BDBOYS.TOP

টেক ওয়ার্ল্ড

আরও দেখুন →
Loading...
যেসব ভুলে হারাতে পারে ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট

বর্তমান সময়ে সোশ্যাল মিডিয়া মানুষের দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। ছবি, ভিডিও বা ব্যক্তিগত মুহূর্ত শেয়ার করার জন্য অনেকেই নিয়মিত ব্যবহার করেন ইনস্টাগ্রাম। তবে অনেক ব্যবহারকারী অজান্তেই এমন কিছু কাজ করেন, যা প্ল্যাটফর্মটির নিয়ম ভঙ্গ করে। এর ফল হিসেবে অ্যাকাউন্টে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা থেকে শুরু করে স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিও তৈরি হয়। তাই কিছু সাধারণ ভুল সম্পর্কে আগে থেকেই সচেতন থাকা জরুরি।ফেক ফলোয়ার ব্যবহার করাঅনেকে দ্রুত জনপ্রিয়তা পাওয়ার আশায় কৃত্রিম ফলোয়ার বাড়ানোর চেষ্টা করেন। বিভিন্ন বট বা অচেনা অনলাইন সার্ভিসের মাধ্যমে ফলোয়ার কিনে নেওয়ার প্রবণতাও দেখা যায়। কিন্তু এই ধরনের কার্যক্রম প্ল্যাটফর্মের নীতিমালার বিরুদ্ধে। সিস্টেমে ধরা পড়লে অ্যাকাউন্টের রিচ কমে যেতে পারে, সাময়িকভাবে সীমাবদ্ধতাও আরোপ হতে পারে। পরিস্থিতি গুরুতর হলে অ্যাকাউন্ট স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যেতে পারে।কপিরাইটযুক্ত কনটেন্ট অনুমতি ছাড়া শেয়ার করাঅন্যের তৈরি ছবি, ভিডিও বা গান নিজের নামে বা অনুমতি ছাড়া পোস্ট করাও বড় ধরনের সমস্যা তৈরি করতে পারে। মূল নির্মাতা অভিযোগ করলে সংশ্লিষ্ট পোস্ট দ্রুত সরিয়ে দেওয়া হয়। একই ধরনের অভিযোগ বারবার হলে অ্যাকাউন্টের ওপর কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।নিষিদ্ধ হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করাসব হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করা নিরাপদ নয়। কিছু হ্যাশট্যাগ অপব্যবহার বা অনুপযুক্ত কনটেন্টের কারণে নিষিদ্ধ তালিকায় পড়ে। সেগুলো ব্যবহার করলে পোস্টের দৃশ্যমানতা কমে যেতে পারে এবং অ্যাকাউন্টও ঝুঁকিতে পড়তে পারে।অশালীন বা ক্ষতিকর কনটেন্ট প্রকাশ করাঘৃণাত্মক বক্তব্য, অশালীন ছবি বা বিতর্কিত কনটেন্ট শেয়ার করার ব্যাপারে প্ল্যাটফর্মটি খুবই কঠোর। এই ধরনের পোস্ট করলে তা দ্রুত মুছে ফেলা হয় এবং ব্যবহারকারীকে সতর্ক করা হয়। নিয়ম ভঙ্গের ঘটনা একাধিকবার ঘটলে অ্যাকাউন্ট স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যেতে পারে।স্প্যাম ধরনের আচরণ করাএকই মন্তব্য বারবার করা, অল্প সময়ে অনেক পোস্টে লাইক দেওয়া বা অকারণে প্রচুর ডাইরেক্ট মেসেজ পাঠানোকে স্প্যাম হিসেবে ধরা হয়। এছাড়া ফলোয়ার বাড়ানোর আশায় তৃতীয় পক্ষের অ্যাপ ব্যবহার করে লগইন করাও ঝুঁকিপূর্ণ। এ ধরনের কাজ নিয়মিত হলে অ্যাকাউন্টের বিরুদ্ধে রিপোর্ট জমা পড়ে এবং শেষ পর্যন্ত সেটি হারানোর সম্ভাবনা তৈরি হয়।সোশ্যাল মিডিয়ায় নিরাপদ থাকতে হলে নিয়ম মেনে চলাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কী পোস্ট করছেন, কোথায় মন্তব্য করছেন এবং কোন ধরনের টুল ব্যবহার করছেন এসব বিষয়ে সচেতন থাকলে নিজের অ্যাকাউন্ট দীর্ঘদিন নিরাপদ রাখা সম্ভব।

