BDBOYS...
BDBOYS...
সবচেয়ে সাম্প্রতিক খবর ও পোস্টসমূহ
ঘটনাটি পদ্মজার চোখে পড়তেই সে দৌড়ে আসে। রানি আকস্মিক ঘটনায় হতভম্ব। সে পূর্ণাকে তুলতে দৌড়ে আসতে গিয়ে শাড়ির সঙ্গে পা প্যাঁচ লাগিয়ে পূর্ণার চেয়ে ঠিক এক হাত দূরে আছাড় খেল! এ যেন ধপাস করে পড়ার প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। যুবকটি হাসবে, নাকি সাহায্য করবে বুঝে উঠতে পারছে না। সেকেন্ড দুয়েক ভেবে মনস্থির করল, হাসা ঠিক হবে না। সাহায্য করা উচিত। কলপাড় থেকে এক পা নামাতেই পদ্মজা চলে এসে পূর্ণাকে তোলার চেষ্টা করতে লাগল। যুবকটি রানিকে সাহায্য করে ওঠার জন্য। পদ্মজা উৎকণ্ঠা নিয়ে পূর্ণাকে প্রশ্ন করে, ‘খুব ব্যথা পেয়েছিস?’পূর্ণার মুখ ঢেকে আছে রেশমি ঘন চুলে। আড়চোখে একবার যুবকটিকে দেখল। মিনমিনিয়ে বলল, ‘না।’ফরিনা ছুটে এসে বললেন, ‘এইডা কেমনে হইল? এই ছেড়ি এমনে আইলো কেন? ও ছেড়ি, কোনহানে দুঃখ পাইছো?’পূর্ণা নরম কণ্ঠে বলল, ‘ব্যথা পাইনি।’‘পাওনি মানে কী? সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারছো না। পদ্মজা, ওকে নিয়ে যাও। কাদা মেখে কী অবস্থা!’ বলল আমির।পদ্মজা আর আমিরকে দেখে রানি প্রচণ্ড অবাক হয়েছে! খুশিতে তার কাঁদতে ইচ্ছে হচ্ছে।আমিরের পা ছুঁয়ে সালাম করে বলল, ‘দাভাই? তুমি আইছো! পদ্মজা, এতদিনে আমরারে মনে পড়ছে?’পদ্মজা মৃদু হেসে বলল, ‘তোমাকে সবসময়ই মনে পড়ে, আপা। আমরা পরে অনেক গল্প করব। পূর্ণাকে নিয়ে এখন ভেতরে যাই।’পদ্মজা আর ফরিনা পূর্ণাকে ধরে ধরে অন্দরমহলে নিয়ে যায়। পিছু পিছু রানিও গেল। যুবকটি আমিরের সামনে এসে দাঁড়াল। হেসে বলল, ‘আসসালামু আলাইকুম আমির ভাই। চিনতে পারতাছেন?’আমির যুবকটিকে চেনার চেষ্টা করল। বলল, ‘মৃদুল না?’‘জি ভাই।’আমিরের হাসি চওড়া হলো। মৃদুলের সঙ্গে করমর্দন করে বলল, ছোটোবেলায় দেখেছি। কত্ত বড়ো হয়ে গেছিস! চেনাই যাচ্ছে না।’‘আমার ঠিকই আপনারে মনে আছে।’‘সেইমৃদুলের বাহুতে আলতো করে থাপ্পড় দিয়ে আমির বলল, ‘ছোটোবেলা তো তুমি করে বলতি। এখন আপনি আপনি বলছিস কেন?’মৃদুল এক হাতে ঘাড় ম্যাসাজ করে হাসল। এরপর বলল, ‘ষোলো- সতেরো বছর পর দেখা হইছে তো।’‘তো কী হয়েছে? তুমি বলে সম্বোধন করবি। গোসল করছিলি নাকি?’‘জি।’‘কাপড় পালটে আয়, অনেক আলাপ হবে।’‘আচ্ছা ভাই।’নারিকেল গাছের পাশে ব্যাগটি পড়ে থাকতে দেখে, এগিয়ে গিয়ে সেটা নিয়ে অন্দরমহলের দিকে গেল আমির।.বৈঠকখানায় বসে আছে পদ্মজা। পূর্ণার কোমরে, পায়ে গরম সরিষা তেল মালিশ করে দিয়ে বিশ্রাম নিতে বলেছে। হুমকি দিয়ে এসেছে, ঘর থেকে বের হলে একটা মারও মাটিতে পড়বে না। পূর্ণার মুখ দেখে মনে হয়েছে, আর বের হওয়ার সাহস করবে না। বেশ জোরেই পড়েছে। পা, কোমর লাল হয়ে গেছে। এই বাড়িটা মৃতপ্রায়। আগে তাও মানুষ আছে বলে মনে হতো। এখন মনেই হয় না এই বাড়িতে কেউ থাকে। নির্জীব, স্তব্ধ। রান্নাঘর থেকে বেশ কিছুক্ষণ পর পর টুংটাং শব্দ আসছে। ফরিনা ও আমিনা তাড়াহুড়ো করে রান্না করছেন। আমির বের হয়েছে। বাড়িতে মাত্রই এলো, আর কীসের কাজে বেরিয়েও পড়ল! স্তব্ধতা ভেঙে একটা ছোটো বাচ্চা দৌড়ে আসে পদ্মজার কাছে। বাচ্চাটার কোমরে, গলায় তাবিজ। তাবিজের সঙ্গে ঝনঝন শব্দ তোলা জাতীয় কিছু গলায় ঝুলানো। পদ্মজা বাচ্চাটিকে কোলে তুলে নিলো। রানি বৈঠকখানায় এসে বাচ্চাটিকে বলল, ‘আলো আম্মা, এদিকে আয়। তোর গায়ে ময়লা। পদ্ম মামির কাপড়ে লাগব।পদ্মজা আলোর গাল টেনে বলল, ‘কিছু হবে না। থাকুক।’আলোর গালে চুমু দিল পদ্মজা। আলোর বয়স দুই বছর। রানির মেয়ে হয়েছে শুনেছিল পদ্মজা। কিন্তু দেখতে আসতে পারেনি। এবারই প্রথম দেখা। পদ্মজা বলল, ‘আলো ভাগ্যবতী হবে। দেখতে বাপের মতো হয়েছে।’বাপের মতো হয়েছে কথাটি শুনে রানির মুখ কালো হয়ে যায়। তার প্রথম বাচ্চা মারা যাওয়ার এক বছরের মাথায় সমাজের নিন্দা থেকে বাঁচাতে খলিল হাওলাদার রানির জন্য পাত্র খুঁজতে থাকলেন। কিন্তু কেউই রানিকে বিয়ে করতে চায়নি। সবাই জেনে গিয়েছিল রানি অবৈধ সন্তান জন্ম দিয়েছে, বাচ্চাটিও মারা গেছে। কোনো পরিবার রানিকে ঘরের বউ করতে চাইছিল না। এদিকে বিয়ে দিতে না পেরে সমাজের তোপে আরো বেশি করে পড়তে হচ্ছিল। খলিল হাওলাদার পিতা হয়ে রানিকে ফাঁস লাগিয়ে মারতে চেয়েছিলেন। তখন মজিদ হাওলাদার মদনকে ধরে আনলেন। মদন, মগার বাবা-মা নেই। দুই ভাই এই বাড়িতেই ছোটো থেকে আছে। এই বাড়ির সেবার কাজে নিযুক্ত। বাধ্য হয়ে মদনের সঙ্গে বাড়ির মেয়ের বিয়ে দেওয়া হয়। মদন কামলা থেকে ঘরজামাই হয়। রানি মন থেকে মদনকে আজও মানতে পারেনি। কখনোও পারবেও না। ঘৃণা হয় তার। মাঝে মাঝে আলোকেও তার সহ্য হয় না। আলোর মুখটা দেখলেই মনে হয়, এই মেয়ে মদনের মেয়ে।কামলার মেয়ে!আলো আধোআধো স্বরে বলল, ‘নান্না, নান্না।’পদ্মজা আদুরে কণ্ঠে বলল, ‘নানুর কাছে যাবে?’আলো পদ্মজার কোল থেকে নামতে চাইলে পদ্মজা নামিয়ে দিল। আলো দৌড়ে গেল রান্নাঘরে। রানি বলল, ‘আম্মার জন্য পাগল এই ছেড়ি। সারাবেলা আম্মার লগে লেপটায়া থাকে।’