BDBOYS...
BDBOYS...
সবচেয়ে সাম্প্রতিক খবর ও পোস্টসমূহ
স্বামী: জজ সাহেব, আমি আমার স্ত্রীর কাছে ডিভোর্স চাই, সে থালা-বাসন ছুড়ে মারে।জজ: সবে বাসন ছুড়ে মারতে শুরু করেছেন নাকি আগেও মারতেন।স্বামী: আগে থেকেই।বিচারক: তাহলে এত বছর পর ডিভোর্স কেন?স্বামী: কারণ এখন তার নিশানা একদম ঠিক জায়গায় লাগছে।
জলিল: ডাক্তার সাহেব, আমার সব কিছু ভুলে যাওয়ার রোগ হয়েছে।ডাক্তার: কবে থেকে এই সমস্যা হচ্ছে?জলিল: কোন সমস্যা?
প্রেমিকা: তুমি কি আমাকে ভালোবাস?প্রেমিক: একশ বার!প্রেমিকা: কিন্তু আমাকে তো পরোয়াই কর না তুমি!প্রেমিক: যে সত্যিকারের প্রেমে পড়ে সে কারো পরোয়া করে না।
এক কৃপণ ছেলের সঙ্গে এক কৃপণমেয়ের প্রেম হয়ে গেলো। অতঃপর-প্রেমিকা: যখন বাবা ঘুমিয়ে যাবেআমি রাস্তাতে একটা টাকার কয়েন ফেলব তুমি শব্দ শুনে ভেতরে চলে এসো।কিন্তু ছেলে কয়েন ফেলার এক ঘণ্টা পর আসলো এত দেরি করার কারণে প্রেমিকা তো রেগে আগুন। তারপর জিজ্ঞাসা করলো- দেরি করলে কেন?প্রেমিক: আরে আমি কয়েন টা খুঁজতেছিলামপ্রেমিকা: আরে পাগল আমি তো ওইটা সুতায় বেঁধে ফেলছিলাম, যাতে আবার উঠিয়ে নিতে পারি।
স্বামী: আজ আমি তোমার কাছে কিছুই গোপন রাখবো না। কী জানতে চাও বলো?স্ত্রী: আমিও। আচ্ছা, আমাদের বিয়ের আগে তোমার কি কোনো মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল?স্বামী: না! তবে মাঝে মাঝে নাইট ক্লাবে যেতাম আর কি!স্ত্রী: তাই তো বলি তোমাকে এতো চেনা চেনা লাগছে কেন!
গৃহশিক্ষক: আমার সঙ্গে সঙ্গে বল, লেখাপড়া করে যে গাড়ি-ঘোড়া চড়ে সে।ছাত্র: স্যার, এই কথাটা ঠিক না।শিক্ষক: কেন?ছাত্র: কারণ, আপনি তো অনেক লেখাপড়া করেছেন! তাহলে আপনি রোজ পায়ে হেঁটে আমাকে পড়াতে আসেন কেন?
ছেলে: বাবা, আমাকে আরেক গ্লাস পানি দাও।বাবা: তোমার এত পানি লাগে কেন? তোমাকে এরই মধ্যে ১০ গ্লাস পানি দিয়েছি।ছেলে: কিন্তু বাবা, বিছানায় যে আগুন ধরিয়েছি, সেটা তো নিভছে না!
বউ: আমি তোমার নীল শার্ট ইস্ত্রি করছিলাম, তখন শার্টটা এক জায়গায় একটু পুড়ে গেছে।স্বামী: কোনো সমস্যা নেই, আমার এরকম আরেকটি নীল শার্ট আছে।বউ: আমি জানতাম, তাই ওই শার্টের কাপড় কেটে এই পোড়া শার্টে যোগ করেছি!