AAkash
📅 ২৬ মার্চ, ২০২৬১১
Loading...
সাইবার ফাঁদে ১৩ হাজার নারী

সাইবার স্পেসে প্রতিনিয়ত নানাবিধ হয়রানির শিকার হচ্ছেন নারীরা। ভুক্তভোগী অনেক নারী বেছে নিচ্ছেন আত্মহননের পথ। এ ধরনের অপরাধীরা অনেক সময় এসব ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে হাতিয়ে নেন বড় অঙ্কের টাকা। গত এক বছরে এমন সাইবারের ফাঁদে পড়েছেন ১৩ হাজারেরও বেশি নারী।অসংখ্য ঘটনার মধ্যে সাইবারের ফাঁদে পড়েন মধ্যবয়সি এক নারী। ফেসবুকে পরিচয় হয় আশরাফ নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে। পরিচয়ের ছয় মাস পর তাদের মধ্যে বন্ধুত্বের সম্পর্ক তৈরি হয়। দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ায় প্রেমে।নিয়মিত ভিডিওকলে কথা হয় মেসেঞ্জারে। এক পর্যায়ে ওই নারীকে অনৈতিক প্রস্তাব দেন আশরাফ। কথোপকথনের এক পর্যায়ে সে স্ক্রিন রেকর্ডারের মাধ্যমে ভুক্তভোগী ওই নারীর অশ্লীল ভিডিও ও ছবি ধারণ করে রাখে মোবাইলে। পরে এসব ভিডিও ও ছবি ওই নারীর কাছে পাঠায়।ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার কথা বলে নানা ধরনের হুমকি দেওয়া হয়। ভুক্তভোগী নারী পুলিশের সাইবার সাপোর্ট ফর উইমেনের ফেসবুক পেজে অভিযোগ করেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত আশরাফকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) সূত্র জানায়, গত বছরের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৩ হাজার ৮১৩ নারী সাইবারে অভিযোগ করেন। এর মধ্যে অভিযোগ নেওয়া হয় ৪৮০টির।সমাধান করা হয়েছে ১৬৩টি এবং অভিযোগ মুলতবি রয়েছে ৩১৭টি। এগুলোর মধ্যে ১২ হাজার ৬৩২টি অভিযোগ টেলিফোনের মাধ্যমে সমাধান করেছে সিআইডি।সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান জানান, সাইবারে নানা ধরনের হয়রানির ক্ষেত্রে নারীদের অভিযোগগুলো তারা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করেন। অভিযোগ পাওয়ার পর দ্রুত ওই নারীদের আইনানুগ সহায়তা দেওয়া হয়।পুলিশ সদর দপ্তরের সাইবার সাপোর্ট ফর উইমেনের তথ্যানুযায়ী, ২০২৪ সালে সাইবারের ফাঁদে পড়ে পুলিশের কাছে ৯ হাজার ১৬৫ জন নারী প্রতিকার চান। ভুক্তভোগী এসব নারীর ৪ হাজার ১৩৪ (৪৫ শতাংশই) ডক্সিংয়ের (বিনা অনুমতিতে স্পর্শকাতর ছবি-ভিডিও, তথ্য প্রভৃতি প্রকাশ করা) শিকার হন। ইমপারসোনেশন ৫৩০ (৬.০০ শতাংশ), আইডি হ্যাক ১ হাজার ৩৯৩ (১৭.০০ শতাংশ), ব্ল্যাকমেইলিং ১ হাজার ৭২৪ (১৮.০০ শতাংশ), সাইবার বুলিংয়ের অভিযোগ করেন ৮৭৩ (৯.০০ শতাংশ), আপত্তিকর কনটেন্ট ছড়ানো ২৫৬ (৩.