‘তুমি নাকি আলোকে মারধোর করো?’রানি চমকাল। প্রশ্ন করল, ‘কেলা কইছে?’‘শুনেছি। আলো একটা নিষ্পাপ পবিত্র ফুল। ওর কী দোষ?’রানি চুপ করে রইল। পদ্মজা বলল, ‘সব রাগ এইটুকু বাচ্চার ওপর ঝাড়া ঠিক না, আপা।’‘আমার কষ্টডা বুঝবা না, পদ্মজা।’‘বুঝি। এতটা অবুঝ না আমি। আলো মদন ভাইয়ার মেয়ে এটা ঠিক কিন্তু তোমারও তো মেয়ে। তোমার গর্ভে ছিল। দশ মাস তোমার রক্ত খেয়েছে।’‘আমি কী আমার ছেড়িরে ভালোবাসি না? বাসি। মাঝে মাঝে খুব রাগ হয়। জানো পদ্মজা, আবদুল ভাইয়ের কথা মনে হইলে আমার সব অসহ্য লাগে। একলা একলা কাঁনদি। তহন আলো কানলে…আমি ওরে এক দুইডা থাপ্পড় মারি। পরে আফসোস হয় কেন মানলাম ছেড়িডারে। ও তো আমারই অংশ।’‘নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করো। নিয়তির উপর কারো হাত নেই। অতীত ভুলতে বলব না। কিছু অতীত ভোলা যায় না। কিন্তু চাইলেই পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে বাঁচা যায়। নিজেকে মানিয়ে নাও। আলোর প্রতি যত্নশীল হও। মানুষের মতো মানুষ করো। একটা মেয়েকে নিয়ে সমাজে বাঁচা যুদ্ধের মতো। গোড়া থেকে খেয়াল দাও।’‘তোমার কথা হুনলে বাঁচার শক্তি পাই, পদ্মজা।’পদ্মজা হাসল। বৈঠকখানায় আমির প্রবেশ করে। তার পেছনে দেখা যায় মৃদুলকে, ছেলেটাকে দেখে হাসল রানি। পদ্মজাকে দেখিয়ে বলল, ‘এই যে এইডা হইছে, পদ্মজা। তোর ভাবি।’মৃদুল পদ্মজাকে সালাম করার জন্য ঝুঁকতেই পদ্মজা বলল, ‘না, না। কোনো দরকার নেই। বসুন আপনি।’মৃদুল বসল। বলল, ‘আপনের কথা কথা অনেক শুনছি। আজ দেখার সৌভাগ্য হইলো।’আমির পদ্মজাকে বলল, ‘ওর নাম মৃদুল। রানির মামাতো ভাই। ছোটোবেলা আমাদের বাড়িতে কয়দিন পর পর আসত। যখন আট-নয় বছর তখন দূরে চলে যায়। আর দেখা হয়নি। চাইলেই দেখা হতো। কেউ চায়নি। তাই দেখাও হয়নি।‘কোথায় থাকেন?’ জানতে চাইল পদ্মজা।‘জি ভাবি, রামপুরা।’রামপুরার কথা পদ্মজা শুনেছে। তাদের জেলার শহর এলাকার নাম রামপুরা। সবাই চেনে। ছেলেটার চেহারা উজ্জ্বল, চকচকে। হাসিখুশি! আলাপে আলাপে জানতে পারল, মৃদুল পদ্মজার চেয়ে দুই বছরের বড়ো। মেট্রিক ফেল করার পর আর পড়েনি। মিয়া বংশের ছেলে।কথাবার্তায় শুদ্ধ-অশুদ্ধ দুই রূপই আছে। ভীষণ রসিক মানুষও বটে!খাওয়া-দাওয়া শেষ হওয়ার পর পদ্মজা দোতলায় গেল, সঙ্গে রয়েছে আমির। নুরজাহান বেশ কয়েক মাস ধরে অসুস্থ। শরীরের জায়গায় জায়গায় ঘা। চামড়া থেকে দুর্গন্ধ বের হয়। সারাক্ষণ যন্ত্রণায় আর্তনাদ করেন নুরজাহানের ঘরে ঢুকতেই নাকে দুর্গন্ধ লাগল, নাকে রুমাল চেপে ধরল পদ্মজা। নুরজাহান বিছানার ওপর শুয়ে আছেন। সময়ের ব্যবধানে একেবারে নেতিয়ে গিয়েছেন তিনি। বয়সটা যেন কয়েক গুণ বেড়েছে, হাড় দেখা যাচ্ছে। লজ্জাস্থান ছাড়া পুরো শরীর উন্মুক্ত। এক পাশে লতিফা দাঁড়িয়ে, আর মাথার কাছে বসে আছেন একজন কবিরাজ। একটা কৌটা থেকে সবুজ তরল কিছু নুরজাহানের ক্ষত স্থানগুলোতে লাগাচ্ছেন। পদ্মজা নুরজাহানের বাঁ-পাশে গিয়ে দাঁড়াল। নাক থেকে রুমাল সরিয়ে মানিয়ে নেয়ার চেষ্টা করল দুর্গন্ধের সঙ্গে। ডাকল, ‘দাদু? দাদু…শুনছেন।’নুরজাহান ধীরে ধীরে চোখ খুললেন। পদ্মজা প্রশ্ন করল, ‘দাদু, খুব কি কষ্ট হয়? কোথায় বেশি যন্ত্রণা?’নুরজাহান শুধু তাকিয়ে রইলেন। চোখ বেয়ে জল গড়িয়ে পড়ে। পদ্মজার বুকটা হাহাকার করে উঠল। বয়স্ক মানুষটা কত কষ্ট করছে! লতিফা বলল, ‘দাদু কথা কইতে পারে না। খালি কান্দে’নুরজাহানের অসহায় চাহনি দেখে পদ্মজার চোখ দুটি ছলছল করে উঠল। সে নুরজাহানের মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বলল, ‘আল্লাহর নাম স্মরণ করেন। ইনশাআল্লাহ সব ঠিক হয়ে যাবে। ধৈর্য ধরুন।’ তারপর লতিফাকে বলল, ‘ভালো করে খেয়াল রেখো।’আমির বেশ অনেকক্ষণ কথা বলল নুরজাহানের সঙ্গে। নুরজাহান জবাব দিলেন না, শুধু উ-আ করলেন। আমিরের দুই চোখ বেয়ে জল পড়ে। পদ্মজার ভালো লাগে না দেখতে। সে আমিরকে বুঝিয়ে-শুনিয়ে বাইরে নিয়ে আসে। বারান্দা পেরোনোর পথে রুম্পার ঘরের দরজা খোলা দেখতে পায়। যাওয়ার সময় তো বন্ধই ছিল। পদ্মজা ঘরের ভেতর উঁকি দেয়। কেউ নেই। পালঙ্কও নেই।সে অবাক হয়ে আমিরকে প্রশ্ন করল, ‘রুম্পা ভাবি কোথায়?’আমিরও এসে উঁকি দিল। শূন্য ঘর। সে অবাক স্বরে বলল, ‘জানি না তো।’পদ্মজা চিন্তায় পড়ে গেল। হেমলতা মারা যাওয়ার পর গ্রামে আর থাকেনি। শহরে ফিরে যায়। এক মাসের মাথায় জানতে পারল, সে গর্ভবতী। গর্ভাবস্থার প্রথম পাঁচ মাস খুব খারাপ যায়। প্রতি রাতে হেমলতাকে স্বপ্নে দেখত। ছয় মাস পড়তেই ফরিনা গ্রামে নিয়ে আসেন। এ সময় পদ্মজার একজন মানুষ দরকার। কাছের মানুষদের দরকার। তাই আমিরও নিষেধ করেনি। তার মধ্যে আবার মোর্শেদ মারা গেলেন। পদ্মজা আরো ভেঙে পড়ে। কাছের মানুষদের সহযোগিতায় বাচ্চার কথা ভেবে নিজেকে শক্ত রাখার চেষ্টা করে। তখন পদ্মজা অনেকবার চেষ্টা করেছে রুম্পার সঙ্গে দেখা করার। কিন্তু মদন আর নুরজাহানের নজরের বাইরে গিয়ে কিছুতেই সম্ভব হয়নি।