BDBOYS...
BDBOYS...
সবচেয়ে সাম্প্রতিক খবর ও পোস্টসমূহ
কখনও মহিলা পুলিশকে চুমু দিও না,কারন সে বলবে - হ্যান্ডস আপ।কখনও মহিলা ডাক্তারকে চুমু দিওনা,কারন সে বলবে - পরের জন এসো।একজন শিক্ষীকাকে চুমু দিও,কারন সে বলবে - এইকাজ আরো ৫ বার করো।
আয়ারল্যান্ড ইউরোপে নতুন একটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট টুর্নামেন্ট আয়োজনের পরিকল্পনা করছে, যা অনেকটা এশিয়া কাপে অংশগ্রহণের মতো হবে। প্রস্তাবিত এই আসরের নাম হতে পারে ‘ইউরো ন্যাশনস কাপ’, যা ২০২৭ সালের গ্রীষ্মে মাঠে গড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে বলে আশাবাদী সংস্থার চেয়ারম্যান ব্রায়ান ম্যাকনিস।প্রস্তাবিত টুর্নামেন্টে ইউরোপের কয়েকটি শীর্ষ এবং উদীয়মান দল অংশ নিতে পারে। সম্ভাব্য দলগুলোর মধ্যে রয়েছে ইংল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস ও ইতালি।শুধু পুরুষদের জন্য নয়, নারীদের জন্যও একই ধরনের টুর্নামেন্ট আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। ম্যাচগুলো সম্ভবত টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত হবে।শুক্রবার আয়ারল্যান্ডের ২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক সূচি ঘোষণা করতে গিয়ে ম্যাকনিস জানান, এই টুর্নামেন্ট নিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন। বিশেষ করে গত বছরের সেপ্টেম্বরে আয়ারল্যান্ড সফরে আসা ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)-এর কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন তিনি।ম্যাকনিস বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, এটি বাস্তবায়ন সম্ভব। আলোচনাগুলো এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, আমি আগের চেয়ে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী। ২০২৭ সালের গ্রীষ্মে আমরা এই টুর্নামেন্ট শুরু করতে পারি। ’যদিও টুর্নামেন্টের সুনির্দিষ্ট ফরম্যাট, অংশগ্রহণকারী দল ও অন্যান্য বিস্তারিত আগামী কয়েক মাসে জানা যাবে।আয়োজকরা আশা করছেন, সম্প্রচার সংস্থাগুলোও এতে আগ্রহ দেখাবে।বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ইউরো ন্যাশনস কাপ বাস্তবায়িত হলে ইউরোপে ক্রিকেটের প্রসারে এটি বড় ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে ছোট দলগুলোর জন্য এটি হবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেদের প্রমাণের সুযোগ।একই দিনে ক্রিকেট আয়ারল্যান্ড সংযুক্ত আরব আমিরাত ও নেপালের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সমঝোতার কথাও ঘোষণা করেছে। চুক্তির আওতায় আয়ারল্যান্ডের পুরুষ দল নিয়মিতভাবে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও নেপালের বিপক্ষে সাদা বলের সিরিজ খেলবে।এছাড়া ইন্টারন্যাশনাল লিগ টি-টোয়েন্টির প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজ ২০২৬-২৭ মৌসুম থেকে অন্তত একজন আয়ারল্যান্ডের ক্রিকেটার দলে নেবে বলে পরিকল্পনা রয়েছে।
বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ফ্রান্স ও ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচের জন্য ১৬ মার্চ দল ঘোষণা করেছেন ব্রাজিলের প্রধান কোচ কার্লো আনচেলত্তি। ২৬ সদস্যের এই দলে জায়গা হয়নি তারকা ফরোয়ার্ড নেইমার জুনিয়রের। ২০২৩ সালের অক্টোবরের পর থেকে জাতীয় দলের হয়ে মাঠে নামা হয়নি নেইমারের। ব্রাজিলের হয়ে সর্বোচ্চ গোল করা এই তারকা খেলার জন্য শতভাগ ফিট নন বলে জানিয়েছেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি।দল থেকে বাদ পড়া নিয়ে তখন আক্ষেপ করেছিলেন নেইমার। বিশ্বকাপ খেলতে দীর্ঘদিন ধরেই পরিশ্রম করে যাচ্ছেন সাবেক বার্সেলোনা তারকা। স্বদেশি ক্লাব সান্তোসের হয়ে ফর্মটাও পক্ষে কথা বলবে তাঁর। তবুও জায়গা হয়নি স্কোয়াডে।কিন্তু নেইমার মনে করেন তিনি বিশ্বকাপে থাকলে সেটি দলের জন্য ভালো হতো। তিনি দলকে সেরাটা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত।বলেন, ‘আমি বিশ্বকাপে যেতে চাই। এটা আমাকে উজ্জীবিত করে।আমার মনে হয় আমি ব্রাজিল জাতীয় দলকে সাহায্য করতে পারি। আমি যে কোনোভাবে সাহায্য করতে পারি। আমি আমার কোয়ালিটি জানি এবং জানি যে মাঠে আমার কতটুকু দেওয়ার আছে। ’দলে রাখা না হলেও ৩৪ বছর বয়সী নেইমারের বিশ্বকাপ দলে ফেরার দরজা এখনো বন্ধ হয়নি বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন ব্রাজিল কোচ, ‘নেইমার পুরোপুরি ফিট নয় বলেই তাঁকে ডাকা হয়নি। তবে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত স্কোয়াডের গল্পটা অন্যরকম হতে পারে।২০২৬ বিশ্বকাপের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণার আগে নেইমারের হাতে সময় আছে দুই মাস। ১৯ মে বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করবেন আনচেলত্তি। এই সময়ে সান্তোসের হয়ে অন্তত ১৫-১৬টি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবেন সাবেক পিএসজি তারকা। তাঁর জন্য প্রতিটি ম্যাচই হবে জাতীয় দলে ফেরার একেকটি ‘অডিশন’।