০০), মোবাইল হ্যারেজমেন্ট ২৪১ (২ শতাংশ) এবং অন্যান্য ১৪ জন। সূত্র জানায়, ভুক্তভোগীদের তথ্য আদানপ্রদানে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয় সাপোর্ট সেন্টার থেকে। হয়রানির বিষয়ে তথ্যানুসন্ধান করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয় এখান থেকে। এ ছাড়া ভুক্তভোগীকে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার ও আইনগত পরামর্শও দেওয়া হয়। সম্প্রতি কণা (ছদ্মনাম) নামের ভুক্তভোগী নারী পুলিশ সাইবার সাপোর্ট ফর উইমেনে অভিযোগ করেন। তিনি জানান, গোপনে ধারণ করা তার কিছু গোসলের ছবি কে বা কারা তারই নামে খোলা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি ফেক আইডি থেকে তাকে পাঠিয়েছে। আইডিতে মেসেজ দিয়ে সেসব ছবি কীভাবে পেয়েছে ও আইডি পরিচালনাকারী ব্যক্তির পরিচয় জানতে চান। সে ছবিগুলো ডিলিট করে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। ভুয়া আইডির পরিচালনাকারী কণাকে জানায় যে- সে তার কাছেরই কেউ এবং কণা যখন গোসল করছিল তখন সে ছবিগুলো ধারণ করেছে। এসব ছবি সে ডিলিট করে দিতে রাজি আছে যদি কণা নিজের আরও কিছু আপত্তিকর ছবি এবং ভিডিও নিজে ধারণ করে তাকে পাঠায় কিংবা বড় অঙ্কের টাকা দেয়। এ প্রস্তাবে কণা রাজি না হয়ে আইনি আশ্রয় নেওয়ার কথা জানায়। এতে অপরাধী ক্ষিপ্ত হয়ে কণার গোসলের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন গ্রুপে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। এ সময় কণা তার অভিভাবককে জানান এবং তার বাবাকে নিয়ে নিকটস্থ থানায় অভিযোগ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদুল হক বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীর কিছু আচরণবিধি মানা দরকার। বিভিন্ন সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী একজন নারী সাইবার স্পেসে হয়রানির শিকার হন বা তাকে যখন নানাভাবে অসম্মানজনক মন্তব্য করা হয় অথবা ব্যক্তিগত ছবি ধারণ, অশ্লীল অডিও-ভিডিও ধারণ করে সেটিকে ছড়িয়ে দেওয়া বা হুমকি দেওয়া হয়। এটি ছড়িয়ে দেওয়ার যে অপচেষ্টা দেখি এর মধ্য দিয়ে কিন্তু আমাদের সমাজব্যবস্থায় একজন নারী সামাজিক জীবনে নানা ধরনের ক্ষতি ও প্রশ্নের সম্মুক্ষীণ হন।যারা এ সাইবার স্পেসকে নিজের উদ্দেশ্যে বা অন্যকে হেয় করার জন্য ব্যবহার করে সেটি কখনো কখনো সমাজজীবন বা ব্যক্তিজীবনের ওপর তার প্রভাব তৈরি করতে চায়। এ ধরনের অপরাধীকে সাইবার অ্যাক্ট বা প্রচলিত আইনে বিচার করা সম্ভব, যদি একজন ভুক্তভোগী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অভিযোগ করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার ও বন্ধুত্ব তৈরিসহ সব ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা এবং সচেতনতা অবলম্বন করা উচিত।সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