এরপর কোল আলো করে এলো ফুটফুটে কন্যা। পদ্মজা তারপরও চেষ্টা চালিয়ে গেল। সারাক্ষণ রুম্পাকে নজরবন্দি করে রাখার ব্যাপারটা তার খটকা বাড়িয়ে তোলে। একদিন সুযোগ পেল।সেদিন রাতে নুরজাহান, মদন, আমির, রিদওয়ান, আলমগীর সবাই যাত্রাপালা দেখতে গিয়েছিল। দুই তলায় ছিল শুধু পদ্মজা, তার মেয়ে পারিজা আর ফরিনা। ফরিনার দায়িত্বে পারিজাকে রেখে রুম্পার ঘরে যায় পদ্মজা। রুম্পা তখন অচেতন হয়ে পড়ে ছিল নিজের প্রস্রাব-পায়খানার ওপর। পদ্মজা নাকে আঁচল চেপে ধরে সব পরিষ্কার করে রুম্পার জ্ঞান ফেরায়। জানতে পারে: তিন দিন ধরে রুম্পাকে খাবার দেয়া হচ্ছে না। পদ্মজা খাবার নিয়ে আসে। রুম্পাকে খাইয়ে দেয়।তবে কথা বলার সুযোগ হওয়ার আগেই ফরিনার চিৎকার ভেসে আসে কানে। ফরিনার কাছে পারিজা! পদ্মজার বুক ধক করে উঠে। ছুটে বেরিয়ে যায় সে, ঘরে এসে দেখে ফরিনা নেই। তার আর্তনাদ ভেসে আসছে কানে। পদ্মজা সেই আর্তনাদের সঙ্গে দুমড়ে-মুচড়ে যাচ্ছে। তড়িঘড়ি করে সিঁড়ি বেয়ে নামতে গিয়ে উলটে পড়ে। তবুও ছুটে যায়। ফরিনার কান্নার চিৎকার অনুসরণ করে অন্দরমহলের বাইরে বেরিয়ে আসে। চাঁদের আলোয় ভেসে উঠে তার তিন মাসের কন্যার রক্তাক্ত দেহ। ফুটফুটে কন্যা! ছোটো ছোটো হাত, পাগুলো নিথর হয়ে পড়ে আছে। সময় থেমে যায়। মনে হতে থাকে, নিশুতি রাতের প্রেতাত্মারা একসঙ্গে, একই স্বরে চিৎকার করে কাঁদছে। পদ্মজার মস্তিষ্ক ফাঁকা হয়ে যায়। কোন পাষাণ মানব তিন মাসের বাচ্চার গলায় ছুরি চালিয়েছে? তার কী হৃদয় নেই? পদ্মজা মেয়ের নাম ধরে ডেকে চিৎকার দিয়ে সেখানেই লুটিয়ে পড়ে।পুলিশ আসে, তদন্ত হয়। সেদিন ফরিনা দরজা খোলা রেখে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। হঠাৎ করে ঘুম ভেঙে যায়। তিনি হাত বাড়িয়ে বুঝতে পারেন পাশে পারিজা নেই। দ্রুত উঠে বসেন। পদ্মজা নিয়ে গেল নাকি? ভাবতে ভাবতে নাতনিকে খুঁজতে থাকেন। বারান্দা থেকে বাইরে চোখ পড়তেই দেখতে পেলেন, একজন মোটা, কালো লম্বা চুলের লোক দৌড়ে পালাচ্ছে। খালি জায়গায় কাঁথায় মোড়ানো কিছু একটা পড়ে আছে। ফরিনা ছুটে বাইরে বেরিয়ে আসেন। নাতনির রক্তাক্ত দেহ দেখে চিৎকার শুরু করেন। পুলিশ কোনো কিনারা খুঁজে পায়নি।পরের দিনগুলো বিষাক্ত হয়ে উঠে। পদ্মজা মাঝরাতে চিৎকার করে কেঁদে উঠত। খাওয়া-দাওয়া একদমই করত না। মাঝরাতে মেয়ের কবরে ছুটে যেত। আমির পদ্মজাকে নিয়ে হাওলাদার বাড়ি থেকে দূরে সরে আসে। প্রায় এক বছর পদ্মজা মানসিকভাবে বিপর্যন্ত ছিল। তারপর বুকে ব্যথা নিয়েই স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে। মনে মনে প্রতিজ্ঞা করে, একদিন ফিরবে অলন্দপুর। সেই নিষ্ঠুর খুনিকে খুঁজে বের করে শাস্তি দিবেই। জানতে চাইবে, কীসের দোষে তার তিন মাসের কন্যা বলি হলো? ছোট্ট শিশুটি কী ক্ষতি করেছিল?কেউ জানুক আর নাই বা জানুক, পদ্মজা জানে হাওলাদার বাড়িতে আসার প্রধান উদ্দেশ্য, পারিজার খুনিকে বের করা। সে শতভাগ নিশ্চিত এই বাড়ির কেউ না কেউ জড়িত এই খুনের সঙ্গে। শুধু বের করার পালা। পুরনো কথা মনে হতেই পদ্মজা দুই চোখ বেয়ে জল গড়াতে থাকল। আমির জল মুছে দিয়ে বলল, ‘বোধহয় তিন তলায় রাখা হয়েছে। ‘পদ্মজা তিন তলার সিঁড়ির দিকে তাকাল। শুনেছে, তিন তলার কাজ নাকি সম্পূর্ণ হয়েছে। নতুন অনেকগুলো ঘর হয়েছে। তবে আর কথা বাড়াল না। এখন গোসল করতে হবে। আজান পড়বে। আজ রাত থেকেই সে নিশাচর হবে। এক মুহূর্তও নষ্ট না করে সব রহস্যের জাল কাটতে হবে। এটাই তার নিজের সঙ্গে নিজের প্রতিজ্ঞা। আমির ডাকল, ‘কী হলো? কী ভাবো?’পদ্মজা আমিরের দিকে একবার তাকাল। চাহনি অস্থির করে বলল, ‘কিছু না। ঘরে চলুন।’‘কিছু তো ভাবছিলে।’‘এতদিনের জন্য গ্রামে এসেছি। চাকরিটা থাকবে তো?’‘থাকবে না কেন? রফিক কতটা সম্মান করে আমাকে দেখোনি? আর তোমার যোগ্যতার কী কমতি আছে? যেখানে ইচ্ছে সেখানেই চাকরি হবে।’পদ্মজা থমকে দাঁড়াল। আমিরের দিকে তাকিয়ে হেসে বলল, ‘আপনি যেখানে ইচ্ছে সেখানে চাকরি করতে দিবেন?’আমির হেসে ফেলল। বলল, ‘তা অবশ্য দেব না।’
আজ ১ এপ্রিল ২০২৬ ইং, বুধবার। আজকের তারিখে জন্মগ্রহণ করায় রাশিচক্রে আপনি মেষ রাশির জাতক-জাতিকা। চলুন জেনে নেয়া যাক আপনার রাশিতে আজকের পূর্বাভাস:মেষ রাশি: পরিবারের বয়স্ক ব্যক্তিদের রুটিন মেডিকেল টেস্ট করিয়ে নিন। কর্মক্ষেত্রে বিচক্ষণতার সঙ্গে কার্য সম্পাদন করা জরুরি, না হলে সমস্যায় পড়তে পারেন। আত্মীয়দের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতি হবে। সন্তানকে নিয়ে উদ্বেগ বাড়বে। প্রেমের সম্পর্কে ঘনিষ্ঠতা বাড়বে।বৃষ রাশি: আজ কর্মব্যস্ততা থাকলেও সব দায়িত্ব আপনি যথাযথ ভাবে পালন করবেন। বৃষ রাশির জাতকদের মিষ্টি কথায় জটিল সমস্যার সমাধান হতে পারে। যেকোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে সবার মতামত নিলে আপনিই লাভবান হবেন। ঋণ সংক্রান্ত আর্থিক চিন্তা বাড়তে পারে।