১.কি করে একটি কাচা ডিমকে না ভেংগে কংক্রিটের ফ্লোরে ফেলতে পারবেন?উত্তরঃ আপনি যে ভাবে ইচ্ছে ফেলতে পারেনlll, কেননা ডিম যেভাবেই পরুক কংক্রিটের ফ্লোর কখনো ভাংবে না।২.শুইতে গেলে দিতে হয়lll, না দিলে ক্ষতি হয়,কালিদাস পন্ডিত কয়lll, যাহা বুঝেছ, তাহা নয়।উত্তরঃ দরজার খিল৩.শহর থেকে এল সাহেবlll কোর্ট প্যান্ট পরে,কোর্ট প্যান্ট খোলার পরেlll চোখ জ্বালা করে।উত্তরঃ পেঁয়াজ৪.১০ জন মানুষ ১০ ঘন্টায় ইট দিয়ে একটি দেয়াল তৈরি করল, ঐ দেয়ালটি চার জন মানুষের তৈরি করতে কত সময় লাগবে?উত্তরঃ কোন সময়ই লাগবে নাlllকারণ দেয়ালটি অলরেডি তৈরি আছে।৫.বাংলা ধাঁধা উত্তর সহএকটা ঘড়ির উপর দিয়ে একটাঘোড়া চলে গেল, lllঘড়িটার কটা বাজবে।উত্তরঃ বারোটা।৬.পোলা কালে বস্ত্রধারীlll যৌবনে উলঙ্গ,বৃদ্বকালে জটাধারী,lll মাঝখানে সুড়ঙ্গ।উত্তরঃ বাঁশ৭.বাঘের মত লাফ দেয়,lll কুকুর হয়ে বসে,পানির মধ্যে ছেড়ে দিলেlll, ছোলা হয়ে ভাসে।উত্তরঃ ব্যাঙ৮.তোর দেশেতে সূর্য ওঠে সকাল বেলা ভোর বেলাতে বলতো দেহি কোন দেশেতে সূর্য ওঠে মাঝ রাতেতে।উত্তরঃ নরওয়ে।৯.কালিদাস পন্ডিতের ফাঁকি, আড়াইশ থেকে পাঁচ পঞ্চাশ গেলে আর কত থাকে বাকী।উত্তরঃ কিছুই না, শূন্য।
ভালোবাসা বা প্রেম কেবল কিছু শব্দে আবদ্ধ একটি পরিধি নয়। এটা অন্তর্নিহিত ব্যাপার। উপলব্ধির আস্তরণ দিয়ে যখন কোনো অন্তরসুধা উপলব্ধি করা যায়, আর একে যদি ভালোবাসা বলে, তাহলে আমি প্রগাঢ় উচ্চারণে সেই বলিষ্ঠ কণ্ঠে বলতে চাই, আমি তোমাকে ভালোবাসি নবধারার সেতা (নীলবর্ণ) ...।বলতে ইচ্ছা করে—ফাগুনের এই গোধূলির ক্ষণেইচ্ছেডানা মেলে দিয়ে তেপান্তরের মাঠ পেরিয়েআসতে চাই যে তোমার কাছেকেন দাও বাধা মোরে?ফাগুনের এই আগুনে বসন্তের এই নবগগনেভুবনতলে হাতে হাত রেখে হাঁটতে চাই যে অচেনা পথেপুষ্পরথী ওই বেলি ফুল খোঁপায় গুঁজতে ইচ্ছা করে।অভিযোগ–অনুযোগের পর্দা সরিয়ে চলো একই আকাশ দেখি ওই মেঘটাকে সরিয়ে.... ।
তুমি মাথায় হাত বুলিয়ে দেবে বলেই—আমি ইচ্ছা করেই আর সেরে উঠি না।লোকে বলে, জ্বর হলে শরীর পুড়ে যায়, কষ্ট হয়; কিন্তু আমার কাছে এই জ্বর যেন এক অদ্ভুত আশীর্বাদ। কারণ, আমি জানি, তুমি মাথায় হাত বুলিয়ে দেবে বলেই আমার শরীরের জ্বরটা এভাবে বেড়ে যায়। শরীর খারাপটা আসলে একটা উসিলা মাত্র। আমার আসল অসুখ তো তোমাকে ঘিরেই।যখন তুমি কপালে হাত রেখে খুব আলতো করে জিজ্ঞাসা করো– ‘এখন কেমন লাগছে?’ তখন মনে হয়, ওইটুকু আদরের জন্য আমি দীর্ঘ এক জীবন জ্বরের ঘোরেই কাটিয়ে দিতে পারি।দুনিয়াতে কত রকমের ওষুধ আছে—কেউ বলে প্যারাসিটামল, কেউ বলে বিশ্রাম, কেউ বলে ডাক্তারের পরামর্শ। কিন্তু, তোমার হাতের ওই শীতল পরশটার চেয়ে বড় কোনো ধন্বন্তরী আজও কেউ আবিষ্কার করতে পারেনি।তুমি যখন কাছে থাকো, পরম মমতায় এলোমেলো চুলগুলো সরিয়ে দাও, তখন নিজের এই অসুস্থতাকেও খুব সুন্দর মনে হয়। মনে হয়, কষ্টেরও একটা কোমল রং আছে, আর তার নাম তুমি। সুস্থ হয়ে গেলে তুমি আবার ব্যস্ত হয়ে পড়বে, নিজের দুনিয়ায় হারিয়ে যাবে। আমার খবর নেবে না, জ্বর মেপে দেখবে না, কপালে হাত রাখবে না। তাই কখনো কখনো মনে হয়—এই জ্বর থাকুক না একটু, এই অজুহাতে যদি তোমাকে আরও কিছুটা সময় পাওয়া যায়!তবে জানো,সত্যি বলতে—আমি জ্বর চাই না,আমি চাই তোমাকে।আমি চাই,সুস্থ দিনের বিকেলে,কোনো অজুহাত ছাড়াই,তুমি এসে পাশে বসো,আর জিজ্ঞাসা করো—‘এখন কেমন লাগছে?’
মানুষের মুখে সাধারণত থাকে ৩২টি দাঁত। তাঁর মুখে রয়েছে ৪২টি দাঁত। একজন স্বাভাবিক মানুষের চেয়ে তাঁর দাঁত ১০টি বেশি। এই অতিরিক্ত দাঁত নিয়ে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের স্বীকৃতি পেয়েছেন মালয়েশিয়ার এক নাগরিক।৩৩ বছর বয়সী প্রাথাব মুনিয়ান্ডি রেকর্ড সংরক্ষণকারী এই সংস্থাকে জানান, কয়েক বছর আগে তিনি প্রথম বুঝতে পারেন, তাঁর দাঁতে কিছুটা অস্বাভাবিকতা রয়েছে।প্রাথাব বলেন, ‘২০২১ সালে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে চা পানের সময় আমি প্রথম বিষয়টি খেয়াল করি। তখন আমি তাঁদের জানাই, আমার মুখে মনে হয় অতিরিক্ত দাঁত গজাচ্ছে।’