয়জনদের সঙ্গে দিনটি দুর্দান্তভাবে অতিবাহিত হবে। অপরিচিতদের কাছে নিজের গোপন তথ্য গুলো জানিয়ে দেবেন না। বিদেশে রয়েছেন এমন কারোর কাছ থেকে আজ আপনি একটি খারাপ সংবাদ পেতে পারেন। বিবাহিত জীবন নিঃসন্দেহে সুখের হবে।প্রতিকার: আর্থিক দিক থেকে উন্নতির লক্ষ্যে অবশ্যই মদ্যপানের বদভ্যাস পরিত্যাগ করুন এবং মাংস খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। এটি আপনার উপকারে আসবে।বৃষ রাশি: মন থেকে অবশ্যই সমস্ত নেতিবাচক চিন্তাকে দূরে সরিয়ে রেখে প্রতিটি কাজ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে করুন। কোথাও অর্থ বিনিয়োগ করার আগে অবশ্যই সেই বিষয়ে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের কাছ থেকে পরামর্শ গ্রহণ করুন। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কিছুটা সময় অতিবাহিত করুন। আপনার একটি ভালো কাজের পরিপ্রেক্ষিতে আজ অনেকেই আপনার প্রশংসা করবেন। প্রেমের জীবনে অবশ্যই বিবেচনার সঙ্গে প্রতিটি পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। আপনার কাছের কেউ আজ আপনাকে হতাশ করতে পারেন। জীবনসঙ্গীর সঙ্গে দিনটি দুর্দান্তভাবে অতিবাহিত হবে।প্রতিকার: পারিবারিক জীবনে সুখ এবং শান্তি বজায় রাখার লক্ষ্যে রুপোর ওপর শুক্র যন্ত্র খোদাই করুন।মিথুন রাশি: আর্থিক দিক থেকে আজকের দিনটি খুব একটা খারাপ না হলেও অযথা অর্থব্যয় থেকে বিরত থাকুন। বাড়িতে আজ একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান সম্পন্ন হবে। প্রিয়জনদের সঙ্গে অবশ্যই ঠান্ডা মাথায় কথা বলুন। পরিবারের সদস্য অথবা বন্ধুদের সঙ্গে আজ আপনি কোথাও বেড়াতে যেতে পারেন। কোথাও শপিংয়ে গিয়ে আজ আপনি বিরক্ত হতে পারেন। বিবাহিত জীবনে আজ কোনও সমস্যার সম্মুখীন হলেও আপনি এবং আপনার অর্ধাঙ্গিনী বিষয়টি ভালোভাবে সামলে নেবেন।প্রতিকার: শারীরিক দিক থেকে সুস্থ থাকার লক্ষ্যে অবশ্যই সূর্যোদয়ের সময়ে অথবা ভোরবেলায় সূর্য প্রণাম করুন।কর্কট রাশি: মন থেকে সমস্ত নেতিবাচক চিন্তাকে দূরে সরিয়ে রেখে প্রতিটি কাজে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে করুন। আপনার নেওয়া একটি ভুল পদক্ষেপ আজ আপনাকে প্রভাবিত করতে পারে। যার ফলে আপনার মানসিক চাপ বৃদ্ধি পাবে। আপনি আজ একটি ধর্মীয় কাজে অর্থ বিনিয়োগ করবেন। এর ফলে আপনার মন ভালো হয়ে যাবে। প্রত্যেকের সঙ্গে ঠান্ডা মাথায় কথা বলুন। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কিছুটা সময় অতিবাহিত করুন। অযথা অর্থব্যয় থেকে বিরত থাকুন। প্রিয়জনদের সঙ্গে দিনটি ভালোভাবে অতিবাহিত হবে। আপনার কাছে আজ কিছুটা অবসর সময় থাকবে। সেই সময়ে আপনি মোবাইলে একটি ওয়েব সিরিজ দেখতে পারেন। কর্মক্ষেত্রে দিনটি দুর্দান্তভাবে অতিবাহিত হবে। আপনি আজ বন্ধুদের সঙ্গে অনেকটা সময় অতিবাহিত করবেন।প্রতিকার: প্রতিটি ক্ষেত্রে উন্নতির লক্ষ্যে মাছকে আটার তৈরি খাবার খেতে দিন। এটি আপনার উপকারে আসবে।