মিথুন রাশি: গতানুগতিক নিয়ম নীতি মেনে কাজ করলে আজ খ্যাতি লাভ হবে মিথুন রাশির জাতকদের। ভুল সিদ্ধান্তে ক্ষতি হতে পারে। বাবার স্বাস্থ্যের অবনতি হবে। সন্তানকে নিয়ে চিন্তা বাড়বে। পড়াশোনার কারণে জন্মস্থান থেকে দূরে যেতে হবে। বিয়েতে বাধা আসতে পারে। আজ সহকর্মীর সঙ্গে মতান্তর হতে পারে।কর্কট রাশি: দাম্পত্য জীবনে কিছুটা মানসিক অশান্তি থাকবে। ছোট অস্ত্রোপচার বা রক্তপাতের যোগ রয়েছে। আইনি কাজকর্মের ক্ষেত্রে আজ কিছুটা বাধা পেতে পারেন। দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা বকেয়া টাকা ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। চিকিৎসা সংক্রান্ত কারণে অর্থব্যয় হতে পারে।সিংহ রাশি: আজ শারীরিক রোগ-ব্যাধি অনেকটাই কমবে। সাংসারিক বিড়ম্বনায় পড়তে হতে পারে। চাকরি পরিবর্তন হতে পারে বা কর্মসূত্রে অন্যত্র যেতে হতে পারে। নিজের শরীর-স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন থাকুন। বিষয় সম্পত্তির রক্ষণাবেক্ষণের কারণে খরচ বাড়তে পারে। উচ্চশিক্ষার কারণে বিদেশ যাত্রা হতে পারে।কন্যা রাশি: আজ অবিবাহিতদের বিয়ের সম্বন্ধ পাকা হতে পারে। শারীরিক কষ্ট ভোগের সম্ভাবনা রয়েছে। বয়স্ক ব্যক্তিদের শারীরিক সমস্যা বাড়তে পারে। সঞ্চিত অর্থ খরচ হয়ে যেতে পারে। কর্মস্থানে অধস্তন কর্মীর সঙ্গে বচসায় জড়াতে পারেন। অনিশ্চিত ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করলে লোকসান হতে পারে।তুলা রাশি: কোনো বহুজাতিক কোম্পানিতে আজ আপনার চাকরি পাকা হতে পারে। দাম্পত্যে মতপার্থক্য আসবে। প্রলোভনে পড়ে প্রতারিত হতে পারেন। নতুন করে কোনো যৌথ ব্যবসা আজ না করাই ভালো। মায়ের শরীর-স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তা বাড়বে। নতুন গাড়ি কেনার যোগ রয়েছে।বৃশ্চিক রাশি: ব্যবসায় আজ মুনাফা বাড়বে বৃশ্চিক রাশির জাতকদের। আজ নিজের রাগ নিয়ন্ত্রণ রাখার চেষ্টা করুন, না হলে বড় বিপদে পড়তে পারেন। হাড়ে আঘাত পাওয়ার যোগ রয়েছে। আইনি সমস্যা থেকে নিজেকে দূরে রাখুন। কাছের বন্ধুর সাহায্য পেতে পারেন।ধনু রাশি: আজ অপ্রত্যাশিত আর্থিক লাভ হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে অভিজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শ নিন। ঋণ সংক্রান্ত সমস্যায় জড়াতে পারেন। রেস্তোঁরা, জামাকাপড়ের ব্যবসা লাভজনক হবে। নতুন সম্পত্তি কেনার ক্ষেত্রে আইনি জটিলতা আসতে পারে। চিকিৎসা সংক্রান্ত খরচ বাড়তে পারে।মকর রাশি: আজ আয় মন্দ হবে না মকর রাশির জাতকদের। প্রতিবেশীর কারণে সমস্যায় পড়তে পারেন। আগের আটকে থাকা টাকা ফিরে পেতে পারেন। কাউকে বিশ্বাস করে আর্থিক সাহায্য করলে ক্ষতি হতে পারে। দাম্পত্যে মতভেদ বাড়বে। কমিশন ভিত্তিক কাজে আয় বাড়বে।কুম্ভ রাশি: কর্মক্ষেত্রে কৌশলে প্রতিকূল পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে পারবেন। আত্মীয়দের শত্রুতার কারণে আপনার ক্ষতি হতে পারে। ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনায় অমনোযোগ বাড়বে। কর্মক্ষেত্রে ট্রান্সফারের সম্ভাবনা রয়েছে। পরিবারের বয়স্ক ব্যক্তিদের স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তা বাড়বে। ঝুঁকিবহুল কাজ এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।মীন রাশি: সময়োচিত তৎপরতায় হঠাৎ আসা বিপদ থেকে রক্ষা পাবেন। একাধিক আয়ের উৎস সামনে আসবে। শরীর-স্বাস্থ্য নিয়ে ছোটখাটো সমস্যা হলেও বিশেষ কোনো উদ্বেগের কারণ নেই। ব্যবসায় উপযুক্ত পরিশ্রমের মূল্য পাবেন। নতুন বাড়ি বা অন্য কোনো স্থাবর সম্পত্তি কিনতে পারেন।
অনূর্ধ্ব-২০ নারী এশিয়ান কাপ শুরু আজ। প্রথম দিনে স্বাগতিক থাইল্যান্ডের মুখোমুখি বাংলাদেশের মেয়েরা। আছে আইপিএল ও পিএসএলের ম্যাচ।বিশ্বকাপ বাছাই: প্লে-অফইরাক-বলিভিয়াসকাল ৯টা, ফিফা প্লাসঅ-২০ নারী এশিয়ান কাপচীন-ভিয়েতনামবেলা ৩টা, টি স্পোর্টসবাংলাদেশ-থাইল্যান্ডসন্ধ্যা ৭টা, টি স্পোর্টসসাফ অ-২০ ফুটবল: সেমিফাইনালবাংলাদেশ-নেপালবিকেল ৪-৪৫ মি., ইউটিউব@sportzworkzভারত-ভুটানরাত ৯-৩০ মি., ইউটিউব@sportzworkzপিএসএলহায়দরাবাদ-মুলতানরাত ৮টা, টি স্পোর্টসআইপিএললক্ষ্ণৌ-দিল্লিরাত ৮টা, স্টার স্পোর্টস ১, ২
বিশ্বকাপ শুরুর মাত্র ৭২ দিন আগে জাতীয় দলের প্রধান কোচ অটো আদ্দোকে ছাঁটাই করেছে ঘানা। গতকাল রাতে জার্মানির বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে ২-১ গোলে হারের অল্প সময় পরই তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়। বিশ্বকাপের আগমুহূর্তে কোচ ছাঁটাই করায় এখন নতুন চ্যালেঞ্জের মুখেই পড়ল আফ্রিকার দেশটি।জার্মানির বিপক্ষে ম্যাচে অবশ্য ভালোই খেলেছে ঘানা। ৮৮ মিনিট পর্যন্ত ম্যাচে ১-১ গোলে সমতায় ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত আর পেরে ওঠেনি, দেনিজ উনদাভের গোলে হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় দলটিকে।