প্রাথাব বলেন, ‘আমরা সবাই মিলে গুনে দেখি, তখন আমার ৩৮টি দাঁত ছিল। পরে দাঁতের এক্স-রে করে দেখা যায়, আরও ৪টি দাঁত ওঠার অপেক্ষায় রয়েছে।’মালয়েশিয়ার এই নাগরিক বলেন, ‘২০২৩ সালের শুরুর দিকে আমি বুঝতে পারি, আমার মোট ৪২টি দাঁত। সৌভাগ্যবশত কোনো ধরনের শারীরিক জটিলতা ছাড়াই বেশির ভাগ দাঁত সোজাভাবে উঠেছে।’প্রাথাব জানান, অতিরিক্ত এই দাঁতগুলোর কারণে তাঁর কোনো সমস্যা হয় না। এমনকি তিনি নিজে থেকে না বললে বেশির ভাগ মানুষ টেরই পান না।প্রাথাব বলেন, ‘মানুষ সাধারণত খুব অবাক হয়। শুরুতে যে কারও পক্ষে বিষয়টি বিশ্বাস করা কঠিন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে যখন কেউ জানতে পারে, আমার সাধারণ মানুষের তুলনায় ১০টি দাঁত বেশি আছে। সাধারণত একজন মানুষের ৩২টি দাঁত থাকে।’প্রাথাব বলেন, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে আবেদনের জন্য যে চিকিৎসকেরা তাঁর দাঁত পরীক্ষা করেছিলেন, তাঁরা আরও চমকপ্রদ খবর দিয়েছেন। তাঁর মাড়িতে নাকি আরও দুটি দাঁত ওঠার অপেক্ষায় রয়েছে! একজন পুরুষের মুখে সবচেয়ে বেশি দাঁত থাকার কারণে আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিশ্ব রেকর্ডের খেতাব পেয়েছেন প্রাথাব।নারীদের মধ্যে এই রেকর্ডের অধিকারী ভারতের কল্পনা বালান। তাঁর দাঁতের সংখ্যা ৩৮।প্রাথাব বলেন, ‘সবচেয়ে বেশি দাঁত থাকায় আমি একটি বিশ্ব রেকর্ডের অধিকারী, এটি ভাবতেই আমার কাছে দারুণ ও বিশেষ কিছু মনে হচ্ছে।’
একের পর এক পুরুষদের কাঁধে তুলে ছুড়ে ফেলছেন এক নারী। এভাবে একে একে তিনি ১০ জন পুরুষকে কাঁধের ওপর তুলে ছুড়ে ফেলেন, এ জন্য সময় নিয়েছেন মাত্র ৩৭ দশমিক ৪৪ সেকেন্ড।ওই নারীর নাম জিনা রুপেনটাল। তিনি জার্মানির একজন স্ট্রংওম্যান, অভিজাত অ্যাথলেট ও খেলাধুলাবিষয়ক বিজ্ঞানী। প্রাকৃতিকভাবে শক্তিশালী নারীদের তালিকায় বর্তমানে জিনার অবস্থান চতুর্থ। তিনি একাধিক গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের মালিক।আরও একটি রেকর্ড গড়তে জিনার পুরুষদের কাঁধের ওপর তুলে ছুড়ে মারার এই কাণ্ড এবং সে স্বীকৃতি তিনি পেয়েছেন। ২০২৫ সালের আগস্টে জিনা এ কাজ করেন।সম্প্রতি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ তাদের আনুষ্ঠানিক ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে জিনার নতুন রেকর্ড গড়ার ভিডিও পোস্ট করেছে।একজন অ্যাথলেটের অসাধারণ শক্তি, গতি ও কৌশল প্রদর্শনের ওই ভিডিও অনলাইনে ভাইরাল হয়ে যায়।এই চ্যালেঞ্জে জিনা অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক পুরুষকে আলাদাভাবে তুলে তাঁর কাঁধের ওপর দিয়ে দ্রুত ছুড়ে দিয়েছেন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তিনি কাজটি সম্পন্ন করেছেন।গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের কর্মকর্তা বলেছেন, এ কাজ করতে কেবল শারীরিক শক্তিই নয়, বরং নিখুঁত সমন্বয় ও সহনশীলতার প্রয়োজন পড়ে। প্রত্যেক অংশগ্রহণকারীকে নিরাপদে তুলে নিয়ন্ত্রিত গতিতে ছুড়ে দিতে হয়েছে, যেন তা নিরাপত্তা মানদণ্ড পূরণ করতে পারে।এ কৃতিত্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। কেউ কেউ মজার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।কেউ কেউ অ্যাথলেটের শক্তি ও দৃঢ় সংকল্পকে স্বীকৃতি দিয়েছেন। অনেকেই পারফরম্যান্সটিকে অনুপ্রেরণাদায়ক ও বিনোদনমূলক হিসেবে বর্ণনা করেছেন।একজন মন্তব্য করেছেন, ‘পুরুষেরা তাঁদের কাজকে কতটা গুরুত্বসহকারে নিচ্ছেন, সেটা দেখে আমি মুগ্ধ।’আরেকজন লিখেছেন, ‘তাঁদের হাসি এবং তারপর আরও একবার ছুড়ে দেওয়ার জন্য তাঁদের দৌড়ে ফিরে আসা, এত মিষ্টি।’তৃতীয়জন লেখেন, ‘ছুড়ে দেওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়ানোর ধারণা আমার কাছে খুবই মজার লেগেছে।’
সে আজ অনেক বছর আগেকার ঘটনা। আমার এক ডাক্তার বন্ধু সদ্য মেডিকেল কলেজ থেকে বেরিয়ে উত্তর বাংলার এক শহরে প্র্যাকটিস শুরু করেছে, তখনকার কথা। আমার ডাক্তার বন্ধুর মুখেই শুনেছিলাম সেই কাহিনি।নতুন জায়গায়, নতুন পরিবেশে জমিয়ে বসতে অনেক পরিশ্রম করতে হয়, সময় লাগে। আমার বন্ধুটির উৎসাহ বা ধৈর্যের অভাব ছিল না। নতুন ডাক্তারের কাছে চট করে কোনো রোগী আসে না, পুরোনো ডাক্তারদেরই সবার পছন্দ। তবে আমার বন্ধুটি শিশুচিকিৎসায় সসম্মানে পাশ করেছিল, সোনার মেডেল পেয়েছিল। সে বুদ্ধি করে তার নেমপ্লেটে নামের পাশে এম বি বি এস, ডি সি এইচ (গোল্ড মেডেলিস্ট) কথাটা জুড়ে দিয়েছিল, ফলে দু-চারজন করে রোগী আসতে শুরু করেছিল।এভাবে কিছুদিন কাটবার পর এল শীত। উত্তরবঙ্গের হাড়-কাঁপানো শীত। সন্ধের পর রাস্তা ফাঁকা, দরজা-জানালা বন্ধ করে সবাই আশ্রয় নিয়েছে ঘরের ভেতর। নেহাত দায় না ঠেকলে কেউ আর পথে বেরোয় না।