সিংহ রাশি: আর্থিক দিক থেকে আজকের দিনটি খুব একটা খারাপ না হলেও অযথা অর্থব্যয় থেকে বিরত থাকুন। প্রেমের জীবনে আজ আপনি একটি চমকের সম্মুখীন হবেন। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কিছুটা সময় অতিবাহিত করুন। আপনি আজ মাথাব্যথায় ভুগতে পারেন। তাই, কিছুটা বিশ্রাম গ্রহণ করুন। সামগ্রিকভাবে আজকের দিনটি অত্যন্ত ব্যস্ততার মধ্যে অতিবাহিত হলেও আপনি ক্লান্ত হয়ে পড়বেন না। অযথা সময় নষ্ট করা থেকে বিরত থাকুন। বিবাহিত জীবনে সুখ এবং শান্তি বজায় থাকবে।প্রতিকার: প্রতিটি ক্ষেত্রে উন্নতির লক্ষ্যে সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং ইস্ত্রি করা পোশাক পরুন।কন্যা রাশি: প্রতিটি কাজ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে করলে আপনার লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মন থেকে সমস্ত নেতিবাচক চিন্তাকে দূরে সরিয়ে রাখুন। দীর্ঘমেয়াদী সম্ভাবনা রয়েছে এমন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করলে লাভবান হবেন। আপনি আজ বাড়ির একটি কাজ করতে গিয়ে বাচ্চাদের কাছ থেকে সাহায্য পেতে পারেন। প্রেমের জন্য দিনটি খুব একটা খারাপ নয়। আপনার সঙ্গে ভালো এবং মন্দ উভয় ঘটনাই আজ ঘটবে। যার ফলে আপনি বিভ্রান্ত হয়ে পড়বেন। প্রতিটি কাজ আজ সতর্কতার সঙ্গে করুন। বিবাহিত জীবনে সুখ এবং শান্তি বজায় থাকবে।প্রতিকার: অবসাদ এবং বিরক্তি থেকে মুক্তি পাওয়ার লক্ষ্যে একটি স্রোতযুক্ত জলাশয়ে মাছকে খাবার খেতে দিন।তুলা রাশি: মন থেকে সমস্ত নেতিবাচক চিন্তা কে দূরে সরিয়ে রেখে প্রতিটি কাজ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে করুন। এই রাশিচক্রের বিবাহিত ব্যক্তিরা আজ তাঁদের শ্বশুরবাড়ির কাছ থেকে আর্থিক সাহায্য পেতে পারেন। আপনার সন্দেহপ্রবণ মানসিকতাকে দূরে সরিয়ে রাখুন। আত্মীয়দের সঙ্গে ঠান্ডা মাথায় কথা বলুন। আপনার কাছে আজ কিছুটা অবসর সময় থাকলেও আপনি সেটি একাকী অতিবাহিত করতে পছন্দ করবেন। আজ আপনি আপনার সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে কোনও কাজ করতে পারেন। বিবাহিত জীবনে সুখ এবং শান্তি বজায় থাকবে।প্রতিকার: প্রেমের জীবন সুখকর করে তোলার লক্ষ্যে ভগবান গণেশের চরণে দূর্বা অর্পণ করুন।বৃশ্চিক রাশি: শরীরের প্রতি অবশ্যই যত্নশীল হন এবং ধূমপানের বদভ্যাস পরিত্যাগ করুন। বাবার কাছ থেকে পাওয়া একটি পরামর্শ কর্মক্ষেত্রে সঠিকভাবে কাজে লাগালে আপনার লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আজ আপনি খুব সহজেই সবাইকে আকৃষ্ট করতে পারবেন। প্রেমের জীবনে আজ আপনি একটি চমকের সম্মুখীন হবেন। আপনার চারপাশে আজ কী কী ঘটছে সেদিকে সতর্ক থাকুন। কর্মক্ষেত্রের কাজ দ্রুত শেষ করে আজ আপনি তাড়াতাড়ি বাড়িতে পৌঁছে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে একটি সিনেমা দেখতে যেতে পারেন অথবা কোনও পার্কে যেতে পারেন। আপনি আজ আপনার মায়ের সঙ্গে অনেকটা সময় অতিবাহিত করবেন। তিনি আপনার ছোটবেলার কিছু স্মৃতি রোমন্থন করবেন। বিবাহিত জীবনে সুখ এবং শান্তি বজায় থাকবে।