জার্মানির বিপক্ষে হার ছাড়াও সাম্প্রতিক সময়টা ভালো যাচ্ছিল না ঘানার। গতকাল রাতের ম্যাচটিসহ এ নিয়ে টানা ৪ ম্যাচ হারল তারা। চলতি আন্তর্জাতিক বিরতিতে প্রথম ম্যাচে অস্ট্রিয়ার কাছে উড়ে গিয়েছিল ৫-১ গোলে। এর আগে গত নভেম্বরে দুই এশিয়ান প্রতিপক্ষ জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে হেরেছিল তারা। আর এসব হারের জেরেই শেষ পর্যন্ত চাকরি হারাতে হলো আদ্দোকে।ঘানা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (জিএফএ) বিবৃতিতে জানায়, ‘দলের জন্য অবদান রাখায় আমরা আন্তরিকভাবে অটো আদ্দোকে ধন্যবাদ জানাই এবং তাঁর ভবিষ্যৎ পথচলার জন্য শুভকামনা রইল। ব্ল্যাক স্টারসের নতুন টেকনিক্যাল পরিকল্পনা বা দিকনির্দেশনা যথাসময়ে জানানো হবে।’ ৫০ বছর বয়সী আদ্দো ঘানার জাতীয় দলের দায়িত্বে ছিলেন ২০২৪ সালের মার্চ থেকে। এর আগে ২০২২ সালের মে থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি প্রথম মেয়াদে জাতীয় দলের কোচের দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর অধীনে ঘানা ২০২২ সালের বিশ্বকাপেও অংশ নেয়।যেখানে প্রথম ম্যাচে পর্তুগালের বিপক্ষে ৩-২ গোলে হারলেও পরের ম্যাচে একই ব্যবধানে জয় পায় দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে। যদিও শেষ পর্যন্ত উরুগুয়ের কাছে ২-০ গোলে হেরে বিদায় নিতে হয় আফ্রিকার দেশটিকে। এই বিশ্বকাপেই প্রথম ঘানাইয়ান হিসেবে খেলোয়াড় ও কোচ—দুই দায়িত্বেই দেশের প্রতিনিধিত্ব করার কীর্তি গড়েন আদ্দো।এরপর ২০২৪ সালের মার্চে দায়িত্ব নিয়ে ঘানাকে আরও একটি বিশ্বকাপে পৌঁছে দেওয়ায় ভূমিকা রাখেন এই কোচ। যদিও তাঁর অধীনে ঘানা গত বছরের আফ্রিকা কাপ নেশনসে অংশ নিতে ব্যর্থ হয়।পঞ্চমবারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়া ঘানা জায়গা পেয়েছে ‘এল’ গ্রুপে। যেখানে আছে ক্রোয়েশিয়া, ইংল্যান্ড ও পানামাও। ঘানা তাদের প্রথম ম্যাচ খেলবে ১৭ জুন টরন্টোতে পানামার বিপক্ষে। যদিও সেই ম্যাচে আদ্দো নন, ডাগআউটে দাঁড়াবেন অন্য কেউ।
এশিয়ান কাপ ফুটবল বাছাইপর্বে আজ নিজেদের শেষ ম্যাচে সিঙ্গাপুরের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। রাতে ও আগামীকাল ভোরে আছে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের প্লে-অফ ফাইনাল।এশিয়ান কাপ ফুটবল: বাছাইবাংলাদেশ-সিঙ্গাপুরসন্ধ্যা ৬টা, টি স্পোর্টসআন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচক্যামেরুন-চীনদুপুর ১২টা, ফিফা প্লাসঅস্ট্রেলিয়া-কুরাসাওবেলা ৩-১০ মি., ফিফা প্লাসপিএসএলইসলামাবাদ-পেশোয়াররাত ৮টা, টি স্পোর্টসআইপিএলপাঞ্জাব-গুজরাটরাত ৮টা, স্টার স্পোর্টস ১, ২ইউরোপিয়ান প্লে-অফ: ফাইনালকসোভো-তুরস্করাত ১২-৪৫ মি., সনি স্পোর্টস ১বসনিয়া-ইতালিরাত ১২-৪৫ মি., সনি স্পোর্টস ২চেক প্রজাতন্ত্র-ডেনমার্করাত ১২-৪৫ মি., সনি স্পোর্টস ৩সুইডেন-পোল্যান্ডরাত ১২-৪৫ মি., সনি স্পোর্টস ৫আন্তমহাদেশীয় প্লে-অফ: ফাইনালকঙ্গো ডিআর-জ্যামাইকারাত ৩টা, ফিফা প্লাসইরাক-বলিভিয়াআগামীকাল সকাল ৯টা, ফিফা প্লাস
আইপিএলে আজ মুখোমুখি রাজস্থান ও চেন্নাই। ফুটবলে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচের ভিড়ে চোখ রাখতে পারেন জার্মানি-ঘানা ম্যাচে।আন্তর্জাতিক প্রীতি ফুটবলকেপভার্দে-ফিনল্যান্ডসকাল ৯টা, ফিফা প্লাসনিউজিল্যান্ড-চিলিদুপুর ১২-১৫ মি., ফিফা প্লাসবুলগেরিয়া-ইন্দোনেশিয়াসন্ধ্যা ৭টা, ফিফা প্লাসউজবেকিস্তান-ভেনেজুয়েলারাত ৮টা, ফিফা প্লাসআজারবাইজান-সিয়েরা লিওনরাত ৯টা, সনি স্পোর্টস ২জার্মানি-ঘানারাত ১২-৪৫ মি., সনি স্পোর্টস ২আইপিএলরাজস্থান-চেন্নাইরাত ৮টা, স্টার স্পোর্টস ১, ২
পাকিস্তানে পিএসএল আর ভারতে আইপিএলের ম্যাচ আছে আজ। রাতে আছে ফ্রান্সের ম্যাচ, সকালে খেলবে পর্তুগালও।পিএসএলহায়দরাবাদ-কোয়েটাবিকেল ৩-৩০ মি., টি স্পোর্টস, পিটিভি স্পোর্টসলাহোর-করাচিরাত ৮টা, টি স্পোর্টস, পিটিভি স্পোর্টসআইপিএলমুম্বাই-কলকাতা রাত ৮টা, স্টার স্পোর্টস ১, ২আন্তর্জাতিক প্রীতি ফুটবলমেক্সিকো-পর্তুগালসকাল ৭টা, সনি লিভ ও সনি ২, ৫লিথুয়ানিয়া-জর্জিয়াসন্ধ্যা ৭টা, সনি লিভ ও সনি ২, ৫আর্মেনিয়া–বেলারুশসন্ধ্যা ৭টা, সনি লিভ ও সনি ২, ৫ কলম্বিয়া–ফ্রান্সসন্ধ্যা ৭টা, সনি লিভ ও সনি ২, ৫
👻 Bhoot.Com – রহস্য, ভয় আর অজানা জগতের এক অসাধারণ যাত্রাবর্তমান সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় ভৌতিক ওয়েব সিরিজগুলোর মধ্যে **Bhoot.com** একটি বিশেষ স্থান দখল করে নিয়েছে। যারা রহস্য, থ্রিলার এবং ভূতের গল্প পছন্দ করেন, তাদের জন্য এটি একেবারে পারফেক্ট একটি বিনোদনের মাধ্যম।🔍 Bhoot.Com কী?**Bhoot.Com** হলো একটি বাংলা হরর-ভিত্তিক ওয়েব সিরিজ বা গল্পের সংগ্রহ, যেখানে প্রতিটি পর্বে নতুন নতুন ভৌতিক ঘটনা, অদ্ভুত রহস্য এবং অতিপ্রাকৃত অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়। এই সিরিজটি মূলত এমন কিছু ঘটনার উপর ভিত্তি করে তৈরি, যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সাথে সম্পর্কিত হলেও এর মধ্যে লুকিয়ে থাকে অজানা ও ভয়ঙ্কর দিক।