সাজগোজ টিপস
আরও দেখুন →এই সাব-ক্যাটাগরিতে কোনো পোস্ট নেই।
টুকিটাকি টিপস
আরও দেখুন →এই সাব-ক্যাটাগরিতে কোনো পোস্ট নেই।
রেসিপি টিপস
আরও দেখুন →গরম গরম পোলাওয়ের সাথে যদি থাকে শাহী মুরগির কোরমা, তবে ভোজটা জমে যায় দারুণ। ঈদে অতিথি আপ্যায়ন হোক বা ঘরোয়া উৎসব—খুব সহজেই ঘরে তৈরি করতে পারেন রেস্টুরেন্ট স্বাদের এই রাজকীয় পদ। চলুন, জেনে নিই রেসিপিটি।প্রয়োজনীয় উপকরণমুরগির মাংস (দেড় কেজি), ঘন দুধ (দেড় কাপ), ঘি (২ টেবিল চামচ)।বাটা মসলা: আদা বাটা (১ চা চামচ), রসুন বাটা (আধা চা চামচ), পেঁয়াজ বাটা (১ টেবিল চামচ)।শাহী স্বাদ আনতে: পেঁয়াজ বেরেস্তা বাটা (১ চা চামচ), পোস্তদানা বাটা (১ চা চামচ), বাদাম বাটা (১ চা চামচ), কিশমিশ বাটা (আধা চা চামচ)।আস্ত গরম মসলা: তেজপাতা (২টি), এলাচ (৪-৫টি), দারুচিনি (২ টুকরা)।অন্যান্য: চিনি (আধা চা চামচ), লবণ (স্বাদমতো) ও সাজানোর জন্য পেঁয়াজ বেরেস্তা।প্রস্তুত প্রণালী........১। চুলায় কড়াই বসিয়ে ঘি গরম করুন। ঘি গরম হলে এতে তেজপাতা, এলাচ ও দারুচিনি দিন। এরপর একে একে সব বাটা মসলা ও লবণ দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিন।২। মসলা কষানো হয়ে গেলে মুরগির মাংস দিয়ে দিন। মাংসের সাথে মসলাগুলো ভালোভাবে মিশিয়ে কিছুক্ষণ নেড়েচেড়ে কষাতে থাকুন।৩। মাংস কষানো হলে এতে দেড় কাপ দুধ দিয়ে দিন।এরপর কড়াই ঢেকে দিন। মাংস সেদ্ধ হওয়ার জন্য চুলার আঁচ মাঝারি থেকে কমিয়ে রাখুন। (প্রয়োজন মনে করলে সামান্য জল দিতে পারেন)।৪। মাংস পুরোপুরি সেদ্ধ হয়ে ঝোল মাখা-মাখা হয়ে এলে ওপর থেকে চিনি ও পেঁয়াজ বেরেস্তা ছড়িয়ে দিন। কিছুক্ষণ দমে রেখে নামিয়ে নিন।তৈরি হয়ে গেল জিভে জল আনা শাহী মুরগির কোরমা।
স্বাস্থ্যকথা
আরও দেখুন →এই সাব-ক্যাটাগরিতে কোনো পোস্ট নেই।
লাইফ স্টাইল
আরও দেখুন →এই সাব-ক্যাটাগরিতে কোনো পোস্ট নেই।
রূপচর্চা টিপস
আরও দেখুন →১. সানস্ক্রিনসূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ত্বকে ট্যান, দাগ ও আগাম বার্ধক্য তৈরি করতে পারে। তাই বাইরে বের হওয়ার আগে অন্তত এসপিএফ-৪০ যুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করা জরুরি। ভালো সানস্ক্রিন একবার ব্যবহার করলে ৬ ঘণ্টা সুরক্ষিত থাকা যায়।২. শরীর ও ত্বক হাইড্রেটেড রাখুনগরমে শরীর দ্রুত পানি হারায়। তাই দিনে পর্যাপ্ত পানি খাওয়া এবং ত্বকে হালকা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা দরকার। আপনি যদি এসি ঘরে কাজ করেন, তাহলে ২–৩ ঘণ্টা পরপর ত্বকে ময়েশ্চারাইজার লাগান। এতে ত্বক শুষ্ক ও নিস্তেজ হয়ে পড়া থেকে রক্ষা পায়।