প্রতিকার: শারীরিক দিক থেকে সুস্থ থাকার লক্ষ্যে অবশ্যই কেশর যুক্ত খাবার অভাবী ব্যক্তিদের মধ্যে দান করুন এবং নিজেও খান।ধনু রাশি: আপনার মনোমুগ্ধকর আচরণ আজ খুব সহজেই সবাইকে আকৃষ্ট করবে। আর্থিক দিক থেকে আজকের দিনটি নিঃসন্দেহে ভালো। শুধু তাই নয়, গ্রহ এবং নক্ষত্রের অনুকূল স্থানের কারণে আপনি আজ অর্থ উপার্জনের একাধিক সুযোগ পাবেন। আপনার রসিক মনোভাব সবার মনে রেখাপাত করবে। প্রেমের জন্য এই দিনটি খুব একটা খারাপ নয়। আজ নিজের জন্য কিছুটা সময় বের করে আপনার মধ্যে থাকা ঘাটতিগুলি পূরণ করুন এবং নিজের ব্যক্তিত্বকে মূল্যায়ন করুন।। বিবাহিত জীবনে সুখ এবং শান্তি বজায় থাকবে।প্রতিকার: মানসিক শান্তি বজায় রাখার লক্ষ্যে রুপোর চুড়ি অথবা রুপোর হার পরুন।মকর রাশি: কোথাও কোনও সমস্যার সম্মুখীন হলে প্রত্যেকের কথা মন দিয়ে শোনার চেষ্টা করুন। তার মাধ্যমে আপনি সমস্যার সমাধান খুঁজে পেতে পারেন। ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে অযথা অর্থব্যয়ের বদভ্যাস পরিত্যাগ করে সঠিকভাবে অর্থ সঞ্চয়ের প্রতি মনোযোগী হন। পূর্বে আপনার কাছ থেকে অর্থ ধার নিয়েছিলেন এমন একজন ব্যক্তি আজ সেই অর্থ আপনাকে ফেরত দিতে পারেন। বাড়ির পরিবেশে আজ কোনও পরিবর্তন করার আগে সবার সম্মতি পেয়েছেন কিনা সেই বিষয়ে নিশ্চিত হন। ভালোবাসার মানুষের সঙ্গে ঠান্ডা মাথায় কথা বলুন। আপনি আজ দীর্ঘক্ষণ হাঁটাহাঁটি করতে পছন্দ করবেন। আপনার মন আজ সারাদিন শান্ত থাকবে। কর্মক্ষেত্রে দিনটি ভালোভাবে অতিবাহিত হবে। বিবাহিত জীবনে সুখ এবং শান্তি বজায় থাকবে।প্রতিকার: পারিবারিক জীবনে সুখ এবং শান্তি বজায় রাখার লক্ষ্যে অবশ্যই একটি সর্পের ন্যায় আকৃতি বিশিষ্ট আংটি পরিধান করুন।কুম্ভ রাশি: আর্থিক দিক থেকে আজকের দিনটি নিঃসন্দেহে ভালো। শুধু তাই নয়, পূর্বে আপনার কাছ থেকে অর্থ ধার নিয়েছিলেন এমন একজন ব্যক্তি আজ সেই অর্থ আপনাকে ফেরত দিতে পারেন। প্রেমের জীবনে আজ আপনি একটি চমকের সম্মুখীন হবেন। আপনি আজ টিভি বা মোবাইলে একটি সিনেমা দেখতে গিয়ে এতটাই ব্যস্ত হয়ে পড়বেন যে কোনও গুরুত্বপূর্ণ কাজের কথা ভুলে যেতে পারেন। আপনি আজ আপনার দেশ সম্পর্কিত কিছু আকর্ষণীয় তথ্য জেনে অবাক হবেন। বিবাহিত জীবনে কোনও সমস্যার নিজেরাই তা মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা করুন।প্রতিকার: পারিবারিক জীবনে সুখ এবং শান্তি বজায় রাখার লক্ষ্যে শ্রী লক্ষীনারায়ণ মন্দিরে প্রসাদ অর্পণ করে তা অভাবী ব্যক্তিদের মধ্যে বিতরণ করুন।মীন রাশি: মন থেকে সমস্ত নেতিবাচক চিন্তাকে দূরে সরিয়ে রেখে প্রতিটি কাজ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে করুন। কাউকে ঋণ দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। পাশাপাশি, যদি ধার দিতেই হয় সেক্ষেত্রে লিখিত প্রমাণ রাখুন। বিদেশে রয়েছেন এমন একজন কারোর কাছ থেকে আজ আপনি একটি খারাপ সংবাদ পেতে পারেন। প্রেমের জীবনে আজ আপনি একটি চমকের সম্মুখীন হবেন। আপনি আজ অবসর সময়টি আপনার মায়ের সেবায় অতিবাহিত করতে চাইলেও কোনও কারণবশত তা সম্ভব হবে না। এর ফলে আপনি বিরক্ত হতে পারেন। দূর সম্পর্কের আত্মীয়দের কাছ থেকে আজ আপনি একটি অপ্রত্যাশিত সুসংবাদ পেতে পারেন। যার ফলে আপনার পুরো পরিবারে খুশির আমেজ বজায় থাকবে। আজকের দিনটি আপনার বিবাহিত জীবনের পরিপ্রেক্ষিতে অন্যতম শ্রেষ্ঠ দিন হিসেবে বিবেচিত হবে।