🎬 গল্পের বৈশিষ্ট্যBhoot.Com-এর প্রতিটি এপিসোডে আপনি পাবেন—* 👁️🗨️ রহস্যময় ঘটনা* 🕯️ অতিপ্রাকৃত শক্তির উপস্থিতি* 🧠 মনস্তাত্ত্বিক টানটান উত্তেজনা* 💀 হঠাৎ চমকে দেওয়ার মতো দৃশ্যএই সিরিজের গল্পগুলো এমনভাবে সাজানো হয়, যা দর্শককে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ধরে রাখে।😱 কেন Bhoot.Com এত জনপ্রিয়?Bhoot.Com জনপ্রিয় হওয়ার পেছনে কয়েকটি কারণ রয়েছে—* বাস্তবতার সাথে মিল রেখে গল্প তৈরি* সহজ ভাষায় উপস্থাপন* কম সময়ের মধ্যে সম্পূর্ণ গল্প* ভয় এবং থ্রিলের নিখুঁত মিশ্রণবিশেষ করে রাতের নিরিবিলি পরিবেশে এই সিরিজ দেখলে এর আসল মজা পাওয়া যায়।🎯 উপসংহারসব মিলিয়ে, **Bhoot.com** শুধু একটি ভৌতিক সিরিজ নয়, বরং এটি একটি রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা। যারা অজানা জগতের গল্প শুনতে বা দেখতে ভালোবাসেন, তাদের জন্য এটি অবশ্যই দেখার মতো একটি সিরিজ। Download Now
“Bhoot.com” হলো একটি জনপ্রিয় বাংলা হরর/ভৌতিক অডিও পডকাস্ট সিরিজ, যেখানে বিভিন্ন ভৌতিক ঘটনা, ভূতের অভিজ্ঞতা, কালো জাদু বা অদ্ভুত ঘটনার গল্পগুলোকে অডিও আকারে উপস্থাপন করা হয়। সিরিজটি মূলত RJ Russell এর ভয়ানক গল্প‑সংগ্রহ ও শ্রোতা পাঠানো অভিজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে তৈরি।Episode 311 এর বিস্তারিত (সারসংক্ষেপ)বিষয় বা গল্পের সংক্ষিপ্ত তথ্য:স্পেসিফিকলি এপিসোড 311‑এর গল্প শিরোনাম বা কাহিনীর বিষয়টি ওয়েবসাইটে আলাদা করে লেখা নেই, তাই আমরা শুধু জানি এটি সেই সিরিজের ধারাবাহিক এপিসোড যেখানে একটি হরর/ভৌতিক গল্প শোনানো হয় RJ Russell এর মাধ্যমে। সাধারণত এই সিরিজে মানুষের অভিজ্ঞতা, অদ্ভুত ঘটনা বা ভূতের গল্প থাকে।Download Link
"আস-সালামু আলাইকুম" আশা করি সকলেই ভালো আছেন।আজ আমরা আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি একটি সুন্দর ও কার্যকরী টাইম, ডেট এবং নামাজের সময়ের সিস্টেম, যা আপনার ওয়েবসাইটকে করবে আরও আকর্ষণীয় ও ব্যবহারবান্ধব।লাইভ টাইম ও ডেট – সবসময় আপডেট...এই সিস্টেমের মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটে রিয়েল-টাইমে বর্তমান সময় ও তারিখ দেখা যাবে। ব্যবহারকারীরা সহজেই জানতে পারবে বর্তমান সময় এবং দিন, যা তাদের দৈনন্দিন কাজের জন্য খুবই সহায়ক।বিশেষ সুবিধা...বাংলা ফরম্যাটে তারিখ ও সময়স্বয়ংক্রিয় আপডেটসুন্দর ডিজাইননামাজের সময় – প্রতিদিনের ইবাদতে সহায়ক...একজন মুসলিম হিসেবে নামাজের সময় জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ফিচারের মাধ্যমে প্রতিদিনের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময় সহজেই দেখা যাবে।এতে থাকছে....ফজর, যোহর, আসর, মাগরিব ও এশার সময়সহজ ও পরিষ্কার প্রদর্শনআপনি মাউস টাইমের উপরে রাখলে নামাজের সময় দেখাবে আবার মাউস সরালে আবার নরমাল সময় চলে আসবে।আকর্ষণীয় ডিজাইন...শুধু তথ্য নয়, এই সিস্টেমটি দেখতে খুবই সুন্দর। ক্লিন UI, আধুনিক ফন্ট এবং স্মার্ট লেআউট আপনার ওয়েবসাইটকে আরও প্রফেশনাল করে তুলবে।কেন এটি ব্যবহার করবেন?✔ আপনার ওয়েবসাইটকে আরও ইনফরমেটিভ করে✔ ভিজিটরদের জন্য উপকারী ফিচার✔ ইসলামিক দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ✔ সম্পূর্ণ ফ্রি এবং সহজে ব্যবহারযোগ্য..চলেন এইটা কিবাবে আপনার সাইটে বসাবেন।যদি তোমার Php সাইট থাকে...ধাপ ১: CPanel-এ লগইন করুনআপনার হোস্টিং প্রোভাইডারের CPanel-এ লগইন করুন।Dashboard-এ যান।ধাপ ২: File Manager এ যানFile Manager অপশন ক্লিক করুন।আপনার ওয়েবসাইটের public_html ফোল্ডারে প্রবেশ করুন।যদি এটি একটি সাবডোমেইন বা সাবফোল্ডারে থাকে, সেখানেও যেতে হবে।ধাপ 3: Header.php ফাইলে যাও তার পর কোড বসানোর স্থান খুঁজো। পরে যেখানে তুমি সময় দেখাতে চাও সেখানে কোড বসাও এবং Save দাও।আর যদি তোমার ওয়ার্ডপ্রেস থাক...ধাপ ১: Appearance → Theme Editor → header.phpheader.php ফাইল ওপেন করো।এখন যেখানে তুমি সময় দেখাতে চাও সেখানে কোড Paste করে Save করে দাও।Demo......Download Link....কোড ১ Download Link
অস্ট্রেলিয়ানদের জন্য একই সময়ে দুটি বড় সূচি—ইংল্যান্ডে ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট দ্য হানড্রেড, আর অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ। দ্য হানড্রেডে খেললে এক মাসেই প্রায় ৫ লাখ পাউন্ড আয়ের সুযোগ, বিপরীতে দেশের হয়ে টেস্ট খেলার সুযোগ।টাকা বনাম টেস্ট, আর ফ্র্যাঞ্চাইজি বনাম দেশের প্রতিনিধিত্ব—এই দ্বিধার মধ্যে পড়তে হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট ক্রিকেটারদের। অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট অধিনায়ক প্যাট কামিন্স বলেছেন, তাঁর দলের ক্রিকেটাররা টাকার লোভ ছেড়ে বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজই বেছে নিয়েছেন। তবে ক্লাব বনাম দেশ বিতর্কে ভবিষ্যতে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট প্রাধান্য পেতে পারে বলে সতর্কও করে দিয়েছেন তিনি।