AAkash
📅 ২১ মার্চ, ২০২৬১৩
Loading...
হোয়াটসঅ্যাপে ‘গেস্ট চ্যাটস’ ফিচার, অ্যাকাউন্ট ছাড়াই করা যাবে মেসেজ

মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপ নতুন একটি ফিচার ‘গেস্ট চ্যাটস’ চালু করতে যাচ্ছে, যার মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট না থাকলেও অন্য ব্যবহারকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে।নতুন এই ফিচারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা একটি বিশেষ লিঙ্ক তৈরি করতে পারবেন। সেই লিঙ্ক শেয়ার করলে প্রাপক কোনো অ্যাকাউন্ট ছাড়াই সরাসরি চ্যাটে যুক্ত হতে পারবেন। এতে এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন নিশ্চিত করা হয়েছে, ফলে বার্তার নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা বজায় থাকবে।প্রতিটি গেস্ট ব্যবহারকারীর জন্য আলাদা আইডি তৈরি হয়, যা এনক্রিপশনে ব্যবহৃত হয়।তবে ‘গেস্ট চ্যাটস’-এ কিছু সীমাবদ্ধতা রাখা হয়েছে। এতে গ্রুপ চ্যাট, ছবি বা ভিডিও শেয়ারিং, ডকুমেন্ট, স্টিকার, জিআইএফ, ভয়েস মেসেজ কিংবা কলিং সুবিধা থাকবে না। এটি কেবল টেক্সট মেসেজিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হবে।চ্যাট লিঙ্কটি এসএমএস, ই-মেইল বা অন্যান্য অ্যাপের মাধ্যমে সহজেই শেয়ার করা যাবে। প্রয়োজনে অতিথি ব্যবহারকারীকে ব্লক করার সুবিধাও থাকবে। তবে এই চ্যাট স্থায়ী নয়—১০ দিন কোনো কার্যক্রম না থাকলে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে এবং নতুন করে লিঙ্ক তৈরি করতে হবে।এদিকে, শিশু ও কিশোরদের জন্যও প্ল্যাটফর্মটিকে নিরাপদ করতে উদ্যোগ নিয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ।‘কিডস ভার্সন’ নামে আলাদা একটি সংস্করণ আনার পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে প্যারেন্টাল কন্ট্রোলের মাধ্যমে ব্যবহার সীমিত থাকবে। এতে সাধারণ সংস্করণের অনেক ফিচার থাকবে না, মূল লক্ষ্য থাকবে নিরাপদ ডিজিটাল অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করা।

AAkash
📅 ১৯ মার্চ, ২০২৬

মোবাইল টিপস

আরও দেখুন →

এই সাব-ক্যাটাগরিতে কোনো পোস্ট নেই।

কম্পিউটার টিপস

আরও দেখুন →
Loading...
অজানা ৩০টি ফিচারে সাজানো উইন্ডোজ ১১: আপনি কতটা কাজে লাগাচ্ছেন?