সেদিন রাত তখন প্রায় দশটা। মফস্সল শহরে ওটা কম রাত নয়, তার ওপর ঠান্ডার জন্য শীতকালে সবাই তাড়াতাড়ি কাজকর্ম সেরে শুয়ে পড়ে। ডাক্তার ন-টার মধ্যে খাওয়া সেরে বিছানায় লেপের তলায় বেশ আয়েশ করে একটা মেডিক্যাল জার্নাল পড়ছিল। আমেরিকায় ফিলাডেলফিয়ায় একজন শল্যচিকিৎসক কেমন করে একটা দুরূহ অপারেশন করেছিলেন তার বিবরণ ছিল ওই জার্নালে, সেটা পড়তে পড়তে সে তন্ময় হয়ে গিয়েছিল। হঠাৎ বাইরের দরজায় ঘন ঘন কড়া নাড়ার শব্দে ডাক্তার চমকে উঠল। এই অসময়ে কে এল! নিশ্চয়ই জরুরি কেস।আগেই বলেছি, আমার ডাক্তারবন্ধু ছিল খুব করিতকর্মা, জীবনে প্রতিষ্ঠিত হবার জন্য আলস্যকে সে কখনো প্রশ্রয় দিত না। তাড়াতাড়ি গায়ে একটা গরম চাদর জড়িয়ে সে সদর দরজা খুলল, তারপরই ভীষণ চমকে দু-পা পিছিয়ে এল। দরজার ওপাশে দাঁড়িয়ে আছে একটি সুন্দরী অল্পবয়সি বউ, মাথার সিঁদুর জ্বলজ্বল করছে। বউটির মুখ কিন্তু উৎকণ্ঠায় আর দুশ্চিন্তায় ভীষণ ফ্যাকাশে দেখাচ্ছে।‘ডাক্তারবাবু, আমার মেয়ের খুব অসুখ,’ বউটি ব্যাকুল কণ্ঠে বলে উঠল, ‘আপনি শিগগির চলুন।’‘কোথায় আপনাদের বাড়ি?’ ডাক্তার জিজ্ঞেস করল।‘বেশি দূর নয়, আপনি আর দেরি করবেন না,’ বউটির গলা থেকে যেন কাকুতি ঝরে পড়ছে।‘ঠিক আছে, আপনি ভেতরে এসে বসুন,’ ডাক্তার বলল, ‘আমি তৈরি হয়ে নিচ্ছি।’‘আমি এখানেই ভালো আছি, আপনি তাড়াতাড়ি করুন।’বউটি ভেতরে আসতে অনিচ্ছুক বলে মনে হল ডাক্তারের। ওই ঠান্ডায় তার গায়ে একটা সুতোর চাদর পর্যন্ত নেই, খালি পা, অথচ চেহারা দেখে মনে হয় ভালো ভদ্র পরিবারের বউ। ডাক্তার তবু ইতস্তত করছিল, ভাবছিল বউটিকে বাইরে দাঁড় করিয়ে রাখা ঠিক হবে কি না, কিন্তু বউটিই বলে উঠল, ‘আমার জন্য আপনি ব্যস্ত হবেন না, তাড়াতাড়ি চলুন।’অগত্যা ডাক্তার ভেতরে গিয়ে গায়ে একটা গরম ওভারকোট চাপিয়ে বেরিয়ে এল, হাতে ব্যাগ, তাতে কিছু দরকারি ওষুধপত্তরও আছে।‘আপনাকে একটা চাদর দেব?’ ডাক্তার আমতা আমতা করে বলল।‘বললাম তো, আমার জন্য আপনাকে ব্যস্ত হতে হবে না,’ একটু অসহিষু; কণ্ঠেই জবাব দিল বউটি, ‘চলুন।’দরজায় তালা লাগিয়ে ডাক্তার বেরিয়ে পড়ল। বউটি আগে আগে যাচ্ছে আর তার পেছনে ডাক্তার। বউটি খুব তাড়াতাড়ি হাঁটছে।রাস্তা নির্জন, অন্ধকার, গা ছমছম করে। বউটি এই রাতে একা ডাক্তারের খোঁজে বেরিয়েছে, বাড়িতে কি পুরুষমানুষ নেই! এই ঠান্ডার রাতে এমন একা কেউ ছেড়ে দেয় ঘরের বউকে! ডাক্তারের খুব খারাপ লাগছিল।যাহোক বেশ খানিকটা যাবার পর একটা বাড়ির সামনে এসে দাঁড়াল বউটি, তারপর ডাক্তারকে লক্ষ করে বলল, ‘সদর দরজা খোলা আছে, আপনি ভেতরে যান, আমি আসছি।’সে গেটের পাশ দিয়ে অন্ধকারে কোথায় যেন গেল।বউটির কথাই ঠিক। সদর দরজা ভেজানো ছিল, ঠেলতেই খুলে গেল। প্রথমেই একটা ঘর, প্রায় অন্ধকার, তার পরের ঘরে আলো জ্বলছে। ডাক্তার এগিয়ে গেল। একটা খাটে বছর দেড়েকের একটি মেয়ে নিঃঝুমের মতো শুয়ে আছে। ফর্সা গায়ে রং, কোঁকড়ানো চুল, ভারি মিষ্টি মুখ কিন্তু জ্বরে বেঁহুশ, মুখ আগুনের মতো লাল।মেয়েটির মাথার সামনে একজন বৃদ্ধ ভদ্রলোক আর একজন বৃদ্ধা মহিলা বসে আছেন, বোধ হয় ওর দাদু-দিদিমা। বৃদ্ধা মেয়েটির কপালে জলপট্টি দিচ্ছেন আর ভদ্রলোক পাখার হাওয়া করছেন। দু-জনের মুখে ফুটে উঠেছে অসীম উৎকণ্ঠা। ডাক্তারের জুতোর শব্দে দু-জনেই মুখ তুলে তাকালেন।‘ডাক্তারবাবু এসে গেছেন!’ ভদ্রলোক উঠে দাঁড়াতে দাঁড়াতে বললেন, তাঁর মুখে ফুটে উঠল একটা নিশ্চিন্ততার ছাপ।ডাক্তার ব্যাগ থেকে স্টেথিসকোপ বের করে মেয়েটির বুক-পিঠ পরীক্ষা করল, জ্বর দেখল এক-শো পাঁচ। নিমুনিয়া, তবে ভাগ্য ভালো তখনও মারাত্মক আকার নেয়নি। মেয়েটিকে সে তক্ষুনি একটা ইঞ্জেকশন দিল। একটা প্রেসক্রিপশন লিখে বুড়ো ভদ্রলোকের হাতে সেটা দিয়ে বলল, ‘সকালে এই ইঞ্জেকশন আর ট্যাবলেটগুলো আনিয়ে রাখবেন। আমি আজ রাতের মতো ওষুধ দিয়ে যাচ্ছি, দু-ঘণ্টা অন্তর খাওয়াবেন। আমি সকালে আবার আসব।’‘ও ভালো হয়ে যাবে তো?’ বুড়ো ভদ্রলোক ব্যাকুল কণ্ঠে বলে উঠলেন।‘হ্যাঁ,’ ডাক্তার হাসিমুখে জবাব দিল, ‘ঠিক সময়ে ওষুধ পড়েছে, আর দেরি হলেই ভয় ছিল।’ঠিক সেইসময় হন্তদন্ত হয়ে ঘরে ঢুকল একজন সুপুরুষ যুবক, উদ্ভ্রান্তের মতো তার চেহারা। ডাক্তারকে দেখে সে বলল, ‘ও আপনি এখানে, আমি আপনার ঘরে তালা দেখে ভাবলাম রোগী দেখতে গেছেন, আরও দু-জন ডাক্তারবাবুর কাছে ছুটে গেলাম, তাঁরা এই ঠান্ডায় আসতে রাজি হলেন না।’‘তুই ওঁকে খবর দিসনি!’ বুড়ো ভদ্রলোক এবার অবাক হয়ে বললেন, ‘তবে কে ওঁকে ডেকে আনল?’‘তাই তো!’ যুবক এবার বলল, ‘আপনাকে কে খবর দিল?’