৩. হালকা ও মৃদু ক্লিনজারঘাম, ধুলা ও সানস্ক্রিন ত্বকের রোমছিদ্র বন্ধ করে দিতে পারে। তাই দিনে অন্তত দুইবার মাইল্ড ক্লিনজার দিয়ে মুখ পরিষ্কার করা ভালো। বাইরে থেকে এসে আর রাতে ঘুমানোর আগে ক্লিনজার দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।৪. ত্বককে ‘শান্ত’ রাখুনগরমে ত্বকে জ্বালাপোড়া বা লালচে ভাব হতে পারে। এ জন্য অ্যালোভেরা, শসা বা ঠান্ডা উপাদানযুক্ত স্কিনকেয়ার পণ্য ব্যবহার করলে ত্বক আরাম পায়। শিট মাস্ক বা ফেস মিস্ট ফ্রিজে রেখে ব্যবহার করলে তা ত্বকে ঠান্ডা ও আরামদায়ক অনুভূতি দেয়। বিশেষ করে রোদে থাকা ত্বকের জন্য এটি বেশ উপকারী।৫. অ্যান্টি–অক্সিডেন্টসকালে ত্বকে ভিটামিন ‘সি’ সিরাম ব্যবহার করলে পরিবেশের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ত্বক সুরক্ষিত থাকে। রোদে ক্লান্ত বা নিস্তেজ হয়ে পড়া ত্বককে উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে।৬. এক্সফোলিয়েশনঘাম ও আর্দ্রতার কারণে ত্বকে যে মৃত কোষ জমে যায়, তা দূর করার জন্য সপ্তাহে ১-২ বার এক্সফোলিয়েট করা ভালো। এক্সফোলিয়েট করার সবচেয়ে পরিচিত উপায় হলো স্ক্র্যাবিং করে ত্বকের মৃতকোষগুলো তুলে ফেলা।৭. গরমে নয় ভারী মেকআপগরমে ভারী মেকআপ ত্বকের রোমছিদ্র বন্ধ করে ব্রণ বা ত্বকের সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাই হালকা মেকআপ বা মিনিমাল মেকআপ ব্যবহার করা ভালো।৮. ক্যাপ ও সানগ্লাস ব্যবহার করুনবাইরে বের হলে ক্যাপ, হ্যাট, সানগ্লাস ও ছাতা ব্যবহার করলে সূর্যের সরাসরি আলো থেকে ত্বককে বাড়তি সুরক্ষা দেওয়া যায়। খুব দরকার ছাড়া দিনের বেলা ঘরের বাইরে না বের হওয়াই ভালো।আরও যাফল ও সবজি ত্বকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন ও অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট দেয়। এসব ত্বককে ভেতর থেকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি খেলে ত্বক ভেতর থেকে আর্দ্র থাকে।
তকের যত্নে কাঁচা হলুদের ব্যবহার নতুন কিছু নয়। ভারতীয় উপমহাদেশে এই প্রাকৃতিক উপাদানটি যুগ যুগ ধরে রূপচর্চায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। অনেকেই বলেন, এটি ত্বক ফর্সা করে, ব্রণ দূর করে, এমনকি ত্বক কয়েক শেইড উজ্জ্বল করে তোলে। কিন্তু সত্যিই কি কাঁচা হলুদ ত্বক ফর্সা করে? নাকি এটি শুধুই একটা প্রচলিত ধারণা? আজকের আর্টিকেলে আমরা জানবো কাঁচা হলুদের আসল কার্যকারিতা!কাঁচা হলুদে কী আছে?