প্রতিকার: পারিবারিক জীবনে সুখ এবং শান্তি বজায় রাখার লক্ষ্যে কালো ও সাদা মার্বেলের টুকরো গাছের টবে রাখুন।
আজকের আবহাওয়ার পূর্বাভাসআজকের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আজ সিলেট বিভাগের দু'এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। ঢাকা, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, নারায়নগঞ্জ, রাঙ্গামাটি, চাঁদপুর, বরিশাল এবং পটুয়াখালী জেলাসহ রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারী ধরনের তাপ প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে যা অব্যাহত থাকতে পারে।তাপমাত্রা: সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।তাপপ্রবাহ: ঢাকা, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, নারায়নগঞ্জ, রাঙ্গামাটি, চাঁদপুর, বরিশাল এবং পটুয়াখালী জেলাসহ রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারী ধরনের তাপ প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে যা অব্যাহত থাকতে পারে।বৃষ্টিপাত: সিলেট বিভাগের দু'এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।আবহাওয়ার খবরগত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল চুয়াডাঙ্গা, সব্বোর্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৯.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এবং দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল তেঁতুলিয়া, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৯.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।সিনপটিক অবস্থা: লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।সামুদ্রিক সতর্কবার্তা: কোন সতর্কবার্তা নেই এবং কোনো সংকেত দেখানো হয়নি।নদীবন্দর সমূহের জন্য সতর্কবার্তা: সিলেট অঞ্চলসমূহের উপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর- পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কি.মি. বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ১ নম্বর, পুনঃ ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।গত ২৪ ঘন্টার সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা:সব্বোর্চ তাপমাত্রা: চুয়াডাঙ্গা - ৩৯.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।সর্বনিন্ম তাপমাত্রা: তেঁতুলিয়া - ১৯.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।আজকের সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত (ঢাকা):আজকের সূর্যোদয় ভোর ৫:৪৭ মিনিটে।আজকের সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৬:১৬ মিনিটে।