উইন্ডোজ ১১ অপারেটিং সিস্টেমটিতে রয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক টুল, মাল্টিটাস্কিং সুবিধা, উন্নত নিরাপত্তা অপশন এবং কাস্টমাইজেশনের নানা ফিচার। অনেকেই প্রতিদিন এটি ব্যবহার করলেও এর বেশিরভাগ সুবিধা কাজে লাগাতে পারেন না। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফ্ট নিয়মিত আপডেটের মাধ্যমে উইন্ডোজ ১১-এ নতুন ফিচার যোগ করছে। ফলে কিছু সহজ ট্রিকস জানলে আপনার কম্পিউটার ব্যবহারের অভিজ্ঞতা আরও দ্রুত, নিরাপদ ও কার্যকর হতে পারে।উইন্ডোজ ১১-এর এমন ৩০টি গুরুত্বপূর্ণ ট্রিকস তুলে ধরা হলো।১. স্টার্ট বাটনের অবস্থান পরিবর্তনউইন্ডোজ ১১-এ স্টার্ট বাটন ডিফল্টভাবে টাস্কবারের মাঝখানে থাকে। তবে চাইলে আগের মতো বাম পাশে ফিরিয়ে নিতে পারবেন। Taskbar Settings → Taskbar Behaviors → Taskbar Alignment → Left নির্বাচন করলেই সেটি বাম পাশে চলে যাবে।২. এআই সহকারী ব্যবহার করুনউইন্ডোজ ১১-এ রয়েছে মাইক্রোসফ্ট কপিলট নামের এআই সহকারী। এটি ইমেইল লেখা, টেক্সট ঠিক করা, ছবি তৈরি, কোড লেখা বা ওয়েবপেজের সারসংক্ষেপ তৈরিতে সাহায্য করতে পারে।৩. কুইক সেটিংস প্যানেল কাস্টমাইজওয়াইফাই, ব্লট্যুথ, ব্যাটারি সেভারসহ বিভিন্ন অপশন দ্রুত চালু বা বন্ধ করতে কুইক সেটিংস ব্যবহার করা যায়।৪. একাধিক ভার্চুয়াল ডেস্কটপ তৈরিএকই কম্পিউটারে আলাদা আলাদা কাজের জন্য একাধিক ডেস্কটপ ব্যবহার করতে পারেন।৫. উইজেট দিয়ে দ্রুত তথ্য দেখাউইন্ডোজ ১১-এর উইজেট প্যানেলে আবহাওয়া, সংবাদ, ক্যালেন্ডার, স্টক মার্কেট ও ট্রাফিক আপডেট দেখা যায়।৬. স্ন্যাপ লেআউটস দিয়ে মাল্টিটাস্কিংএকাধিক উইন্ডো সহজে সাজিয়ে কাজ করার জন্য স্ন্যাপ লেআউটস ফিচার ব্যবহার করতে পারেন।৭. ফোনকে কম্পিউটারের সঙ্গে যুক্ত করুনফোন লিংক অ্যাপ দিয়ে স্মার্টফোনের নোটিফিকেশন, কল ও মেসেজ সরাসরি পিসিতে দেখা যায়।৮. পাসকি দিয়ে নিরাপদ লগইনপাসওয়ার্ডের পরিবর্তে পাসকি ব্যবহার করলে লগইন আরও নিরাপদ হয়।৯. ফোকাস সেশনস দিয়ে মনোযোগ ধরে রাখুনক্লক অ্যাপের ফোকাস সেশনস ফিচার ব্যবহার করে নির্দিষ্ট সময় ধরে মনোযোগ দিয়ে কাজ করা যায়।এতে মাঝেমধ্যে ছোট বিরতিরও ব্যবস্থা থাকে।১০. নতুন ফাইল এক্সপ্লোরার সুবিধাট্যাবসহ ফাইল এক্সপ্লোরার ব্যবহার করে একাধিক ফোল্ডার একসঙ্গে খুলে কাজ করা যায়।১১. সব অ্যাপের তালিকা দেখাস্টার্ট মেনু থেকে “অল অ্যাপন” অপশন ব্যবহার করে ইনস্টল করা সব অ্যাপ দেখতে পারবেন।