তরুণ কবি: কিছু দুর্দান্ত কবিতা লিখে এনেছি। একটা বই যদি প্রকাশ করতেন।প্রকাশক: বিয়ে করেছেন?কবি: না।প্রকাশক: বিয়ে করে তার পরে আসবেন।কবি: কেন?প্রকাশক: আপনার বইয়ের অন্তত একজন পাঠক তো চাই।
সেলুনে চুল কাটাতে গেছেন এক নেতা। নাপিত কাঁচি চালাতে চালাতে বলছেন, ‘স্যার, শুনলাম জনগণ নাকি আপনার ওপর খুব খ্যাপা। যে কোনো দিন আপনার বাড়িতে হামলা চালাবে! আপনি নাকি ঘুষের টাকা দিয়ে সম্পদের পাহাড় বানাইছেন…।’নেতা ধমক দিকে বললেন, ‘এই ব্যাটা, চুপ থাক।’পরদিন নাপিতের কাছে চুল কাটাতে এলেন এক সরকারি কর্মকর্তা। নাপিত তার চুল কাটতে কাটতে বললেন, ‘স্যার, দুদক নাকি আপনারে খুঁজতেছে! যে কোনো দিন ক্যাক কইরা ধইরা জেলে ঢুকায় দিব! আপনি নাকি দুর্নীতি করেন!’সরকারি কর্মকর্তাও নাপিতকে ধমক দিয়ে চুপ করালেন।
ট্যাক্সি ঠিক করছেন এক ভদ্রমহিলা।ভদ্রমহিলা: এই ট্যাক্সি, যাবে?ট্যাক্সি ড্রাইভার: কোথায়?ভদ্রমহিলা: মার্কেটে। তুমি বাইরে অপেক্ষা করবে। কেনাকাটা শেষ হলে তোমাকে নিয়েই ফিরে আসব। চিন্তা করো না, তোমাকে টাকা বাড়িয়ে দেব।ট্যাক্সি ড্রাইভার: আপনার সঙ্গে কি আপনার স্বামীও যাবেন?ভদ্রমহিলা: হ্যাঁ। কিন্তু কেন?ট্যাক্সি ড্রাইভার: তাহলে ভাড়া বেশি দিতে হবে।ভদ্রমহিলা: কেন?ট্যাক্সি ড্রাইভার: কারণ তাহলে আমাকে যাওয়ার সময় ব্যাংকের সামনে এবং ফেরার সময় হাসপাতালের সামনেও অপেক্ষা করতে হবে!
প্রেমিক-প্রেমিকা পার্কে বসে গল্প করছে। এমন সময় প্রেমিকার কয়েকজন বান্ধবী হাজির। এসেই প্রশ্ন করতে লাগলো—বান্ধবী: এটা কে রে?প্রেমিকা: আমার ভাই।বান্ধবী: কেমন ভাই? চাচাতো, মামাতো, খালাতো না ফুফাতো?প্রেমিকা: না, এসব কিছুই না।বান্ধবী: তাহলে কী ভাই, বলবি তো?প্রেমিকা: ও আমার ভালোবাসাতো ভাই!
প্রেমিক-প্রেমিকা পার্কে বসে গল্প করছে। এমন সময় প্রেমিকার কয়েকজন বান্ধবী হাজির। এসেই প্রশ্ন করতে লাগলো—বান্ধবী: এটা কে রে?প্রেমিকা: আমার ভাই।বান্ধবী: কেমন ভাই? চাচাতো, মামাতো, খালাতো না ফুফাতো?প্রেমিকা: না, এসব কিছুই না।বান্ধবী: তাহলে কী ভাই, বলবি তো?প্রেমিকা: ও আমার ভালোবাসাতো ভাই!
এক সকালে জলিল সাহেব তার স্ত্রীকে বলছেন—জলিল সাহেব: আজকে ছুটির দিন। সপ্তাহের এই দিনটা আমি একটু শান্তিতে কাটাতে চাই। তাই তিনটা সিনেমার টিকিট কেটে আনলাম।খুশিতে গদগদ হয়ে বললেন জলিলের স্ত্রী বললেন—স্ত্রী: সে তো ভালো কথা। কিন্তু টিকিট তিনটা কেন গো? তুমি-আমি আর কে যাবে?জলিল সাহেব: তুমি-আমি না। তুমি আর বাচ্চারা যাবে। আমি বাসায় থাকব। ঘরে শান্তি বজায় থাকবে। তাতে সংসারও সুখের হবে।
বউ: আমি তোমার নীল শার্ট ইস্ত্রি করছিলাম, তখন শার্টটা এক জায়গায় একটু পুড়ে গেছে।স্বামী: কোনো সমস্যা নেই, আমার এরকম আরেকটি নীল শার্ট আছে।বউ: আমি জানতাম, তাই ওই শার্টের কাপড় কেটে এই পোড়া শার্টে যোগ করেছি!