নারী অ-২০ এশিয়ান কাপ ফুটবলবাংলাদেশ-চীনবেলা ৩টা, ট্যাপমেডআইপিএলদিল্লি–মুম্বাইবিকেল ৪টা, স্টার স্পোর্টস ১, ২গুজরাট–রাজস্থানরাত ৮টা, স্টার স্পোর্টস ১, ২পিএসএলরাওয়ালপিন্ডি–ইসলামাবাদ রাত ৮টা, টি স্পোর্টসএফএ কাপম্যান সিটি–লিভারপুলবিকেল ৫-৪৫ মি.,চেলসি–পোর্ট ভ্যালরাত ১০-১৫ মি., সনি টেন ২ ও ৫সাউদাম্পটন–আর্সেনালরাত ১টা, সনি টেন ২ ও ৫লা লিগামায়োর্কা–রিয়াল মাদ্রিদরাত ৮-১৫ মি., বিগিন অ্যাপ, ফ্যানকোডআতলেতিকো–বার্সেলোনারাত ১টা, বিগিন অ্যাপ, ফ্যানকোডবুন্দেসলিগাফ্রেইবুর্গ–বায়ার্নসন্ধ্যা ৭-৩০ মি., সনি লিভলেভারকুসেন–ভলফলবুর্গসন্ধ্যা ৭-৩০ মি., সনি লিভস্টুটগার্ট–ডর্টমুন্ডরাত ১০-৩০ মি., সনি লিভ
তুমি আশেপাশে থাকলেতুমি আশেপাশে থাকলেকত খুশি খুশি থাকছিআর যাচ্ছি ভুলে আমি, কে কোথায়তুমি অল্পস্বল্প চাইলেআরও একটু বেশি থাকছিআর খামখেয়ালী আঁকছি সারা গায়এই দিন যদি না থামেএই রাত যদি না শেষ হয়তুমি নীলচে কোন খামেআমায় মোড়ালে বেশ হয়পড়ে যাচ্ছি যেন তোমারই নেশায়হায় হায়তুমি আশেপাশে থাকলেকত খুশি খুশি থাকছিআর যাচ্ছি ভুলে আমি, কে কোথায়তুমি অল্পস্বল্প চাইলেআরও একটু বেশি থাকছিআর খামখেয়ালী আঁকছি সারা গায়[চাঁদ উঠেছে, ফুল ফুটেছেকদম তলায় কেহাতি নাচছে, ঘোড়া নাচছেসোনামনির বে (বিয়ে)]মিলছে ইশারা, মিলছে নিশানাদিশাহীন এই অবাক দুটো মনেমিলছে ইশারা, মিলছে নিশানাদিশাহীন এই অবাক দুটো মনেরথাকতে কথা দাও, রাখতে কথা দাওএভাবেই যেন যাই চলে দু'জনেএই দিন যদি না থামেএই রাত যদি না শেষ হয়তুমি নীলচে কোন খামেআমায় মোড়ালে বেশ হয়পড়ে যাচ্ছি যেন তোমারই নেশায়হায় হায়তুমি আশেপাশে থাকলেকত খুশি খুশি থাকছিআর যাচ্ছি ভুলে আমি, কে কোথায়তুমি অল্পস্বল্প চাইলেআরও একটু বেশি থাকছিআর খামখেয়ালী আঁকছি সারা গায়[চাঁদ উঠেছে, ফুল ফুটেছেকদম তলায় কেহাতি নাচছে, ঘোড়া নাচছেসোনামনির বে (বিয়ে)]বলছে দুটো চোখ, হচ্ছে দেখা হোকথেকো না আর চিন্তা চিন্তা মনেআসবো বলেছি, ভালোবাসবো বলেছিযেও না তুমি পালিয়ে গোপনেএই দিন যদি না থামেএই রাত যদি না শেষ হয়তুমি নীলচে কোন খামেআমায় মোড়ালে বেশ হয়পড়ে যাচ্ছি যেন তোমারই নেশায়হায় হায়তুমি আশেপাশে থাকলেকত খুশি খুশি থাকছিআর যাচ্ছি ভুলে আমি, কে কোথায়তুমি অল্পস্বল্প চাইলেআরও একটু বেশি থাকছিআর খামখেয়ালী আঁকছি সারা গায়
তারে না দেখিলে মোর দম যায়শুধু বারে বারে খুঁজি তার চোখ আহারে।শুধু গুনে গুনে মোর দিন যায়আমি কোথায় পাবো তাহারে।চাতকের সাথে বৃষ্টির কথা হয় যেন রোজফুলে বসে অলি গান গায় আমি পাইনা তাহার খোঁজ।চাতকের সাথে বৃষ্টির কথা হয় যেন রোজফুলে বসে অলি গান গায় আমি পাইনা তাহার খোঁজ।আমি কোথায় পাবো তাহারেআমি কোথায় পাবো তাহারে ..মনের কথা মনে থেকে যায়বলবো আমি কাহারে,কপলেতে ভেসে ভেসে যায়নোনা জলের বাহারে।যদি ফের দেখা পাইব্যাথা পুড়ে হবে ছাই,হারাবো উষ্ণ প্রহরে।মন যায় দূর দেশেচেয়ে নির্ণিমেষে,না বলা কথারা মরে।আমি কোথায় পাবো তাহারেআমি কোথায় পাবো তাহারে ..