১২. গুরুত্বপূর্ণ অ্যাপ স্টার্ট মেনুতে পিনযেসব অ্যাপ বেশি ব্যবহার করেন সেগুলো স্টার্ট মেনুতে পিন করে রাখতে পারেন।১৩. এআই দিয়ে ছবি সম্পাদনাডিজাইনার, পেইন্ট, ফটোস অ্যাপ ব্যবহার করে ছবি তৈরি বা এডিট করা যায়।১৪. থিম দিয়ে ইন্টারফেস বদলানSettings → Personalization → Themes থেকে নতুন থিম ব্যবহার করা যায়।১৫. স্টার্ট মেনু কাস্টমাইজস্টার্ট মেনুতে সেটিংস, ডকুমেন্টস, পিকচার্স ইত্যাদি শর্টকাট যোগ করা যায়।১৬. অ্যাপ ও ফাইল রিকমেন্ডেশনস্টার্ট মেনুতে সাম্প্রতিক ফাইল ও বেশি ব্যবহৃত অ্যাপের সাজেশন দেখায়।Settings → Personalization → Start১৭. ডিফল্ট অ্যাপ পরিবর্তননির্দিষ্ট ফাইল টাইপের জন্য আলাদা ডিফল্ট অ্যাপ নির্ধারণ করা যায়। Settings → Apps → Default Apps১৮. ব্যাটারি ব্যবহারের বিস্তারিত দেখাপাওয়ার অ্যান্ড ব্যাটারি সেটিংস থেকে কোন অ্যাপ কত ব্যাটারি ব্যবহার করছে তা জানা যায়। Settings → System → Power & Battery১৯. সহজে নতুন অডিও ডিভাইস সংযোগব্লুট্যুথ স্পিকার বা মাইক্রোফোন সহজে যুক্ত করা যায় সাউন্ড সেটিংস থেকে। Settings → System → Sound২০. নতুন অডিও মোডমোনো অডিও বা ইনহেন্স অডিও মোড চালু করলে শব্দের মান উন্নত হয়।২১. নতুন টাচ জেসচারটাচস্ক্রিন ডিভাইসে নতুন মাল্টি-ফিঙ্গার জেসচার ব্যবহার করা যায়।২২. নতুন কিবোর্ড শর্টকাটকিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্টকাট: Win + W → Widgets, Win + A → Quick Settings, Win + Z → Snap Layouts, Win + K → Screen Cast২৩. গেম বার ব্যবহারWin + G চাপলে গেম বার খুলে স্ক্রিন রেকর্ডিং ও পারফরম্যান্স মনিটর করা যায়।২৪. নতুন সাউন্ড রেকর্ডারউইন্ডোজ ১১-এর সাউন্ড রেকর্ডার দিয়ে MP3, WAV ইত্যাদি ফরম্যাটে অডিও রেকর্ড করা যায়।২৫. নতুন মিডিয়া প্লেয়ারনতুন মিডিয়া প্লেয়ার দিয়ে গান শোনা ও ভিডিও দেখা সহজ হয়েছে।২৬. উইন্ডোজ ব্যাকআপ ব্যবহারফাইল, অ্যাপ ও সেটিংস ওয়ানড্রাইভ-এ ব্যাকআপ করে রাখা যায়।২৭. Title Bar Shakeএকটি উইন্ডো ধরে ঝাঁকালে অন্য সব উইন্ডো মিনিমাইজ হয়ে যায়।২৮. নতুন কমপ্রেশন ফরম্যাটফাইল এক্সপ্লোরার থেকে সরাসরি ZIP, TAR বা 7z ফরম্যাটে ফাইল কমপ্রেস করা যায়।২৯. অন্য ডিভাইসের স্ক্রিন পিসিতে দেখুনProject to this PC ফিচার দিয়ে অন্য ডিভাইসের স্ক্রিন কম্পিউটারে দেখানো যায়।৩০. মাউস কার্সর সহজে দেখাঅ্যাক্সেসিবিলিটি সেটিংস থেকে কার্সরের আকার ও রং পরিবর্তন করা যায়।এই ফিচারগুলো ব্যবহার করলে উইন্ডোজ ১১ আরও দ্রুত, নিরাপদ ও কার্যকরভাবে ব্যবহার করা সম্ভব।