হলুদের প্রধান উপাদান হলো কারকিউমিন (Curcumin), যা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি প্রোপারটিজযুক্ত। এটি ত্বকের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া দূর করতে সাহায্য করে এবং ব্রণ, দাগ-ছোপ কমাতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে।সত্যিই কি কাঁচা হলুদ ত্বক ফর্সা করে?অনেকেই মনে করেন, কাঁচা হলুদ সরাসরি ত্বক ফর্সা করে। বিয়ের আগে হলুদের উপটান মুখ, হাত-পায়ে লাগানোর একটি চল ছিলো এককালে! এখনও অনেকে হলুদের ফেইসপ্যাক ব্যবহার করেন। তবে সত্যটা হলো, হলুদ ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে, কিন্তু এটি ত্বকের মেলানিন লেভেল কমিয়ে ত্বক ফর্সা করে না!হলুদের কার্যকারিতাত্বকের কালচে দাগ হালকা করতে পারেসাময়িকভাবে ত্বক গ্লোয়ি দেখাতে পারেব্রণ বা ফুসকুড়ির সমস্যা কিছুটা কমাতে পারেতবে এটি স্বাভাবিক ত্বকের রঙ স্থায়ীভাবে পরিবর্তন করতে পারে নাকাঁচা হলুদ ব্যবহারের সঠিক উপায়যদি আপনি কাঁচা হলুদ ব্যবহার করতে চান, তাহলে এটি সরাসরি ফেইসে অ্যাপ্লাই এর আগে কিছু নিয়ম মেনে চলা জরুরি।অ্যালোভেরা জেল, দুধ বা টকদইয়ের সাথে মিক্স ব্যবহার করুন – এটি ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করবে।অতিরিক্ত সময় ধরে লাগিয়ে রাখবেন না – বেশি সময় থাকলে ত্বকে হলুদ দাগ বসে যেতে পারে।সপ্তাহে ১/২ বার ব্যবহার করুন – প্রতিদিন ব্যবহার করলে ত্বক শুষ্ক হতে পারে।সংবেদনশীল ত্বকের জন্য আগে প্যাচ টেস্ট করুন – কারণ কিছু মানুষের ত্বকে এটি র্যাশ বা অ্যালার্জির কারণ হতে পারে।সাবধানতাহলুদের প্যাক অ্যাপ্লাই এর পরপরই সরাসরি সূর্যালোক এড়িয়ে চলুন। অনেক সময় কাঁচা হলুদ ব্যবহারের ফলে ত্বক হলুদ বর্ণ ধারণ করতে পারে, যা সহজে উঠতে চায় না। এছাড়া, অতিরিক্ত ব্যবহারে ত্বক শুষ্ক ও সংবেদনশীল হয়ে যেতে পারে। তাই পরিমিত পরিমাণে ব্যবহার করাই ভালো। যদি হলুদ থেকে ফেইসে অ্যালার্জিক রিঅ্যাকশন দেখা দেয়, তাহলে স্কিনকেয়ারে এই উপাদানটি এড়িয়ে চলাই বেটার।তাহলে, বুঝতেই পারলেন কাঁচা হলুদ ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে, কিন্তু এটি ত্বকের প্রকৃত রঙ বদলে ফেলার কোনো ম্যাজিকাল উপাদান নয়। সুস্থ, সুন্দর, উজ্জ্বল ত্বক পেতে সঠিক স্কিনকেয়ার রুটিন অনুসরণ করুন এবং স্বাস্থ্যকর খাবার খান। ব্রাইটেনিং এর জন্য স্কিনকেয়ার রুটিনে ভিটামিন-সি, আলফা আরবুটিন যুক্ত প্রোডাক্ট ইনক্লুড করতে পারেন। ত্বকের যত্নে আপনি কি কাঁচা হলুদ ব্যবহার করেন? আপনার অভিজ্ঞতা আমাদের সঙ্গে কমেন্টে শেয়ার করুন!