পিঠের চোট সেরে ওঠার প্রক্রিয়ায় থাকা কামিন্স এখন আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে মাঠে নামার অপেক্ষায় আছেন। মে মাসে আইপিএল শেষ করে জুন–জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ ক্রিকেটে সানফ্রান্সিসকো ইউনিকর্নসের হয়েও খেলার কথা।অস্ট্রেলিয়া জাতীয় দলে কামিন্সের পরের ব্যস্ততা আগস্টের বাংলাদেশ সিরিজ ঘিরে। আন্তর্জাতিক ও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের এই ব্যস্ততার ভারসাম্যের বিষয়ে তাঁকে বিজনেস অব স্পোর্ট পডকাস্টে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল।জবাবে ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগগুলোর আর্থিক আকর্ষণ বাড়ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডে টেস্ট ক্রিকেট খুব ভালো সমর্থন পায়, টেস্টে গ্রীষ্মে প্রচুর দর্শক হয় এবং অনেক মনোযোগ থাকে। কিন্তু অন্য সব আন্তর্জাতিক দলের ক্ষেত্রে বিষয়টি এক নয়। প্রতিটি দেশের চ্যালেঞ্জ কিছুটা ভিন্ন। অস্ট্রেলিয়ায় আমরা যখন টেস্ট বা ওয়ানডে দল নির্বাচন করি, তখন দেখি যে কীভাবে সেরা খেলোয়াড়দের দলে পাওয়া যায়, কারণ অন্য জায়গায়ও তাদের প্রচুর চাহিদা রয়েছে।’উদাহরণ হিসেবে কামিন্স বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ ও দ্য হানড্রেডের সূচির সংঘাতের প্রসঙ্গ টানেন।অস্ট্রেলিয়া দলের বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের ব্যস্ততা শুরু হবে আগস্টের প্রথম সপ্তাহে। তার আগে ২১ জুলাই ইংল্যান্ডে শুরু হবে এক শ বল ক্রিকেটের টুর্নামেন্ট দ্য হানড্রেড। বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলার জন্য টেস্ট দলের ক্রিকেটাররা হানড্রেডের নিলামে নাম দেননি বলে জানান অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক, ‘উদাহরণস্বরূপ, এই মৌসুমের দ্য হানড্রেডের সময় বাংলাদেশের বিপক্ষে আমাদের দুটি টেস্ট ম্যাচ আছে। আমাদের যারা ওই টেস্ট সিরিজে খেলবে, তারা সবাই দ্য হানড্রেডের নিলাম থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়েছে। কিন্তু এটি চিরকাল এমন থাকবে না।’দ্য হানড্রেডে না খেলায় বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় আট কোটি টাকা আর্থিক ক্ষতির বিষয়টি তুলে ধরে কামিন্স বলেন, ক্লাব বনাম দেশ দ্বন্দ্বের বিষয়টি এখন ‘টেনশনের’ পর্যায়ে আছে, ‘আমাদের কিছু খেলোয়াড় ২০ দিনের কাজের বিনিময়ে পাঁচ লাখ পাউন্ড আয়ের সুযোগ ফিরিয়ে দিচ্ছে স্রেফ বাংলাদেশের বিপক্ষে ওই দুটি টেস্ট ম্যাচ খেলার জন্য। তাই আমি মনে করি এটি (ক্লাব বনাম দেশ দ্বন্দ্ব) একটি দুশ্চিন্তার জায়গা।’তবে এই মুহূর্তে দেশের খেলাকে প্রাধান্য দিলেও আর্থিক কারণে বিষয়টি ভবিষ্যতে অন্য রকমও হতে পারে বলে মনে করেন কামিন্স, ‘আমাদের ছেলেরা অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলার জন্য এতটাই উদ্গ্রীব যে তারা সানন্দে সেটি ছেড়ে দিচ্ছে, তবে এমনটা সব সময় চলবে, এটা ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই।’
আর্জেন্টাইন অধিনায়ক লিওনেল মেসির প্রতি অনন্য সম্মান প্রদর্শন করতে যাচ্ছে তাঁর ক্লাব ইন্টার মায়ামি। ক্লাবের নতুন ‘নু স্টেডিয়াম’–এর একটি গ্যালারির নামকরণ করা হচ্ছে এই তারকার নামে। এখন থেকে স্টেডিয়ামটির একটি গ্যালারি ‘লিও মেসি স্ট্যান্ড’ হিসেবে পরিচিতি পাবে।সাধারণত অবসরের পর বা অতীতে অবদানের কথা মাথায় রেখে কোনো খেলোয়াড়ের নামে গ্যালারি বা স্ট্যান্ডের নামকরণ করা হয়। তবে ৩৮ বছর বয়সী ইন্টার মায়ামি অধিনায়ক মেসির ক্ষেত্রে সেই প্রথা ভেঙেছে ক্লাবটি।এক বিবৃতিতে ক্লাবটি জানিয়েছে, ‘ঐতিহ্যগতভাবে সম্মাননা দেওয়া হয় অতীতের অবদানকে মাথায় রেখে। এগুলো তৈরি হয় নস্টালজিয়া থেকে। স্মৃতি থেকে। কিন্তু এই সিদ্ধান্তটি বর্তমানের কথা ভেবে নেওয়া হয়েছে। এ মুহূর্তে যা ঘটছে, তা থেকে নেওয়া হচ্ছে। প্রতিবার লিও যখন মাঠে নামে, আমরা যা অনুভব করি, এটি তারই বহিঃপ্রকাশ।’বিবৃতিতে আরও লেখা হয়েছে, ‘কাউকে স্বীকৃতি দেওয়ার অর্থ সব সময় কোনো অধ্যায়ের সমাপ্তি টানা নয়। কখনো কখনো এটি হলো আপনি যে অনন্য কিছুর সাক্ষী হচ্ছেন, সেটি উপলব্ধি করা।’এর মাধ্যমে বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে এক বিরল ঘটনার সাক্ষী হতে যাচ্ছেন মেসি। নিজের নামাঙ্কিত গ্যালারির সামনেই নিয়মিত ম্যাচ খেলবেন এই কিংবদন্তি। স্টেডিয়ামের লোয়ার বোলের ১১৭-১২১ নম্বর সেকশন এবং আপার বোলের ২১৭-২৩৩ নম্বর সেকশন নিয়ে গঠিত হবে এই ‘লিও মেসি স্ট্যান্ড’।আগামী ৪ এপ্রিল মেজর লিগ সকারে অস্টিন এফসির বিপক্ষে ম্যাচের মাধ্যমে নতুন এই স্টেডিয়ামের উদ্বোধন করবে ইন্টার মায়ামি। উদ্বোধনী ম্যাচে যাঁরা ‘লিও মেসি স্ট্যান্ড’–এ বসে খেলা দেখবেন, তাঁদের জন্য বিশেষ কিছু চমক এবং রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ।২০২৩ সালের গ্রীষ্মে যোগ দেওয়ার পর থেকে ইন্টার মায়ামিকে বদলে দিয়েছেন মেসি। তাঁর নেতৃত্বে ক্লাবটি এ পর্যন্ত লিগস কাপ (২০২৩), সাপোর্টার্স শিল্ড (২০২৪) এবং এমএলএস কাপ (২০২৫) জিতেছে। পাশাপাশি এক মৌসুমে এমএলএসে সর্বোচ্চ পয়েন্ট পাওয়ার রেকর্ডও গড়েছে তাঁর দল।নিওয়েল’স ওল্ড বয়েজে মেসির নামে স্ট্যান্ড।নিওয়েল’স ওল্ড বয়েজে মেসির নামে স্ট্যান্ড।এক্স/নিওয়েল’স ওল্ড বয়েজএখন পর্যন্ত মায়ামির হয়ে ৯৪ ম্যাচ খেলে ৮২ গোল করেছেন মেসি। গোলে সহায়তা করেছেন ৫৩টি। ২০২৪ ও ২০২৫ সালে টানা দুবার এমএলএসে সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন।মেসির জন্য যদিও এই সম্মান নতুন নয়। এর আগে গত বছরের জুনে তাঁর শৈশবের ক্লাব নিওয়েল’স ওল্ড বয়েজও তাদের স্টেডিয়ামের একটি স্ট্যান্ডের নামকরণ করেছিল মেসির নামে।
সাফ অ-২০ ফুটবলে ভারতের মুখোমুখি বাংলাদেশ। পিএসএলে আজ দুটি ম্যাচ। আইপিএল শুরু হচ্ছে আজ।সাফ অ-২০ ফুটবলবাংলাদেশ-ভারতবিকেল ৪-৪৫ মি., ইউটিউব@sportzworkzপিএসএলপেশোয়ার-রাওয়ালপিন্ডিবেলা ৩-৩০ মি., টি স্পোর্টসইসলামাবাদ-মুলতানরাত ৮টা, টি স্পোর্টসআইপিএলবেঙ্গালুরু-হায়দরাবাদরাত ৮টা, স্টার স্পোর্টস ১, ২আন্তর্জাতিক প্রীতি ফুটবলস্কটল্যান্ড-জাপানরাত ১১টা, সনি স্পোর্টস ১হাঙ্গেরি-স্লোভেনিয়ারাত ১১টা, সনি স্পোর্টস ২যুক্তরাষ্ট্র-বেলজিয়ামরাত ১-৩০ মি., সনি স্পোর্টস ২মেক্সিকো-পর্তুগালআগামীকাল সকাল ৭টা, সনি স্পোর্টস ১
মূল তথ্য: চক্র সিজন ২স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম: iScreen (আইস্ক্রিন)পরিচালক: ভিকি জাহেদমুক্তির তারিখ: ২৬ মার্চ, ২০২৬ধরণ: সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার / মিস্ট্রি / প্যারানরমালমুখ্য অভিনয়শিল্পী: তৌসিফ মাহবুব এবং তাসনিয়া ফারিণ।গল্প ও প্রেক্ষাপটপ্রথম সিজনের পর থেকেই দর্শকদের মনে অনেক অমীমাংসিত প্রশ্ন ছিল। সিজন ২-এ মূলত সেই প্রশ্নগুলোর উত্তর খোঁজা হবে।আসল ঘটনার অনুপ্রেরণা: সিজন ১-এর মতো সিজন ২-এর গল্পও ঢাকার একটি সত্য ও রহস্যময় ঘটনা (আদম পরিবারের ঘটনা) থেকে অনুপ্রাণিত বলে জানা গেছে।কাহিনি সংক্ষেপ: সিজন ২-এ হোমায়রা (তাসনিয়া ফারিণ) এবং তার সাথে ঘটে যাওয়া অস্বাভাবিক ঘটনাগুলোর গভীর রহস্য উন্মোচিত হবে। এতে দেখানো হবে কীভাবে একটি পরিবার ক্রমাগত অন্ধকার ও অতিপ্রাকৃত বিষয়ের দিকে ধাবিত হয় এবং এর পেছনে আসলে কোনো মানুষের হাত নাকি অলৌকিক কিছু কাজ করছে।কেন এটি নিয়ে এত আলোচনা?ভিকি জাহেদের পরিচালনা: তার সিগনেচার 'টুইস্ট' এবং ডার্ক আবহ এই সিরিজের মূল আকর্ষণ।শ্যুটিং সেটের রহস্য: শিল্পী ও কলাকুশলীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, শ্যুটিং চলাকালীন সেটে অনেক অদ্ভুত ও অস্বাভাবিক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হয়েছে তাদের, যা দর্শকদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ তৈরি করেছে।পারফরম্যান্স: তৌসিফ এবং ফারিণের রসায়ন এবং তাদের চরিত্রের মনস্তাত্ত্বিক রূপান্তর সিরিজটিকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।দ্রষ্টব্য: আপনি যদি সিজন ১ দেখে না থাকেন, তবে সিজন ২ শুরু করার আগে আইস্ক্রিনে গিয়ে প্রথম সিজনটি দেখে নেওয়া জরুরি, কারণ গল্পের প্রতিটি ধাপ একে অপরের সাথে নিবিড়ভাবে জড়িত।Download Link.......Download 480p QualityDownload 720p QualityDownload 1080p Quality
পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল)–এর ১১তম আসরের উদ্বোধনী ম্যাচে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্স ছিল মিশ্র। ব্যাট হাতে খুব একটা উজ্জ্বল হতে পারেননি পারভেজ হোসেন ইমন, তবে বল হাতে কার্যকর ছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান।লাহোর কালান্দার্সের হয়ে অভিষেক ম্যাচে নেমে পারভেজ হোসেন ইমন ১৩ বলে ১৪ রান করেন। ইনিংসে একটি ছক্কা হাঁকালেও বড় কিছু করতে পারেননি এই বাঁহাতি ব্যাটার।রাইলি মেরেডিথের বলে ক্যাচ তুলে আউট হয়ে থামতে হয় তাকে।অন্যদিকে, একই ম্যাচে বল হাতে ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন মুস্তাফিজুর রহমান। ৪ ওভারে মাত্র ১৯ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন এই বাঁহাতি পেসার। তার স্লোয়ার ডেলিভারিতে আউট হন ইরফান খান।ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে লাহোর কালান্দার্স তোলে ৬ উইকেটে ১৯৯ রান। ফখর জামান ৩৯ বলে ৫৩ রান এবং হাসিবউল্লাহ খান অপরাজিত ৪০ রানের ইনিংস খেলে দলের বড় সংগ্রহ গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।জবাবে ব্যাট করতে নেমে হায়দরাবাদ কিংসমেন শুরুটা ভালো করলেও পরে ধারাবাহিক উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায়। শেষ পর্যন্ত ১৩০ রানে অলআউট হয়ে ৬৯ রানের বড় ব্যবধানে হারে দলটি।