একা একা লাগে তোমারে ছাড়াদেখা দিয়া দিলা, এই দিলে নাড়া,বান্দা দিতে রাজি রোজ হাজিরাযদি পাইগো শুধু তোমার একটু ইশারা।তুমি না আসলে, ভালো না বাসলেপরাবো কার গলায় প্রেমেরই মালা রে,কাছে না ডাকলে, পাশে না রাখলেএই মনের দরজা বন্ধ কইরা আমি দেবো রে তালা।মনে জ্বালা জ্বালা জ্বালা জ্বালাতোমার আগুন বাড়েজ্বালা জ্বালা জ্বালা জ্বালা,কি প্রেম দিলা রে, বাড়েজ্বালা জ্বালা জ্বালা জ্বালা।তোমার আগুন বাড়েজ্বালা জ্বালা জ্বালা জ্বালা,কি প্রেম দিলারে, বাড়েজ্বালা জ্বালা জ্বালা জ্বালা।মনে মনে জ্বালা জ্বালা..তুমি ছাড়া কেউ বোঝেনা আমারেনা দেখলে লাগে বড় দিশেহারা,মন করে ওড়াউড়ি তোমার আকাশেচোখ বুজলেই দেখি তোমার চেহারা।তুমি না আসলে, ভালো না বাসলেপরাবো কার গলায় প্রেমেরই মালা রে,কাছে না ডাকলে, পাশে না রাখলেএই মনের দরজা বন্ধ কইরা আমি দেবোরে তালা।মনে জ্বালা জ্বালা জ্বালা জ্বালাতোমার আগুন বাড়েজ্বালা জ্বালা জ্বালা জ্বালা,কি প্রেম দিলা রে, বাড়েজ্বালা জ্বালা জ্বালা জ্বালা জ্বালা জ্বালামনে মনে জ্বালা জ্বালা..ভালোবাইসা আসিও ওগো প্রিয়রাখিব পরান খুলে,আদরে-যতনে রাখিও তোমার মনেযাইও না কখনো ভুলে ..তুমি না আসলে, ভালো না বাসলেপরাবো কার গলায় প্রেমেরই মালা রে,পাশে না ডাকলে, কাছে না রাখলেএই মনের দরজা বন্ধ কইরা আমি দেবোরে তালা।মনে জ্বালা জ্বালা জ্বালা জ্বালাতোমার আগুন বাড়েজ্বালা জ্বালা জ্বালা জ্বালা,কি প্রেম দিলারে, বাড়েজ্বালা জ্বালা জ্বালা জ্বালা।তোমার আগুন বাড়েজ্বালা জ্বালা জ্বালা জ্বালা,কি প্রেম দিলা রে, বাড়েজ্বালা জ্বালা জ্বালা জ্বালা।মনে মনে জ্বালা জ্বালা..একা একা লাগে তোমারে ছাড়াদেখা দিয়া দিলা, এই দিলে নাড়া।
পিয়া রে, পিয়া রেকাঁদে এই হিয়া রে,পিয়া রে, পিয়া রেকাঁদে এই হিয়া রে।ভালবাসা কেন এত অসহায়বুকে প্রেম মনে আশা নিভে যায়,ভালবাসা কেন এত অসহায়বুকে প্রেম মনে আশা নিভে যায়,এই পথে আজ আছি একই সাথেকাল যদি মাঝ পথে দূরে যেতে হয়,পিয়া রে, পিয়া রে, পিয়া রেকাঁদে মন কাঁদে এই হিয়া রে,পিয়া রে, পিয়া রেকাঁদে এই হিয়া রে।ভালবাসা-নয় কোনো অপরাধতবু কেন নিরাশায় কাটে রাত,ভালবাসা নয় কোনো অপরাধতবু কেন নিরাশায় কাটে রাত,দিলো ব্যাথা আঁধারের নিরবতামনে জাগে আকুলতা, মেঘে ঢাকে চাঁদ,পিয়া রে, পিয়া রে, পিয়া রেকাঁদে মন কাঁদে এই হিয়া রে,পিয়া রে, পিয়া রেকাঁদে এই হিয়া রে,পিয়া রে, পিয়া রেকাঁদে এই হিয়া রে।ভালবাসা মিছে নয় অভিনয়কাল যদি তবু ভুল মনে হয়,ভালবাসা মিছে নয় অভিনয়কাল যদি তবু ভুল মনে হয়,ঘর ছেড়ে চলে এসে এত দূরেপ্রেম যেন খুঁজে ফেরে তার পরিচয়,পিয়া রে, পিয়া রে, পিয়া রেকাঁদে মন কাঁদে এই হিয়া রে,পিয়া রে, পিয়া রেকাঁদে এই হিয়া রে,পিয়া রে, পিয়া রেকাঁদে এই হিয়া রে।