তকের কালচে দাগ, ব্রণের দাগ বা রোদের কারণে হওয়া পিগমেন্টেশন দূর করতে দামী স্কিনকেয়ারের পিছনে টাকা খরচ করার আগে জেনে নিন—সঠিক একটি উপাদান ব্যবহার করলেই ত্বকের দাগছোপ হবে অনেকটাই কম! আজ জানাবো এমন কিছু শক্তিশালী উপাদানের কথা, যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে ও দাগ দূর করতে কার্যকর এবং বৈজ্ঞানিকভাবেও কিন্তু এগুলো এখন প্রমাণিত।ত্বকের দাগছোপ কমিয়ে আনবো কীভাবে?স্কিনকেয়ারে অ্যাকটিভ ইনগ্রেডিয়েন্টস ব্যবহার এখন নতুন কিছু নয়! অনেকেই এখন সিরাম বা অ্যাম্পুল ব্যবহার করছেন। কিন্তু ত্বকের প্রয়োজন অনুসারে সঠিক উপাদান বেছে নেওয়া খুবই জরুরি। ত্বকের দাগছোপ দূর করতে কোন কোন উপাদান ম্যাজিকের মতো কাজ করে, চলুন দেখে নেই এখনই।১. ভিটামিন সি (Ascorbic Acid)ভিটামিন সি হলো ত্বকের জন্য অন্যতম শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এটি কোলাজেন উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে, যার ফলে আপনি পাবেন ইয়াংগার লুকিং স্কিন। ভিটামিন সি মেলানিন উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ করে এবং ত্বককে উজ্জ্বল করে তোলে। নিয়মিত ভিটামিন সি সিরাম বা ক্রিম ব্যবহার করলে দাগছোপ দ্রুত হালকা হয়ে যাবে। সকালে সানস্ক্রিন ব্যবহারের আগে ভিটামিন সি সিরাম অ্যাপ্লাই করতে পারেন, এতে ভালো ফলাফল পাবেন।২. গ্লাইকোলিক অ্যাসিড বয়স ২০ এর বেশি হলে সাপ্তাহিক স্কিনকেয়ার রুটিনে গ্লাইকোলিক অ্যাসিড যোগ করতে পারেন। গ্লাইকোলিক অ্যাসিড হল AHA (Alpha Hydroxy Acid), যা ত্বকের মৃত কোষ দূর করে নতুন কোষ গঠনে সাহায্য করে। এটি হাইপার পিগমেন্টেশন আর সানবার্ন কমিয়ে স্কিন ইভেন টোনড করতে হেল্প করে। এই উপাদানটি দাগছোপ হালকা করে এবং সেই সাথে ত্বককে মসৃণ করে। বডির বিভিন্ন এরিয়া যেমন- হাঁটু, আন্ডারআর্ম, কনুই- এগুলো দাগমুক্ত রাখতে এই উপাদানটি ম্যাজিকের মতো কাজ করে।৩. নিয়াসিনামাইডনিয়াসিনামাইড বা ভিটামিন বি৩ ত্বকের দাগছোপ কমাতে খুবই কার্যকর। এটি ত্বকের মেলানিন উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ করে, হাইপারপিগমেন্টেশন কমায় ও ত্বকের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনে। এছাড়া এটি ত্বকের অতিরিক্ত সেবাম সিক্রেশন কমিয়ে আনে, ব্রণ আর ব্রণের দাগ দূর করতেও সাহায্য করে।৪. কোজিক অ্যাসিডকোজিক অ্যাসিড এক ধরনের ন্যাচারাল স্কিন লাইটেনিং ইনগ্রেডিয়েন্ট, যা ত্বকের মেলানিন উৎপাদন কমিয়ে হাইপারপিগমেন্টেশন ও ব্রণের দাগ হালকা করে। এটি অনেক স্কিনকেয়ার প্রোডাক্টে এখন ব্যবহার করা হয়, বিশেষ করে স্পট ট্রিটমেন্ট হিসেবে।৫. আলফা আরবুটিনজেন্টল কিন্তু পাওয়ারফুল ব্রাইটেনিং এজেন্ট হিসেবে এর কদর আছে। যারা সেনসিটিভ স্কিন নিয়ে চিন্তিত, তাদের জন্য আলফা আরবুটিন সবচেয়ে সেইফ। এটি ত্বকের মেলানিন উৎপাদন কমিয়ে দাগছোপ হালকা করে এবং উজ্জ্বলতা বাড়ায়। এটি নিয়াসিনামাইডের সাথে ব্যবহার করা হলে আরও ভালো ফল পাওয়া যায়। ধৈর্য সহকারে টানা কয়েক মাস ব্যবহার করলে নিজেই ত্বকের উজ্জ্বলতা দেখে চমকে যাবেন!তাহলে বুঝতেই পারছেন, স্কিনকেয়ার রুটিনে এই উপাদানগুলোর একটি যোগ করলেই ত্বকের দাগছোপ কমতে শুরু করবে! তবে দ্রুত ফল পেতে হলে নিয়মিত ব্যবহার করতে হবে এবং সানস্ক্রিন ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক, কারণ এসব উপাদান ত্বককে সূর্যরশ্মির প্রতি সংবেদনশীল করে তোলে। তাহলে আজ এই পর্যন্তই!