‘কেন, মেয়েটির মা,’ ডাক্তার জবাব দিল, ‘তিনি গিয়ে বললেন মেয়ের খুব অসুখ এখুনি যেতে হবে। এত রাতে উনি একা ছুটে এসেছেন দেখে আমিও কম অবাক হইনি, গায়ে একটা চাদর পর্যন্ত ছিল না।’‘ওর মা!’ অস্ফুট কণ্ঠে বললেন বুড়ো ভদ্রলোক।তখুনি ডাক্তারের চোখে পড়ল দেওয়ালে টাঙানো একটা ছবির দিকে। হাসি হাসি মুখে সেই বউটি তার দিকে তাকিয়ে আছে, যেন খুব খুশি হয়েছে তার ওপর।‘ওই তো,’ ছবিটার দিকে আঙুল দেখিয়ে ডাক্তার বলে উঠল, ‘উনিই তো আমাকে নিয়ে এলেন, গেট পর্যন্ত পৌঁছে দিয়ে বললেন, দরজা খোলা আছে ভেতরে যান, আমি আসছি।’ঘরে সবাই যেন স্তম্ভিত, যুবকটি হঠাৎ দু-হাতে মুখ ঢেকে ফেলেছে। ব্যাপার কী বুঝতে না পেরে ডাক্তার এর ওর মুখের দিকে তাকাচ্ছে।‘ওটা আমার পুত্রবধূর ছবি,’ বুড়ো ভদ্রলোক একটা দীর্ঘনিশ্বাস ছেড়ে বললেন, ‘গত বছর এই সময় আমাদের ছেড়ে স্বর্গে গেছে।’ডাক্তার হতভম্ব!মেয়ের কঠিন অসুখে মৃত মায়ের আত্মা স্থির থাকতে পারেনি, মানুষের দেহ ধরে এসেছিল সময়মতো চিকিৎসার জন্য ডাক্তারকে নিয়ে যেতে। সন্তানের প্রতি এমন ভালোবাসা মায়ের পক্ষেই সম্ভব।মেয়েটি ভালো হয়ে উঠেছিল। আর ওই ঘটনার পর ডাক্তারের পসার এত বেড়ে গিয়েছিল যে তাকে আর কখনো রোগীর জন্য বসে থাকতে হয়নি। তার নামই হয়ে গিয়েছিল ধন্বন্তরী ডাক্তার। অথচ তার মূলে ছিল এক মৃত মায়ের স্নেহ আর উৎকণ্ঠা, অসুস্থ মেয়েকে বাঁচাবার জন্য অন্য জগৎ থেকে ছুটে আসতেও তার আটকায়নি।
পৃথিবীর স্থলভাগের থেকেও অনেক অনেক বেশি বৈচিত্র্যপূর্ণ জলভাগ। জলের ওপরে যেমন হাজার হাজার সুউচ্চ পর্বত রয়েছে, তেমনি জলের নিচে রয়েছে গভীর সমুদ্র খাত। এরমধ্যে সবচেয়ে বিস্ময়কর হচ্ছে এই মারিয়ানা ট্রেঞ্চ। মারিয়ানা ট্রেঞ্চ প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিম প্রান্তে মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জের ঠিক পূর্বে অবস্থিত।মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জের নামকরণ করা হয়েছিল স্পেনের রাজা চতুর্থ ফিলিপের রানি মারিয়ানা এর নামে। প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিম অংশে অবস্থিত এই দ্বীপগুলো আসলে ডুবে থাকা ঘুমন্ত আগ্নেয়গিরির চূড়া। দ্বীপপুঞ্জের পূর্বদিকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে বিস্তৃত রয়েছে বিশ্বের গভীরতম সামুদ্রিক খাত মারিয়ানা ট্রেঞ্চ (Mariana Trench)। প্রায় ২৫৫০ কিলোমিটার লম্বা এবং ৬৯ কিলোমিটার চওড়া এই ভয়ংকর গভীর খাতের নামও দ্বীপপুঞ্জের নাম অনুসারেই দেওয়া হয়। এর সবচেয়ে গভীর স্থানের নাম চ্যালেঞ্জার ডিপ, যেখানে সমুদ্রবিজ্ঞানীদের গবেষণা অনুযায়ী গভীরতা প্রায় ১০,৯৮৪ মিটার। তুলনায় বলা হয়, যদি পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বত মাউন্ট এভারেস্ট (Mount Everest) কে এখানে বসানো হয়, তাহলেও উপরে আরও প্রায় দুই কিলোমিটার জায়গা ফাঁকা থেকে যাবে। অর্থাৎ পৃথিবীর উচ্চতম শিখরও বিশ্বের গভীরতম খাতের গভীরতাকে পূরণ করতে পারে না।মারিয়ানা ট্রেঞ্চের তলদেশে তাপমাত্রা থাকে মাত্র ১ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে, আর জলস্তম্ভের চাপ স্বাভাবিক বায়ুমণ্ডলীয় চাপের প্রায় হাজার গুণ, প্রতি বর্গ ইঞ্চিতে যার পরিমাণ প্রায় ৮ টন। গভীরতার সঙ্গে সঙ্গে এই চাপ আরও বাড়তে থাকে। ভূতাত্ত্বিকদের মতে, পৃথিবীর অভ্যন্তরে দুইটি টেকটোনিক প্লেটের সংঘর্ষে যখন একটি প্লেট অন্যটির নিচে ঢুকে যায়, তখনই সৃষ্টি হয় এমন গভীর সামুদ্রিক খাত।মারিয়া ট্রেঞ্চ এর গভীরতম অংশটির নাম চ্যালেঞ্জার ডিপ। যেটি গুয়াম দ্বীপের ৩৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত। চ্যালেঞ্জার ডিপ নামটি রাখা হয়েছে ব্রিটিশ নৌবাহিনীর জাহাজ HMS Challenger এর নামানুসারে কেননা এই জাহাজের নাবিকরা এই অংশটি সর্বপ্রথম আবিষ্কার করেছিলেন।পৃথিবীর শীতলতম বিপজ্জনক স্থান এটি। সমুদ্রের গভীরতা যত বাড়তে থাকে পানির চাপ তত বাড়তে থাকে। ৩৬ হাজার ফুট গভীরে প্রতি বর্গ ইঞ্চিতে এর চাপের পরিমাণ প্রায় ৮ টন। পানির এই অতিমানবিক চাপ ইস্পাতকেও বেকিয়ে দিতে পারে অনায়াসে।১৮৭৫ সালে ব্রিটিশ গবেষণা জাহাজ HMS Challenger প্রথম মারিয়ানা ট্রেঞ্চের গভীরতা পরিমাপ করে। এরপর বহুবার এই অঞ্চল নিয়ে গবেষণা হয়েছে এবং বিভিন্ন সময়ে গভীরতার পরিমাণও কিছুটা পরিবর্তিত হয়েছে। যদিও অসংখ্য অভিযাত্রী পৃথিবীর উচ্চতম শৃঙ্গের চূড়ায় পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছেন, কিন্তু পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর বিন্দুতে পৌঁছাতে পেরেছেন খুবই অল্প কয়েকজন।