AAkash
📅 ১৯ মার্চ, ২০২৬

ফেসবুক টিপস

আরও দেখুন →
Loading...
ফেসবুক–ইনস্টাগ্রামের বাইরে আপনার তথ্য কে শেয়ার করছে, জানবেন যেভাবে

ফেসবুক–ইনস্টাগ্রামের বাইরে আপনার তথ্য কে শেয়ার করছে, জানবেন যেভাবেফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারকারীরা যখন এসব প্ল্যাটফর্মের বাইরে অন্য অ্যাপ বা ওয়েবসাইট ব্যবহার করেন, তখনও তাদের কিছু কার্যকলাপসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করে। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা কাস্টমাইজ করা ও লক্ষ্যভিত্তিক বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্যই এসব তথ্য ব্যবহার করা হয়।ধরা যাক, আপনি কোনো অনলাইন স্টোরে জুতা খুঁজেছেন। সেই ওয়েবসাইট যদি আপনার কার্যকলাপের তথ্য ফেসবুকের সঙ্গে শেয়ার করে, তাহলে পরে Facebook বা Instagram–এ একই ধরনের জুতার বিজ্ঞাপন দেখতে পারেন।তবে ব্যবহারকারীদের জন্য এই তথ্য দেখা ও নিয়ন্ত্রণের সুযোগও রেখেছে মেটা।‘ইওর একটিভিটিজ অফ মেটা টেকনোলজিস’ কীমেটার ‘Your Activity Off Meta Technologies’ ফিচারটি দেখায়—কোন কোন ওয়েবসাইট, অ্যাপ বা প্রতিষ্ঠান আপনার কার্যকলাপের তথ্য ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের সঙ্গে শেয়ার করেছে।এই টুলের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা—নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট বা অ্যাপ বিচ্ছিন্ন করতে পারেনআগের সব কার্যকলাপ মুছে ফেলতে পারেনভবিষ্যতে তথ্য শেয়ার বন্ধ করতে পারেনতথ্য ডাউনলোড করে অফলাইনে পর্যালোচনা করতে পারেনএ ছাড়া ফেসবুকের প্রাইভেসি চেক-আপ টুল ব্যবহার করে কে কী তথ্য দেখতে পাচ্ছে, সেটিও নিয়ন্ত্রণ করা যায়।যেভাবে দেখবেন কোন ওয়েবসাইট তথ্য শেয়ার করছেফেসবুক (ওয়েব সংস্করণ)১. প্রোফাইল আইকনে ক্লিক করে Settings & Privacy থেকে Settings-এ যান।২. Account Center নির্বাচন করুন।৩. Your Information and Permissions-এ ক্লিক করুন।৪. এরপর Your Activity Off Meta Technologies নির্বাচন করুন।ফেসবুক অ্যাপ১. হ্যামবার্গার (তিন দাগ) মেনুতে ট্যাপ করুন।২. Account Center-এ গিয়ে একইভাবে Your Information and Permissions নির্বাচন করুন।৩. তারপর Your Activity Off Meta Technologies এ ট্যাপ করুন।ইনস্টাগ্রাম (অ্যাপ বা ওয়েব)১. প্রোফাইল আইকনে ট্যাপ/ক্লিক করুন।২. Settings থেকে Account Center-এ যান।৩. Your Information and Permissions নির্বাচন করে৪. Your Activity Off Meta Technologies এ প্রবেশ করুন।যেভাবে নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্ট বিচ্ছিন্ন করবেনRecent Activity অংশে গেলে বিজ্ঞাপনদাতা, ব্র্যান্ড বা ওয়েবসাইটের তালিকা দেখা যাবে।যেটি বিচ্ছিন্ন করতে চান সেটি নির্বাচন করে Disconnect বাটনে ক্লিক করুন এবং নিশ্চিত করুন।একাধিক অ্যাকাউন্ট একসঙ্গে বিচ্ছিন্ন করতে চাইলে মূল স্ক্রিনে গিয়ে Disconnect Specific Activity নির্বাচন করুন। এরপর প্রয়োজনীয় অ্যাকাউন্টগুলো বেছে নিয়ে Continue ও Confirm চাপুন।প্রাইভেসি সুরক্ষায় নিয়মিত এ সেটিংসগুলো পর্যালোচনা করা উপকারী।

AAkash
📅 ২০ মার্চ, ২০২৬১১