১৯৬০ সালে সুইস ও ইতালীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত ব্যাথিস্কেপ Trieste এ চড়ে দুই অভিযাত্রী Jacques Piccard ও Don Walsh সফলভাবে নেমে যান মারিয়ানা ট্রেঞ্চের গভীরে। পাঁচ ঘণ্টার অবতরণের পর তারা প্রায় ১০,৯১৬ মিটার নিচে পৌঁছান এবং মাত্র কুড়ি মিনিট সেখানে অবস্থান করতে পারেন। চারদিকে ঘন সিল্টের মেঘের মতো কাদামাটি ও বালির স্তর থাকায় তারা কোনও ছবি তুলতে পারেননি। এই সিল্ট ক্লাউড আসলে আকাশের মেঘ নয়; এটি সমুদ্রতলে জমে থাকা বালি, কাদা ও ক্ষুদ্র উপকরণের ঘন স্তর, যা পানির প্রবাহে নড়াচড়া করে এলাকায় ধোঁয়াশা তৈরি করে।গভীর অন্ধকার, প্রচণ্ড চাপ আর সিল্টের মেঘের কারণে সেখানে প্রাণের অস্তিত্ব বোঝা খুবই কঠিন। পিকার্ড দাবি করেছিলেন তিনি নাকি একটি ফ্ল্যাটফিশ দেখেছিলেন, তবে অধিকাংশ বিজ্ঞানী তা মানতে পারেননি। ফলে মারিয়ানা ট্রেঞ্চের তলদেশের জীবজগত এখনো মানুষের কাছে রহস্যময়ই রয়ে গেছে।
কেউ কথা রাখেনি, তেত্রিশ বছর কাটলো, কেউ কথা রাখেনিছেলেবেলায় এক বোষ্টুমী তার আগমনী গান হঠাৎ থামিয়ে বলেছিলশুক্লা দ্বাদশীর দিন অন্তরাটুকু শুনিয়ে যাবেতারপর কত চন্দ্রভূক অমাবস্যা চলে গেলো, কিন্তু সেই বোষ্টুমীআর এলোনাপঁচিশ বছর প্রতিক্ষায় আছি।মামা বাড়ির মাঝি নাদের আলী বলেছিল, বড় হও দাদাঠাকুরতোমাকে আমি তিন প্রহরের বিল দেখাতে নিয়ে যাবোসেখানে পদ্মফুলের মাথায় সাপ আর ভ্রমরখেলা করে!নাদের আলী, আমি আর কত বড় হবো? আমার মাথা এ ঘরের ছাদফুঁড়ে আকাশ স্পর্শ করলে তারপর তুমি আমায়তিন প্রহরের বিল দেখাবে?একটাও রয়্যাল গুলি কিনতে পারিনি কখনোলাঠি-লজেন্স দেখিয়ে দেখিয়ে চুষেছে লস্করবাড়ির ছেলেরাভিখারীর মতন চৌধুরীদের গেটে দাঁড়িয়ে দেখেছিভিতরে রাস-উৎসবঅবিরল রঙের ধারার মধ্যে সুবর্ণ কঙ্কণ পরা ফর্সা রমণীরাকত রকম আমোদে হেসেছেআমার দিকে তারা ফিরেও চায়নি!বাবা আমার কাঁধ ছুঁয়ে বলেছিলেন, দেখিস, একদিন, আমরাও…বাবা এখন অন্ধ, আমাদের দেখা হয়নি কিছুইসেই রয়্যাল গুলি, সেই লাঠি-লজেন্স, সেই রাস-উৎসবআমায় কেউ ফিরিয়ে দেবেনা!বুকের মধ্যে সুগন্ধি রুমাল রেখে বরুণা বলেছিল,যেদিন আমায় সত্যিকারের ভালবাসবেসেদিন আমার বুকেও এ-রকম আতরের গন্ধ হবে!ভালোবাসার জন্য আমি হাতের মুঠেয়ে প্রাণ নিয়েছিদূরন্ত ষাঁড়ের চোখে বেঁধেছি লাল কাপড়বিশ্বসংসার তন্ন তন্ন করে খুঁজে এনেছি ১০৮টা নীল পদ্মতবু কথা রাখেনি বরুণা, এখন তার বুকে শুধুই মাংসের গন্ধএখনো সে যে-কোনো নারী।কেউ কথা রাখেনি, তেত্রিশ বছর কাটল, কেউ কথা রাখে না!
ভীষণ ক্ষুধার্ত আছিঃ উদরে, শরীরবৃত্ত ব্যেপেঅনুভূত হতে থাকে- প্রতিপলে- সর্বগ্রাসী ক্ষুধাঅনাবৃষ্টি- যেমন চৈত্রের শষ্যক্ষেত্রে- জ্বেলে দ্যায়প্রভুত দাহন- তেমনি ক্ষুধার জ্বালা, জ্বলে দেহদু’বেলা দু’মুঠো পেলে মোটে নেই অন্য কোন দাবীঅনেকে অনেক কিছু চেয়ে নিচ্ছে, সকলেই চায়ঃবাড়ি, গাড়ি, টাকা কড়ি- কারো বা খ্যাতির লোভ আছেআমার সামান্য দাবী পুড়ে যাচ্ছে পেটের প্রান্তর-ভাত চাই- এই চাওয়া সরাসরি- ঠান্ডা বা গরমসরু বা দারুণ মোটা রেশনের লাল চাল হ’লেকোনো ক্ষতি নেই- মাটির শানকি ভর্তি ভাত চাইঃদু’বেলা দু’মুঠো পেলে ছেড়ে দেবো অন্য-সব দাবী;অযৌক্তিক লোভ নেই, এমনকি নেই যৌন ক্ষুধাচাইনিতোঃ নাভি নিম্নে পরা শাড়ি, শাড়ির মালিক;যে চায় সে নিয়ে যাক- যাকে ইচ্ছা তাকে দিয়ে দাওজেনে রাখোঃ আমার ওসবের কোনো প্রয়োজন নেই।যদি না মেটাতে পারো আমার সামান্য এই দাবীতোমার সমস্ত রাজ্যে দক্ষযজ্ঞ কাণ্ড ঘ’টে যাবেক্ষুধার্তের কাছে নেই ইষ্টানিষ্ট, আইন কানুন-সম্মুখে যা কিছু পাবো খেয়ে যাবো অবলীলাক্রমেঃথাকবে না কিছু বাকি- চলে যাবে হা ভাতের গ্রাসে।যদি বা দৈবাৎ সম্মুখে তোমাকে ধরো পেয়ে যাই-রাক্ষুসে ক্ষুধার কাছে উপাদেয় উপাচার হবে।সর্বপরিবেশগ্রাসী হ’লে সামান্য ভাতের ক্ষুধাভয়াবহ পরিণতি নিয়ে আসে নিমন্ত্রণ করে।দৃশ্য থেকে দ্রষ্টা অব্দি ধারাবাহিকতা খেয়ে ফেলেঅবশেষে যথাক্রমে খাবো : গাছপালা, নদী-নালাগ্রাম-গঞ্জ, ফুটপাত, নর্দমার জলের প্রপাতচলাচলকারী পথচারী, নিতম্ব প্রধান নারীউড্ডীন পতাকাসহ খাদ্যমন্ত্রী ও মন্ত্রীর গাড়ীআমার ক্ষুধার কাছে কিছুই ফেলনা নয় আজভাত দে হারামজাদা,তা না হলে মানচিত্র খাবো।
চোখে এখন আর জল আসে নাকত কাঁদি, কত একা বসে থাকিকিন্তু কান্নার আর শেষ হয় নাকাঁদতে কাঁদতে শেষ হয়ে গেছে জলের রাশিতাইতো এখন আর রুমাল দিয়ে চোখ মুছতে হয় না ॥তোমাকে হারানোর কথা এখন আর মনে করতে হয় নাচোখের সামনে সবসময়ই ভাসে তোমার ছবিযে ছবি এখন আর রঙতুলি দিয়ে আঁকতে হয় নাহৃদয়ের ঝরানো সেই রক্ত দিয়ে আঁকাতাই শুধু শুধু এখন আর কাগজ তুলি নিয়ে বসে থাকতে হয় না ॥গাছের ডালে এখন আর পাখি ডাকে নাপৌষ মাসেও পাতার ডগায় শিশির জমে নানদীর বুকে এখন মরুভূমি বাসা বেঁধেছেযা তোমার সাথে এখন বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়েছেতাইতো নদীর সেই কলকল ধ্বনি এখন আর কানে আসে না ॥শত চেষ্টার পরেও এখন আর গান শুনতে পারি নাকারণ বনের পাখি এখন আর গান গায় নাফুলের বাগানেও এখন আর গন্ধ পাই নাভোমরাও নাকি এখন আর ফুলের বাগানে আসে নাতাইতো নাক কান এখন আর খোলা রাখতে হয় না ॥সাগরে নাকি এখন অনেক ঢেউ ওঠেকিন্তু সেই ঢেউ এখন আর হৃদয়ে দোলা দেয় নাকারণ আকাশে এখন অনেক মেঘ জমে আছেআর সেই মেঘ পৃথিবীটাকে অন্ধকার করে রেখেছেতাইতো হৃদয়ে এখন আর বৃষ্টির ছোঁয়া লাগে না ॥চোখের পাতা এখন আর বোজাতে হয় নাসারাক্ষণ চেয়ে থাকেএখন আর বারবার বলতে হয় নাআর একটু জেগে থাকো, একটু পরে ঘুমাওএভাবেই জেগে থাকি ॥কারো সামনে এখন আর কান্না লুকাতে হয় নাভেতরে কষ্ট থাকলেও বাইরে দেখা যায় নাকী হয়েছে তোর? এ প্রশ্নের উত্তর দিতে হয় নাকারণ, চোখে এখন আর জল আসে নাতাইতো রুমাল দিয়ে এখন আর চোখ মুছতে হয় না ॥
ফেসবুক–ইনস্টাগ্রামের বাইরে আপনার তথ্য কে শেয়ার করছে, জানবেন যেভাবেফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারকারীরা যখন এসব প্ল্যাটফর্মের বাইরে অন্য অ্যাপ বা ওয়েবসাইট ব্যবহার করেন, তখনও তাদের কিছু কার্যকলাপসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করে। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা কাস্টমাইজ করা ও লক্ষ্যভিত্তিক বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্যই এসব তথ্য ব্যবহার করা হয়।ধরা যাক, আপনি কোনো অনলাইন স্টোরে জুতা খুঁজেছেন। সেই ওয়েবসাইট যদি আপনার কার্যকলাপের তথ্য ফেসবুকের সঙ্গে শেয়ার করে, তাহলে পরে Facebook বা Instagram–এ একই ধরনের জুতার বিজ্ঞাপন দেখতে পারেন।তবে ব্যবহারকারীদের জন্য এই তথ্য দেখা ও নিয়ন্ত্রণের সুযোগও রেখেছে মেটা।‘ইওর একটিভিটিজ অফ মেটা টেকনোলজিস’ কীমেটার ‘Your Activity Off Meta Technologies’ ফিচারটি দেখায়—কোন কোন ওয়েবসাইট, অ্যাপ বা প্রতিষ্ঠান আপনার কার্যকলাপের তথ্য ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের সঙ্গে শেয়ার করেছে।এই টুলের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা—নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট বা অ্যাপ বিচ্ছিন্ন করতে পারেনআগের সব কার্যকলাপ মুছে ফেলতে পারেনভবিষ্যতে তথ্য শেয়ার বন্ধ করতে পারেনতথ্য ডাউনলোড করে অফলাইনে পর্যালোচনা করতে পারেনএ ছাড়া ফেসবুকের প্রাইভেসি চেক-আপ টুল ব্যবহার করে কে কী তথ্য দেখতে পাচ্ছে, সেটিও নিয়ন্ত্রণ করা যায়।যেভাবে দেখবেন কোন ওয়েবসাইট তথ্য শেয়ার করছেফেসবুক (ওয়েব সংস্করণ)১. প্রোফাইল আইকনে ক্লিক করে Settings & Privacy থেকে Settings-এ যান।২. Account Center নির্বাচন করুন।৩. Your Information and Permissions-এ ক্লিক করুন।৪. এরপর Your Activity Off Meta Technologies নির্বাচন করুন।ফেসবুক অ্যাপ১. হ্যামবার্গার (তিন দাগ) মেনুতে ট্যাপ করুন।২. Account Center-এ গিয়ে একইভাবে Your Information and Permissions নির্বাচন করুন।৩. তারপর Your Activity Off Meta Technologies এ ট্যাপ করুন।ইনস্টাগ্রাম (অ্যাপ বা ওয়েব)১. প্রোফাইল আইকনে ট্যাপ/ক্লিক করুন।২. Settings থেকে Account Center-এ যান।৩. Your Information and Permissions নির্বাচন করে৪. Your Activity Off Meta Technologies এ প্রবেশ করুন।যেভাবে নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্ট বিচ্ছিন্ন করবেনRecent Activity অংশে গেলে বিজ্ঞাপনদাতা, ব্র্যান্ড বা ওয়েবসাইটের তালিকা দেখা যাবে।যেটি বিচ্ছিন্ন করতে চান সেটি নির্বাচন করে Disconnect বাটনে ক্লিক করুন এবং নিশ্চিত করুন।একাধিক অ্যাকাউন্ট একসঙ্গে বিচ্ছিন্ন করতে চাইলে মূল স্ক্রিনে গিয়ে Disconnect Specific Activity নির্বাচন করুন। এরপর প্রয়োজনীয় অ্যাকাউন্টগুলো বেছে নিয়ে Continue ও Confirm চাপুন।প্রাইভেসি সুরক্ষায় নিয়মিত এ সেটিংসগুলো পর্যালোচনা করা উপকারী।
উইন্ডোজ ১১ অপারেটিং সিস্টেমটিতে রয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক টুল, মাল্টিটাস্কিং সুবিধা, উন্নত নিরাপত্তা অপশন এবং কাস্টমাইজেশনের নানা ফিচার। অনেকেই প্রতিদিন এটি ব্যবহার করলেও এর বেশিরভাগ সুবিধা কাজে লাগাতে পারেন না। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফ্ট নিয়মিত আপডেটের মাধ্যমে উইন্ডোজ ১১-এ নতুন ফিচার যোগ করছে। ফলে কিছু সহজ ট্রিকস জানলে আপনার কম্পিউটার ব্যবহারের অভিজ্ঞতা আরও দ্রুত, নিরাপদ ও কার্যকর হতে পারে।উইন্ডোজ ১১-এর এমন ৩০টি গুরুত্বপূর্ণ ট্রিকস তুলে ধরা হলো।১. স্টার্ট বাটনের অবস্থান পরিবর্তনউইন্ডোজ ১১-এ স্টার্ট বাটন ডিফল্টভাবে টাস্কবারের মাঝখানে থাকে। তবে চাইলে আগের মতো বাম পাশে ফিরিয়ে নিতে পারবেন। Taskbar Settings → Taskbar Behaviors → Taskbar Alignment → Left নির্বাচন করলেই সেটি বাম পাশে চলে যাবে।২. এআই সহকারী ব্যবহার করুনউইন্ডোজ ১১-এ রয়েছে মাইক্রোসফ্ট কপিলট নামের এআই সহকারী। এটি ইমেইল লেখা, টেক্সট ঠিক করা, ছবি তৈরি, কোড লেখা বা ওয়েবপেজের সারসংক্ষেপ তৈরিতে সাহায্য করতে পারে।৩. কুইক সেটিংস প্যানেল কাস্টমাইজওয়াইফাই, ব্লট্যুথ, ব্যাটারি সেভারসহ বিভিন্ন অপশন দ্রুত চালু বা বন্ধ করতে কুইক সেটিংস ব্যবহার করা যায়।৪. একাধিক ভার্চুয়াল ডেস্কটপ তৈরিএকই কম্পিউটারে আলাদা আলাদা কাজের জন্য একাধিক ডেস্কটপ ব্যবহার করতে পারেন।৫. উইজেট দিয়ে দ্রুত তথ্য দেখাউইন্ডোজ ১১-এর উইজেট প্যানেলে আবহাওয়া, সংবাদ, ক্যালেন্ডার, স্টক মার্কেট ও ট্রাফিক আপডেট দেখা যায়।৬. স্ন্যাপ লেআউটস দিয়ে মাল্টিটাস্কিংএকাধিক উইন্ডো সহজে সাজিয়ে কাজ করার জন্য স্ন্যাপ লেআউটস ফিচার ব্যবহার করতে পারেন।৭. ফোনকে কম্পিউটারের সঙ্গে যুক্ত করুনফোন লিংক অ্যাপ দিয়ে স্মার্টফোনের নোটিফিকেশন, কল ও মেসেজ সরাসরি পিসিতে দেখা যায়।৮. পাসকি দিয়ে নিরাপদ লগইনপাসওয়ার্ডের পরিবর্তে পাসকি ব্যবহার করলে লগইন আরও নিরাপদ হয়।৯. ফোকাস সেশনস দিয়ে মনোযোগ ধরে রাখুনক্লক অ্যাপের ফোকাস সেশনস ফিচার ব্যবহার করে নির্দিষ্ট সময় ধরে মনোযোগ দিয়ে কাজ করা যায়।এতে মাঝেমধ্যে ছোট বিরতিরও ব্যবস্থা থাকে।১০. নতুন ফাইল এক্সপ্লোরার সুবিধাট্যাবসহ ফাইল এক্সপ্লোরার ব্যবহার করে একাধিক ফোল্ডার একসঙ্গে খুলে কাজ করা যায়।১১. সব অ্যাপের তালিকা দেখাস্টার্ট মেনু থেকে “অল অ্যাপন” অপশন ব্যবহার করে ইনস্টল করা সব অ্যাপ দেখতে পারবেন।১২. গুরুত্বপূর্ণ অ্যাপ স্টার্ট মেনুতে পিনযেসব অ্যাপ বেশি ব্যবহার করেন সেগুলো স্টার্ট মেনুতে পিন করে রাখতে পারেন।১৩. এআই দিয়ে ছবি সম্পাদনাডিজাইনার, পেইন্ট, ফটোস অ্যাপ ব্যবহার করে ছবি তৈরি বা এডিট করা যায়।১৪. থিম দিয়ে ইন্টারফেস বদলানSettings → Personalization → Themes থেকে নতুন থিম ব্যবহার করা যায়।১৫. স্টার্ট মেনু কাস্টমাইজস্টার্ট মেনুতে সেটিংস, ডকুমেন্টস, পিকচার্স ইত্যাদি শর্টকাট যোগ করা যায়।১৬. অ্যাপ ও ফাইল রিকমেন্ডেশনস্টার্ট মেনুতে সাম্প্রতিক ফাইল ও বেশি ব্যবহৃত অ্যাপের সাজেশন দেখায়।Settings → Personalization → Start১৭. ডিফল্ট অ্যাপ পরিবর্তননির্দিষ্ট ফাইল টাইপের জন্য আলাদা ডিফল্ট অ্যাপ নির্ধারণ করা যায়। Settings → Apps → Default Apps১৮. ব্যাটারি ব্যবহারের বিস্তারিত দেখাপাওয়ার অ্যান্ড ব্যাটারি সেটিংস থেকে কোন অ্যাপ কত ব্যাটারি ব্যবহার করছে তা জানা যায়। Settings → System → Power & Battery১৯. সহজে নতুন অডিও ডিভাইস সংযোগব্লুট্যুথ স্পিকার বা মাইক্রোফোন সহজে যুক্ত করা যায় সাউন্ড সেটিংস থেকে। Settings → System → Sound২০. নতুন অডিও মোডমোনো অডিও বা ইনহেন্স অডিও মোড চালু করলে শব্দের মান উন্নত হয়।২১. নতুন টাচ জেসচারটাচস্ক্রিন ডিভাইসে নতুন মাল্টি-ফিঙ্গার জেসচার ব্যবহার করা যায়।২২. নতুন কিবোর্ড শর্টকাটকিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্টকাট: Win + W → Widgets, Win + A → Quick Settings, Win + Z → Snap Layouts, Win + K → Screen Cast২৩. গেম বার ব্যবহারWin + G চাপলে গেম বার খুলে স্ক্রিন রেকর্ডিং ও পারফরম্যান্স মনিটর করা যায়।২৪. নতুন সাউন্ড রেকর্ডারউইন্ডোজ ১১-এর সাউন্ড রেকর্ডার দিয়ে MP3, WAV ইত্যাদি ফরম্যাটে অডিও রেকর্ড করা যায়।২৫. নতুন মিডিয়া প্লেয়ারনতুন মিডিয়া প্লেয়ার দিয়ে গান শোনা ও ভিডিও দেখা সহজ হয়েছে।২৬. উইন্ডোজ ব্যাকআপ ব্যবহারফাইল, অ্যাপ ও সেটিংস ওয়ানড্রাইভ-এ ব্যাকআপ করে রাখা যায়।২৭. Title Bar Shakeএকটি উইন্ডো ধরে ঝাঁকালে অন্য সব উইন্ডো মিনিমাইজ হয়ে যায়।২৮. নতুন কমপ্রেশন ফরম্যাটফাইল এক্সপ্লোরার থেকে সরাসরি ZIP, TAR বা 7z ফরম্যাটে ফাইল কমপ্রেস করা যায়।২৯. অন্য ডিভাইসের স্ক্রিন পিসিতে দেখুনProject to this PC ফিচার দিয়ে অন্য ডিভাইসের স্ক্রিন কম্পিউটারে দেখানো যায়।৩০. মাউস কার্সর সহজে দেখাঅ্যাক্সেসিবিলিটি সেটিংস থেকে কার্সরের আকার ও রং পরিবর্তন করা যায়।এই ফিচারগুলো ব্যবহার করলে উইন্ডোজ ১১ আরও দ্রুত, নিরাপদ ও কার্যকরভাবে ব্যবহার করা সম্ভব।